অমাবস্যা

তোমার চোখে-
এতো সুখ্যাতি কেন পূর্ণিমার?
তবে কি-
অমাবস্যায় জন্ম আমার অর্থহীন !

তোমায় বলিনি এক বিষণ্ণ ইতিহাস,
অস্থির অরণ্যের-
আমি এক কাঠুরিয়া।
নিষিক্ত ঘামের মুল্যে কুড়িয়েছি কাঠ,
তবুও জ্বলেনি আগুন-
ঝড়ো বৃষ্টির হুঙ্কারে।

এখনও-
কানে বাজে পশুত্বের উপহাস,
নগ্ন পায়ে পিছলিয়েছি-
কঠিন পাথরে।

রূপবতী প্রকৃতি জুড়িয়েছে চোখ-
কিন্ত সাধেনি নীল ভালোবাসা।
প্রতিরোধহীন শীতে ফেটেছে-
আমার তৃষিত ঠোট।
অরণ্যের প্রত্যুষে আমি-
ঘুমাইনি কাঁথা জড়িয়ে।

প্রানবন্ত জীবেরা নেয়নি দলে,
হয়তো ভেবেছে আমি নির্জীব।
নিঃশ্বাসের গাদাগাদি ভীরে–
পেয়েছি একাকিত্বের সূঁচ।

শতাব্দী ব্যাপী নির্ঘুম ক্লান্তিতে, আমি-
গুনতে শুরু করেছিলাম তারা,
কোন এক অমাবস্যায়।

নিকষ আঁধার বেয়ে
তুমি নেমে এলে-
এক ভৌতিক অনুরণনে,
মায়াবিনী হয়ে।

উষ্ণতার ভাঁজে চুপিচুপি জেগে উঠি-
নুতন জন্ম নিয়ে।
আমারে কি দিয়েছ তুমি-
জানো নাই কোনদিন,
কোন এক অমাবস্যায় ।।

 

৪০২ বার দেখা হয়েছে

৮ টি মন্তব্য : “অমাবস্যা”

  1. নূপুর কান্তি দাশ (৮৪-৯০)

    বাহ্‌!দারুণ!
    এধরণের ছবি আমার সবসময় ভালো লাগে, কিন্তু ফোটাতে পারিনা।

    শুধু 'লভিয়াছি' শব্দটা বেমানান লাগছে আমার কাছে।
    'দেয়েছ' বানানটা শুধরে দিও।

    শুভ লেখালেখি। 🙂

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।