দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার পদ্মা

কিছু করার নাই। মানিক বন্দোপাধ্যায় সেই কবে পদ্মা নদীর মাঝি লিখেছিলেন। উপন্যাসের নায়ক বা ভিলেন যাই বলেন, তার নাম হোসেন মিয়া। সেই থেকে পদ্মা নদী নিয়ে সব গল্পের নায়কের নামই হোসেন মিয়া। তবে খানিকটা আধুনিকতা দিতে এই গল্পের নায়ক হোসেনের নামের শেষে মিয়া না লিখে নামের শুরুতেই সৈয়দ লেখা যেতে পারে।
আমাদের এই হোসেন মিয়া আবার রাজনীতি করেন। তার এলাকা পদ্মা নদী থেকে একটু দূরে।

বিস্তারিত»

নূপুর কাব্য – ২

(এইনামে একটা সিরিজ কিন্তু চলে ভাইসাব আর বোনসাব, ভুইলেন না মোট্টেও)

১।
কিছু কাজ তো ফেলে রাখা যায় । কিবা এমন জরুরী সেসব ?

এমন কিছু ছিল না শহরের সবকিছু,
মাঝখান দিয়ে একটুখানি রাস্তা, দুধারে দোকানপাট
শহরের শেষ মাথায় স্কুল।
পথ শেষের লালবাড়িটিতে আমরা ক্যালকুলাসের জটিল সব সমাধান করতাম ।
তুই জমিয়ে রাখতি অংক,

বিস্তারিত»

অনাকাঙ্খিত পরিচয়

বাসে ভীড় চমৎকার,

তার মধ্যে আবার-

যাত্রী নেওয়ায় ব্যস্ত কন্ডাক্টর,

সিট অবশ্য পেয়েছি একটা,

আর পাশে বসা মহিলাটাকে দেখছে আমার উৎসাহী চোখটা,

চেনা চেনা লাগে,

মনে হচ্ছে দেখেছি অনেকবার আগে-

কোথাও,

মনে পড়ছে না নামটাও ।

“ওহে টিকিটটা-”, আনমনে দিলাম তা,

“ওহে”- বলে কলেজের এক বন্ধুও ডাকত সবাইকে,

বিস্তারিত»

মুসলমানিত্ব

বাঙালি মুসলমানের মন যে এখনো আদিম অবস্থায়, তা বাঙালি হওয়ার জন্যও নয় এবং মুসলমান হওয়ার জন্যও নয়। সুদীর্ঘকালব্যাপী একটি ঐতিহাসিক পদ্ধতির দরুন তার মনের ওপর একটি গাঢ় মায়াজাল বিস্তৃত রয়েছে, সজ্ঞানে তার বাইরে সে আসতে পারে না। তাই এক পা যদি এগিয়ে আসে, তিন পা পিছিয়ে যেতে হয়। মানসিক ভীতিই এই সমাজকে চালিয়ে থাকে।

(বাঙালি মুসলমানের মন/আহমদ ছফা)


বিস্তারিত»

জনৈক ক্যাডেট কথা…

শোন শোন ভাইসব, শোন দিয়া মন,

জনৈক ক্যাডেট কথা শোন সর্বজন,

সকালে উঠিয়া সে যে মনে মনে কয়-

সারাদিন যেন সে গা বাঁচিয়েই রয়,

আরে – প্যারেড গ্রাউণ্ডে যখন ড্রেস চেকিং হয়,

শেভ-পালিশ নাই বলে পেছনে লুকায়,

প্যারেড ব্রেডের মত গজবের শেষে,

ফর্মক্লাসে এসে সে ঘুমায় নিমেষে ।

 

বিস্তারিত»

কক্সবাজারের ‘হান্ডি’ রেস্টুরেন্ট

(আমার কিছু ভ্রমন আর ফুডপোস্ট অন্য ব্লগে দিয়েছিলাম। এখানে আবার দিলাম সিসিবির জন্য)

জুনের শেষে বউ-বাচ্চাদের নিয়ে বেড়াতে গিয়েছি কক্সবাজার। তখন প্রচন্ড বৃষ্টি আর ঝড় চলছে। অফসিজনে কক্সবাজারের অন্যরকম মজা হলেও তখনকার টানা বৃষ্টি ভোগালোও বেশ। লাবনী বিচ দিয়ে ঝিনুক মার্কেটে সন্ধ্যার পর এসে আটকে রইলাম দীর্ঘ সময়। ইচ্ছা ছিলো সি-ক্রাউন হোটেলের রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাবো। এর আগে অনেকবার ওখানে খেয়েছি আর ওখানকার খাওয়াটা মনে আছে খুব।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট পরিবার এর সাথে যুক্ত হলেন বাংলাদেশের বিখ্যাত একজন ক্রিকেটার

আজ ফেসবুকে বসেই দেখি আমার একজন প্রিয় ক্রিকেটার এবং বাংলাদেশের অন্যতম সেরা স্পিনার রাজ্জাক এর বিয়ে । খুব খুশিও লাগলো । কিন্তু তারপরে এক্সক্যাডেটদের একটা ফেসবুক গ্রুপ Ex Cadets Forum এ যেয়ে দেখি রাজ্জাক এর সাথে যার বিয়ে হয়েছে তিনি আমাদেরই একজন ।উনি হচ্ছেনIshrat Jahan Aony  আপা । উনি MGCC এবং উনার কলেজের অবস্থানকাল ০১-০৭।

খবরটা শুনে খুব খুশি হলাম । আমাদের ক্যাডেট পরিবারের সাথে একজন বিখ্যাত ক্রিকেটার যুক্ত হলেন ।এখন রাজ্জাক শুধু আমার প্রিয় ক্রিকেটারই নন ,এখন থেকে আমার দুলাভাইও বটে 😀

খবরটা জানার পর পরই ঐ আপাকে ফ্রেন্ডশীপ রিকুয়েস্ট পাঠালাম ।

বিস্তারিত»

মনের চোখে

 

প্লাস্টিকের মলাটে বাঁধানো একটি খাতা । যদিও যত্নের কোন অভাব হয়নি তবু খাতাটির ধরণ-ধারণ দেখলে বোঝা যায় এর বয়স অনেক ।প্রায় ৩১-৩২ বছর তো হবেই । মনে মনে হিসেব করে আফসানা আহমেদ।  তার ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে এটি তার সঙ্গী।আফসানার এক মামা থাকতেন লন্ডনে। প্রায়ই ভিউকার্ড পাঠাতেন তিনি । ইংল্যান্ডের দর্শনীয় সব জায়গার ছবিঅলা সুন্দর সুন্দর ভিউকার্ড। এই খাতার পাতায় পাতায় সেগুলো আঠা দিয়ে সেঁটে রাখতে রাখতে হয়ে গেল একটা স্ক্র্যাপবুক ।

বিস্তারিত»

বার্ধক্য

একটা বয়সের পর সব বয়ষ্ক লোকদের মনে হয় তিন ভাগে ভাগ করা যায়।এক দল,যারা খুবি বিরক্ত দুনিয়ার উপরে,প্রচলিত বাংলায় এদের বলে “খাইষ্টা বুইড়া”। এদের একমাত্র কাজ সারাদিন ক্যাচ ক্যাচ করা।আরেকদল থাকেন যারা থাকেন অসুখ বিসুখ এর দোকান,মাথা ব্যাথা,পা ব্যাথা, কোমরে ব্যাথা……এমন কোন জায়গা নাই যেখানে ব্যাথা নাই। আরেক দল থাকেন আনন্দিত বৃদ্ধের দল,এরা খুব খুশি থাকে সবসময়।প্রিয় ছেলেটা দেশ ছেড়ে চলে গেলেও হাসি মুখে আরেকজনের সাথে গল্প করেন-“জানেন ভাই,আমার ছেলেটা আমেরিকা থাকে,ওখানে তার বিরাট বড় একটা বাড়ি আছে…

বিস্তারিত»

পাগলির প্রেমিক

দুটো বিড়ালের ঝগড়াঝাটির শব্দে মিথির ঘুম ভাঙে। হুট করে ঘুম ভেঙ্গে তার মনে হয়েছিল বাইরে বাড়ির সবাই হুলস্থুল কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে আর সে কিছুই জানে না। কিন্তু না!!! বাড়ির বিড়াল দুটো ঝগড়া করছে । অবিকল মানুষের সুর।
শুয়ে শুয়েই আড়মোড়া ভেঙ্গে জানালা দিয়ে বাইরে তাকায় মিথি।জানালার বাইরে শিউলি গাছটায় এখনো আধঝরা কিছু ফুল পাতার উপর বসে আছে। গাছের উপর তৈরি হওয়া মাকড়সার জালটা শিশির কনার ভারে নুইয়ে পড়েছে।

বিস্তারিত»

আর কতো মিথ্যে বোঝাবো নিজেকে

বেশ বোঝা যায়, আশা নেই আর কোন,
নতজানু রক্ত নিয়েছে মেনে এই অর্থহীন জীবন,
তবুও যদি কিছুটা থাকে অস্তিত্বের সম্মান।

জীবন বিক্রিতে হয়েছে  উপার্জন অনেক,
তবে খরচের সুযোগ নেই, সঞ্চয় ছাড়া,
এভাবে আর কতো সমঝোতা, কাপুরুষ ধৈর্য্যধারণ?

কি লাভ? আর, কি হবে?
নিজেকে এভাবে প্রাপ্তিহীন পরাজিত রেখে,
এই নির্মম রাজত্বে দাসত্বই কি অমোঘ পরিনতি!

আমিতো চেয়েছিলাম শোবার ঘরের সহজ নিরাপত্তা,

বিস্তারিত»

সাহাবী আবদুল্লাহ বিন হুজাফাহ আস সাহমীঃ “প্রতিপালক, শুধু তোমার কাছেই আমি মাথা নুইয়েছি”


রাসুলুল্লাহ সাঃ যখন ইসলামের প্রচার শুরু করেছেন, তখন পৃথিবীর পূর্বাঞ্চলে দুটি সুপার পাওয়ার কর্তৃত্বরত ছিলো। এর একটি ছিলো বাইজেন্টাইন রোমান সাম্রাজ্য আরেকটি হলো পারস্য সাম্রাজ্য। সে সময় বাইজেন্টাইন সম্রাট হলেন হিরাক্লিয়াস আর পারস্য সম্রাট খসরু পারভেজ (আরবীতে বাইজেন্টাইন সম্রাটকে বলা হতো কাইসার আর পারস্য সম্রাটকে কিসরা)। দীর্ঘ সময় ধরে এই দুটি প্রতিবেশী সাম্রাজ্য যুগপত বিস্তার করে চলছিলো তাদের রাজ্যের সীমানা। একই সাথে পরস্পরের সাথে অব্যাহত বিরোধে প্রতিনিয়ত মারা পড়ত তাদের হাজার হাজার সেনাদল।

বিস্তারিত»

অনাহুত এক অনুভুতি

নিশুতি রাতে বসে আছি। আমার নিশুতি শব্দ টা একদম ই ভাল লাগেনা। কেমন যেন লাগে। আসলে প্রতিটা মানুষের ই কিছু কিছু ব্যাপার থাকে যা সে সহ্য করতে পারে না। আমরা বন্ধুরা যাকে বলি গা গুলানো। আহ আসল কথায় আসি, আমি তো এমনিতে এই নিশুতি রাতে মশাদের সাথে অনাহুত রক্তদান কর্মসূচি করতে বসিনি।

একটা ভাঙ্গা ঘরে বসে আছি। চারপাশে জঙ্গল আর ঝি ঝি পোকার ডাক।

বিস্তারিত»

আবারো এক পশলা বৃষ্টি

গতকাল রাতে আবারো এক পশলা বৃষ্টি হয়েছিলো আমার উঠোনে
কেটেছে নির্ঘুম রাত,  ছিলে না তুমি শয়নে স্বপনে ।
বুঝি না ,  আর কতবার ভিজবো এই জীবনে
তবে বুঝি , ভালবাসা অর্থহীন যদি বার বার বৃষ্টি নামাও বিনাকারনে ।

সেদিন পূবের বাতাস যখন এসেছিল আমার জানালায়
সেদিন উম্মত্ত সুখের ভেলায় যখন ভেসেছিলাম তোমার করতোয়ায়,
সেদিন মধ্যরাতে অগাধ নীলিমায় যখন মাথা রেখেছিলাম তোমার কোলে
সেদিন কেন  বলনি আমায় বার বার ভিজাবে তুমি বৃষ্টির নোনাজলে ।

বিস্তারিত»

প্ল্যানচেট

আধি ভৌতিক ব্যাপারে হিল্টুর দারুন বিশ্বাস। জনাথন রিচার্ড হিলটন, ওরফে হিল্টু কলকাতার অ্যাংলো। ওর দাদার বাবা ছিলেন ব্রিটিশ আর্মির বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর। বংশ পরম্পরায় তার চেহারা ও সাস্থ্যকে ধারন করে আছে হিল্টু। ওর দাদা প্রথম বাঙালী বিয়ে করেন, যেটা ছিল বিধবা বিবাহ। দেখতে অবশ্য ও পুরোই বৃটিশ। ঝারা ছয় ফুট দেড় ইঞ্চি, সে রকমই সাস্থ্য, নীল বর্ণ চোখ আর লালচে সাদা চুল। ওকে দেখলেই শীর্শেন্দূ মুখোপাধ্যায়ের “পাগলা সাহেবের কবর” উপন্যাসের পাগলা সাহেবের কথা মনে পড়ে।

বিস্তারিত»