“মা, মা, আমি পরীক্ষায় পাশ করেছি……”

ডিসক্লেইমারঃ এই পরীক্ষা দিয়ে আমি গ্র্যাজুয়েট ষ্টুডেন্ট থেকে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট হলাম মাত্র, ডঃ হইতে আরো বছর দুয়েক বাকি………

গতকাল প্রায় দেড়যুগব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনের শেষ পরীক্ষাটা দিয়ে ফেললাম- পিএইচডি থিসিস প্রপ্রোজালের ডিফেন্স ছিল দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। আমার থিসিসের বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশী অভিবাসী এবং শ্রমিকরা কেন দেশে টাকা (যা’র সুন্দর, পোষাকি নাম হলো রেমিট্যান্স) পাঠায়? মৌখিক পরীক্ষা, ছোট্ট একটা রুমে চারজন প্রফেসরের প্রশ্নবাণে জর্জরিত হতে হতে আক্ষরিক অর্থেই আমার সময় থমকে গেল।

বিস্তারিত»

শেষ সিগারেট

ছুটে চলা ট্রেনের জানালা দিয়ে মুখ বের করে দিলাম আর দুরন্ত বাতাসে বুজে এলো দুটি চোখ। ডোবায় আধখানা চাঁদের টলমলে প্রতিচ্ছবি দেখতে দেখতে হঠাৎ বৃষ্টির ঝাপটায় এফোঁড় ওফোঁড় করে দিলো মুখ। চাঁদ ও বৃষ্টির এই উদ্ভট সহাবস্থানের কোন ব্যাখ্যা দাড়া করানোর চেষ্টা না করে মাথা ভেতরে এনে জানালা বন্ধ করতে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় সহযাত্রীর প্রশ্ন, “বৃষ্টি পড়ছে?” উত্তর দিলাম, “চাঁদের আলো বৃষ্টি দুটোই পড়ছে।” ইয়ার্কি করছি কিনা সেটা বোঝার জন্যে সহযাত্রীর চোখ মূহুর্তের জন্যে সরু হয়ে আবার আগের অবস্থায় ফিরে এলো।

বিস্তারিত»

অতীন্দ্রিয় না ষষ্ঠইন্দ্রিয়?

সনাতন ধর্মে ‘টিপ’ ব্যবহার শুরুর দিকে ছিল আধ্যাত্মিক! কপালের “টিপ” তখন “তৃতীয় নয়ন” এর রূপকার্থে মুনি ঋষিদের অলংকৃত করত।

হাজার বছর ধরে পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরেও মানুষ খুজে ফিরেছে “আরও” কিছু। আর সেই ‘আরো কিছু’ যে কি? তার সঠিক হদিস আমাদের সাধারন মানুষের কারো কাছে অবশ্যই নেই, হলফ করে বলতে পারি।

কেও ধ্যান মগ্ন থেকে, কেও নৃত্যে,গীতে,তালে,সুরে,লয়ে,জিকিরে-আজগারে সাধারনকে অতিক্রম করে সেই অতীন্দ্রিয়,

বিস্তারিত»

আসেন নামতা শিখি!!

১৯৯৬ সাল।
শাইখ ক্লাস ১ এ পড়ে। প্রথম সাময়িক পরীক্ষা । অংক!!!! ভুতের মুখ আর অঙ্ক পরিক্ষার প্রশ্ন একই রকম।
১০০ নম্বরের পরীক্ষা!!!!!
প্রশ্নপত্রের আগমন। ভুতের চোখের সাথে শাইখের চোখাচোখি হল।!!
প্রশ্নপত্রঃ ১। অঙ্কে লিখ
শাইখঃ পারি
২। কথায় লিখ
শাইখঃ পারি
৩। যোগ কর (হাতে না রেখে)
৪। যোগ কর ( হাতে রেখে)
৫।

বিস্তারিত»

স্টেশন ডায়েরী(ব্যাক্তিগত ডায়েরীর পাতা থেকে)

৩০ নভেম্বার, রাত ৯ঃ১০

খুলনা স্টেশন।

ট্রেন প্রায় দুই ঘন্টা লেট। একটা সিগারেট ফুকতে ফুকতে ওভার ব্রীজে পায়চারী করছিলাম আর কয়েকদিন আগে এই স্টেশনে বসে ভাবা ও পরে লেখা স্টেশনের পাগলকে নিয়ে গল্পটার সমাপ্তি নিয়ে ভাবছিলাম। তারপর খানিকটা ক্লান্ত লাগলে নিচে, ২ নং প্ল্যাটফর্মে নেমেছি। প্লাটফর্মের এ মাথা থেকে ও মাথা; অনেক যাত্রী। কেউ ট্রেন দেরী হওয়ায় বিরক্ত, কেউ গল্পে মশগুল।

বিস্তারিত»

বদলে না যাওয়া ভালোবাসাগুলো

১৯৯৮ সালের জুন মাসের এক তারিখ

আব্বা, আম্মা আর আমি – এই তিনজন গাড়িতে করে টাঙ্গাইল যাচ্ছি। সবাই বললো ক্যাডেট কলেজে চান্স পাওয়া অনেক কঠিন। তাই ঠিক হলো আমাকে ক্যাডেট কোচিং এ দেয়া হবে। যেখানে থাকি সেখানে ভালো কোন কোচিং নেই। অগত্যা টাঙ্গাইলে চলো। ঠিক হলো আবাসিক থেকে কোচিং করবো কয়েক মাস। আজ সেই দিন। আমাকে কোচিং এ রেখে আসা হবে। গাড়িতে আম্মা আমার পাশে বসা।

বিস্তারিত»

সংখ্যা হিসেবে ১২’র প্রভাব বিষয়ক আলোচনা

১।
১২ সংখ্যাটার সাথে আমার যোগাযোগ খুব ভাল। ১২ বছর বয়সে ১২ মে ক্যাডেট কলেজে থেকে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে ১২ সংখ্যাটা ঘুরে ফিরে আসে। নাকি আমি খুঁজে খুঁজে নিয়ে আসি সেটাও ভাববার বিষয়। তবে এটা ঠিক, আমার ক্ষেত্রে ১২ একটি টিপিকাল খেলোয়ারি সংখ্যা। আমার জীবনে ১২’র খেলাধুলার শেষ নেই। উদাহরণে ব্যাপারটা পরিস্কার হবে। নেদারল্যান্ডসে প্রথম যে বাসায় ছিলাম, সেটার ঠিকানা ছিল এডেলইউসস্ত্রাত-১২।

আমার ফ্লোরের ইমিডিয়েট নিচে যে ভদ্রমহিলা থাকতেন,

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৯

সবুজ আঁচল ভেদ করে
আমূল বিঁধিয়ে
প্রেমের সুতীক্ষ্ণ ছোরা
নিরুচ্চারে চিরে দ্যায়,
হন্তারকের এ
কেমন অসুখ!
পিপাসার নামে হায়
ফালি ফালি
হয়ে যায়
তরমুজের
নরোম
লালাভ বুক।

বিস্তারিত»

মুনিয়া

আমার একজোড়া মুনিয়া চাই
কলাপাতা সবুজ আর নীল মেশানো ধুসর
কিংবা আকাশী নীলের মাঝে সাদা ফুটকি,
ওদের জন্য খুব শিগগির বানাব প্রাসাদ
শিকের পরে শিক,লোহার ছোট্ট ফটক
আংটায় লাগাবো ঝালর মখমলী
লাল,নীল,বেগুনী।

খেয়েদেয়ে ভরপেট
শিকের ফাঁকে লম্বা ঠোঁট গলিয়ে
মুনিয়া আমায় শোনাবে কিচিরমিচির,
নরম পালকে হাত বুলিয়ে
দিন ছুটবে তন্দ্রা ভেঙ্গে,
বারেবারে চুম্বক টানে দেখব
দুই মুনিয়ার ঘরসংসার,

বিস্তারিত»

রোজনামচাঃ পর্ব ১- সকাল

ক্লাস ৭ এর প্রথম ছুটিতে যেবার বাড়ি গেলাম প্রথম দিন সকালে মা ঘুম থেকে ডাকলে ইয়েস প্লিজ বলে চিৎকার করে উঠছিলাম ।মা বুঝতে পারে নাই আমি কি বলেছি কিন্তু আমি আমার পরিবর্তন বুঝতে অতিরিক্ত কোন ন্যানো সেকেন্ড ব্যবহার করি নাই ।
কলেজের ৬ বছরে সকালগুলো কয়েকটা রেঞ্জে ফেলা যাই ।সেভেন এ পিটি বেলের অনেক আগে ওঠা , এইটে এ নরকের হোটেল বয় রুপী ডিউটি কাডেটশীপ,নাইনে অন্ধের দেশে ল্যাংড়া কানা রাজার রাজ্য পরিচালনা ওই সকাল থেকেই শুরু।

বিস্তারিত»

স্বার্থপর ইচ্ছা

আকাশ রাঙ্গানোর ইচ্ছা ছিল না আমার
তবুও বার বার রংধনু হয়েছি আকাশ রাঙ্গানোর ইচ্ছায় ।
পাহাড়ের সাথে আলিঙ্গন করার ইচ্ছা ছিল না আমার
তবুও বার বার ঝড়ো বাতাস হয়েছি পাহাড়ের গায়ে কাঁপন ধরাবার ইচ্ছায় ।
সমুদ্রের মাঝে বিলীন হয়ে যাবার ইচ্ছে ছিল না আমার
তবুও বার বার নদী হয়েছি বিলীন হবার ইচ্ছায়  ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
এই সবই করেছি অহেতুক এক স্বার্থপর ইচ্ছায়
কারন তোমাকে জড়িয়ে ধরে ভুলতে চেয়েছি
নিঃশব্দ ক্ষণজন্মা আমার জীবনের বধির সময়গুলিকে…।।

বিস্তারিত»

সিসিবির সামার পিকনিক

সিসিবির পিকনিক হওয়ার কথা ছিল অনেক অনেক দিন আগে। গতবছর একটা তারিখ ঠিক করেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করতে হয়েছিল। এবছরও শীতে আমার ছেলের পরীক্ষা থাকায় করা যায়নি। তারপর আমার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কারণেও পিছিয়েছে। আমাকে বাদ দিয়ে পিকনিকটা হয়ে গেলে কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু কেন যেন এবারের পিকনিকের জায়গাটা ঠিক হয়েছিল পল্লবী-২ এ। আর তাতেই বারবার বিপত্তি! এবার আর কোনো বাধা মানতে রাজি ছিল না অনেকে।

বিস্তারিত»

অতসীদের বাসায় আরেকদিন

অতসীদের পরিবারের সাথে আমার সম্পর্কটা এখন বেশ সহজ। তার বাবা বাদে ফ্যামিলির সবাই আমার সম্পর্কে জানে। তবে তার বাবা জানলে আমার অবস্থা যে কি হবে, সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউই জানে না। আমার নিজের উচ্চতা ছয় ফিট (গর্ব করতাছি না…), সেজন্য মনে হয় আমার থেকে কম উচ্চতার মানুষদের দেখে কখনও ভয় পাব না আমি। কিন্তু এই পাঁচ ফিট দশ ইঞ্চি মানুষটাকে দেখে কেন জানি আমার গলা শুকিয়ে যায়,

বিস্তারিত»

ঘুম ভাঙ্গার পর

অভ্যেসটা ঠিক এমন হলো-
গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়।
ইদানীং আর অবাক হই না,
মধ্যরাতে একলা হাঁটি,
বিন্দু বিন্দু শিশিরগুলো-
জমতে থাকে  নগ্ন পায়ে।

চেনাজানা পথ অচেনা হলে-
কাছে কিংবা দুরে কোথাও
হারানো দিনের বিলাপধ্বনি!
সরু লম্বা কান্ডগুলো,
বিষন্নতার স্তম্ভ যেনো।

দুর আকাশে দু’চোখ মেলি,
কেমন যেনো অন্যরকম!
আকাশ ভরা কান্নাগুলো-
কুয়াশা হয়ে নেমে আসে।

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন #১

রোদেলা দুপুরে
মনের ভিতরে
বৃষ্টিতে শ্রাবণ
বিষণ্ণতায় অবগাহন…।
তুমি আর আমি
অন্ধকার কামী
নিস্তব্দতার মাঝে
হারাবো এই সাঁঝে…।

বিস্তারিত»