অমাবস্যা

তোমার চোখে-
এতো সুখ্যাতি কেন পূর্ণিমার?
তবে কি-
অমাবস্যায় জন্ম আমার অর্থহীন !

তোমায় বলিনি এক বিষণ্ণ ইতিহাস,
অস্থির অরণ্যের-
আমি এক কাঠুরিয়া।
নিষিক্ত ঘামের মুল্যে কুড়িয়েছি কাঠ,
তবুও জ্বলেনি আগুন-
ঝড়ো বৃষ্টির হুঙ্কারে।

এখনও-
কানে বাজে পশুত্বের উপহাস,
নগ্ন পায়ে পিছলিয়েছি-
কঠিন পাথরে।

রূপবতী প্রকৃতি জুড়িয়েছে চোখ-
কিন্ত সাধেনি নীল ভালোবাসা।

বিস্তারিত»

X-Files(অতীন্দ্রিয় না ষষ্ঠইন্দ্রিয়?-১)

‘অবোধ্য জগত’টার প্রতি আমার অদম্য আগ্রহের শুরু সেই শৈশব থেকে।  গ্রাম তখন আক্ষরিক অর্থেই গণ্ডগ্রাম ছিল। একটা ছোট্ট ঘটনা আমার সদ্য কৈশোর মনে প্রচণ্ড নাড়া দিয়ে যায় ।শুরু হয় এক অজানা জগত সম্মন্ধে অন্বেষা।

মুক্তি যুদ্ধ শেষে হয়েছে মাত্র।সকলেরই মনে স্বাধীন একটা ফুরফুরে হাওয়া। গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে বেড়াচ্ছি নিছক শৈশবের চপলতায়।খবর এলো মা’র এক দূর সম্পর্কের বোন কে জীনে ধরেছে। আগেও এক-দু বার ধরেছিল।খবরটা পেয়েই ছুটলাম  তামশা দেখার জন্যে।

বিস্তারিত»

অন্ধপ্রেমিক

আমি এক অন্ধপ্রেমিক,
সারারাত সারাদিন, গেয়ে যাই প্রেমিকার গান
সূর্য-চাঁদ, পাহাড়-নদী,
তরুলতা প্রজাপতি
আলেয়া বা অমানিশা
কখনো আবার বিদিশার দিশা
আরো কত কত-শত উপমার সম্ভার
খুঁজে বেড়াই, তাতেই হারাই,
তাতেই আমার বসবাস।
প্রেমিকা মোর হাসে মিটিমিটি,
তাতেই আমি খাই লুটোপুটি।
আর ওদিকে দুর্বৃত্তের
পড়ে কামাতুর দৃষ্টি,
ছক কষে ধরতে ভাঙ্গতে,
এই আমারি টুটি।

বিস্তারিত»

ফেরারী ৪

পর্ব ১

পর্ব ২

পর্ব ৩

তাকসিম স্কয়ার,ইস্তানবুল,তুরস্ক।ইস্তানবুল তুরস্কের একমাত্র শহর যেটি এশিয়া ইউরোপ দুই মহাদেশেরই অংশ।তাকসিম স্কয়ার পড়েছে ইউরোপ অংশে।

আজিমি বেলকশ।জাতিতে তুর্কী।কিন্তু মা ছিলেন বাংলাদেশী।বয়স যখন ১৫ তখন বাবা মার সাথে বিচ্ছেদ হয়ে যায়,মা চলে গেলেন নিজ দেশে মেয়েকে নিয়ে যেতে দিলো না ওর বাবা।পরের বছর আরেকটা বিয়ে করলেন।সৎ মায়ের ঘরে থাকাটা হয়ে উঠলো অসহ্য।সৎ মায়ের অভিযোগে বাবাও মারধর করতেন প্রায়ই।

বিস্তারিত»

পাগলের মেঘ, পাগলের বৃষ্টি

দুপুর ৩টা ১০, খুলনা রেলওয়ে স্টেশন। সাগর দাঁড়ি এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মকে নির্জন করে ছেড়ে গেল রাজশাহীর দিকে। হঠাৎই নির্জন হয়ে পড়ার একটা সৌন্দর্য্য আছে। তবে এটা খুব অদ্ভুত, আধার থেকে হঠাৎ তীব্র আলোয় বের হলে যেমন হয় আর কি। দূরে অপসৃয়মান ট্রেনের ঝিক ঝিক আর সাইরেন কে ছাপিয়ে ওভার ব্রীজ থেকে হঠাৎ প্রবল অট্টহাসি হেসে উঠে হাবা পাগলা। খুলনা স্টেশনে হাবা পাগলা যে কত বছর ধরে আছে তা বোধহয় একমাত্র বলতে পারবে “আলী রেলওয়ে টি স্টল” এর বৃদ্ধ আহমেদ আলী।

বিস্তারিত»

দেয়ালের প্রতিদিন-২

টিকটিকিটা
আড়চোখে
একবার আমাদের,
একবার পরীর মতো
ডানা ছড়ানো
মথটিকে দেখছিলো

তখন তোমার কাপের কিনারায়
ঘষটে গেছে লিপস্টিক।
ঈর্ষায় পিরিচ ও আমি
যুগপৎ ঝনঝন
কেঁপে উঠেছি, আর
ভেবে চলেছি
এলোমেলো অনামী
প্রসংগ তুলে
কাঁটাগুলোকে
আরেকটু ঠেলেঠুলে
দেয়ালঘড়িতে
কি করে
পাঁচটা বাজানো যায়

এদিকে
সন্তর্পণে জিভ ছুঁড়ে দেবার
ক্ষণ চলে গিয়ে
কাপ জুড়ে
লিপস্টিকের
লাল বিদ্রূপে
টিকটিকির
বিকেল পুড়ে যায়….

বিস্তারিত»

ক্যাডেট জীবনে ঘটনার ঘনঘটা

ঘটনা : ১

আমার ক্যাডেট কলেজের ১ম দিনটা নিয়ে বলতে গেলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের সাহায্য নিয়ে বলতে হবে…… শেষ হইয়াও হইবে না শেষ১টা ব্লগ লিখে ফেললাম অথচ এখনও সব কাহিনী শেষ হয়নি। আরও ১টা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। ঘটনাটা ঘটেছিল আমাদের ক্যাডেট লাইফের ১ম ডিনারের পর, যখন আমরা হাউজে আসলাম। হাউজে এসে জানলাম ক্যাডেটদের নাকি রাতে ঘুমানোর সময় শয়ন পোশাক পরিধান করতে হয়।

বিস্তারিত»

ঘুম, ক্লাস ও একজন ক্যাডেট

এখানে অতিথি সদস্য বাদে যারা আছি সবাই ক্যাডেট নামক প্রাণী । ক্যারওলাস লিনিয়াস বোধহয় তার জীবদ্দশায় এই আজব প্রানীর মুখোমুখি হয় নাই আর ICZN , ICBN এই প্রানীর খবর পাই নাই তাই নির্দিষ্ট কোন সাইন্টিফিক নাম কপালে জোটে নাই। কিন্তু এরা সবাই একই প্রজাতি ভুক্ত। সুনির্দিষ্ট কিছু চারিত্রিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য সবার মধ্যেই বিদ্যমান।

এমনই একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ‘ ক্যাডেট ক্লাসে ঘুমায়
আসল কথা হচ্ছে,

বিস্তারিত»

ভাসছে মানুষ, ভাসছে মানবতা


ডঃ রমিত আজাদ

অনুপ্রবেশ না আশ্রয়, আশ্রয় না অনুপ্রবেশ?
বারবার এই প্রশ্নটি ঘুরপাক খাচ্ছে
মস্তিস্ক থেকে হৃদয়, আর হৃদয় থেকে মস্তিস্ক পর্যন্ত।
শিশুকোলে জননী, স্বামী আর পিতা হরিয়ে দিশেহারা,
অশ্রুও শুকিয়ে গেছে সেই কখন,
বাকরুদ্ধ কন্ঠের ভাষা ফুটে ওঠে নির্বাক চোখের করুন চাহনীতে,
‘বিবেকহীন নৃশংসতার তাড়া খেয়ে ছুটে এসেছি
তোমাদের কাছে ভাই জ্ঞান করে।

বিস্তারিত»

ডেইলি প্যাসেঞ্জার – পর্ব ৩

বি আর টিসির লাল রঙের এসি বাসগুলো একেকটা সাক্ষাৎ মশার আস্তানা। বিশেষ করে সকালবেলার প্রথম ট্রিপটাতে মশার দলবলের পিনপিনানি অটো মিউজিক সিস্টেমের কাজ করে।তার সাথে পাবলিকের মশা মারার চটাস চটাস শব্দ তো আছেই। একদিন মশার পরিমাণ একটু না,অনেক বেশিই ছিল। শেষমেশ পাবলিক বিরক্ত হয়ে ড্রাইভার কে মশা নিধনের উপর টিপস দিতে শুরু করল। এক যাত্রী আবার এক কাঠি সরেস। ড্রাইভার কে বলল, ওই মিয়া এরোসল নাই?

বিস্তারিত»

স্নানপর্ব-৭

ঘাটে
চোখাচোখি হতে’
চোখে ডেকেছিলো।
মন্ত্রমুগ্ধ বালক
কবে’ নেমে গেছে
পুকুরে
এক গলা জলে,
বলেছিলো
প্রণয়ের
হবে বিনিময়
সাঁতার শেখার ছলে!

দুপর গড়ালে
মাছেরা দেখেছে
মেয়েটি কোথা!
ধু ধু পুকুরে
বালক
একাই স্থানু
আকণ্ঠ জলে…

বিস্তারিত»

স্বপ্ন-১

“স্বপ্ন” শব্দটাই আমাদের কেমন যেন স্বপ্নাতুর করে ফেলে। স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে না এমন কোন মানুষ কী এ পৃথিবীতে আছে?? থাকা সম্ভব? শুধু তা-ই নয়, যে কোন স্বপ্ন দেখলেই, বিশেষ করে অদ্ভূত কোন স্বপ্ন দেখলেই আমরা নেমে পড়ি তার রহস্য উদঘাটনে- কী দেখলাম, কেন দেখলাম, স্বপ্নটার কী কী অর্থ থাকতে পারে ইত্যাদি নিয়ে শুরু হয়ে যায় বিস্তর চিন্তা-ভাবনা, কাছের মানুষদের সাথে আলোচনা। কিন্তু মজার ব্যাপার হল এমন অতি চর্চিত বা সাধারন বিষয়টা নিয়ে আমাদের বেশীরভাগ আলোচনাই বিভিন্ন কুসংস্কার বা শোনা কথার ভিত্তিতে হয়ে থাকে,

বিস্তারিত»

হাওয়া বিষয়ক উপদেশ

ছেলেটির মনে হাওয়া লেগেছে, উপদেশ  –

হাওয়া-রে যখন কিনেছিস হাট হতে
ছাড়িসনা তারে তুই সস্তাতে
হাওয়া-রে তুই মন ভরে ভালবাসলে
সে তোরে ভরিয়ে দিবে সুদেআসলে …..।।

মেয়েটির মনে হাওয়া লেগেছে,উপদেশ–

হাওয়া-রে তুই লাগতে দিলি কেন-রে
জানিস তো, হাওয়া থাকে না কোন ঘরে
যদি পারিস, দরজার খিল দিস শক্ত করে
হাওয়া যেন দম বন্ধ হয়ে ভালবাসে তোরে…।।

বিস্তারিত»

প্রলাপঃ প্রেমিকাকে ফেলে এসেছি শেয়ালভরা বনে ও বাঁশিওয়ালা সিরিজ


১.
বলতো আমি কেন আর লিখবো?আমার কি লেখা উচিত?
তুমি যতদিন ছিলে,লিখবার পর মনে হত এ কবিতার একটা উদ্দেশ্য অন্তত তুমি।এখন,লিখতে গেলে যদি কোন দুঃখ ঢুকে পড়ে,লোকে একে ভুল বুঝে ভেবে নেয় এটি তুমিহীনতার নিজস্ব দুখগাঁথা।
এখন বলোতো কেন আমি নিজের এই একান্ত ব্যক্তিগত বিষন্নতা অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দেবো?আমার কি লেখা উচিত?
আজকাল খুব সহজেই তোমার খোঁপায় একটি প্রজাপতি কিংবা তোমার বিছানায় পা ছড়িয়ে বসে থাকবার একটি আনন্দময় দৃশ্যের চিত্রকল্প লিখে ফেলার চেয়ে একটি ভাঙা ব্রীজের পাশে শীতের সন্ধ্যায় তোমার নিঃসঙ্গ বসে থাকবার মনখারাপ একটা ছবি এঁকে ফেলতে বেশী ইচ্ছে হয়।নৌকায় করে একে একে চলে যায় তোমার পক্ষের ক্লাউনেরা।আমরা পাড়ে বসে এসব দেখে হেসে হেসে লিখে ফেলি শত পৃষ্ঠার প্রলাপ সিরিজ।দায়সারা বৃদ্ধকে বলি,

বিস্তারিত»

সীমান্তের হৃদয়বান মানুষেরা অসহায় রোহিঙ্গা মা ও শিশুদের কাছে খাদ্য ও পানীয় পৌছে দিন – মানুষের বাধভাঙ্গা ভালোবাসার কাছে মানুষের হৃদয়হীনতা পরাজিত হোক

সীমান্তের ওপার থেকে সামান্য আশ্রয়ের জন্য ছুটে আসা ঐ মা ও শিশুগুলোর দুঃখ দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনা। আমি নিজেও তো একবার আমার স্ত্রী ও দুধের শিশুকে নিয়ে এমনি বিপদে পড়েছিলাম। ঘটনাটি বছর দশেক আগে, আমি ও আমার স্ত্রী তখন ইউরোপীয় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত। আমাদের সাথে ছিল এক বছরের শিশুপুত্র। তুহীন শীতের রাত, বাইরে মাইনাস দশ ডিগ্রী তাপমাত্রা। খালি গায়ে বাইরে একঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকলে একটি সুস্থ-সবল মানুষ শীতে জমেই মারা যাবে।

বিস্তারিত»