মাইলসের সাথে এক সন্ধ্যা

গত সন্ধ্যায় মাইলসের কনসার্টে গেছিলাম, আমাদের বাসার কাছেই :awesome: । রাত ৯টায় শুরু হয়ে বারোটা পর্যন্ত চলল। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে মাইলসের যত বিখ্যাত গান আছে, সব হলো :goragori: ।

দূর্দান্ত!

পুণশ্চঃ আমাদের সাকেব (মকক) বাংলা সিনেমার এককালের নায়িকা ‘নীপা মোনালিসা’র সাথে ছবি তুলেছে 😉

বিস্তারিত»

ম্যান প্রপোজেস,গড ডিসপোজেস

লং কোর্স অফিসারদের জন্য বিসিসি এক আতংকের নাম।বরিশাল ক্যাডেট কলেজ নয়,বেসিক কমান্ডো কোর্স ।শরীর ও মনে সাত সপ্তাহের এই কোর্সের ছাপ থেকে যায় বহু দিন পর্যন্ত।কৃতিত্বের সাথে কোনমতে কোর্স শেষ করা অফিসারদের নাকি পূর্ণিমা অমাবশ্যার রাতে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যথা করে বহু দিন,টাইগার চেজের খুঁজে না পাওয়া বাঘ দুঃস্বপ্নে হানা দিয়ে রাতঘুমের আয়ু কমিয়ে দেয়।তবে সুখের বিষয় হাজার বছর পর পর এই কোর্সের মেয়াদ কমে পাঁচ সপ্তাহে নেমে আসে।স্বর্গীয় আশীর্বাদ প্রাপ্ত কিছু অফিসার সে কোর্স করার সুযোগ পায়।পরম সৌভাগ্যবান আমার এক ইউনিট অফিসার পাঁচ সপ্তাহের এই কোর্স করার সুযোগ লাভ করেছিলেন।সে গল্প করার সময় স্যারের চোখে খুশির ঝিলিক দেখে আমার মনের গহীনে কিসের যেন একটা চিনচিন ব্যথা উঠত।ঠিক তার দুবছরের মাথায় বিসিসি আবারো পাঁচ সপ্তাহ এবং সে কোর্সে আমার নাম বের হয়েছে।অন্যদিকে নাম না আসাদের মাঝে আমার জানের দুশমন আওলাদ রয়েছে।প্রতিদিন একবার করে ফোনে ব্যাটাকে মনে করিয়ে দেই আমি পাঁচ সপ্তাহের বিসিসি করব।মর্ত্যের পৃথিবীতে ব্যাটা আমার চেয়ে দুই সপ্তাহ বেশি নরক যন্ত্রণা ভোগ করবে।এটা যে তার করা কোন মহাপাপের ফসল সেটা জানাতেও ভুলিনা।বিধাতা বোধ হয় সেদিন আড়াল থেকে হেসে উঠেছিলেন।তবে আমি সেটা শুনতে পাইনি।

বিস্তারিত»

আমরা কোন যুগের মানব সভ্যতা?

একটা লেখা পড়লাম আজ। লেখাটা অনেক বেশি টাচি। তাই ভাবলাম সিসিবি’র সবার সাথে লেখাটা শেয়ার করি-

১.
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল আমাকে একট গল্প শুনিয়েছেন। গল্প নয়, সত্য ঘটনা। চীনের এক দম্পতি কম্পিউটারে এক নতুন খেলা পেয়েছেন। একটা বাচ্চাকে লালন-পালন করতে হয়। তাঁরা সারাক্ষণ কম্পিউটার নিয়ে পড়ে থাকেন। এই বাচ্চাকে খাওয়ান, পরান, গোসল করান। এই বাচ্চার প্রতি তাঁদের যত্নের সীমা নেই। তাঁরা একেবারেই মগ্ন হয়ে গেলেন।

বিস্তারিত»

অপরাজিতা

অপরাজিতার সাথে প্রথম দেখার দিনই বুঝে গিয়েছিলাম- অপরাজিতা রাস্তাঘাটে ছেলেদের চড় মারতে সিদ্ধহস্ত। মেয়েরা যে রাস্তাঘাটে ছেলেদের দুই একটা চড়-থাপ্পড় মারে না, এমন তো নয়। এমন ঘটনা অনেক দেখেছি, পাড়ার মোড়ের হীনমন্য দুর্বল ধরণের বখাটে শিষ দিয়ে পালিয়ে না গিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। যে মেয়েটার উদ্দেশ্যে শিষটা দেওয়া, সে এসে শিষের জবাবে বখাটের বাম গালে চড় বসিয়েছে। বাসে দেখেছি মেয়েদের গায়ের উপর ঢলে ঢলে পড়া স্পর্শ লিপ্সু পুরুষেরা স্যান্ডেলের বাড়ি খেয়ে জাতে উঠছে।

বিস্তারিত»

ঈদের চাঁদের হাসি

অণুগল্প লিখবো বলে অনেক আয়োজন করে বসেও থেমে যেতে হয় শুরুতেই। ট্রেনের হুইসেল শুনে কানপাতি আমি, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে আপনমনেই বলি,” মহানগর এক্সপ্রেস! ট্রেন এসে গেছে!” নৈঃশব্দের রাজ্য ক্যাডেট কলেজের নীরব-নিশ্চুপ বাতাস কেটে ট্রেনের হুইসেল থেকে থেকে কানে আসে অনেকক্ষণ। স্পষ্ট শুনতে পাই, হেলেদুলে যেতে যেতে ট্রেনটা আমাকে বলছে,” ভালো থেকো খেয়াসোনা!” শ’কিলোমিটার দূরে বসে এই ট্রেনের জন্যে যে আরেকজন অপেক্ষা করে থাকে।

বিস্তারিত»

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৬, ৭

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৬

——————————ডঃ রমিত আজাদ

গতকাল রাত সাড়ে আটটার দিকে একটা ফোন এল।রিসিভার তুলতে ওপাশ থেকে মেয়েলী কন্ঠ ভেসে এলো –
ঃ এখানে শিউলি আছে?
ঃ শিউলী? কি করেন তিনি? (আমি অবাক হয়ে বললাম)
ঃ আমার নাম পারভীন, আমরা একসাথে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি।
ঃ আপনি কত নাম্বারে রিং করেছেন?
ঃ ৪০৫৭০৪
ঃ হ্যাঁ,

বিস্তারিত»

রাগ হংসধ্বনি

হংসধ্বনি আমার প্রিয়তম রাগসমূহের একটি।
হঠাৎই সিসিবির সবার সংগে অধমের অক্ষম প্রচেষ্টাটি শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো।
বিরক্তি উৎপাদনের জন্য আগেভাগে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
বাদনযন্ত্র: মোহনবীণা।

Hansadhwani

বিস্তারিত»

নীলস বোর ও একটি মজার কাহিনী। (সংগৃহীত)

নীলস বোর এর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষারত সময় পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর…….. প্রশ্নঃ একটি ব্যারোমিটারের সাহায্যে কিভাবে একটি গগণচুম্বী বহুতল ভবনের উচ্চতা নির্ণয় করা যায় বর্ণনা কর ? উত্তরঃ “আমাদেরকে ব্যারোমিটারের মাথায় একটা দড়ি বাধতে হবে। এরপর ব্যারোমিটারটিকে ভবনের ছাদ থেকে নীচে নামিয়ে মাটি পর্যন্ত নিতে হবে।তাহলে ব্যারোমিটারের দৈঘ্য আর দড়ির দৈঘ্য যোগ করলেই ভবনের উচ্চতা পাওয়াযাবে।” এরকম সোজাসাপটা উত্তর পরীক্ষককে এমন রাগিয়ে দিল যে তিনি ততক্ষণাত ছাত্রটিকে ফেল করিয়ে দিলেন।

বিস্তারিত»

রোজকার স্বপ্নলিপি


১.
নিজের সাথে নিজের এই ক্লান্তিকর খেলা শেষে রমণোত্তর বালকের হতাশা দেশে ফেলেছিলো এক নিরুত্তাপ তরুণী।এই দেখে তারও বোধহয় সাধ হয়েছিলো সন্ন্যাসের।তাই নদী ভ্রমন থেকে ফিরে এসে সে ঘরে যায় নি আর,জলপ্রপাতের তুমুল জলরাশির ভেতর হারিয়ে যেতে যেতে একমুহূর্তে ডেকে উঠেছিলো বালককে।
বালক তখন গভীর নিদ্রায় অচেতন হয়ে মুছে নিতেছিলো সমগ্র রাত্রির পাপ ও ক্লান্তি।তাই সেই নারী কন্ঠের ডাক একটি অসহায় পাখির কূজনে ট্রান্সলেট হয়ে ঢুকে পড়েছিল বালকের স্বপ্নের ভেতর।

বিস্তারিত»

আমার অক্ষমতা!

আমার সর্বাংগ অসাড় হয়ে আসে অক্ষমতার ভারে।
নিজের জন্য, আপন মানুষের জন্য, দুঃখিনী দেশের জন্য-
বড্ড অপ্রতুল আমার সক্ষমতা।
গোটা দেশ জুড়ে, ঘরে ঘরে, মাঠে-প্রান্তরে চলছে উতসব!
ক্লেদাক্ত কামের, বিস্ফারিত লোভের, নির্ভেজাল স্বার্থান্ধতার আঁধারে
নিভু নিভু জ্বলে যায় মানবতা, সস্তা যত বোধ আর ভগ্ন চেতনা।
আমাকে যখন পিছমোড়া করে বেধে নিয়ে যাওয়া হয়, আমি নির্বাক!
আমাকে যখন চোখ বেধে নিয়ে যাওয়া হয়,

বিস্তারিত»

আমাদের কলেজ থেকে একবার একটি ছেলে পালিয়েছিল

যখন কোন মানুষের জীবনের ইচ্ছাটাই একটা অ্যাডভেঞ্চারের নায়ক হবার, তখন সে মানুষকে কি আর কেউ আটকাতে পারে? নতুন নতুন অ্যাডভেঞ্চারের বুদ্ধি তার মাথায় নাড়া দিয়ে উঠতো। আর বুদ্ধিগুলোও ছিল অনেক আজব, অনেক রোমাঞ্চকর। বলা চলে, “যা আগে কেউ কোনো দিন ভাবেনি”। সে যা করতো আর যেভাবে করতো, তা অবশ্য ম্যাকগাইভারি বুদ্ধিই বলা চলে। অনেকটা সিনেমাতে যে ভাবে দেখা যায়, ঠিক সে রকম। আর তার সময় পরিমাপের ধরনটাও ছিল অসাধারণ।

বিস্তারিত»

যাতনা কাহারে বলে! ভালবাসা কারে কয়!

যাতনা কাহারে বলে! ভালবাসা কারে কয়!

বেশ কয়েক বছর আগে একজন সাহিত্যের শিক্ষক আমাদের ক্লাশে বলেছিলেন, একজন কবির কাছে কবিতা জন্ম দেয়া নাকি অনেকটা সন্তান প্রসবের মতই একটা ব্যাপার। যতক্ষন কবিতাটা বের না হয়, একটা যন্ত্রনা হতেই থাকে। আর বের হবার সাথে সাথেই এক অনাবিল প্রশান্তি। এ বিষয়ে আমার উপলব্ধি হল, মনের কথা বলে ফেলার মধ্যেই একটা বিরাট রিলিফ কাজ করে। তা সে সুখের হোক,

বিস্তারিত»

১০ টাকা,১টি ফোন নাম্বার এবং অন্যান্য

পরদিন পরীক্ষা। এই চিন্তায় কিনা জানি না,রাত ১২ টায় যখন ফেসবুক ব্রাউজ করছিলাম দেখলাম-পরীক্ষার হলে অ্যাডমিট কার্ড ছাড়াও যাবতীয় অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে হবে এবং তাও সত্যায়িত করে। মাথায় যথারীতি আকাশ ভেঙ্গে পড়ল এবং নিজে পরীক্ষার নোটিশ না দেখলেও সমস্ত দোষ প্রথমেই আর্মির প্রতিষ্ঠান (BUP) কে দিলাম তারপর মার সাথে রাগারাগি করে বাসা থেকে বের হলাম যদি কাগজ গুলার ফটোকপি করা যায়। বাসা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যেয়ে (জানি যে সব বন্ধ) ক্ষীণ আশা টা দূর হোলে বাসায় ফিরলাম।

বিস্তারিত»

লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৫

লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৫
——————————ডঃ রমিত আজাদ

 

আমার এক চাচাতো বোন আছে , ওর নাম লাবনী। চাচা আব্বার ছোট ভাই। খুব ধনী এবং খুব তিরিক্ষি মেজাজের মানুষ। আব্বা শান্তশিষ্ট মানুষ, তিরিক্ষি মেজাজের মানুষের সাথে তার বনিবনা হয়না। তাই চাচার সাথে তার সদ্ভাব নাই। আসলে আব্বা চাচাকে খুব ভালোবাসেন, বলেন, “ছোট্ট ভাইটাকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছি,

বিস্তারিত»

ভাল্লাগে না !

ভাল্লাগেনা ব্যাপারটা আমাদের সবারই পরিচিত। আমার মাঝে মাঝেই এই ভাল্লাগেনা রোগটা বেড়ে যায়।কিছুই ভাল লাগেনা।সাত সকালে অ্যালার্ম এর শব্দ ভাল্লাগেনা,নাস্তায় ডিম ভাজা ভাল্লাগেনা,বিআরটিসি বাসের ভিড় ভাল্লাগেনা,কিচ্ছু ভাল্লাগেনা।
এই অসুখটা মনে হয় কম বেশি সবারই আসে।এবং সম্ভবত বেশ ঘন ঘনই আসে। কোন কারন ছাড়াই হঠাত মনে হয় ‘আমার কিচ্ছু ভাল্লাগেনা!’ এই সময়টুকু বেশ বাজে। মেজাজ খিচড়ে থাকে, রিকশাওয়ালা শুধু শুধু ঝারি খায়।ফেসবুকে অফলাইন হয়ে থাকা বাড়ে।

বিস্তারিত»