সাহাবী আবদুল্লাহ বিন হুজাফাহ আস সাহমীঃ “প্রতিপালক, শুধু তোমার কাছেই আমি মাথা নুইয়েছি”


রাসুলুল্লাহ সাঃ যখন ইসলামের প্রচার শুরু করেছেন, তখন পৃথিবীর পূর্বাঞ্চলে দুটি সুপার পাওয়ার কর্তৃত্বরত ছিলো। এর একটি ছিলো বাইজেন্টাইন রোমান সাম্রাজ্য আরেকটি হলো পারস্য সাম্রাজ্য। সে সময় বাইজেন্টাইন সম্রাট হলেন হিরাক্লিয়াস আর পারস্য সম্রাট খসরু পারভেজ (আরবীতে বাইজেন্টাইন সম্রাটকে বলা হতো কাইসার আর পারস্য সম্রাটকে কিসরা)। দীর্ঘ সময় ধরে এই দুটি প্রতিবেশী সাম্রাজ্য যুগপত বিস্তার করে চলছিলো তাদের রাজ্যের সীমানা। একই সাথে পরস্পরের সাথে অব্যাহত বিরোধে প্রতিনিয়ত মারা পড়ত তাদের হাজার হাজার সেনাদল।

বিস্তারিত»

অনাহুত এক অনুভুতি

নিশুতি রাতে বসে আছি। আমার নিশুতি শব্দ টা একদম ই ভাল লাগেনা। কেমন যেন লাগে। আসলে প্রতিটা মানুষের ই কিছু কিছু ব্যাপার থাকে যা সে সহ্য করতে পারে না। আমরা বন্ধুরা যাকে বলি গা গুলানো। আহ আসল কথায় আসি, আমি তো এমনিতে এই নিশুতি রাতে মশাদের সাথে অনাহুত রক্তদান কর্মসূচি করতে বসিনি।

একটা ভাঙ্গা ঘরে বসে আছি। চারপাশে জঙ্গল আর ঝি ঝি পোকার ডাক।

বিস্তারিত»

আবারো এক পশলা বৃষ্টি

গতকাল রাতে আবারো এক পশলা বৃষ্টি হয়েছিলো আমার উঠোনে
কেটেছে নির্ঘুম রাত,  ছিলে না তুমি শয়নে স্বপনে ।
বুঝি না ,  আর কতবার ভিজবো এই জীবনে
তবে বুঝি , ভালবাসা অর্থহীন যদি বার বার বৃষ্টি নামাও বিনাকারনে ।

সেদিন পূবের বাতাস যখন এসেছিল আমার জানালায়
সেদিন উম্মত্ত সুখের ভেলায় যখন ভেসেছিলাম তোমার করতোয়ায়,
সেদিন মধ্যরাতে অগাধ নীলিমায় যখন মাথা রেখেছিলাম তোমার কোলে
সেদিন কেন  বলনি আমায় বার বার ভিজাবে তুমি বৃষ্টির নোনাজলে ।

বিস্তারিত»

প্ল্যানচেট

আধি ভৌতিক ব্যাপারে হিল্টুর দারুন বিশ্বাস। জনাথন রিচার্ড হিলটন, ওরফে হিল্টু কলকাতার অ্যাংলো। ওর দাদার বাবা ছিলেন ব্রিটিশ আর্মির বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর। বংশ পরম্পরায় তার চেহারা ও সাস্থ্যকে ধারন করে আছে হিল্টু। ওর দাদা প্রথম বাঙালী বিয়ে করেন, যেটা ছিল বিধবা বিবাহ। দেখতে অবশ্য ও পুরোই বৃটিশ। ঝারা ছয় ফুট দেড় ইঞ্চি, সে রকমই সাস্থ্য, নীল বর্ণ চোখ আর লালচে সাদা চুল। ওকে দেখলেই শীর্শেন্দূ মুখোপাধ্যায়ের “পাগলা সাহেবের কবর” উপন্যাসের পাগলা সাহেবের কথা মনে পড়ে।

বিস্তারিত»

আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ

১.

বাংলাদেশে মহিলা গুন্ডি দের তালিকা করা হইলে শামা কে অনায়াসে চোখ বন্ধ করে এক নম্বরে রাখা যাবে। তার যন্ত্রণায় নুহা (শামার বেস্টফ্রেন্ড) একশ একবার মনে মনে আর দুয়েকবার ভয়ে ভয়ে শামার সামনে আক্ষেপ করে , কোন দুঃখে শামা নামক অতিমানবীর ফ্রেন্ড যে হইছিল । ফ্রেন্ড হইছিল তাও মানা যায়,এক্কেবারে বেস্ট ফ্রেন্ড,আবার মরার উপর খাঁড়ার ঘা রুমমেট ও !! নাহ, বড্ড ঝামেলা করে মেয়েটা।

বিস্তারিত»

আজকে আমার লেখালেখি সার্থক হইল…(গুগল কইর‍্যা আমার লেখা চোর গুলারে পাইলাম)

প্রথমে মেজাজ খারাপ হইসিলো…আমার মত একজন ভাতকবির লেখাও যে চুরি হয় দেইখ্যা গর্বিত বোধ করলাম-
আপনারাও দেখুনঃ-

বিস্তারিত»

রুহুল আর রাদিয়ার গল্প


এই ঢাকা শহরে কোন একসময় রুহুল আর রাদিয়া বাস করতো। তারা দুজন একই সাথে এই শহরের কোন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো। একই বিভাগ। সেই সূত্রে তারা ছিল সহপাঠী। শুধুই সহপাঠী। বন্ধু নয়। আবার শত্রুও নয়। এমন কেউ ছিল না যে দুজনেরই বন্ধু। তাই ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে কিম্বা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তারা কখনও একসাথে আড্ডা দেয়নি, ক্যাফেটেরিয়ায় চা পান করেনি, শর্ট-ফিল্ম দেখতে পাবলিক মিলনায়তনে একত্রে ঘুরতে বের হয়নি।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১৯তম পর্ব

ক্যাডেট কলেজে আমাদের বিনোদনের সবচেয়ে সহজ বা সস্তা উপায় ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা। খুবই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা হত। যেমনঃ প্রেপে চিরাচরিতভাবে গল্প চলছে। পাশ থেকে একজন বলে উঠল, “অই পড়তে দে।” আড্ডা থেকে একজন বলে উঠল, “তাহলে চেয়ার সরা।”

এর সারমর্ম যারা বুঝতে পারেননি তাদের জন্য বলছি, চেয়ার সরালেই তো মেঝেতে পড়ে যাবে। এরূপ কৌতুক(ফ্লপ) করতে বিশেষজ্ঞ ছিল বা হয়তো এখনও আছে মেশকাত,

বিস্তারিত»

দ্বিতীয় জন্ম, প্রথম মৃত্যুর আগে

ক্লাস সেভেন পর্যন্ত বেশ গালভারী একটা নাম ছিল আমার। লোকে জিজ্ঞেস করলে যখন বলতা, তখন অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যেত। মাহিন? মাজিদ? তখন আমি বলতাম, “না, মাহিদ। শেষে “দ” হবে।” সামীউর রহমান নামটা তখন শুধু ব্লু বার্ড স্কুলের নাম ডাকার খাতায়, গড়ে প্রতি ২৮ ঘন্টায় একবার শুনতাম! ঐ স্কুলের প্রথম পিরিয়ডে আরকি! ১৫ বছর আগের আজকের দিনটায় এয়ারপোর্ট রোডের চা বাগানগুলো ছাড়িয়ে যখন সাদা চুনকাম করা দালানগুলো চোখে পড়েছিল,

বিস্তারিত»

ভয়

 

পহেলা বৈশাখের বিকেল বেলা ।রোদ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে । বন্ধুদের সাথে বেরিয়েছে তিয়ানা । স্থানীয় স্কুল মাঠে বসেছে বৈশাখী মেলা। মেলার ভেতর ঢুকতেই নজরে এল নাগরদোলা । হৈ হৈ করে ছুটল সবাই সেদিকে।দু’টো নাগরদোলা বনবন করে ঘুরছে।বন্ধুরা ভিড় ঠেলে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দিল সিরিয়াল ভেঙে সামনে যাওয়ার জন্য।

‘আমি উঠব না।’ গোমড়া মুখে বলল তিয়ানা।

‘কেন !’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে প্রিয়ম।

বিস্তারিত»

বেড়ে ওঠা

সাথে বড় কেউ থাকলে তো প্রশ্নই উঠত না, তবে একা একা রাস্তায় বের হলে বৈদ্যূতিক থামে সাঁটানো সিনেমার পোস্টারে চোখ যেত। বিশেষ করে “এক টিকিটে দুই ছবি” ট্যাগ লাগানো পোস্টারের সেই সব লোহমর্ষক ছবি! তাকানোর সময় অবশ্য মনে হত, বয়সে বড় কেউ দেখল না তো আবার আমাকে? এখন একা একাই এই মেট্রোপলিটন শহরে ঘুরে বেড়াই। চাইলে যখন তখন নির্দ্বিধায় তাকাতে পারি সেসব পোস্টারের দিকে, কিন্তু এখন আর তেমন তাকাতে ইচ্ছে করে না,

বিস্তারিত»

পুতুল নাচের ইতিকথা -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-বিষাদ ভরা উপন্যাসটি

মানিকের অন্যান্য লেখার তুলনায় ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ পড়তে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল আমার।পড়ার জন্য তাগাদা দিয়েছিলেন কাজী স্যার।স্যার প্রায়ই এই বইটির কথা ক্লাসে বলতেন,আর আমার আগে রফিক বইটি পড়ে ফেলেছিল তাই আমিও পড়তে লাগলাম।
বইয়ের শুরুটা অভিনব ও চমৎকার-

‘খালের ধারে প্রকাণ্ড বটগাছের গুঁড়িতে ঠেস দিয়া হারু ঘোষ দাঁড়াইয়া ছিল। আকাশের দেবতা সেইখানে তাহার দিকে চাহিয়া কটাক্ষ করিলেন। …স্থানটিতে ওজনের ঝাঁজালো সামুদ্রিক গন্ধ ক্রমে মিলাইয়া আসিল।

বিস্তারিত»

মরণের ওপারে – ১


————————ডঃ রমিত আজাদ

মৃত্যু একটি সমাপ্তি। এর সাথে জড়িয়ে আছে ভয়, কান্না আর দুঃখ। কেউ কেউ মানসিক প্রশান্তির কথাও বলে থাকে। জানিনা। তবে এটুকু বুঝতে পারি, মৃত্যু রহস্যে ভরা। মৃত্যু কি? দেহের মৃত্যু হয় জানি, তারপর? আত্মা বলে কি কিছু আছে? দেহহীন সেই আত্মা কিভাবে টিকে থাকে? আমাদের এই অপার রহস্যময় জগতে খুব সামান্যই আলোর সন্ধান দিয়েছে বিজ্ঞান।

আমার দেখা প্রথম মৃত্যু ১৯৭৪ সালে।

বিস্তারিত»

ব্যক্তিগত রেসিপি-৮

প্রায় সিগারেটের সমান হয়ে এসে ছাইয়ের লম্বাটে কায়াটা আর পারলোনা, টুপ করে খসে পড়লো মেঝেয়।আরেকটা ধরাবো কি ধরাবোনা ভাবতে ভাবতে মার্লবোরোর প্যাকেটটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকি, অস্থিরতাটুকু আড়াল করবো বলে।
জানলা দিয়ে বারোতলা থেকে আকাশ দেখছে পৃ, দেখেই চলেছে।অনেকক্ষণ কোন শব্দবিনিময় নেই, কেবল মনে মনে নিরুচ্চারে পরষ্পর কথা কয়ে চলেছি দুজনে।ও জানলায়, আমি এইখানে ছাইদানের পাশে উবু হয়ে।
সিগারেটের একচোখা আগুনটাকে পিষে ফেলতে ফেলতে আমি ওকে জিজ্ঞেস করি,

বিস্তারিত»

মিঠু-মন্টির ছড়ার বাকী অন্তরা

ক–এ কলা খ–এ খাই
এতো বেশী খেতে নাই।
গ–এ গরু ঘ–এ ঘাস
কত ঘাস খেতে চাস।
‘ঙ’ বলে, “কোলা ব্যাঙ,
সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ!”
ক – খ – গ – ঘ – ঙ॥

চ–এ চাচা ছ–এ ছাই
দাঁত মাজো। ছাই চাই?
জ–এ জাম ঝ–এ ঝড়
ঝড় এলো জাম পড়।
‘ঞ’–বলে, “মিঞা ভাই,
বিয়ে খাব।

বিস্তারিত»