ঘুম ব্যাঘাত কিংবা বোবায় ধরা বিষয়ক আবোল তাবোল

ইদানিং কিছু লিখতে চাইলেও লেখার আইডিয়া মাথায় চাপে না। আবজাব কিছু একটা লিখবার ইচ্ছা করলেও বিষয় শূন্যতায় ভুগছিলাম। হঠাৎ করেই মাথায় আসল ঘুম বিষয়ে লিখবার। আমি ঘুমাতে পছন্দ করি। ঘুম বিষয়ে আমার আগ্রহও তাই অসীম। ছোট বেলায় বাসার চিপা চাপা ঘেটে সহীহ ফালনামা আর তাবীর পড়তাম স্বপ্নের ব্যাখ্যা পড়বার জন্য। স্বপ্ন বিষয়ে আগ্রহ থাকলেও সহীহ তাবীরের বইতে স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেখে তাজ্জব বনে যেতাম যে কেবল তাই না,

বিস্তারিত»

কে হায় হৃদয় খুঁড়ে – ১

বেশ কিছুদিন হয়ে গেল আমার শুধু ব্লগ দেখে আর পড়ে ।আর সেই সাথে কিছুদিন আগেই পার করলাম আমাদের আত্মার আত্মীয়তার বারটি বছর । লেখার একদম শুরুতেই যে মানুষটির কথা না মনে করলেই নই, সে হল বন্ধুবর কাউসার আহমেদ। যার সাথে না থাকলে জানতেই পারতাম না যে ” বাসন্তী এখন বিহারে ডাকাত স্বামীর ঘরে চার সন্তানের জননী হয়েছে… অথবা হাত না বাড়িয়ে মন বাড়িয়েও কাউকে ছোঁয়া যায়( হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে ,

বিস্তারিত»

ঘরের মায়ায় টানে মোরে,বাহিরেও যে ছাড়ে না রে…

ক্যামেরা স্থির,স্লো মোশনের শট চলছে,রিপিট হয়ে এটা দিয়ে তৃতীয় বারের মত,ব্যাকগ্রাউন্ডের মিউজিক টা উত্তেজনা চরমে উঠাতে বদ্ধপরিকর।টিভি সেটের সামনে বসে থাকা মা,মেয়ের কপালে ভাঁজ পড়ে গেছে,উপরের এবং নীচের পাটির দাঁতের মাঝখানে জায়গা করে নিয়েছে ডান হাতের অনামিকা।এখানেই কি শেষ?দুই মোটর সাইকেল এর মুখোমুখি এই সংঘর্ষই কি কেড়ে নিবে নায়কের জীবন?এটা হিন্দী সিরিয়ালের কোন এক স্ক্রীনশট,তবে আমার সামনে যেই ঘটনাটা ঘটতে যাচ্ছে সেটা মোটেই কোন স্ক্রীণ শট না,

বিস্তারিত»

অপ্রকাশিত ইচ্ছে

নামটা আবার পড়লো নাদিয়া। নাহ,ভুল না। নাদিয়া ইসলাম। মিরপুর,ঢাকা । তার মানে ওর গল্পটাই প্রথম হয়েছে। ছুটির দিনে ঈদ সংখ্যা হাতে পেয়ে নাদিয়া কিছুক্ষন চুপ করে রইল। গল্প প্রকাশের চেয়েও সবচেয়ে বড় ব্যপার হচ্ছে হঠাত্‍ করেই হাতে কিছু টাকা আসবে। তিন হাজার টাকা। টাকার অংকে তিনহাজার খুব কম টাকা হলেও নাদিয়ার কাছে অনেক। ফয়সালের একার উপার্জনে সংসার চলেনা। মাস শেষে চার থেকে পাঁচশ টাকার কমতি পরে যায়।

বিস্তারিত»

ইউ এন মিশনঃ কিছু অজানা তথ্য এবং অর্থহীন প্রলাপ

লেখালেখিতে বরাবরই খুব দুর্বল। তবুও খুব ইচ্ছা ছিল বিষয়টি নিয়ে লেখার। কিন্তু দুর্বল লেখকদের যা হয় আর কি, গুছিয়েই উঠতে পারছি না কিভাবে শুরু করবো। সে যাই হোক প্রথমেই বলে নেই বিষয়টি নিয়ে আমার লিখতে শুরু করার কারন। মিশনে ইতিমধ্যেই ৯ মাস পার করেছি এবং প্রায়শই বেশ কিছু প্রশ্নের সম্মুখীন হই। যার বেশির ভাগেরই মূল বক্তব্য হচ্ছে যে , মিশনে আমরা কি আর এমন কাজ করি?

বিস্তারিত»

বিরিশিরি ডায়েরি (১)

ধারণা করেছিলাম বিরিশিরি হবে একটি ছবির মতো সুন্দর শহর, যেখানে ইংরেজি ছবির মতো টুরিস্টরা মাথায় ক্যাপ আর গায়ে হাওয়াই জামা পরে ছবি তুলবে, ঘুরে বেড়াবে ইত্যাদি।
অথচ বিরিশিরি ছবির চেয়েও সুন্দর, বাঁধানো ছবির মতো সুন্দর, তবে সেখানের বাজার নয়, প্রকৃতি, মানুষ, নদী আর পাহাড়।

বিরিশিরি বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলায় অবস্থিত একটি ইউনিয়ন, বিরিশিরি দূর্গাপুর উপজেলার অন্তর্গত। ময়মনসিংহ, ভালুকা , ত্রিশাল এরপর নেত্রকোনা পার হয়ে যেতে হবে বিরিশিরি।

বিস্তারিত»

পনেরো অক্টোবরের কবিতা

তুমি কি আমাকে চেনো নি?
ভ্রষ্ট স্মৃতির পালক পড়ে
উড়ে চলে যায় তিন খুনী!

পালক পেয়েছে শীতের ভোর
তিন জনই কি খুন করেছে
কিংবা দু’জন সাক্ষী চোর!

পালক ভিজে যায় কুয়াশায়
হয়তো হঠাৎ পড়বে মনে-
চুপ করে থাকে এই আশায়!

তুমি কি চেনো নি আমাকে?
যখন দু’জন ঘুমিয়ে পড়ে
তখন খুনীই রাত জাগে!

বিস্তারিত»

“আগে নাম, তারপর কাম”

কারও নাম না জানা, ভুলে যাওয়া, ভুল বলা অথবা ভুল লেখা, একটি বড় ধরনের অপরাধ। নাম না জেনে কারও সাথে কথা বলতে যাওয়াটাও, মাঝে মধ্যে বিপদজনক হতে পারে। মানুষের নাম নিয়ে আমাকে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। আবার নাম না জানার জন্যেও পড়তে হয়েছে নানান ঝামেলায়। ক্যাডেট কলেজে থাকতে নাম নিয়ে একবার এক বড় ধরনের বিপদে পড়ি।

আমি তখন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র। কলেজের ডাইনিংহলে আমি তিননম্বর টেবিলের টেবিললিডার ছিলাম।

বিস্তারিত»

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৮

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৮

উপরের পেইন্টংটি ১৮৬১ সালে Frederick William Alexander de Fabeck কর্তৃক অংকিত বুড়িগঙ্গার তীরে ঢাকা শহরের ছবি।

 

 

বাইরে নেমে একটু চিন্তায় পড়লাম, কিভাবে যাব ঢাকা ইউনিভার্সিটি। মোস্তাহিদ বলল

ঃ চল, বাস ধরি।

ঃ এখান থেকে কোন বাস যায়, জানিনা। (আমি বললাম)

ঃ বাহ ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা,

বিস্তারিত»

সাদা কালো

একদিন ফেসবুকে কলেজ এর পুরন ছবি দেখছিলাম । প্রতিটা ছবি যেন এক একটা গল্প । কত সৃতি জড়িয়ে আছে কলেজে ফেলে আসা পপ্রতিটি ঘাস পাতা আর বালুকনার সাথে। আর তখনি আমার ক্যানভাস মানে গানের খাতায় তুলে ধরলাম আমার এবং আমদের ফেলে আসা সব স্মৃতি ।

Intro
সাদা কালো ছবিগুলো
রাঙিয়েছে সৃতির পাতায়
সৃতির প্রতিছবি মনে
ফেলে আসা কথা বলায় ।

বিস্তারিত»

নারীর হাসি

পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তার যত সুন্দর সৃষ্টি  রয়েছে তার মধ্যে বোধ হয় নারী অন্যতম। আর এই নারীর হাসি হচ্ছে নারীর সবচেয়ে সুন্দর দিক। তাইতো যুগে যুগে  লেখক, কবি, সাহিত্যিক কিংবা  দার্শনিকরা নারীর হাসিকে বিভিন্নভাবে চিত্রায়িত করছেন। আজ তারই কিছু কথা নিম্নে উল্লেখ করছি।

ওমর খৈয়াম বলেছেন-  ‘’ কবিতা ও নারী যমজ বোন। একজন ছন্দের রানী আরেকজন হাসির রানী।‘’শেক্সপিয়ার তার স্ত্রী অ্যানির হাসি সম্পর্কে বলেছেন,

বিস্তারিত»

ভয়াবহ ভদ্রলোক

ভয়াবহ ভদ্রলোক
—————— ডঃ রমিত আজাদ

ময়লার স্তুপ থেকে উঠে এলেন তিনি,
স্যুট-কোট পড়া এক ভয়াবহ ভদ্রলোক।
একসময় তিনি লোকালে হাইজ্যাক করতেন,
শিক্ষাঙ্গনে দৌড়-ঝাপ দিতেন, বই হাতে নয়,
ছুরি-চাকু অথবা আরো মারাত্মক কিছু নিয়ে,
আজ তিনি স্যুট পড়েন,
জমকালো টাই বেধেছেন,
তবে চোখের ক্রঢ়তা, এখনো আগের মতই আছে,
মুখের উচ্চারণটাও অনেক ঘষামাজা করেও
তার জুতার মত চকচকে করতে পারেননি।

বিস্তারিত»

স্রেফ, যদি তুমি চাও।

তোমার চারপাশে অজস্র অভাব, অজস্র না পাওয়া মানুষ।
কারো ঘর নেই, কারো ভাত নেই।
কারো প্রেম নেই, কারো বোধ নেই।
কারো স্বজন নেই, কারো প্রিয় কোন মানুষ নেই।
কারোবা আবার পিতৃপরিচয়টাও নেই।
উদ্দাম ঝড়ে কারো চাল উড়ে গেছে,
বেনোজলে ভেসে গেছে কারোবা সাধের খেলাঘর।
তীব্র যাতনায় কারো কারো ভাংগে সংসার।
প্রতিনিয়ত কেউ আবার হারায় সর্বস্ব।
অথচ,

বিস্তারিত»

মাইলসের সাথে এক সন্ধ্যা

গত সন্ধ্যায় মাইলসের কনসার্টে গেছিলাম, আমাদের বাসার কাছেই :awesome: । রাত ৯টায় শুরু হয়ে বারোটা পর্যন্ত চলল। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে মাইলসের যত বিখ্যাত গান আছে, সব হলো :goragori: ।

দূর্দান্ত!

পুণশ্চঃ আমাদের সাকেব (মকক) বাংলা সিনেমার এককালের নায়িকা ‘নীপা মোনালিসা’র সাথে ছবি তুলেছে 😉

বিস্তারিত»

ম্যান প্রপোজেস,গড ডিসপোজেস

লং কোর্স অফিসারদের জন্য বিসিসি এক আতংকের নাম।বরিশাল ক্যাডেট কলেজ নয়,বেসিক কমান্ডো কোর্স ।শরীর ও মনে সাত সপ্তাহের এই কোর্সের ছাপ থেকে যায় বহু দিন পর্যন্ত।কৃতিত্বের সাথে কোনমতে কোর্স শেষ করা অফিসারদের নাকি পূর্ণিমা অমাবশ্যার রাতে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা করে বহু দিন,টাইগার চেজের খুঁজে না পাওয়া বাঘ দুঃস্বপ্নে হানা দিয়ে রাতঘুমের আয়ু কমিয়ে দেয়।তবে সুখের বিষয় হাজার বছর পর পর এই কোর্সের মেয়াদ কমে পাঁচ সপ্তাহে নেমে আসে।স্বর্গীয় আশীর্বাদ প্রাপ্ত কিছু অফিসার সে কোর্স করার সুযোগ পায়।পরম সৌভাগ্যবান আমার এক ইউনিট অফিসার পাঁচ সপ্তাহের এই কোর্স করার সুযোগ লাভ করেছিলেন।সে গল্প করার সময় স্যারের চোখে খুশির ঝিলিক দেখে আমার মনের গহীনে কিসের যেন একটা চিনচিন ব্যথা উঠত।ঠিক তার দুবছরের মাথায় বিসিসি আবারো পাঁচ সপ্তাহ এবং সে কোর্সে আমার নাম বের হয়েছে।অন্যদিকে নাম না আসাদের মাঝে আমার জানের দুশমন আওলাদ রয়েছে।প্রতিদিন একবার করে ফোনে ব্যাটাকে মনে করিয়ে দেই আমি পাঁচ সপ্তাহের বিসিসি করব।মর্ত্যের পৃথিবীতে ব্যাটা আমার চেয়ে দুই সপ্তাহ বেশি নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে।এটা যে তার করা কোন মহাপাপের ফসল সেটা জানাতেও ভুলিনা।বিধাতা বোধ হয় সেদিন আড়াল থেকে হেসে উঠেছিলেন।তবে আমি সেটা শুনতে পাইনি।

বিস্তারিত»