এরা আমার সম্পত্তি নয়,সম্পদ-১(আমার ক্যাকটাস কালেকশন)

আমাদের বাসার সামনে উপজেলা অফিস।প্রতি বছর সেখানে কৃষিমেলা নামক কিছু একটা ব্যাপার হয়।খুব ছোটবেলা স্থানীয় এক কলেজ অধ্যাপক তার পিএইচডি এর জন্য যোগার করা ক্যাকটাস দিয়ে একটা স্টল দিয়েছিলেন।তখন খুব ভাল লেগেছিল।প্রায়ই মনে পড়ত সে স্মৃতি ।মিশনে আসার বছরখানেক আগে হঠাৎ করে মাথায় পোকা ঢুকল ক্যাকটাস কালেকশন করার। কারণ দেখতে সুন্দর,যত্ন খুব বেশি করা লাগেনা।মাথায় চিন্তা আসা মাত্রই কাজে নেমে পড়লাম।তবে যোগার করতে গিয়ে টের পেলাম ব্যাপারটা অত সহজ না।কারণ সব নার্সারিতেই কিছু কমন প্রজাতির বাইরে কিছু পাওয়া যায় না।

বিস্তারিত»

আর একটা দিন

এক একটা দিন যায়, বিষণ্ণতা কেমন জড়িয়ে জড়িয়ে ধরে। বিশ্ববিদ্যালয় পেরুনো মনটা আমার বারবার প্রশ্ন করে, এইটেই কি জীবন? ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। একদিন বাসায় ফেরার পথে আকাশ জুড়ে হেলিকপ্টারের শব্দ। প্রথমে ভাবলাম তপন চৌধুরী বুঝি খুব মিটিং করে বেড়াচ্ছেন। (রিসেন্টলি নতুন তথ্য জানলাম যে স্কয়ারের তপন চৌধুরী নাকি জ্যামের কারণে এখনে গাড়িতে চড়া ছেড়ে হেলিকপ্টারে ওঠা শুরু করেছেন। তার প্রতি অফিসের মাথায় আছে সুদৃশ্য হেলিপ্যাড।

বিস্তারিত»

গাবদা

শেষ রাতের দিকে বৃষ্টি নামল। ঝুম বৃষ্টি। করিডরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়ার চেষ্টা করলাম। চোখের পাতা ক্রমেই ঝাপসা হয়ে এল। গাবদাকে মনে পড়ে। গাবদা মানে ওয়াহেদ। আদর করে নাম দিয়েছিলাম গাবদা। একটু মোটা ছিল। ক্যাডেট কলেজের সামরিক পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়তো একটু কষ্টও হয়েছিল। এক সন্ধ্যার কথা। সেনাবাহিনীর এক সদস্য গাবদাকে প্যারেড শেখাচ্ছে। গাবদার মোটা দেহ বেয়ে দরদর করে ঘাম নামছে। ততক্ষণে খেলার সময় শেষ।

বিস্তারিত»

নীলুর জন্য ভালবাসা

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই হাসান সাহেবের মেজাজটা খিটখিটে হয়ে গেল। বিছানায় ছোট ছেলেটা বিপুল উৎসাহে পিপি করে দিয়েছে। আর সেই পিপির কোমল এবং উষ্ণ পরশেই তাঁর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেছে। বিরক্ত হয়ে গোসল করতে যাওয়ার সময় বাথরুমের দরজায় বাড়ি খেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন। গোসল সেরে বের হয়ে পাঞ্জাবি পড়ে বাইরে যাওয়ার সময় দেখে্ন তাঁর পাঞ্জাবির হাতায় গোল হয়ে ঝোলের দাগ বসে আছে।
নীলু তার বাবাকে প্রচন্ড ভয় পায়।

বিস্তারিত»

আলো আসুক আমার,তোমার,সবার মনে

(ইংরেজিতে একটা কথা আছে “worst nightmare”, ঠিক কিভাবে বাংলায় বললে এটার অর্থটা ঠিক থাকবে আমি জানিনা।সেরকমই একটা দুঃস্বপ্নের আশঙ্কা আজকাল প্রায়ই গ্রাস করছে।এখানে তারই লেখ্য রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছি)

আজ কি জন্য লিখতে বসলাম এখনো ঠিক জানিনা।বুকের মধ্যে এই কষ্টটা গত দুমাস ধরেই।চাপা ব্যাথা চাপা বেশিদিন থাকেনা।তা ক্রোধে রুপ নেয় একদিন। আমার সাথেও মনে হয় তাই হয়েছে।এবার সময় এসেছে কিছু বলার।তাই কলম ধরা।

বিস্তারিত»

গল্পটা আর যে রকম হতে পারতো…(১)

১.
ছেলেটা গাঁজা খায়,বাট ভালো কবিতা লিখে।তিয়াশা অবশ্য কবিতার অতশত বুঝে না,বন্ধুদের মুখে অনেক প্রসংশা শুনেছে।তবে কথা বলতে পারে দারুন।চার্ম একটা!গাঁজা-ফাজা খেয়ে কী আবোল তাবোল আওড়ায়,তাও ভালো লাগে তিয়াশার।অদ্ভুত একটা লোক!লোকই তো!মুখে রুক্ষ্ম দাড়ি গোঁফ।খোচা খোচা!ম্যানলি অবশ্যই!ডার্ক এন্ড ডিপ।কবিতা লিখলেও ল্যাদল্যাদে না,ন্যাকা না।স্মার্ট এবং চালু মাল।কথা শুনলেই বোঝা যায়।স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড।কোন লুকোছাপা নেই।কেমন সরাসরি বুঝিয়ে দিলো!অবশ্য কোড করা কবিতায়।তিয়াশা কবিতা অত না বুঝলেও ঈঙ্গিতটা বুঝেছে!মেয়েদের আবার একটা এক্সট্রা ইন্সটিংক্ট থাকে কিনা!

বিস্তারিত»

লঘু-কথা

সন ‘৭৮, ক্লাস ওয়ান।
সকাল আট কি সাড়ে আট, ফাঁকা ক্লাসঘরে দু’জন বন্ধু বসে বসে পরস্পরের টিফিন বাক্স নিয়ে মেতে উঠেছি।মা সক্কালবেলা পেট ভরে ভাত খাইয়ে পাঠাতো, ফলে বেশিরভাগ সময় টিফিনবক্সই থাকতোনা সংগে। খুব সংকোচ হতো।কিছু একটা টিফিন নিতেই হবে এমন একটা পণ করে বসতাম একেকদিন।ওর বাক্সে দেখলাম পাউরুটির মধ্যে লাল মত কিসের প্রলেপ, লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলাম সেদিকে।বন্ধুটি আমাকে সেই জেলি-পাউরুটির ভাগ দিলো,

বিস্তারিত»

আহ্বান

প্রিয়তমা,
তোমার রাগ ভাঙানোর সময় নেই এখন,
এখন জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাওয়া আমাদের মানবতা
কি নিদারুন পাশবিকতায় ধ্বংস যজ্ঞ চালায় বিধর্মীর ঘরে ঘরে।
প্রিয়তমা,
আমার বাংলা এখন সীমান্ত নদীর মত খরস্রোতা
আগ্নেয় গিরির মত উত্তপ্ত
আর গন্ধক ফলের মত অভিশপ্ত।
এখন রাজপথের ধুলো মাখা কবিতার প্রত্যেকটি শব্দ,অক্ষর মধ্যঅন্ত্যমিল
অজস্র কান্নার বৃষ্টিতে ভিজে একাকার।
প্রিয়তমা,

বিস্তারিত»

আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আঙ্গিকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব

অংকুর মেধা বাংলাদেশ কর্তৃক ঢাকা মহানগরের জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত

আর্থ–সামাজিক ও রাজনৈতিক আঙ্গিকে বাংলাদেশের নেতৃত্ব

শীর্ষক সেমিনারে উপস্থাপিত প্রবন্ধ।

উপস্থাপক: রমিত আজাদ, পিএইচডি (পদার্থ বিজ্ঞানী)

তারিখ ও সময়: বৃহস্পতিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ অপরাহ্ন

এই সেমিনারের সম্মানিত সভাপতি জনাব আব্দার রাজ্জাক, সম্মানিত প্রধান অতিথি ডক্টর আকবর আলী খান,

বিস্তারিত»

লিস্ট্‌নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – ৩, ৪

লিস্ট্‌নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – ৩
Listening to the Wind of Change

——————————————-ডঃ রমিত আজাদ

“রোমানকে আর দেশে পড়ানো ঠিক হবেনা”। রাতের খাবারের টেবিলে বসে বললেন আমার মা।

ঃ হু, আমিও এরকমই ভাবছিলাম।

সায় দিলেন আমার বাবা। বাবা-মার একমাত্র ছেলে আমি, খেতে খেতে চুপচাপ শুনছিলাম তাদের কথা। কথাগুলো ঠিক যেন আমার বিশ্বাস হতে চাইছিল না।

বিস্তারিত»

আক্ষেপ বানী

১.
হায়রে মুসলমান
সসম্মানে নষ্ট করিস ধর্মের সম্মান

২.
আঁধার রাত্রি কেটে গিয়ে
ইসলাম সেতো ভোর-আনে
জ্বালাও পোড়াও এ কথা নেই
কোথাও লেখা কোর-আনে

৩.
এক ই রক্ত এক ই ধারায় যখন বয়ে যায়
ধর্মে ধর্মে কেন এত বিভেদ বল হায়
কেউ ডাকে আল্লাহ তাঁরে কেউ ভগবান
দুই নামের মধ্যে কেন এত ব্যবধান

৪.

বিস্তারিত»

BMA এর কিছু স্মৃতি… কখনো ভুলবো না…

আর্মি প্রফেশন এ এসে আমার প্রায় সব ধরনের অভিজ্ঞতাই হয়েছে । কিছু অভিজ্ঞতা ছিল সুখের, আবার কিছু অভিজ্ঞতা দুঃখের। তেমনি আমার এক দুঃখের অভিজ্ঞতা  আজ সবার সাথে  share করার লোভ কোনও ভাবেই সামলাতে পারলাম না ।

 

আমার মতে বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং এর সময় ড্রিল পিরিয়ড  এ বরাবর ই আমি অত্তন্ত নিষ্ঠাবান একজন ক্যাডেট ছিলাম। অবশ্য আমার কোর্সম্যাটডের আমাকে নিয়ে ভিন্ন ধারনা ছিল।

বিস্তারিত»

রাষ্ট্র এবং দাউদ হায়দার

কবি কিংবা লেখক- যাই বলো না কেন, তুখোড় হাত ছিল লোকটার
পদ্য কিংবা গদ্য কবিতা- প্রেম কিংবা ধিক্কার- কিছুতেই কমতি ছিল না তাঁর।
তব কেন সে দেখা পায় না এইসব কুসুমমঞ্জরী
পাবনা কিংবা ঢাকার।
মার্কিন মুলকে- য়ূরোপ উপবাসে দিনকাটে বাঙাল স্বাধীনতার।

কই- কেউতো সম্পাদকীয় লেখে না!
পত্রিকা-চ্যানেল এরা সব আড়াই নম্বর চরিত্রের কর্পোরেট পামর-দালাল।
চিন্তা করা যায়,

বিস্তারিত»

আমি আর আমার বাদামের খোসারা…

আজকাল এমন একটা জীবনের লোভ হয়, যেখানে আমি আসলেই একা। একা মানে নিঃসঙ্গ। একেবারে নিঃসঙ্গ। সারাদিনের শেষে বাড়ি ফিরে আমি একা হবো। বাইরে আমি যেমন তেমন, ক্লাস, হ্যাং আউট, পার্টটাইম আর ভলেন্টারি ব্যাস্ততায় মশগুল! কিন্তু নিজের জগতে একা। পুরোপুরি একাই!!!
আমার জন্যে কারো কেয়ার করা লাগবেনা। আমিও করবোনা। আমাকে কারো জিজ্ঞাসা করা লাগবেনা কি খেয়েছি, ক্লাস কেমন গেল। আমার আনন্দে কারো তালি বাজাতে হবেনা!

বিস্তারিত»

প্রার্থনা-৩

তোমার নদী’য় ডুব সাতারে
ক্লান্ত আমার এ মন দেহ
“খুব গোপনে বাড়ছে যে জল”
মনের মধ্যে এ সন্দেহ-

আমায় আরও ক্লান্ত করে
তখন ভাসি তোমার সাথে
আরও বেশী বাড়লে বিরোধ
চোখ বুঁজে রই প্রার্থনাতে!

তখন বোকা ঈশ্বরেরা
আমায় বলে,”সন্ত কবি,
ঘরের মধ্যে প্রার্থনা ঝুট
নষ্ট তোমার সাধন সবই!

গৃহত্যাগের লোভ দেখিয়ে
আমায় ডাকে জোৎস্না রাতে
আমি তখন প্রবল দ্বিধায়
চোখ বুঁজে রই প্রার্থনাতে!

বিস্তারিত»