বদলে না যাওয়া ভালোবাসাগুলো

১৯৯৮ সালের জুন মাসের এক তারিখ

আব্বা, আম্মা আর আমি – এই তিনজন গাড়িতে করে টাঙ্গাইল যাচ্ছি। সবাই বললো ক্যাডেট কলেজে চান্স পাওয়া অনেক কঠিন। তাই ঠিক হলো আমাকে ক্যাডেট কোচিং এ দেয়া হবে। যেখানে থাকি সেখানে ভালো কোন কোচিং নেই। অগত্যা টাঙ্গাইলে চলো। ঠিক হলো আবাসিক থেকে কোচিং করবো কয়েক মাস। আজ সেই দিন। আমাকে কোচিং এ রেখে আসা হবে। গাড়িতে আম্মা আমার পাশে বসা।

বিস্তারিত»

সংখ্যা হিসেবে ১২’র প্রভাব বিষয়ক আলোচনা

১।
১২ সংখ্যাটার সাথে আমার যোগাযোগ খুব ভাল। ১২ বছর বয়সে ১২ মে ক্যাডেট কলেজে থেকে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে ১২ সংখ্যাটা ঘুরে ফিরে আসে। নাকি আমি খুঁজে খুঁজে নিয়ে আসি সেটাও ভাববার বিষয়। তবে এটা ঠিক, আমার ক্ষেত্রে ১২ একটি টিপিকাল খেলোয়ারি সংখ্যা। আমার জীবনে ১২’র খেলাধুলার শেষ নেই। উদাহরণে ব্যাপারটা পরিস্কার হবে। নেদারল্যান্ডসে প্রথম যে বাসায় ছিলাম, সেটার ঠিকানা ছিল এডেলইউসস্ত্রাত-১২।

আমার ফ্লোরের ইমিডিয়েট নিচে যে ভদ্রমহিলা থাকতেন,

বিস্তারিত»

প্রলাপ-৯

সবুজ আঁচল ভেদ করে
আমূল বিঁধিয়ে
প্রেমের সুতীক্ষ্ণ ছোরা
নিরুচ্চারে চিরে দ্যায়,
হন্তারকের এ
কেমন অসুখ!
পিপাসার নামে হায়
ফালি ফালি
হয়ে যায়
তরমুজের
নরোম
লালাভ বুক।

বিস্তারিত»

মুনিয়া

আমার একজোড়া মুনিয়া চাই
কলাপাতা সবুজ আর নীল মেশানো ধুসর
কিংবা আকাশী নীলের মাঝে সাদা ফুটকি,
ওদের জন্য খুব শিগগির বানাব প্রাসাদ
শিকের পরে শিক,লোহার ছোট্ট ফটক
আংটায় লাগাবো ঝালর মখমলী
লাল,নীল,বেগুনী।

খেয়েদেয়ে ভরপেট
শিকের ফাঁকে লম্বা ঠোঁট গলিয়ে
মুনিয়া আমায় শোনাবে কিচিরমিচির,
নরম পালকে হাত বুলিয়ে
দিন ছুটবে তন্দ্রা ভেঙ্গে,
বারেবারে চুম্বক টানে দেখব
দুই মুনিয়ার ঘরসংসার,

বিস্তারিত»

রোজনামচাঃ পর্ব ১- সকাল

ক্লাস ৭ এর প্রথম ছুটিতে যেবার বাড়ি গেলাম প্রথম দিন সকালে মা ঘুম থেকে ডাকলে ইয়েস প্লিজ বলে চিৎকার করে উঠছিলাম ।মা বুঝতে পারে নাই আমি কি বলেছি কিন্তু আমি আমার পরিবর্তন বুঝতে অতিরিক্ত কোন ন্যানো সেকেন্ড ব্যবহার করি নাই ।
কলেজের ৬ বছরে সকালগুলো কয়েকটা রেঞ্জে ফেলা যাই ।সেভেন এ পিটি বেলের অনেক আগে ওঠা , এইটে এ নরকের হোটেল বয় রুপী ডিউটি কাডেটশীপ,নাইনে অন্ধের দেশে ল্যাংড়া কানা রাজার রাজ্য পরিচালনা ওই সকাল থেকেই শুরু।

বিস্তারিত»

স্বার্থপর ইচ্ছা

আকাশ রাঙ্গানোর ইচ্ছা ছিল না আমার
তবুও বার বার রংধনু হয়েছি আকাশ রাঙ্গানোর ইচ্ছায় ।
পাহাড়ের সাথে আলিঙ্গন করার ইচ্ছা ছিল না আমার
তবুও বার বার ঝড়ো বাতাস হয়েছি পাহাড়ের গায়ে কাঁপন ধরাবার ইচ্ছায় ।
সমুদ্রের মাঝে বিলীন হয়ে যাবার ইচ্ছে ছিল না আমার
তবুও বার বার নদী হয়েছি বিলীন হবার ইচ্ছায়  ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
এই সবই করেছি অহেতুক এক স্বার্থপর ইচ্ছায়
কারন তোমাকে জড়িয়ে ধরে ভুলতে চেয়েছি
নিঃশব্দ ক্ষণজন্মা আমার জীবনের বধির সময়গুলিকে…।।

বিস্তারিত»

সিসিবির সামার পিকনিক

সিসিবির পিকনিক হওয়ার কথা ছিল অনেক অনেক দিন আগে। গতবছর একটা তারিখ ঠিক করেও শেষ মুহূর্তে বাতিল করতে হয়েছিল। এবছরও শীতে আমার ছেলের পরীক্ষা থাকায় করা যায়নি। তারপর আমার যুক্তরাষ্ট্র সফরের কারণেও পিছিয়েছে। আমাকে বাদ দিয়ে পিকনিকটা হয়ে গেলে কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু কেন যেন এবারের পিকনিকের জায়গাটা ঠিক হয়েছিল পল্লবী-২ এ। আর তাতেই বারবার বিপত্তি! এবার আর কোনো বাধা মানতে রাজি ছিল না অনেকে।

বিস্তারিত»

অতসীদের বাসায় আরেকদিন

অতসীদের পরিবারের সাথে আমার সম্পর্কটা এখন বেশ সহজ। তার বাবা বাদে ফ্যামিলির সবাই আমার সম্পর্কে জানে। তবে তার বাবা জানলে আমার অবস্থা যে কি হবে, সেটা আল্লাহ ছাড়া কেউই জানে না। আমার নিজের উচ্চতা ছয় ফিট (গর্ব করতাছি না…), সেজন্য মনে হয় আমার থেকে কম উচ্চতার মানুষদের দেখে কখনও ভয় পাব না আমি। কিন্তু এই পাঁচ ফিট দশ ইঞ্চি মানুষটাকে দেখে কেন জানি আমার গলা শুকিয়ে যায়,

বিস্তারিত»

ঘুম ভাঙ্গার পর

অভ্যেসটা ঠিক এমন হলো-
গভীর রাতে ঘুম ভেঙ্গে যায়।
ইদানীং আর অবাক হই না,
মধ্যরাতে একলা হাঁটি,
বিন্দু বিন্দু শিশিরগুলো-
জমতে থাকে  নগ্ন পায়ে।

চেনাজানা পথ অচেনা হলে-
কাছে কিংবা দুরে কোথাও
হারানো দিনের বিলাপধ্বনি!
সরু লম্বা কান্ডগুলো,
বিষন্নতার স্তম্ভ যেনো।

দুর আকাশে দু’চোখ মেলি,
কেমন যেনো অন্যরকম!
আকাশ ভরা কান্নাগুলো-
কুয়াশা হয়ে নেমে আসে।

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন #১

রোদেলা দুপুরে
মনের ভিতরে
বৃষ্টিতে শ্রাবণ
বিষণ্ণতায় অবগাহন…।
তুমি আর আমি
অন্ধকার কামী
নিস্তব্দতার মাঝে
হারাবো এই সাঁঝে…।

বিস্তারিত»

সিসিবির পিকনিক এবং আমরা কয়েকটি প্রান

সানাউল্লাহ ভাইয়ের পল্লবীর বাসাটা খুঁজে পেতে একটু বেগ ই পেতে হল। যদিও সামিয়া আপু ম্যাপ দিয়েছিলেন কিন্তু যে কোন আগন্তুক এর কাছে বাসা খুঁজে পাওয়া এক প্রকার অসম্ভব কাজ। এ গলি ও গলি পার হয়ে যখন বাড়ীর গেটের সামনে পৌঁছালাম তখন পড়ন্ত বিকেল। বাসায় ঢুকতেই পিকনিক পিকনিক একটা গন্ধ পাওয়া গেলো। আমার পাওয়া ক্যাডেট কলেজ ব্লগের প্রথম পিকনিক। তাই উত্তেজনা একটু বেশিই ছিল। ব্লগে সবাইকে চিনলেও বাস্তবে অনেককেই চিনিনা তাই পাবন ভাইকে বলে রেখেছিলাম পিকনিকে আসতে।

বিস্তারিত»

অপরিচিত কিংবা অর্ধ পরিচিত মানুষ ও জীবনের গল্প

গল্প লিখতে বসলে গল্পের চরিত্র নিয়ে কাহিনী ও নাম সংকটে পরে যেতাম প্রথম প্রথম। বাস্তব আর গল্পের অসমতায় প্রভাবিত হয়ে গল্পের প্লট নিয়েই সন্দেহাতুর হয়ে যেতাম। বাস্তবের ঘটনাগুলো গল্পের মতো অভিনব হয় না নাকি গল্প বাস্তবের মত জীবন্ত হয় না এ নিয়েই দ্বিধা কাজ করতো মনে। কাহিনী তাই গড়ে উঠে বয়ে চলা জীবনগুলোর একটার সাথে আরেকটার কাহিনীর যোগ বিয়োগে। অদেখা জীবন গল্পে চলে এলে সেই জীবনের বাস্তবতার চেয়ে সেই জীবন নিয়ে রোমান্টিক ভাবনায় স্টেরিও টাইপ কাহিনী গড়ে উঠে।

বিস্তারিত»

না-পাঠানো চিঠি

‘আয়!’-
বলে ডাক দিতেই
হায়
পিলপিল করে
উঠে আসে তারা,
আসকারা
পেয়ে
টেবিল
বেয়ে
নেমে
অক্ষরের
সে বেহায়া
মিছিল
আশ্লেষে
ছড়িয়েছে
গোটা পাড়া

সবখানে
হাসাহাসির সে কি
ধুম লেগে গেছে
তুমিই বোঝনি এসব
অপ্রতিভ ইশারা

বিস্তারিত»

ফুলের পাঁপড়িতে আন্দোলন

ফুলের পাঁপড়িতে আন্দোলন
– রমিত আজাদ

ভুল হয়ে গেছে কি?
ভুল তো হয়েই যাচ্ছে,
ক্রমাগত আরো ভুল হয়তোবা হবে।
ভুল করি বলেই তো আমরা মানুষ,
অথবা মানুষ বলেই আমরা ভুল করি।
বারবার ভুলে গেলে বলি ভুলো মন,
আর ভুল করে মন দিয়ে দিলে বলি,
মনের ভুল!!
মনের কারণে ভুল হতে দিলে
কতটুকু অপরাধ হবে?

বিস্তারিত»