১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ছিল বাংলার ক্ষমতার ইতিহাসের এক জঘন্য কালো অধ্যায়। পলাশীর আম বাগানে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব স্রাজউদ্দৌলা’র করুণ পরাজয় নিয়তি অবধারিত। ব্যক্তিজীবনে উচ্ছৃঙ্খল, স্বধীণচেতা, কিছুটা অপরিণামদর্শী ও একগুয়ে স্বভাবের হলেও উচ্চাভিলাসি এ দেশপ্রেমিক তরুণ ইংরেজ আগ্রাসনের কড়াল গ্রাস থেকে বাংলাকে মুক্ত করে স্বাধীনভাবেই শাসন করতে চেয়েছিলেন এই বঙ্গদেশকে। কিন্তু ইতিহাসের রক্তের দায় শোধ করতে গিয়েই বড় অসময়ে নিজের জীবন বিপন্ন করতে হয়েছে এই নবাবকে।
বিস্তারিত»আমার সকল প্রেমগাথাঃ১(প্রথম প্রেম)
ছোটবেলা থেকেই আমার একটা বড়সড় সমস্যা আছে। সেটা হইল দুর্বলতা। নারীজাতির প্রতি দুর্বলতা। এই দুর্বলতাটা প্রতীয়মান হয় আমি যখন ক্লাস টু তে পড়ি। আমাদের বাসায় একটা ক্যালেন্ডার ছিল। সেখানে তখন কার যুগের কোন এক মডেল এর ছবি ছিল। আমি হা করে সেই মডেলটির দিকে তাকিয়ে থাকতাম। গোসল করার সময়, খাবার সময় ঘুমের সময় চিন্তা করতাম, আহ কি সুন্দর একটা মেয়ে। আমার বউখানা যদি এমন হইত!!মামা খালারা যখন প্রেম করতো আমি ভাবতাম আমি যে কবে এমন করে প্রেম করব,
বিস্তারিত»উপজেলা ওয়েব সাইটে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
স্বাগতম। আমি জাতীয় পোর্টাল ফ্রেমওয়ার্ক এর আওতায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পোর্টাল প্রস্তুত বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিযেছি। সব জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টাল তৈরীর কাজ চলছে। এ কাজে হাত দিয়ে দেখলাম কলেজ, হাইস্কুল, মাদ্রাসাসহ অনেক রকম প্রতিষ্ঠানের তখ্যই পোর্টালে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু ক্যাডেট কলেজ-এর কোন অস্তিত্বই নেই। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ ::salute:: এবং চারঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় উপজেলা ওয়েব সাইটে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ যুক্ত করেছি।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – 2
ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – 2
সিলেট ক্যাডেট কলেজ শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে। আরো কিছুদূর এগিয়ে গেলে এয়ারপোর্ট। শহরের ইদানিং কিছুটা এক্সটেনশন হলেও বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান মালিনীছড়া ও অপর চা বাগান লাক্কাতুরা পেরিয়ে তারপররই সিকক। কলেজের পরও জনবসতি তেমন নেই।কলেজ ক্যাম্পাসের মাঝখান চিরে যাওয়া মেইন রোডটির শুরুর মাথায় আছে মসজিদ, প্যারেড গ্রাউন্ড শেষের মাথায় হসপিটাল। রোডের একপাশে আছে প্রশাসনিক ভবন,
বিস্তারিত»আধাঁর
বিদ্যুৎ যাওয়ার অপেক্ষায়,
বসে আছি সেই কতক্ষন!
মাঝে দুবার গেল,
অথচ কি আশ্চর্য! চলে এল।
মিনিট দুই না হতেই।
একদম অসহ্য লাগছে,
শক্তি সংরক্ষক বিজলী বাতিটিকে।
আমার মাঝে এই আমাকেই,
কাটছে ভেংচি, করছে উপহাস।
পরিত্রান চাই, লুকোতে চাই,
পালাতে চাই। তাই,
আধাঁর চাই আধাঁর,
মনের গভীরে ঘুঁট পাকাচ্ছে যে আধাঁর,
নিকষ, কালো,
নাম সমগ্র
সঙ্গত কারনে পোস্ট সরিয়ে নেয়া হইল। লেখক অনেক মাইর খেয়েছেন তার ক্লাসমেট দের হাতে :duel: :duel: :gulli: :gulli: :gulli2: :gulli2: :chup: :chup: :brick: :brick: :brick:
বিস্তারিত»অরক্ষিত রাজপথে তোমাকে স্বাগত হে প্রিয়তমা
প্রিয়তমা,
তোমাকে গোলাপ দেয়ার সময় নেই এখন
এখন বড় দুঃসময় আমার বাংলার
এখন অরক্ষিত রাজপথে আমার ভাইয়ের রক্ত
আল্পনা এঁকে দেয় প্রিয়তমা
প্রিয়তমা,
এখন মিছিলে যাওয়ার সময়
রক্ত গঙ্গার স্রোতে আগুনে আগুনে বিক্ষুদ্ধ জনতার মিছিলে যাওয়ার সময়
আরো একটি কবিতা লিখবো প্রিয়তমা
আবার যেদিন রাজপথে মুক্তমনাদের ছড়াছড়ি হবে
আবার যেদিন স্লোগানে স্লোগানে প্লাকার্ড হাতে
সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গীকার থাকবে
আবার যেদিন হাসিনা-খালেদা এক প্লেটে খাবে ভাত
নিজামি আযম পিষ্ট হবে ধ্বংস হবে মৌলবাদ
প্রিয়তমা তোমাকে কবিতা শোনাবার সময় কোথায় বলো
এখন একটি কবিতা হবে সবার জন্য
শব্দের তরঙ্গে ভেসে যাবে স্তদ্ধ বিকেলের নিজর্নতা
কথার খই ফুটে উঠবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার সব ভয়াবহ সমীকরনে
প্রিয়তমা
এখন যৌবন দীপ্ত মিছিলের আগামি প্রভাতে শব্দের গাঁথুনীতে হবে ভাস্কর্য,হবে দাবানল,হবে জেগে ওঠার নতুন মন্ত্র
আগামি জন্মে তোমার গর্ভে যে ভ্রুনের জন্ম হবে প্রিয়তমা
আমি তার নিঃশ্বাস নেবার জন্য একটি বাংলা রেখে যেতে চাই
আর একটি প্রান ঝরে গেলে রাজপথে
প্রিয়তমা আমি রাজনীতির পেটে লাত্থি দিতে চাই
ধ্বংস করতে চাই পাশবিকতার সব দেয়াল
প্রিয়তমা একটি রক্ত জবাও ফুটলে
তোমার আঙিনায়
আমি তার জন্য নিরাপদ এক আবহাওয়া চাই
আমি তাকে পুষ্টি দেবার জন্য জল চাই।
চিরকুট-১

মৌরি,নিও না অপরাধ,আমি চাইনি পালাতে
ফার্মগেট মোড়ে তোমাকে দাড় করিয়ে সাত ঘন্টা
আমি চিরকুটে রেখে আসতে চাইনি আমার কাপৌরোষ
আমার তিন বছরের মেয়ে জানে না মৌরি আন্টিকে বাবা
কিনে দিয়েছে হিরের লকেট,তার জন্মদিনের উপহার কিনে নি!
আমার চাতুরী জেনেছে কামাল সাহেব,তোমাকে বলছে
জানাবে তোমার বাবাকে,কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে,মৌরি
তাই তোমাকে যেতে হবে রাজধানী হোটেলের গোপন কামরায়
মাফ করো মৌরি,আমি সরাতে পারিনি গোপন ক্যামেরা
এলাকার মন্টুভাই তোমাকে দেখে হেসছিলো,আর তুমি
সেটা সহ্য করতে পারোনি আমাকে বলতে আমার সেল অফ,
ভাদর জোছনা
এমন কোমল রাতে-
কবিরাও ভয় পেয়ে ভুলে যায় কবিতা লিখতে
চিত্রকর ছবি আঁকে না।
গায়কের গলা খুলে যায় মাঝে মাঝে
কখনো কখনো থেমে যায় থমকে…
এমন রাতে-
শুধু চোখ কথা কয়
মন কথা কয়
ইচ্ছা করলেই শোনা যায় না !
এমন রাত-
চাঁদের রাত-
আলো-ছায়ার মায়াবী খেলা
অনেকে হয়তো চোখেও দেখেনা !
ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – ১
ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – ১
লাইটস আউট হয়ে গেছে আরও একঘন্টা আগে। কিন্তু বিছানায় শুয়েও আমার ঘুম আসছে না। জানাল দিয়ে বাইরে তাকালাম। চারদিক নিস্তদ্ধ নিঝুম। ফুটফুটে জোৎস্নায় পাহাড় আর বনে ঘেরা সিলেট ক্যাডেট কলেজের এই বিশাল ক্যাম্পাস কেমন ফ্যাকাশে ও রহস্যময় মনে হচ্ছে। বিষয়টা কিছুতেই মাথা থেকে ফেলতে পারছি না। ক্লাস নাইনে ওঠার পর এই রুমটিতে এসেছি সাতদিন হয়। নতুন রূমে আসলে সবাই খুশী হয়,
বিস্তারিত»সে কি আসে, সে কি আসে!

আলোকচিত্র: সে কি আসে, সে কি আসে?, কাজী সাদিক(৮৪-৯০)
এমনি কত সোনাঝরা বিকেল এসে মিশে গেছে – নদীময় বয়ে গেছে আমাদের জীবনের চোরাস্রোত।হঠাৎ চুমুর বেগুনী উদ্ভাসে দুলে উঠেছে জারুল ফুল, সঘন উত্তাপে আ হা আমাদের জোড়া ঘড়ি থেমে যাবার ষড় করে কতবার পরাস্ত হয়েছে।অভিমানের কোন ধার ধারেনি কোন নদী, চোখ থেকে অশ্রুর শেষ ফোঁটাটুকুও লুটে নিয়ে গেলে হু হু করে উঠেছে খটখটে শুকনো হৃদয়।তুমি চলে গেছো রিকশায় ভর করে,
বিস্তারিত»কাইন্ডলি কাইন্ডলি জী
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিন। বাবা-মা, খালা-খালু, নানা-নানি, মামা-চাচা সবাইকে নিয়ে ক্যাডেট কলেজে হাজির। কেমন যেন ভয় ভয় লাগছিল। আমার খালাতো ভাই আর চাচা ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে ক্যাডেট কলেজের অনেক গল্প শুনেছি। আর আমরা সবাই যেমন একটু বাড়িয়ে বলতে ভালবাসি নিজের বীরত্ত দেখাতে, আমার চাচা বা ভাই ব্যতিক্রম ছিলেন না। তারাও নিজের বীরত্ত দেখাতে বা শোনাতে ক্যাডেট কলেজের সিনিয়র ভাইদের সম্পরকে এমন গল্প শুনিয়েছেন যে আমি ক্যাডেট কলেজে ঢোকার আগেই ভয়ে মরে যাচ্ছিলাম।
বিস্তারিত»কিছু কৈশোর………… (২য় খন্ড)
(শিরোনামটা আমার প্রিয় লেখক হুমায়ুন আহমেদের একটা আত্মজৈবনিক বই থেকে অনুপ্রাণিত।)
আমাদের বকক/২৫ ব্যাচের শশী একদিন বলছিলো, ওর বাবা ওকে ক্যাডেট কলেজে দেবার প্রধান কারন ছিলো এখানে কোন রাজনীতি নেই। কোন দল নেই বলে একদলের সাথে অন্যদলের কোন কোন্দল ও নেই। বুয়েট’র এখন যে বাজে দশা, তাতে রাজনীতির অভিজ্ঞতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে শশী ভালো ঝামেলায় পড়ে গেছে মনে হয়। তবে রাজনীতি না থাকলেও আমরা যখন কলেজে পড়তাম মজা করবার জন্য কিছু দল আমদানী করে রাজনীতি করেছিলাম।
বিস্তারিত»সবাই যায় পশ্চিমে,আমি গেলাম পুবে ও পশ্চিমে (২)
সবাই যায় পশ্চিমে,আমি গেলাম পুবে ও পশ্চিমে (১)
ঘুম থেকে উঠলাম ঘণ্টা তিনেক পর,ততক্ষণে আমার সাথে থাকা ছেলেটি জুতা মুজা খুলে বসেছে আর টিভিতে দেখছে স্থানীয় সংবাদ। সংবাদের কি বুঝছে সে,সেই জানে। নক পেয়ে দরজা খুললাম,আরো একজন আমাদের সাথে এসে যোগ দিল। তার নাম আসিফ,আমাদের মধ্যে এক জুটি ছিল,তখন টের পেলাম। ছেলেটি মেয়েটিকে একান্তে পাবার লক্ষে তার রুম থেকে আসিফকে বের করে দিয়েছে।
বিস্তারিত»মিলেনিয়াম: সময়ের সেলাই
আমরা বেঁচে আছি সময়ের এপার ওপার ফোঁড়ে, গ্রাসের ঝড়ো তান্ডবে !
ভাঙ্গনের ঝনকার কানে যায় না। আমাদের মনের কানে তালা পড়েছে !
আমরা আর চোখেও দেখি না প্রায় ! আমাদের জ্বিভ লকলক করে বড় হচ্ছে!
চাবুক খাওয়া ঘোড়ার মতো তাই সব দৌড়ের উপরে !
মেয়েটাকে একসময় চিঠি লিখত ছেলেটি কালেভাদ্রে, কৈশোরের আটানব্বইয়ে ।
কথার পরে কথা সাজিয়ে, তাতে মনের ছোঁয়া মিশিয়ে
হোমিওপ্যাথির গুড়ার মতো আদর করে খামে পুরে,