আমি তোমার সঙ্গে বেঁধেছি আমার প্রাণ

১.

বাংলাদেশে মহিলা গুন্ডি দের তালিকা করা হইলে শামা কে অনায়াসে চোখ বন্ধ করে এক নম্বরে রাখা যাবে। তার যন্ত্রণায় নুহা (শামার বেস্টফ্রেন্ড) একশ একবার মনে মনে আর দুয়েকবার ভয়ে ভয়ে শামার সামনে আক্ষেপ করে , কোন দুঃখে শামা নামক অতিমানবীর ফ্রেন্ড যে হইছিল । ফ্রেন্ড হইছিল তাও মানা যায়,এক্কেবারে বেস্ট ফ্রেন্ড,আবার মরার উপর খাঁড়ার ঘা রুমমেট ও !! নাহ, বড্ড ঝামেলা করে মেয়েটা।

বিস্তারিত»

আজকে আমার লেখালেখি সার্থক হইল…(গুগল কইর‍্যা আমার লেখা চোর গুলারে পাইলাম)

প্রথমে মেজাজ খারাপ হইসিলো…আমার মত একজন ভাতকবির লেখাও যে চুরি হয় দেইখ্যা গর্বিত বোধ করলাম-
আপনারাও দেখুনঃ-

বিস্তারিত»

রুহুল আর রাদিয়ার গল্প


এই ঢাকা শহরে কোন একসময় রুহুল আর রাদিয়া বাস করতো। তারা দুজন একই সাথে এই শহরের কোন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো। একই বিভাগ। সেই সূত্রে তারা ছিল সহপাঠী। শুধুই সহপাঠী। বন্ধু নয়। আবার শত্রুও নয়। এমন কেউ ছিল না যে দুজনেরই বন্ধু। তাই ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে কিম্বা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তারা কখনও একসাথে আড্ডা দেয়নি, ক্যাফেটেরিয়ায় চা পান করেনি, শর্ট-ফিল্ম দেখতে পাবলিক মিলনায়তনে একত্রে ঘুরতে বের হয়নি।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১৯তম পর্ব

ক্যাডেট কলেজে আমাদের বিনোদনের সবচেয়ে সহজ বা সস্তা উপায় ছিল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা। খুবই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কৌতুক(ফ্লপ) করা হত। যেমনঃ প্রেপে চিরাচরিতভাবে গল্প চলছে। পাশ থেকে একজন বলে উঠল, “অই পড়তে দে।” আড্ডা থেকে একজন বলে উঠল, “তাহলে চেয়ার সরা।”

এর সারমর্ম যারা বুঝতে পারেননি তাদের জন্য বলছি, চেয়ার সরালেই তো মেঝেতে পড়ে যাবে। এরূপ কৌতুক(ফ্লপ) করতে বিশেষজ্ঞ ছিল বা হয়তো এখনও আছে মেশকাত,

বিস্তারিত»

দ্বিতীয় জন্ম, প্রথম মৃত্যুর আগে

ক্লাস সেভেন পর্যন্ত বেশ গালভারী একটা নাম ছিল আমার। লোকে জিজ্ঞেস করলে যখন বলতা, তখন অনেকেই দ্বিধায় পড়ে যেত। মাহিন? মাজিদ? তখন আমি বলতাম, “না, মাহিদ। শেষে “দ” হবে।” সামীউর রহমান নামটা তখন শুধু ব্লু বার্ড স্কুলের নাম ডাকার খাতায়, গড়ে প্রতি ২৮ ঘন্টায় একবার শুনতাম! ঐ স্কুলের প্রথম পিরিয়ডে আরকি! ১৫ বছর আগের আজকের দিনটায় এয়ারপোর্ট রোডের চা বাগানগুলো ছাড়িয়ে যখন সাদা চুনকাম করা দালানগুলো চোখে পড়েছিল,

বিস্তারিত»

ভয়

 

পহেলা বৈশাখের বিকেল বেলা ।রোদ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে । বন্ধুদের সাথে বেরিয়েছে তিয়ানা । স্থানীয় স্কুল মাঠে বসেছে বৈশাখী মেলা। মেলার ভেতর ঢুকতেই নজরে এল নাগরদোলা । হৈ হৈ করে ছুটল সবাই সেদিকে।দু’টো নাগরদোলা বনবন করে ঘুরছে।বন্ধুরা ভিড় ঠেলে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে দিল সিরিয়াল ভেঙে সামনে যাওয়ার জন্য।

‘আমি উঠব না।’ গোমড়া মুখে বলল তিয়ানা।

‘কেন !’ অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে প্রিয়ম।

বিস্তারিত»

বেড়ে ওঠা

সাথে বড় কেউ থাকলে তো প্রশ্নই উঠত না, তবে একা একা রাস্তায় বের হলে বৈদ্যূতিক থামে সাঁটানো সিনেমার পোস্টারে চোখ যেত। বিশেষ করে “এক টিকিটে দুই ছবি” ট্যাগ লাগানো পোস্টারের সেই সব লোহমর্ষক ছবি! তাকানোর সময় অবশ্য মনে হত, বয়সে বড় কেউ দেখল না তো আবার আমাকে? এখন একা একাই এই মেট্রোপলিটন শহরে ঘুরে বেড়াই। চাইলে যখন তখন নির্দ্বিধায় তাকাতে পারি সেসব পোস্টারের দিকে, কিন্তু এখন আর তেমন তাকাতে ইচ্ছে করে না,

বিস্তারিত»

পুতুল নাচের ইতিকথা -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়-বিষাদ ভরা উপন্যাসটি

মানিকের অন্যান্য লেখার তুলনায় ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ পড়তে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল আমার।পড়ার জন্য তাগাদা দিয়েছিলেন কাজী স্যার।স্যার প্রায়ই এই বইটির কথা ক্লাসে বলতেন,আর আমার আগে রফিক বইটি পড়ে ফেলেছিল তাই আমিও পড়তে লাগলাম।
বইয়ের শুরুটা অভিনব ও চমৎকার-

‘খালের ধারে প্রকাণ্ড বটগাছের গুঁড়িতে ঠেস দিয়া হারু ঘোষ দাঁড়াইয়া ছিল। আকাশের দেবতা সেইখানে তাহার দিকে চাহিয়া কটাক্ষ করিলেন। …স্থানটিতে ওজনের ঝাঁজালো সামুদ্রিক গন্ধ ক্রমে মিলাইয়া আসিল।

বিস্তারিত»

মরণের ওপারে – ১


————————ডঃ রমিত আজাদ

মৃত্যু একটি সমাপ্তি। এর সাথে জড়িয়ে আছে ভয়, কান্না আর দুঃখ। কেউ কেউ মানসিক প্রশান্তির কথাও বলে থাকে। জানিনা। তবে এটুকু বুঝতে পারি, মৃত্যু রহস্যে ভরা। মৃত্যু কি? দেহের মৃত্যু হয় জানি, তারপর? আত্মা বলে কি কিছু আছে? দেহহীন সেই আত্মা কিভাবে টিকে থাকে? আমাদের এই অপার রহস্যময় জগতে খুব সামান্যই আলোর সন্ধান দিয়েছে বিজ্ঞান।

আমার দেখা প্রথম মৃত্যু ১৯৭৪ সালে।

বিস্তারিত»

ব্যক্তিগত রেসিপি-৮

প্রায় সিগারেটের সমান হয়ে এসে ছাইয়ের লম্বাটে কায়াটা আর পারলোনা, টুপ করে খসে পড়লো মেঝেয়।আরেকটা ধরাবো কি ধরাবোনা ভাবতে ভাবতে মার্লবোরোর প্যাকেটটা নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকি, অস্থিরতাটুকু আড়াল করবো বলে।
জানলা দিয়ে বারোতলা থেকে আকাশ দেখছে পৃ, দেখেই চলেছে।অনেকক্ষণ কোন শব্দবিনিময় নেই, কেবল মনে মনে নিরুচ্চারে পরষ্পর কথা কয়ে চলেছি দুজনে।ও জানলায়, আমি এইখানে ছাইদানের পাশে উবু হয়ে।
সিগারেটের একচোখা আগুনটাকে পিষে ফেলতে ফেলতে আমি ওকে জিজ্ঞেস করি,

বিস্তারিত»

মিঠু-মন্টির ছড়ার বাকী অন্তরা

ক–এ কলা খ–এ খাই
এতো বেশী খেতে নাই।
গ–এ গরু ঘ–এ ঘাস
কত ঘাস খেতে চাস।
‘ঙ’ বলে, “কোলা ব্যাঙ,
সারাদিন ঘ্যাঙ ঘ্যাঙ!”
ক – খ – গ – ঘ – ঙ॥

চ–এ চাচা ছ–এ ছাই
দাঁত মাজো। ছাই চাই?
জ–এ জাম ঝ–এ ঝড়
ঝড় এলো জাম পড়।
‘ঞ’–বলে, “মিঞা ভাই,
বিয়ে খাব।

বিস্তারিত»

নীল দানব

গ্রামের সরল শিশু জিজ্ঞাসে,
বাবা, বাবা, এইটা কি?
বাবা বলে বেলু্ন।
বাবা ওইটা কি?
বাবা বলে ওইটা ফুচকা, তুমি খাবে?
হ্যাঁ , বাবা খাবো।
আবার জিজ্ঞাসা,বাবা ওটা কি?
বাবার সরল উত্তর ,উনি পুলিশ।
উনি কি করে?
চোর ধরে ,ডাকাত ধরে , খারাপ লোক ধরে।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে ডিউটি করে।
উনি কি বেতন পান?
হ্যাঁ,সবাই বেতন পায়।

বিস্তারিত»

বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও ??

১৫  নভেম্বর  ২০০৯

ঢাকা থেকে যাওয়ার আগে ফেসবুক এ একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম

‘ যেদিন কোচিং এর জন্য প্রথম ঢাকাই আসলাম সেদিন এর লক্ষ্য আর আজ যখন চলে যাচছি তখন কার প্রাপ্তি !! হয়ত ফার্মগেটের এই সাত রাস্তার মোড়ের মতই আমাদের জীবনের একটা টার্ন তৈরি হচ্ছে’

ক্লাস ১ থেকে শুরু করে ক্লাস ১২ পর্যন্ত যে কইবার Aim in Life বা জীবনের লক্ষ্য রচনা লিখেছি সব গুলোর বিষয়ই আমি ডাক্তার হব ।

বিস্তারিত»

খাগড়াছড়ি, ভালোবাসার টানে কাছে আনে – ১

হ্যান্ডস ডাউন হতে চাচ্ছিলাম না। কপট রাগের আরো এক ঝাপ্টা গায়ে লাগতেই আর উপায়ন্ত দেখলাম না। অব্যবহিত পূর্বের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হিসাবে ফেরদৌস ভাইয়ের (ফৌজদারহাট, ৯০-৯৬) হাতে বার-বি-কিউ স্টিক দিয়ে উত্তম মধ্যম খাবার আরেকটি সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়ে হ্যান্ডস ডাউন হলাম। অন্ধকার ছাদের এক কোনায় দাঁড়িয়ে বসে থাকা সিনিয়ারদের নিঃশব্দ ভিলেন টাইপের হাসিটা ছিলো অনুভবের ব্যাপার মাত্র। সাইফুল্লাহ ভাইয়ের (রংপুর, ৯০-৯৬) হাতের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ ঝলসে উঠলো বেশ কয়েকবার।

বিস্তারিত»

আজকে তোর ঘন ঘন নিঃশ্বাসে মনে পড়ে

আজকে তোর ঘন ঘন নিঃশ্বাসে মনে পড়ে
রোদবেলার দিনগুলো।
মাঝদুপুর মেঘসাগর একলা চিল একলা চিল
দুই পাখায় ডুবসাতার,একলা চিল কোথায় যায়
মনে পড়ে রাতের পর রাত জেগে অপেক্ষা
ইয়াহুতে অনর্থক বসে থাকা
ফেসবুকে সুখ খোঁজা,নিদ্রাহীন মুখ খোঁজা-আপন মুখ
মনে পড়ে রূপকথার কঠিন শ্লোক
রাজকুমার,পঙ্খীরাজ,গোলপুকুর,কৌটাতে
কঠিন প্রাণ দৈত্যদের খুন করার মিথগুলো
পারদ হয়,আয়না হয় তাই আবার তাই আবার
একটিবার ফোন পাবার গোপন লোভ মনে মনে
ছিপ ফেলে তোর নদীয়
তবুও তুই চুপ থাকিস,কী ভীষণ অবহেলায়
চুপ থাকিস
তাইতো ভোর তোর গুমর দেখতে এসে ভুল করে
ভুল করে লাল সিদুঁর ছড়িয়ে দেয় কপালময়
সংসারী লোকটাকেও পথ দেখায় বিষন্ন সন্ন্যাসী
তোর উরুয় শ্বাস রাখার ইচ্ছেতে হরিণটা দৌড়ে যায়
দৌড়ে যায় এক নিমেষ,মুহুর্তেই চাঁদ উধাও।

বিস্তারিত»