লেখালেখিতে বরাবরই খুব দুর্বল। তবুও খুব ইচ্ছা ছিল বিষয়টি নিয়ে লেখার। কিন্তু দুর্বল লেখকদের যা হয় আর কি, গুছিয়েই উঠতে পারছি না কিভাবে শুরু করবো। সে যাই হোক প্রথমেই বলে নেই বিষয়টি নিয়ে আমার লিখতে শুরু করার কারন। মিশনে ইতিমধ্যেই ৯ মাস পার করেছি এবং প্রায়শই বেশ কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হই। যার বেশির ভাগেরই মূল বক্তব্য হচ্ছে যে , মিশনে আমরা কি আর এমন কাজ করি?
বিস্তারিত»বিরিশিরি ডায়েরি (১)
ধারণা করেছিলাম বিরিশিরি হবে একটি ছবির মতো সুন্দর শহর, যেখানে ইংরেজি ছবির মতো টুরিস্টরা মাথায় ক্যাপ আর গায়ে হাওয়াই জামা পরে ছবি তুলবে, ঘুরে বেড়াবে ইত্যাদি।
অথচ বিরিশিরি ছবির চেয়েও সুন্দর, বাঁধানো ছবির মতো সুন্দর, তবে সেখানের বাজার নয়, প্রকৃতি, মানুষ, নদী আর পাহাড়।
বিরিশিরি বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত একটি ইউনিয়ন, বিরিশিরি দূর্গাপুর উপজেলার অন্তর্গত। ময়মনসিংহ, ভালুকা , ত্রিশাল এরপর নেত্রকোনা পার হয়ে যেতে হবে বিরিশিরি।
বিস্তারিত»পনেরো অক্টোবরের কবিতা

তুমি কি আমাকে চেনো নি?
ভ্রষ্ট স্মৃতির পালক পড়ে
উড়ে চলে যায় তিন খুনী!
পালক পেয়েছে শীতের ভোর
তিন জনই কি খুন করেছে
কিংবা দু’জন সাক্ষী চোর!
পালক ভিজে যায় কুয়াশায়
হয়তো হঠাৎ পড়বে মনে-
চুপ করে থাকে এই আশায়!
তুমি কি চেনো নি আমাকে?
যখন দু’জন ঘুমিয়ে পড়ে
তখন খুনীই রাত জাগে!
“আগে নাম, তারপর কাম”
কারও নাম না জানা, ভুলে যাওয়া, ভুল বলা অথবা ভুল লেখা, একটি বড় ধরনের অপরাধ। নাম না জেনে কারও সাথে কথা বলতে যাওয়াটাও, মাঝে মধ্যে বিপদজনক হতে পারে। মানুষের নাম নিয়ে আমাকে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আবার নাম না জানার জন্যেও পড়তে হয়েছে নানান ঝামেলায়। ক্যাডেট কলেজে থাকতে নাম নিয়ে একবার এক বড় ধরনের বিপদে পড়ি।
আমি তখন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। কলেজের ডাইনিংহলে আমি তিননম্বর টেবিলের টেবিললিডার ছিলাম।
বিস্তারিত»লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৮
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৮
উপরের পেইন্টংটি ১৮৬১ সালে Frederick William Alexander de Fabeck কর্তৃক অংকিত বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহরের ছবি।
বাইরে নেমে একটু চিন্তায় পড়লাম, কিভাবে যাব ঢাকা ইউনিভার্সিটি। মোস্তাহিদ বলল
ঃ চল, বাস ধরি।
ঃ এখান থেকে কোন বাস যায়, জানিনা। (আমি বললাম)
ঃ বাহ ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা,
বিস্তারিত»সাদা কালো
একদিন ফেসবুকে কলেজ এর পুরন ছবি দেখছিলাম । প্রতিটা ছবি যেন এক একটা গল্প । কত সৃতি জড়িয়ে আছে কলেজে ফেলে আসা পপ্রতিটি ঘাস পাতা আর বালুকনার সাথে। আর তখনি আমার ক্যানভাস মানে গানের খাতায় তুলে ধরলাম আমার এবং আমদের ফেলে আসা সব স্মৃতি ।
Intro
সাদা কালো ছবিগুলো
রাঙিয়েছে সৃতির পাতায়
সৃতির প্রতিছবি মনে
ফেলে আসা কথা বলায় ।
নারীর হাসি
পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তার যত সুন্দর সৃষ্টি রয়েছে তার মধ্যে বোধ হয় নারী অন্যতম। আর এই নারীর হাসি হচ্ছে নারীর সবচেয়ে সুন্দর দিক। তাইতো যুগে যুগে লেখক, কবি, সাহিত্যিক কিংবা দার্শনিকরা নারীর হাসিকে বিভিন্নভাবে চিত্রায়িত করছেন। আজ তারই কিছু কথা নিম্নে উল্লেখ করছি।
ওমর খৈয়াম বলেছেন- ‘’ কবিতা ও নারী যমজ বোন। একজন ছন্দের রানী আরেকজন হাসির রানী।‘’শেক্সপিয়ার তার স্ত্রী অ্যানির হাসি সম্পর্কে বলেছেন,
বিস্তারিত»ভয়াবহ ভদ্রলোক
ভয়াবহ ভদ্রলোক
—————— ডঃ রমিত আজাদ
ময়লার স্তুপ থেকে উঠে এলেন তিনি,
স্যুট-কোট পড়া এক ভয়াবহ ভদ্রলোক।
একসময় তিনি লোকালে হাইজ্যাক করতেন,
শিক্ষাঙ্গনে দৌড়-ঝাপ দিতেন, বই হাতে নয়,
ছুরি-চাকু অথবা আরো মারাত্মক কিছু নিয়ে,
আজ তিনি স্যুট পড়েন,
জমকালো টাই বেধেছেন,
তবে চোখের ক্রঢ়তা, এখনো আগের মতই আছে,
মুখের উচ্চারণটাও অনেক ঘষামাজা করেও
তার জুতার মত চকচকে করতে পারেননি।
স্রেফ, যদি তুমি চাও।
তোমার চারপাশে অজস্র অভাব, অজস্র না পাওয়া মানুষ।
কারো ঘর নেই, কারো ভাত নেই।
কারো প্রেম নেই, কারো বোধ নেই।
কারো স্বজন নেই, কারো প্রিয় কোন মানুষ নেই।
কারোবা আবার পিতৃপরিচয়টাও নেই।
উদ্দাম ঝড়ে কারো চাল উড়ে গেছে,
বেনোজলে ভেসে গেছে কারোবা সাধের খেলাঘর।
তীব্র যাতনায় কারো কারো ভাংগে সংসার।
প্রতিনিয়ত কেউ আবার হারায় সর্বস্ব।
অথচ,
মাইলসের সাথে এক সন্ধ্যা
গত সন্ধ্যায় মাইলসের কনসার্টে গেছিলাম, আমাদের বাসার কাছেই :awesome: । রাত ৯টায় শুরু হয়ে বারোটা পর্যন্ত চলল। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে মাইলসের যত বিখ্যাত গান আছে, সব হলো :goragori: ।
দূর্দান্ত!
পুণশ্চঃ আমাদের সাকেব (মকক) বাংলা সিনেমার এককালের নায়িকা ‘নীপা মোনালিসা’র সাথে ছবি তুলেছে 😉
বিস্তারিত»ম্যান প্রপোজেস,গড ডিসপোজেস
লং কোর্স অফিসারদের জন্য বিসিসি এক আতংকের নাম।বরিশাল ক্যাডেট কলেজ নয়,বেসিক কমান্ডো কোর্স ।শরীর ও মনে সাত সপ্তাহের এই কোর্সের ছাপ থেকে যায় বহু দিন পর্যন্ত।কৃতিত্বের সাথে কোনমতে কোর্স শেষ করা অফিসারদের নাকি পূর্ণিমা অমাবশ্যার রাতে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা করে বহু দিন,টাইগার চেজের খুঁজে না পাওয়া বাঘ দুঃস্বপ্নে হানা দিয়ে রাতঘুমের আয়ু কমিয়ে দেয়।তবে সুখের বিষয় হাজার বছর পর পর এই কোর্সের মেয়াদ কমে পাঁচ সপ্তাহে নেমে আসে।স্বর্গীয় আশীর্বাদ প্রাপ্ত কিছু অফিসার সে কোর্স করার সুযোগ পায়।পরম সৌভাগ্যবান আমার এক ইউনিট অফিসার পাঁচ সপ্তাহের এই কোর্স করার সুযোগ লাভ করেছিলেন।সে গল্প করার সময় স্যারের চোখে খুশির ঝিলিক দেখে আমার মনের গহীনে কিসের যেন একটা চিনচিন ব্যথা উঠত।ঠিক তার দুবছরের মাথায় বিসিসি আবারো পাঁচ সপ্তাহ এবং সে কোর্সে আমার নাম বের হয়েছে।অন্যদিকে নাম না আসাদের মাঝে আমার জানের দুশমন আওলাদ রয়েছে।প্রতিদিন একবার করে ফোনে ব্যাটাকে মনে করিয়ে দেই আমি পাঁচ সপ্তাহের বিসিসি করব।মর্ত্যের পৃথিবীতে ব্যাটা আমার চেয়ে দুই সপ্তাহ বেশি নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে।এটা যে তার করা কোন মহাপাপের ফসল সেটা জানাতেও ভুলিনা।বিধাতা বোধ হয় সেদিন আড়াল থেকে হেসে উঠেছিলেন।তবে আমি সেটা শুনতে পাইনি।
বিস্তারিত»আমরা কোন যুগের মানব সভ্যতা?
একটা লেখা পড়লাম আজ। লেখাটা অনেক বেশি টাচি। তাই ভাবলাম সিসিবি’র সবার সাথে লেখাটা শেয়ার করি-
১.
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমাকে একট গল্প শুনিয়েছেন। গল্প নয়, সত্য ঘটনা। চীনের এক দম্পতি কম্পিউটারে এক নতুন খেলা পেয়েছেন। একটা বাচ্চাকে লালন-পালন করতে হয়। তাঁরা সারাক্ষণ কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকেন। এই বাচ্চাকে খাওয়ান, পরান, গোসল করান। এই বাচ্চার প্রতি তাঁদের যত্নের সীমা নেই। তাঁরা একেবারেই মগ্ন হয়ে গেলেন।
অপরাজিতা
অপরাজিতার সাথে প্রথম দেখার দিনই বুঝে গিয়েছিলাম- অপরাজিতা রাস্তাঘাটে ছেলেদের চড় মারতে সিদ্ধহস্ত। মেয়েরা যে রাস্তাঘাটে ছেলেদের দুই একটা চড়-থাপ্পড় মারে না, এমন তো নয়। এমন ঘটনা অনেক দেখেছি, পাড়ার মোড়ের হীনমন্য দুর্বল ধরণের বখাটে শিষ দিয়ে পালিয়ে না গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। যে মেয়েটার উদ্দেশ্যে শিষটা দেওয়া, সে এসে শিষের জবাবে বখাটের বাম গালে চড় বসিয়েছে। বাসে দেখেছি মেয়েদের গায়ের উপর ঢলে ঢলে পড়া স্পর্শ লিপ্সু পুরুষেরা স্যান্ডেলের বাড়ি খেয়ে জাতে উঠছে।
বিস্তারিত»ঈদের চাঁদের হাসি
অণুগল্প লিখবো বলে অনেক আয়োজন করে বসেও থেমে যেতে হয় শুরুতেই। ট্রেনের হুইসেল শুনে কানপাতি আমি, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে আপনমনেই বলি,” মহানগর এক্সপ্রেস! ট্রেন এসে গেছে!” নৈঃশব্দের রাজ্য ক্যাডেট কলেজের নীরব-নিশ্চুপ বাতাস কেটে ট্রেনের হুইসেল থেকে থেকে কানে আসে অনেকক্ষণ। স্পষ্ট শুনতে পাই, হেলেদুলে যেতে যেতে ট্রেনটা আমাকে বলছে,” ভালো থেকো খেয়াসোনা!” শ’কিলোমিটার দূরে বসে এই ট্রেনের জন্যে যে আরেকজন অপেক্ষা করে থাকে।
বিস্তারিত»লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৬, ৭
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৬
——————————ডঃ রমিত আজাদ
গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে একটা ফোন এল।রিসিভার তুলতে ওপাশ থেকে মেয়েলী কন্ঠ ভেসে এলো –
ঃ এখানে শিউলি আছে?
ঃ শিউলী? কি করেন তিনি? (আমি অবাক হয়ে বললাম)
ঃ আমার নাম পারভীন, আমরা একসাথে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি।
ঃ আপনি কত নাম্বারে রিং করেছেন?
ঃ ৪০৫৭০৪
ঃ হ্যাঁ,
