ইদানিং পাবলিক সবাই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে গেসে। বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় সবাই চিরতার রস খাইয়া বের হয় কিনা কে জানে, তাদের কথাবার্তায় রস কসের বড়ই অভাব ! ভাবছিলাম আমার ডেইলি প্যাসেঞ্জার পর্ব ম্যালাদিন বীর বিক্রমে চালু থাকবে পাবলিকের অবদানে, কিন্তু সেই আশায় গুঁড়ে সুরকি মিশ্রিত বালি ! পাবলিক বাসে উঠলে এখন খালি কাইজ্জা করে, একটুও বিনোদন পাওয়া যায়না ! তারপর ও মাঝে মাঝে আখের মত ছেঁচা দিয়া কিঞ্চিৎ রস বের হয় বৈ কি !
বিস্তারিত»খুঁজবো তোকে জীবনের এই বাস্তবতায়. . . .
তুই কী আমার ছন্দ হবি
মনের দ্বিধা দ্বন্দ্ব হবি
অবিশ্বাসের তর্ক হবি
কাব্য লেখার কলম হবি
দীর্ঘশ্বাসের আশা হবি
ভালোবাসার ভাষা হবি
খুব নিশিথে ঘুম ভাঙানোর অ্যলার্ম হবি
জীবন হবি মরন হবি
ফিরে আসার গল্প হবি
অনেক বেলায় আকাশ জুড়ে
ভেসে যাওয়া মেঘ হবি
বৃষ্টি হবি. . .
এক প্রভাতের শুকিয়ে যাওয়া
ক্ষনিক আলোর শিশির হবি
খুঁটে খাওয়া নখের ব্যথায় কষ্ট পাওয়া ব্যথা হবি
জোছনা হবি
রূপ বিলাবি
তুই কি আমার চোখের পাতায় লুকিয়ে থাকা অশ্রু হবি
আমায় ছুঁবি
বিদায় বেলার শেষ প্রহরে.
অভিনন্দন টাইগার্স
এই মুহূর্তে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ সেরা টি২০ দল। এটা আমার বা অন্য কারো ব্যক্তিগত অভিমত নয়, খোদ আইসিসির অফিসিলায় র্যাঙ্কিং তাই বলছে। জানি এটা গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন উঠবে, আমার নিজের কাছেই এই র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা বেশ হাস্যকর লাগছে, যেখানে দুই ম্যাচ আগে আমরা তালিকাতেই ছিলাম না, সেখান থেকে এক লাফে চার নম্বরে! তবে এখন এই র্যাঙ্কিং নিয়ে যত কথাই বলা হোক না কেন, একই পদ্ধতি অনুসরন করে অন্যান্য দেশ যখন টেস্ট,
বিস্তারিত»তোমার নেমন্তন রইল প্রিয়তমা
প্রিয়তমা
চিঠি লিখতে বসে বুঝতে পারছি আমার বাংলা শব্দের ভাণ্ডার কত নিকৃষ্ট মানের। আঙ্গুলের মাথায় শুধু শরীরী শব্দের গড়াগড়ি। জীবন লেখার আগেই যোনি চলে আসে,বিরহ লেখার আগেই আসে বীর্য।
কেমন আছো তুমি? গত কয়েক সপ্তাহে তোমায় বড্ড মিস করেছি। মিস শব্দটির বাংলা আমি জানি না,মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম মা বলেছিল অনুপুস্থিতিতে অনুভব করা। এত কঠিন শব্দ আমার আঙ্গুলে আসে না,যখন লিখছি তখন গিলছি আলু সেদ্ধ,গোল মরিচ,আর রসুনে সেদ্ধ মুরগীর টুকরো করা বুক।
হুমায়ূন আহমেদ : এক অনন্য স্রষ্টা
* এই লেখাটার বয়স ছ’বছর। কলেজ বার্ষিকীতে ছাপাবার জন্যে লেখা। কৈশোর জীবনের অণুপ্রেরণা এই প্রিয় লেখককে শ্রদ্ধা জানাতে সামান্য কিছু প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করে এখানে দিলাম। প্রসঙ্গত, কারো যদি লেখার কোন অংশ নিয়ে দ্বিমত থাকে, তবে নির্দ্বিধায় প্রকাশ করবেন, তবে এতদিন আগে ভিন্ন চিন্তাভাবনা নিয়ে লেখা একটি রচনা নিয়ে তর্ক করবো না!
“আমাকে আর দশটা ছেলের মতো হলে চলবে না। আমাকে হতে হবে অসাধারণ।
বিস্তারিত»অচিনপুরে যাত্রা…
হুমায়ূন আহমেদ চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। ব্যক্তিগত জীবনে তাঁর কিছু কাজের জন্য তাঁকে অপছন্দ করলেও তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য প্রাপ্য সম্মানীয় জায়গাটি ছিল অটুট। আমার একজন প্রিয় মানুষ ছিলেন তিনি। অদ্ভুত এক ধরনের শূন্যতা বোধ করছি।
শিল্প-সাহিত্যে ভয়ংকর রকম দুর্বল আর পিছিয়ে থাকা এই আমার সাহিত্য জগতে যা কিছু বিচরণ তার প্রায় পুরোটা জুড়েই হুমায়ূন আহমেদের গল্প আর উপন্যাস – বাকিটা জাফর ইকবাল, সত্যজিৎ রায় আর আর্থার কোনান ডয়েল এর কিছু লেখা।
বিস্তারিত»আজ আমি কোথাও যাবনা
রসুলপুর।
আমরা থাকি জলিল মাঝির পুকুরের পূর্ব পাশটাতে। জানালা দিয়ে তাকালেই স্কুলের বাচ্চাগুলাকে দেখা যায়। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর সময় এটা। পার্থিব জটিল বিষয় এসময় মাথায় ঢুকেনা,স্কুল পালানো আর কিছু আনুষঙ্গিক অগুরুত্বপূর্ণ চিন্তাই এসময়টাতে প্রাধান্য পায় বেশি।
বৃদ্ধাশ্রম। ইংরেজিতে বলে “old home”.আমি এখানে এসেছি কুড়ি বছর হল।কিবরিয়া এসেছে আরও আগে। বজলুর এসেছে গত বছরের মার্চে।আনিসুর আর আমি একসাথেই ঢুকেছি এখানে।জায়গাটা খুব একটা খারাপ না,
বিস্তারিত»গত ৭ দিনের ৭ কবিতা
১.
রাত বেড়েছে,রাতের সাথে কালো-
মেঘের ছায়া ছুটছে চাঁদের পিছে
তোমার গায়ে পরপুরুষের শ্বাস
কাঁপছো তুমি নিওন আলোর নিচে।
শঙ্খ বাজে দূর সাগরের পাড়ে
মধ্যরাতে চোখ মেলে ফুলকুড়ি
তোমার দেহে অন্যলোকের চোখ
তাতেও তোমার স্পষ্ট বাহাদুরি।
মাদক লাগা হাসনাহেনার ঝাড়ে
পেঁচিয়ে থাকে মোহগ্রস্থ সাপ
অন্ধকারে সে ঠিকই পায় টের
তোমার দেহে পরপুরুষের ছাপ!
একটি নক্ষত্রের বিদায়
আজ সকালে উঠে অভ্যাসবশতঃ অনলাইনে পত্রিকা খুলেই দেখি হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যু-সংবাদ! – আমার কাছে এটা একটা আকষ্মিক সংবাদই। কারণ, পত্রিকা মারফত বেশ কিছুদিন ধরে জানতে পারছিলাম তার শরীরিক অবস্থার ক্রমান্নতির কথা। আশা করেছিলাম তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে আবার ফিরে আসবেন আমাদের মাঝে।
আমার পাঠাভ্যাসে এক বিশাল অংশ জুড়ে আছেন হুমায়ুন আহমেদ। শুরু করেছিলাম তার ‘আমার আছে জল’ আর ‘তোমাদের জন্য ভালোবাসা’ দিয়ে, সে-ই ক্লাস সিক্সে।
বিস্তারিত»হুমায়ূন আহমেদ
আমার এখন হিংসাই হচ্ছে। একটা মানুষ এত মানুষের ভালবাসা পায় কি ভাবে। মাত্র ঘন্টা খানেক পার হয়েছে তার মৃত্যু সংবাদের অথচ দেশ-বিদেশ জুড়ে সবাই শোক-বার্তা পাঠাচ্ছে। বন্ধুর ফোন পাচ্ছি – “শুনেছিস ?”
হুমায়ূনের লেখার ভাষা সহজ সরল – কোন অতিরিক্ত বাহুল্য নেই সেখানে। অথচ এই সহজ ভাষার লেখা দিয়েই সবার মন জয় করেছেন তিনি। এখানে অবশ্য তার লেখা সম্পর্কে কিছু লিখতে বসিনি। ইতিমধ্যে অনেক লেখা বের হবে হুমায়ূনের জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে।
বিস্তারিত»প্রিয় হুমায়ূন আহমেদ
প্রিয় হুমায়ুন আহমেদ,
অনেক আবেগ জমে গেলে আমি লিখতে পারিনা। শ্রাবন মেঘের দিনে তোমার চলে যাওয়াটাও মানতে পারছিনা। এই শ্রাবনে তোমার কোথাও যাবার কথা ছিলনা। শঙ্খনীল কারাগার কিংবা নন্দিত নরক কেউ তোমাকে পাওয়ার যোগ্য নয়। তুমি কৃষ্ণপক্ষের চাঁদ হয়ে আমাদের জোছনা ও জননীর গল্প শোনাবে। তেতুল বনে যে জোছনার রূপ ঝরে পড়বে। মধ্যাহ্নের তীব্র রোদে হিমু হেঁটে চলবে ঢাকার রাস্তায়,তুমি রূপাকে চিরদিনের জন্য তাঁর করে দেবে।
বিস্তারিত»দোয়াপ্রার্থী (ভোট না :p)
আজকে এইচ এস সি ২০১২ এর ফল প্রকাশিত হবে । টেনশনে মাথা খারাপ হবার জোগাড় । কাজেই সব বড় ভাই এবং আপুদের কাছে স্পেশাল দোয়া চাইতেছি ক্যাডেট ২০০৬ ইনটেক এর জন্য । ইনশাল্লাহ ক্যাডেটরা আবার আপনাদের সম্মান রাখতে সক্ষম হবে (আমিন :p )। আর যারা রেসাল্ট দেখতে চাইতেছেন তাদের জন্য এই লিঙ্কটা আশা করি কাজ হবে । ইনশাল্লাহ সব আপডেট জানাবো ।
আপডেট ১ : সর্বমোট ৬১ হাজার জিপিএ ৫
অল্প স্বল্প গপ্পো
ইন্টারনেট এডিকশন নিয়ে আজকাল সবাই বেশ চিন্তিত। নেশাগ্রস্থের মত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে আমাদের শারীরিক, মানষিক, ব্যক্তিগত, সামাজিক ইত্যাদি ইত্যাদি বিভিন্নক্ষেত্রে যে বিরূপ প্রভাব পড়ছে তা নিয়ে বিস্তর গবেষনা চলছে। এর থেকে মুক্তির পথ খুঁজতেও কিছু মানুষ ব্যস্ত। এসকল গবেষনার অগ্রগতি সম্পর্কে আমি নিজে অবশ্য খুব বেশি ওয়াকিবহাল না। তবে নিজেই মনে হয় এক্ষেত্রে দারুন এক অগ্রগতি অর্জন করে ফেলেছি। ইন্টারনেট এডিকশনকে ইন্টারনেটফোবিয়ায় পরিণত করতে আমার খুঁজে পাওয়া এই পদ্ধতি এখন পর্যন্ত ১০০% সফল।
বিস্তারিত»বিদায় বন্ধু ! বিদায়…
সময়টা ঠিক বিকাল নয়, আবার সন্ধ্যাও নয়,
শেষ বিকেলের রোদ প্রায় ম্রিয়মাণ
চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে –
বারান্দায় বসে আবীরের রঙ দেখছি,
সন্ধ্যা নামছে ধীরলয়ে।
বিস্তর মনোনিবেশে আগামীদিনের কর্মব্যস্ততা –
একটু সাজিয়ে নেবার চেষ্টা ; হঠাৎই ছেদ পড়ল তাতে।
হ্যালো ! অপর প্রান্তে বন্ধুর উদ্বেগাক্রান্ত গলা,
কথাগুলো কেমন যেন জড়িয়ে আসছিলো।
বিস্তারিত»আমের দেশে
অনেক দিন শহর থেকে দূরে কোথাও যাওয়া হয়না। নাগরিক জীবনের ছোট ছোট ক্লান্তি গুলো যখন বিশালতায় রূপ নিয়েছে তখন ই হঠাত্ করে রাজশাহী যাওয়ার একটা দাওয়াত এল। উদ্যোগটা ফেরদৌস ভাইয়ের। ফেসবুকে “ম্যাংগো অ্যটাক” নামে একটা ইভেন্ট খুলে পরিচিতদের দাওয়াত পাঠালেন। অনেক দ্বিধা দ্বন্দ আর সংশয়কে কাটিয়ে রাজশাহী যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেললাম। দ্বিধা দ্বন্দ এই অর্থে যে দক্ষিন বঙ্গের বাসিন্দা এই আমার এর আগে কখনো উত্তর বঙ্গে যাওয়া হয়নি।