ওরা এগারো জন: কারা এরা?

প্রথম পর্ব।।

সারা রাত কেটে গেল গোছগাছ করতে। পিঠটা ব্যাথা করছিল। না পেরে ভোরের দিকে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই ঘুম গ্রাস করে নিল। বাসা থেকে বেরুতে কিছুটা দেরিই হয়ে গেল। ছুটতে ছুটতে বিমানবন্দরে পৌঁছুলাম। সম্ভবত দলের মধ্যে আমিই সবার শেষে!

কিন্তু না। আরো বিষ্ময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। বোর্ডিং পাস নিয়ে ইমিগ্রেশন পেরিয়ে দলের অন্যদের সঙ্গে মিশতেই ফিসফিসানি শুনতে পেলাম।

বিস্তারিত»

আঁচল

১.”কিন্তু মা সবাই শাড়ী পরবে। ভার্সিটির প্রথম পহেলা বৈশাখ। তুমি প্লিজ একটা শাড়ী ম্যানেজ করে পাঠাওনা।” অয়নীর কথা শুনে রাহেলা বেগম ছোট নিঃশ্বাস ফেললেন। চাপা কন্ঠে বললেন, মাগো সবাই শাড়ী পরবে আর তোর ও পরতে হবে এমন কোন কথা আছে? এবছর ই তোর বাবা মারা গেল। অনেক কষ্টে তোকে পড়া খরচ পাঠাই। একটু বোঝার চেষ্টা কর।”
মায়ের কথা শুনে অয়নীর কান্না এল। কোনমতে নিজেকে সংবরন করে বলল,

বিস্তারিত»

আবার আসিবো ফিরে

“আবার আসিবো ফিরে,

এই সিসিবি’র পেইজে

হয়তো সফল হইয়া

হয়তো ভর্তিযুদ্ধে পরাজিত সৈনিকের বেশে।”

জীবনানন্দ দাশ যদি এই কবিতা পড়িতেন তাহা হইলে আমার :chup: :chup: :chup: খাইবার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো। যাই হোক সেদিকে আর কথা বাড়াইতে চাহি না, যাহা বলিতে থুক্কু লিখিতে আসিয়াছি তাহাই লিখিয়া চলিয়া যাই। বেশী গ্যাজাইলে পোস্টে লাইক এবং কমেন্টস কম পড়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকিয়া যায়।

বিস্তারিত»

ঘৃণা

আমি তোমাকে ঘৃণা করি………হ্যাঁ, আমি তোমাকেই ঘৃণা করি……।। ঘৃণা করি তোমাকে………কারন তুমি আমার জীবনে এসেছ। ঘৃণা করি তোমাকে………কেননা আমার জীবনকে সুন্দর করে সাজাতে চেয়েছ তুমি।

 

আমার জীবনটা কখনই খুব সুন্দর ছিল না। আমি ছোট থেকে বড় হয়েছি নিজের একগাদা দুঃখ-কষ্ট নিজের মাঝে জমিয়ে রেখে। নিজের সব কষ্টগুলো সবসময় নিজের মাঝেই রাখতাম আমি। মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হলে একা একা অন্ধকার ঘরে বসে কাঁদি।

বিস্তারিত»

বাস্প উপাখ্যান

তুমি দেখনি-
ফুটন্ত জলের বাষ্পীভবন।
সে-ই ভাল,
আমাকে কি আর-
আলাদা লাগত তখন?

মহাজাগতিক যানে-
তুমি আজ নক্ষত্ররাজ্যে।
আর আমার-
চৌকির চার পা প্লাবিত।
হ্যা-
এখানে আজ মহাপ্লাবন।
ভাসছে স্বপ্ন, সুখ, কামনা-
ঘোলা, নোংরা পানির ঘূর্ণিতে।

অবসর নেই, তবুও-
অবসরে কাটে জীবন,
ক্ষুধামন্দায় আকাশের স্মৃতি।
সহস্র বছর-
রোদ ওঠেনি।

বিস্তারিত»

শেষ চিঠি……..

……,
কি লিখব আর কিভাবেইবা লিখব সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা । স্বপ্নগুলো হারিয়ে ফেলে জীবনপথে পথহারা এক পথিকের মত ইতঃস্তত ঘুরে বেড়াচ্ছি আমি । ঠিক যেন নিঃসঙ্গ,নিভৃতচারী রাতজাগা এক পাখি । জানো,এখনো তোমায় নিয়ে স্বপ্ন সাজাই । বন্ধুরা হাসাহাসি করে,মা ডেকে ঝাড়ি দেয় পড়াশোনা করার জন্য…..। চূড়ান্ত নির্বোধ এই ছেলেটা সারাটা রাত জেগে পার করে দেয়,পাছে তোমায় নিয়ে ভাবার জন্য একটা মূহুর্ত কম পরে যায় জীবন থেকে ।

বিস্তারিত»

উলঙ্গ রাজারা

যে কারনে লিখছি,সেটা হোল সংসদে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় এবং তার বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন।

ব্যক্তিগত ভাবে সায়ীদ স্যারকে আমি খুবই সম্মান করি,উনি একটি বইপড়া মুক্তচিন্তা করতে পারা জাতি চান। প্রমথ চৌধুরীর একটা লাইন মনে পড়ে,তিনি বলেছিলেন হাসপাতালের থেকেও গ্রন্থাগার জরুরী। পক্ষে বিপক্ষে যদিও অনেক কথা চলে,তবু গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।
সায়ীদ স্যার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি। তিনি যে কাজ হাতে নিয়েছেন,যে আলোর পথে মানুষকে আনছেন বলাই বাহুল্য যে উহা মহান।

বিস্তারিত»

ফেরারী ৩

পর্ব ১

পর্ব ২

তিন

মেয়েটার মাথায় আঘাতটা মাপা হয়নি বেশ জোরেই হয়ে গেছে।অনেক খানি কেটে গেছে।বাথরুমে পাওয়া গেল ফার্স্ট এইড কিট সেখান থেকে কিছু তুলা আর গজ দিয়ে কোন রকম ব্লিডিং বন্ধ করার ব্যবস্থা করলো জিকো।ইচ্ছে ছিল না ওর।এই মেয়েটি মরলেও কিছু এসে যায় না।কিন্তু তবুও একটা নিরর্থক প্রাণ নিতে ওর বিবেকে বাধলো। তবে বেশিক্ষন এভাবে মেয়েটিকে রাখা উচিৎ হবে না।

বিস্তারিত»

বন্ধুর পরিচয়ঃ ৯৬-০২ ব্যাচের ক্যাডেট

ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিনের কথা খুব ১ টা মনে পড়েনা। সৃতি কেমন যেন ঝাপসা হয়ে গেছে। যেদিন প্রথম যাব কলেজে সেইদিন ছিল জুনের ৪ তারিখ, সাল ১৯৯৬। আজ থেকে ঠিক ১৬ বছর আগে জুনের ৩ তারিখ ১৯৯৬ সাল, এই দিনে রংপুরের আশে পাশে আমার এক মামার বাসায় উঠেছিলাম একটি অজানা ভবিষ্যতের মধ্যে প্রবেশ করার জন্য। বৃষ্টিতে ভিজে রিক্সায় করে কলেজের সামনে নেমেছিলাম। বৃষ্টির কারনে আমার সাদা জামার হাতায় দাগ পরে গিয়েছিল এটা মনে আছে।

বিস্তারিত»

অপরাহ্ণের ভ্রান্তি

ঘরের জানালা দিয়ে দিনের প্রথম আলোটুকু আমার চোখের উপর পড়ে আমার ঘুমটা ভাঙ্গিয়ে দিলো। জানালা বলা ঠিক হবে না। বলা যায় একটা ফাঁকা জায়গা। জেলে তো আর জানালা থাকে না। আমি অন্যদিনের মতো আলস্য না দেখিয়ে উঠে পড়লাম, সূর্যোদয়টা দেখা দরকার। ফুটোটা দিয়ে যতটুকু পারা যায় দেখে নিলাম। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে সূর্যটা তখন অনেক উপরে উঠে গেছে। মানে বেলা অনেক গড়িয়ে গেছে। মনের অজান্তেই একটা দীর্ঘনিশ্বাস বের হয়ে এলো।

বিস্তারিত»

প্রস্থান

“তাই সবার মত উঠতে হবে আমাকেও কাধে/ বয়ে এতে হবে একই গঙ্গায়/ আমি অন্য কারো হাতের মুঠোয় এক মুঠো ছাই/ আমি অন্য কিছু নই আমি সবাই……।” আজ সকালে উঠেছি অনেক আগে। সবাই ক্লাসে গেছে, আমার ক্লাস শুরু হতে তখনও দেরি। বসে বসে অঞ্জনের এই গানটা শুঞ্ছিলাম, মৃত্যূর কথা ভাবছিলাম। জীবনের চূরান্তটা যদি অন্য সবার মত হল, তবে তো আমি আসলেই আর দশজনের মতো। এখানে কোন তর্ক নেই,

বিস্তারিত»

“প্রভু, তুমি ওদের ক্ষমা করে দিও”!

পচন ধরে মাথা থেকেই। আমাদেরও পচন ধরেছে একেবার শীর্ষ থেকে।সমাজপতি অধিপতি যাদের কে বলে আর কি!

তারাও প্রায় পুরো মাথাই খুইতে বসেছে।আমেরিকা-কানাডা-ওস্ট্রেলিয়ায় মাথা বন্ধক রেখে, ধড় ফেলে রখেছে এদেশে। একমাত্র কাজ, যতটুকু হাতিয়ে নেয়া যায়।

আঁখেরের শান্তিতো ওই দেশেই, এখানে একটু কষ্ট করে রাস্তাঘাট গরম করা,কালো-ধলা বিড়াল খুঁজে বেড়ানো, বিশ-পঞ্চাশ হাজার টাকার মূলধনে একশ কোটি টাকার ব্যবসা ফাঁদা, ব্যাংক ম্যানেজার কে ম্যনেজ করে ভোল্ট হাতিয়ে নেয়া,

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন, ১৯৯৯ ইনটেক

আজ থেকে ১৩ বছর আগে (03/06/1999) আমার জন্ম হয়েছিল, ক্যাডেট হিসেবে। ক্যাডেট কলেজে চান্স পাবার পর যেই বাবা সবাইকে মিষ্টি খাইয়েছিলেন, তিনি কাঁদলেন। চোখের  জলে আমাকে বিদায় দিলেন মা। আমি বুঝলাম, আমার এতদিনের সাজানো জীবন থেকে আামাকে সরিয়ে দেয়া হল। রাগে, ক্ষোভে, দুঃখে আমি কাঁদলাম না। কিন্তু সেই রাতে সীমাহীন শূণ্যতা আমায়  জাপটে ধরল। আমি কেঁদে বালিশ ভিজালাম। আমার  বিগত জীবনের মূত্যু হল। নতুন এক অনাকাঙ্খিত  জীবন লাভ করলাম।

বিস্তারিত»

টীন এজার

৩রা জুন, ১৯৯৯ থেকে ২০১২ , পাক্কা তের টা বছর ! । কলেজের এ্যালবাম খুলে নিজের ছবি দেখে সবার মনে একটা কথাই আসে, ইস ,আমরা কি পিচ্চি ছিলাম ! ;)) বিশ্বাস ই হতে চায়না কবে এত্ত বড় হয়ে গেলাম থুক্কু বুড়ী  ;;;  হয়ে গেলাম । পিছন ফিরে তাকালে হুড়মুড় করে ছয়টা বছর চোখের সামনে এসে দাঁড়ায় ।

ক্লাস সেভেনে প্রথমের দিকে , তখন মনে হয় আমরা দুনিয়ার সবচেয়ে আজিব চিড়িয়া ছিলাম  O:-) অবশ্য ক্লাস সেভেনটা এমনই,

বিস্তারিত»

ডিডিপি’র জিডিপি

ফাইয়াদ, তুই কি ডিডিপি তে গেছস এইবার?
না, যাই নাই। ডিডিপি মানে কি ক আগে।
জানিনা। দোস্ত, তুই এইবার বিতর্কে যাবি হাউস থেকা।
মজা করিস না।
আমারে বাঁচা, আর কাউরে খুইজা পাইতাছিনা।
তাই বইলা আমারে?
না করিস না, তুই না ভালো। হাউস মাস্টার আমারে জ্বালাইতাসে নামের লাইগা। সবাই কোন না কোনডাতে গেসে, খালি তুইই বাকী।

আমি ছয় দাগ ক্যাডেটের কাছে ডাবল স্টার হাউস প্রিফেক্টের এই হলো আবেদন।

বিস্তারিত»