রাগ হংসধ্বনি

হংসধ্বনি আমার প্রিয়তম রাগসমূহের একটি।
হঠাৎই সিসিবির সবার সংগে অধমের অক্ষম প্রচেষ্টাটি শেয়ার করতে ইচ্ছে হলো।
বিরক্তি উৎপাদনের জন্য আগেভাগে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
বাদনযন্ত্র: মোহনবীণা।

Hansadhwani

বিস্তারিত»

নীলস বোর ও একটি মজার কাহিনী। (সংগৃহীত)

নীলস বোর এর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষারত সময় পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর…….. প্রশ্নঃ একটি ব্যারোমিটারের সাহায্যে কিভাবে একটি গগণচুম্বী বহুতল ভবনের উচ্চতা নির্ণয় করা যায় বর্ণনা কর ? উত্তরঃ “আমাদেরকে ব্যারোমিটারের মাথায় একটা দড়ি বাধতে হবে। এরপর ব্যারোমিটারটিকে ভবনের ছাদ থেকে নীচে নামিয়ে মাটি পর্যন্ত নিতে হবে।তাহলে ব্যারোমিটারের দৈঘ্য আর দড়ির দৈঘ্য যোগ করলেই ভবনের উচ্চতা পাওয়াযাবে।” এরকম সোজাসাপটা উত্তর পরীক্ষককে এমন রাগিয়ে দিল যে তিনি ততক্ষণাত ছাত্রটিকে ফেল করিয়ে দিলেন।

বিস্তারিত»

রোজকার স্বপ্নলিপি


১.
নিজের সাথে নিজের এই ক্লান্তিকর খেলা শেষে রমণোত্তর বালকের হতাশা দেশে ফেলেছিলো এক নিরুত্তাপ তরুণী।এই দেখে তারও বোধহয় সাধ হয়েছিলো সন্ন্যাসের।তাই নদী ভ্রমন থেকে ফিরে এসে সে ঘরে যায় নি আর,জলপ্রপাতের তুমুল জলরাশির ভেতর হারিয়ে যেতে যেতে একমুহূর্তে ডেকে উঠেছিলো বালককে।
বালক তখন গভীর নিদ্রায় অচেতন হয়ে মুছে নিতেছিলো সমগ্র রাত্রির পাপ ও ক্লান্তি।তাই সেই নারী কন্ঠের ডাক একটি অসহায় পাখির কূজনে ট্রান্সলেট হয়ে ঢুকে পড়েছিল বালকের স্বপ্নের ভেতর।

বিস্তারিত»

আমার অক্ষমতা!

আমার সর্বাংগ অসাড় হয়ে আসে অক্ষমতার ভারে।
নিজের জন্য, আপন মানুষের জন্য, দুঃখিনী দেশের জন্য-
বড্ড অপ্রতুল আমার সক্ষমতা।
গোটা দেশ জুড়ে, ঘরে ঘরে, মাঠে-প্রান্তরে চলছে উতসব!
ক্লেদাক্ত কামের, বিস্ফারিত লোভের, নির্ভেজাল স্বার্থান্ধতার আঁধারে
নিভু নিভু জ্বলে যায় মানবতা, সস্তা যত বোধ আর ভগ্ন চেতনা।
আমাকে যখন পিছমোড়া করে বেধে নিয়ে যাওয়া হয়, আমি নির্বাক!
আমাকে যখন চোখ বেধে নিয়ে যাওয়া হয়,

বিস্তারিত»

আমাদের কলেজ থেকে একবার একটি ছেলে পালিয়েছিল

যখন কোন মানুষের জীবনের ইচ্ছাটাই একটা অ্যাডভেঞ্চারের নায়ক হবার, তখন সে মানুষকে কি আর কেউ আটকাতে পারে? নতুন নতুন অ্যাডভেঞ্চারের বুদ্ধি তার মাথায় নাড়া দিয়ে উঠতো। আর বুদ্ধিগুলোও ছিল অনেক আজব, অনেক রোমাঞ্চকর। বলা চলে, “যা আগে কেউ কোনো দিন ভাবেনি”। সে যা করতো আর যেভাবে করতো, তা অবশ্য ম্যাকগাইভারি বুদ্ধিই বলা চলে। অনেকটা সিনেমাতে যে ভাবে দেখা যায়, ঠিক সে রকম। আর তার সময় পরিমাপের ধরনটাও ছিল অসাধারণ।

বিস্তারিত»

যাতনা কাহারে বলে! ভালবাসা কারে কয়!

যাতনা কাহারে বলে! ভালবাসা কারে কয়!

বেশ কয়েক বছর আগে একজন সাহিত্যের শিক্ষক আমাদের ক্লাশে বলেছিলেন, একজন কবির কাছে কবিতা জন্ম দেয়া নাকি অনেকটা সন্তান প্রসবের মতই একটা ব্যাপার। যতক্ষন কবিতাটা বের না হয়, একটা যন্ত্রনা হতেই থাকে। আর বের হবার সাথে সাথেই এক অনাবিল প্রশান্তি। এ বিষয়ে আমার উপলব্ধি হল, মনের কথা বলে ফেলার মধ্যেই একটা বিরাট রিলিফ কাজ করে। তা সে সুখের হোক,

বিস্তারিত»

১০ টাকা,১টি ফোন নাম্বার এবং অন্যান্য

পরদিন পরীক্ষা। এই চিন্তায় কিনা জানি না,রাত ১২ টায় যখন ফেসবুক ব্রাউজ করছিলাম দেখলাম-পরীক্ষার হলে অ্যাডমিট কার্ড ছাড়াও যাবতীয় অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিতে হবে এবং তাও সত্যায়িত করে। মাথায় যথারীতি আকাশ ভেঙ্গে পড়ল এবং নিজে পরীক্ষার নোটিশ না দেখলেও সমস্ত দোষ প্রথমেই আর্মির প্রতিষ্ঠান (BUP) কে দিলাম তারপর মার সাথে রাগারাগি করে বাসা থেকে বের হলাম যদি কাগজ গুলার ফটোকপি করা যায়। বাসা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যেয়ে (জানি যে সব বন্ধ) ক্ষীণ আশা টা দূর হোলে বাসায় ফিরলাম।

বিস্তারিত»

লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৫

লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – পর্ব ৫
——————————ডঃ রমিত আজাদ

 

আমার এক চাচাতো বোন আছে , ওর নাম লাবনী। চাচা আব্বার ছোট ভাই। খুব ধনী এবং খুব তিরিক্ষি মেজাজের মানুষ। আব্বা শান্তশিষ্ট মানুষ, তিরিক্ষি মেজাজের মানুষের সাথে তার বনিবনা হয়না। তাই চাচার সাথে তার সদ্ভাব নাই। আসলে আব্বা চাচাকে খুব ভালোবাসেন, বলেন, “ছোট্ট ভাইটাকে কোলে পিঠে করে মানুষ করেছি,

বিস্তারিত»

ভাল্লাগে না !

ভাল্লাগেনা ব্যাপারটা আমাদের সবারই পরিচিত। আমার মাঝে মাঝেই এই ভাল্লাগেনা রোগটা বেড়ে যায়।কিছুই ভাল লাগেনা।সাত সকালে অ্যালার্ম এর শব্দ ভাল্লাগেনা,নাস্তায় ডিম ভাজা ভাল্লাগেনা,বিআরটিসি বাসের ভিড় ভাল্লাগেনা,কিচ্ছু ভাল্লাগেনা।
এই অসুখটা মনে হয় কম বেশি সবারই আসে।এবং সম্ভবত বেশ ঘন ঘনই আসে। কোন কারন ছাড়াই হঠাত মনে হয় ‘আমার কিচ্ছু ভাল্লাগেনা!’ এই সময়টুকু বেশ বাজে। মেজাজ খিচড়ে থাকে, রিকশাওয়ালা শুধু শুধু ঝারি খায়।ফেসবুকে অফলাইন হয়ে থাকা বাড়ে।

বিস্তারিত»

প্রাপ্তি

খুব ছোটবেলা আমি নিজেকে পুলিশ বলতাম।প্রতিবেশী এক চাচী এখনো আমাকে “পুলিশ কাকা” বলেই ডাকেন।বিক্ষিপ্তভাবে ছোটবেলার কিছু স্মৃতি মনে পড়ে,যেখানে উনাদের বাসার গেটে নক করে চিৎকার করে নিজের পরিচয় দিচ্ছি “আমি পুলিশ”।তবে সে স্বপ্নটা কিভাবে সেনাবাহিনীতে পরিণত হল তা নিজেও জানিনা।শুধু এটুকু মনে আছে ক্যাডেট কলেজে ক্লাশ সেভেনে এক স্যারের প্রশ্নের জবাবে নির্দ্বিধায় বলেছিলাম আমার এইম ইন লাইফ সেনাবাহিনীতে জয়েন করা।সত্যি বলতে কি,কখনো কোন সেকেন্ড থট মাথায় আসেনি সেনাবাহিনী ছাড়া।এইচএসসি পরীক্ষার পর বুয়েট কোচিং এ ভর্তি হয়েছিলাম ঠিকই,তবে রেজাল্টের আগেই আইএসএসবি গ্রীন কার্ড হাতে চলে আসায় সে পথে আর পা বাড়াইনি।মডেল টেস্টগুলোতে চশমা পাওয়াটাও সে পথ ছেড়ে দেবার একটা কারণ হলে হতেও পারে সেটা অস্বীকার করাটা অন্যায় হবে।আজ একটু ব্যাক ক্যালকুলেশন করে দেখলাম আগামী ডিসেম্বর এ আমাদের চাকরির ছয় বছর পূর্ণ হতে চলেছে।সকালে শেভ করতে গিয়ে আয়নায় নিজের চেহারাটা লক্ষ করে মনটা একটু খারাপই হয়ে গেল।কল্পনার সাথে যে অনেক বেশী পার্থক্য দেখছি!!!না না,ভুল বুঝবেন না,নিজের চেহারা সিনেমার নায়কদের মত কল্পনা করিনা।তবে নিজের কথা ভাবতে গেলেই এখনো মনের আয়নায় এক কিশোরের ছবি ভেসে উঠে।ভাঙ্গা চোয়াল,দোমড়ানো ড্রেস,লুজ বেল্ট,পালিশ না করা ফ্যাকাশে অক্সফোর্ড সু(এক কালে যেটা কাল রঙের ছিল) আর কাঁধে ছয় দাগওয়ালা লাল রঙের অ্যাপুলেট।সত্যি বলছি নিজেকে এখনো ক্লাশ টুয়েলভ পড়ি বলে মনে হয়-অনার্স পড়ুয়াদের এখনও নির্দ্বিধায় বড় ভাই ভাবি।ক্যান্টনমেন্টের গাছে ঝুলে থাকা আম কাঁঠাল গুলো তাই এখনো অশ্লীল আহবান জানায়,ক্রিকেট ব্যাট বল শুক্র-শনিবারের ঘুম কেড়ে নেয়,টেবিল টেনিস টেবিলে দুপুরের ঘুম বিসর্জন দেই,বিকালের গেমস এ এখনো অফসাইড নিয়ে তর্কে জড়াই জুনিয়র অফিসার(ওরাও এক্স ক্যাডেট)দের সাথে।তবে নিমকহারাম আয়নাটা বারবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় আমি আজ আর কলেজের ক্লাশ টুয়েলভ নই।পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন(খালি মাবাবা বাদে),বন্ধুবান্ধব,সিনিয়র কিংবা জুনিয়র(হারামখোর একেকটা) সবাই প্রায়ই জানতে চায় কবে বিয়ে করব।এমন কী ছুটি যাবার সময় সৈনিকগুলা পর্যন্ত মুখ টিপে হাসে।কারণ আমার ইউনিট আবার অফিসারদের আর্লি ম্যারেজের জন্য বিখ্যাত।সব মিলিয়ে বয়সটা যে আর থেমে নেই সেটা বোঝা যায়।তবে এমন কোন বয়সও হয়নি যে জীবনে পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করতে বসব।

বিস্তারিত»

এরা আমার সম্পত্তি নয়,সম্পদ-২

 

সবচে অবাক হয়েছি ক্যাকটাসের ফুল দেখে।অধিকাংশ ক্যাকটাসের ফুল হয় এবং সে ফুল অনেক দিন থাকে!!!সপ্তাহে একবার অল্প করে পানি দিলেই চলে।আলাদা করে আর কোন যত্ন নেয়া লাগেনা।চাকরির কিছু চক্করে গত বছরের শুরু থেকেই দৌড়ের উপর আছি।তাই ক্যাকটাস কালেকশন কার্যক্রম খানিকটা থমকে আছে।ইচ্ছা আছে দেশে ফিরে নতুন উদ্যমে শুরু করার।

বিস্তারিত»

এরা আমার সম্পত্তি নয়,সম্পদ-১(আমার ক্যাকটাস কালেকশন)

আমাদের বাসার সামনে উপজেলা অফিস।প্রতি বছর সেখানে কৃষিমেলা নামক কিছু একটা ব্যাপার হয়।খুব ছোটবেলা স্থানীয় এক কলেজ অধ্যাপক তার পিএইচডি এর জন্য যোগার করা ক্যাকটাস দিয়ে একটা স্টল দিয়েছিলেন।তখন খুব ভাল লেগেছিল।প্রায়ই মনে পড়ত সে স্মৃতি ।মিশনে আসার বছরখানেক আগে হঠাৎ করে মাথায় পোকা ঢুকল ক্যাকটাস কালেকশন করার। কারণ দেখতে সুন্দর,যত্ন খুব বেশি করা লাগেনা।মাথায় চিন্তা আসা মাত্রই কাজে নেমে পড়লাম।তবে যোগার করতে গিয়ে টের পেলাম ব্যাপারটা অত সহজ না।কারণ সব নার্সারিতেই কিছু কমন প্রজাতির বাইরে কিছু পাওয়া যায় না।

বিস্তারিত»

আর একটা দিন

এক একটা দিন যায়, বিষণ্ণতা কেমন জড়িয়ে জড়িয়ে ধরে। বিশ্ববিদ্যালয় পেরুনো মনটা আমার বারবার প্রশ্ন করে, এইটেই কি জীবন? ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ডরায়। একদিন বাসায় ফেরার পথে আকাশ জুড়ে হেলিকপ্টারের শব্দ। প্রথমে ভাবলাম তপন চৌধুরী বুঝি খুব মিটিং করে বেড়াচ্ছেন। (রিসেন্টলি নতুন তথ্য জানলাম যে স্কয়ারের তপন চৌধুরী নাকি জ্যামের কারণে এখনে গাড়িতে চড়া ছেড়ে হেলিকপ্টারে ওঠা শুরু করেছেন। তার প্রতি অফিসের মাথায় আছে সুদৃশ্য হেলিপ্যাড।

বিস্তারিত»

গাবদা

শেষ রাতের দিকে বৃষ্টি নামল। ঝুম বৃষ্টি। করিডরে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি ছোঁয়ার চেষ্টা করলাম। চোখের পাতা ক্রমেই ঝাপসা হয়ে এল। গাবদাকে মনে পড়ে। গাবদা মানে ওয়াহেদ। আদর করে নাম দিয়েছিলাম গাবদা। একটু মোটা ছিল। ক্যাডেট কলেজের সামরিক পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয়তো একটু কষ্টও হয়েছিল। এক সন্ধ্যার কথা। সেনাবাহিনীর এক সদস্য গাবদাকে প্যারেড শেখাচ্ছে। গাবদার মোটা দেহ বেয়ে দরদর করে ঘাম নামছে। ততক্ষণে খেলার সময় শেষ।

বিস্তারিত»

নীলুর জন্য ভালবাসা

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই হাসান সাহেবের মেজাজটা খিটখিটে হয়ে গেল। বিছানায় ছোট ছেলেটা বিপুল উৎসাহে পিপি করে দিয়েছে। আর সেই পিপির কোমল এবং উষ্ণ পরশেই তাঁর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটেছে। বিরক্ত হয়ে গোসল করতে যাওয়ার সময় বাথরুমের দরজায় বাড়ি খেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেলেন। গোসল সেরে বের হয়ে পাঞ্জাবি পড়ে বাইরে যাওয়ার সময় দেখে্ন তাঁর পাঞ্জাবির হাতায় গোল হয়ে ঝোলের দাগ বসে আছে।
নীলু তার বাবাকে প্রচন্ড ভয় পায়।

বিস্তারিত»