প্রলাপ-৮

১।
এ পোড়া দেশেও হায়
বৃষ্টি নামে
চশমায়
তেরচা হয়ে….

মাঠ নয়,
শপিং মলের ধু ধু পার্কিঙে
রোরুদ্যমান দুচোখ
বেদিশা থমকে যায়
চরাচরে শুধু
করুণ গাভীর মতো ভিজে চলে
সারসার গাড়ির কাঁচ

২।
আকাশের মতো
এই জানলা জুড়ে
বৃষ্টির পরোয়ানা নিয়ে
দৈত্যের মতন মেঘ এসে
দাঁড়ালে কোনদিন,

বিস্তারিত»

দূরত্ব

তুমি আর আমি

এখন দুজন দুগ্রহের বাসিন্দা,

কেটে গেছে অনেক দিন, কিন্তু

কমেনি আমাদের মাঝের দূরত্ব;

তারপরও জানি

আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি।

 

চলে গেছে সে ক্ষণ, যখন

তোমার ছায়াকে অনুসরণ করত আমার পদচ্ছাপ,

এখন চলে যায় দিনের পর দিন, তবুও

আমার হৃদয় পায় না তোমার কোমল স্পর্শ;

বিস্তারিত»

স্মৃতির রোমন্থন

আমি আসলে ভালো লেখক না, তাই গল্পের মান খুব ভালো হবে না সেটা আগেই বলে রাখছি। এটাকে ঠিক গল্প বলা ঠিক হবে না, আপনারা এটাকে গল্পগুচ্ছ বলতে পারেন। রবীন্দ্রনাথের ভক্তরা রাগ করবেন না এই ভেবে যে, ব্যাটা গুরুদেবের বইয়ের টাইটেল নকল করছে। হ্যাঁ, নকলই করছি, সেজন্যে আগেই ক্ষমা চাচ্ছি। :boss:

১. অর্থনীতির আব্দুস সামাদ স্যার, আমরা অপেক্ষা করে থাকতাম কখন তার ক্লাশ করব।

বিস্তারিত»

অবশেষে ফিরে এলাম…………………

শেষ পর্যন্ত এক্স ক্যাডেট হয়েই গেলাম !!!!! অনেকদিন আগে সিসিবিতে নিয়মিত থাকতাম । পরে আমাদের(বর্তমান ক্যাডেট) লেখা পোস্ট বন্ধ করে দেয়ার পরে একরকম অভিমানেই সিসিবি ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম । এমন কি অনেক দিন খবর পর্যন্ত রাখিনি । আজ মনে হল রাগ করাটা অযৌক্তিক ছিল । এই কয়দিন সবাইকে অনেক মিস করেছি । সব ভাই আর আপুদের কাছে আজ আবার ফিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগলো ।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজ ট্রাজিডিজ

ক্যাডেট কলেজ ট্রাজিডিজ(১)
আমাদের ইসলাম ধর্মের শিক্ষক ছিলেন আব্দুর রব স্যার( স্যার এর নাতি স্যার এর ছোট ছেলের থেকে বড়),খুবই দয়াশীল শিক্ষক। যত পাতা উত্তর,ঠিক তত নাম্বার। তবে ধর্ম ক্লাস ছিল খুবই বিরক্তিকর। তাই আমরা সেই সব বিরক্তিকর ক্লাসে টয়লেটে গিয়ে তাশ খেলতাম। আমি আর ইফতি Master Shifu ,আর অইদিকে মামুন Mamun Xbcc আর নাজমুল Lumzan Hasan
তেমনি এক আনন্দঘন ক্লাসে সমানে হরতন,রুইতন,ইশকাপন পিটাচ্ছি,আর মুস্তাকিম Mustakim Zanzibar মাসুদ রানা পড়ছে।

বিস্তারিত»

আমার লেখাটা একটু পড়বেন কি?

যাবার কয়েকদিন আগে, প্রিন্সিপাল বাংলোর ল্যাম্ব রোস্টের গন্ধে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম যে, ২ দিন পরে কলেজ থেকে চলে যাবো। চেতনা ফিরলো যখন রানা ভাই এসে একটা হাঁক ছাড়লেন, ভাই কাপড় জমা দেন, কাপড়। হায়রে ক্যাডেট লাইফ। আমার এক ফ্রেন্ডকে প্রায়ই বলতে শুনতাম,”যৌবনের তেজ আর জোরে চাপা ছোটো বাথরুম দুইটাই ক্ষণস্থায়ী। ” সে যদিও হিন্দিতে বলতো আমি একটু অনুবাদ করে দিলাম আর কি! আরে, আর কি লিখতে গিয়ে মনে পড়লো আমাদের আর্কিমিডিস স্যারের কথা মানে ভূগোলের মকবুল স্যারের কথা।

বিস্তারিত»

কিছু অসমাপ্তি-২

৩.সেই বাগানবাড়ির অনেক পরের কথা। আমরা যখন আগের বাসায় ছিলাম, বাসা ছিলো দোতলায়।সারাদিন রিক্সার টুং টাং, বুয়াদের হইচই আর মাঝেমধ্যে গাড়ির শব্দে মুখর থাকতো রাস্তাটা। কিন্তু রাতের বেলায় একদম উল্টো। শান্ত, নিশ্চুপ। বারান্দার কাছেই জ্বলতো একটা সোডিয়াম বাতি। অনেক রাত বারান্দায় বসে নৈঃশব্দের মায়া দেখেই সময় কাটিয়ে দিতাম।
কিন্তু প্রতিদিন রাত ৯-১০টার মাঝে আমার নিরবতা ভেঙে দিয়ে যেত একটা কালো মাইক্রোবাস। গাড়িতে বাজতো অনেক অনেক পুরোনো দিনের হিন্দি সিনেমার গান!

বিস্তারিত»

স্বপ্নচূড়া-২

প্রথম পর্ব

গত দুই দিনে অনুপমার সাথে একটা কথা বলারও সুযোগ হয়ে উঠেনি দিলীপের।প্রথম কাজ যেটা করতে হয়েছে সেটা মাকে মামার বাড়ি রেখে আসতে হয়েছে।স্থানীয় যারা বন্ধু আছে,তাদের সাথে কথা বলে সব ঠিক করতে হয়েছে।সব করতে হয়েছে গোপনে এবং সময় নিয়ে।কয়েকজনকে পুরো ব্যাপারটা বুঝানোও খুব সহজ হয়ে উঠছিল না।এসব করতে করতে অনুপমার সাথে কথা বলার সুযোগই হয়ে উঠেনি।শুধু স্যারের সাথে দেখা করতে যেয়ে একবার চোখে চোখ হয়েছিল একবার,কিছুক্ষণের জন্য।রাতে রওনা দেবার আগে যেভাবেই হোক দেখা করতে হবে।সন্ধ্যার পরে নাট মন্দিরের সামনে দেখা হবার কথা।

বিস্তারিত»

ওরা এগারো জন

এগার জনের দলে আগে থেকে চিনতাম একমাত্র মিনহাজকে। ফৌজদারহাটে আমাদের জুনিয়র। ঢাকায় আমেরিকান সেন্টার এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্কুলে আমাদের কয়েক দফা ওরিয়েন্টেশন হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক। টিকেট চলে এসেছে। কোন হোটেলে আমরা থাকবো তার ওয়েবসাইটও মেইল খুলে দেখে নিয়েছি। সুইমিংপুল আছে, আছে জিমনেশিয়াম, রুমে ইন্টারনেট। বিশাল হোটেল, তার চেয়েও বিশাল এলাকা জুড়ে। দেখতেও চমৎকার। নানা ধরণের জরিপ সফলভাবেই পূরণ করেছি। ভিসার আবেদনও জমা দেওয়া হয়েছে সময়মতো।

বিস্তারিত»

কিছু অসমাপ্তি

১।অনেক ছোটবেলার বাসাটা খুব মনে পড়ে। আশেপাশে যখন সবাই অট্টালিকা বানানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত, আমাদের আর রুলিদের(আমার ছোট্টবেলার বান্ধবী) তখন ছিলো বাগানবাড়ি, ঢাকার একদম মধ্যখানে! বাসার সামনে একচিলতে বাগান,বাবার শখের পেয়ারা গাছ, মায়ের নানান পাতাবাহার, বোনের প্রিয় শিউলী আর আমার আম গাছের দোলনা! খেজুর গাছ ও ছিল একটা, আর কি কি ছিল মনে নেই। এই বাগানের দেয়ালের ধারে বসে আমি দেখতাম অন্য বাচ্চাদের সারাদিনের নানা খেলায় ব্যাস্ততা,

বিস্তারিত»

জনসচেতনতামূলক পোস্ট!!

১।
পদ্ধতি একঃ কাকরাইল মসজিদ বা শাহবাগের মোড় থেকে মৎসভবন চৌরাস্তা পাড় হয়ে দুই থেকে আড়াইশো গজ সামনে এগিয়ে যান। এবার ডাইনে তাকান। ভাল কথা, আপনি যেখানে দাঁড়িয়েছেন এখানে গাড়ি থামানোর নিয়ম নেই, সুতরাং সবচেয়ে ভাল হয় আরেকটু সামনে গিয়ে ফোয়ারা থেকে ইউ টার্ন নিয়ে রাস্তার অপরপাশে চলে আসুন। এবার বামে তাকান।

পদ্ধতি দুইঃ পল্টন থেকে তোপখানা রোড ধরে সোজা আসতে থাকুন।

বিস্তারিত»

দশ বছর পর!

লেখাটা আমার নয়, আমাদের ব্যাচের পাবলিক স্পিকীং এ সবচেয়ে দূর্বল ছেলেটার। তার ব্যাচের গ্রুপে লেখা এক একটা পোষ্ট হয় জ্বালা ধরানো। এই লেখাটা পড়ে মনে হইসে, জীবনে কি করলাম ?? এমন একটা লেখা লিখতেও পারলেও তো হইতো।
ধন্যবাদ যাহীন বিদেশের মাটিতে থেকেও মনে হলো ঘুরে এলাম বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে 🙁

জীবন নিয়ে চিন্তা করাটা আমি আবু রায়হানের কাছ থেকে শিখেছি ।

বিস্তারিত»

“মাঙ্কিজ, ওইদাউট টেইল”!!!

 

 

 

 

 

 

৩০শে মে, ১৯৮১ সাল।

স্টুডেন্টস্ হোস্টেল।পিটার হিলি ওয়েগ ১৩। প্যাডারবর্ণ উনিভার্সিটাট।শনিবারের আলসে সকাল। সবাই ঘুমে বিভোর। আমার রুমের দেয়ালে কানের কাছে ধুম ধুম শব্দ পেতেই পাশ ফিরে ঘুমানোর চেষ্টা করি।এই এক মহা জ্বালাতন। পাশের রুমে ইরানী একটা মেয়ে থাকে।রুশি! কিছু লাগলে কলিং বেল না দিয়ে,

বিস্তারিত»

স্যারদের আদর-ভালবাসা-২

যেকোনো সময় বৃষ্টি ক্যাডেটদের খুব আকাঙ্ক্ষার। এর পেছনে অনেক কারণ, যেমন সকালের বৃষ্টি ফলইন ও পিটি-প্যারেড থেকে বিরত রাখে, ক্লাস টাইমের বৃষ্টি মনকে ভাবুক বা আবেগী করে তোলে এবং ক্লাসে ঘুমানোর আবহাওয়া তৈরি করে দেয়, দুপুরের বৃষ্টি ঘুমাতে হেল্প করে ইত্যাদি আরও অনেক কিছু …।

যাই হোক সেদিন বিকাল থেকেই প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। টি- ব্রেকে, প্রেপে ও ডিনার এ গেলাম করিডোর দিয়ে। ডিনার থেকে আমরা সবাই সবে মাত্র ফর্মে এসেছি।

বিস্তারিত»

‘ বাঙালি’ নামের বন্ধু নদী

কোলের উপর রাখা ব্যাগটা খুলে পানির বোতলটা বের করে নিলাম। প্রায় পুরোটা শেষ করেও তৃষ্ণা মেটেনা আমার, গলাটা শুকিয়ে একেবারে খটখটে হয়ে আছে। দুপুরের এই সময়টায় সবাই খুব ক্লান্ত, ক্লান্তি নেই কেবল মাথার উপর তরল আগুন ঢেলে যাওয়া সূর্যের। অগ্নিদেবের উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে বাসের পেটে গাদাগাদি হয়ে থাকা মানুষগুলো রীতিমতো ধুঁকতে থাকে। কপাল বেয়ে নামতে থাকা নোনাজলের ধারা কিংবা বাসের হেল্পারের একটানা বকে যাওয়াকে উপেক্ষা করে আমি চোখ বুজি।

বিস্তারিত»