অনেকেই ধর্মান্ধ (যে কোন ধর্মাচার হতে পারে) আর মুসলিমদের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে পান না। এটা যেমন অনেকেই ভাবেন বা বিশ্বাস করেন ঠিক তেমনি অনেকেই এই বিশ্বাস বা ধারণা পোষণ করে থাকেন যে নিধার্মিক (নাস্তিকের চেয়ে অধিকতর ও যৌক্তিক প্রতিশব্দ) আর সেকুলারিজম/সেকুলার (ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বা ধর্মনিরপেক্ষ) একই জিনিস।
এই ভাবনার পিছনে সবচাইতে বড় যে কারণটি রয়েছে তা হলো আমাদের অর্জিত জ্ঞান বা লদ্ধ অভিজ্ঞতা।
হ্যালো, স্লামলিকুম! দৈনিক উন্মাদ থেকে বলছিলাম।
Prank – শব্দটির সাথে পরিচয় ছিলোনা সে সময়। কিন্তু এর পিছনে সময় না দেওয়াটা অসম্ভব একটা ব্যাপার ছিলো। কিন্তূু আমি ছিলাম নেহাতেই চুনোপুটি। এ লাইনে পি এইচ ডি করা বড় বড় ওস্তাদ লোকজনের অভাব ছিলোনা। এরকম একজন ছিলো মোতাকাব্বের ওরফে মোবারক।
উচ্চ মাধ্যমিক পরিক্ষার রেজাল্ট দিছে সেদিন। পরিক্ষায় সেই রকম ডাইল মারছি। উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক পরিক্ষার নম্বরের পার্থক্য হোলো ১৭২ নম্বর। সূতরাং ১ ঘন্টার মধ্যে বাপের প্যাদানির ভয়ে এক বস্ত্রে বাসা ছাড়লাম।
বিস্তারিত»আজব ক্যাডেট লাইফ এর গজব কাহিনী – ১
ক্যাডেটদের জীবনের (এবং কলেজে ক্যাডেটদের নিখাদ বিনোদনের)এক অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের স্যার-ম্যাডামরা । এই দুইয়ের মধ্যে চলে এক চোর-পুলিশ কিংবা ইঁদুর-বিড়াল খেলা । ক্যাডেট যত সিনিয়র হয় খেলাগুলোও জমে ওঠে তত বেশি । ক্যাডেট জীবনের তেমন কিছু স্মৃতিই আজ লেখার বিষয়(স্যার-ম্যাডামরা ক্ষমা করে দেবেন প্লিজ)…
একজন মেস ও.আই.সি, কিছু চাষাভুষা ক্যাডেট ও ব্যা-ব্যা ডাক :
ঘটনা-১ : ক্যাডেটরা সাধারণত খুব ভোজন-রসিক প্রকৃতির হয় ।
ছায়া
অক্টোবরের পাতা ঝরা রাত। পশ্চিম থেকে অ্যাড্রিয়াটিকের গা ছুঁয়ে আসা বাতাস হিম করে রেখেছে চারপাশ। খুব সজাগ হয়ে কান পাতলে বাতাসের ডাক শোনা যায়। বিমর্ষ এক হাহাকার জাগিয়ে সে বাতাস দিনারিক পর্বতমালার গা ঘেঁষে হারিয়ে যায়। নিস্তব্ধ চারপাশ। গাছের পাতাটি পড়লেও শোনা যায় এমন। মানুষ পৃথিবীতে আসার অনেক অনেক আগে, যখন মহীসঞ্চারণে প্যানেজিয়া ভেঙে সাত সাতটি আলাদা মহাদেশ হচ্ছিল, তখন কি পৃথিবী এমন ছিল? এমন শান্ত,
বিস্তারিত»দেখলাম সে কাঁদছে
দেখলাম সে কাঁদছে। তার কান্নাটা ছিল নীরব কান্না। আমার শত ব্যস্ততার কারণে আমি আজ এতদিন খেয়াল করিনি। আসলে এটা আমার দোষ যে, আমি খেয়াল করতে পারিনি। আর সে তো আমারই সন্তান। আমার কাছ থেকে সে আর কতদিন নিজেকে লুকিয়ে রাখবে? তাকে তো আমার সামনে আসতেই হবে। আমি তো তার নাড়ি-নক্ষত্র সবই জানি। সে কী করে? কেন করে? পথ চলতে গিয়ে তার কোথায়-কোথায় বেধে যায়? সে কী ভুল বলে?
বিস্তারিত»টম ক্রুজ
অতি সাম্প্রতিক সময়ে এই পরিচিত নামটি আমাদের কানে কিংবা নজরে এসেছে আলোচিত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব অনন্ত জলিল এর সুবাদে। আরো একটু পেছনে গেলে পাওয়া যাবে ‘মিশন ইম্পসিবল ৪’ এর দুর্দান্ত অ্যাকশন। সোজা কথায় বললে আমাদের আশেপাশেরই বহু রমণী- তরুণী- বালিকার অতি আপনজন এই টম ক্রুজ।
কিন্তু আমি হলিউডের কারো কথা আজ বলছিনা। অনন্ত জলিল কে নিয়েও কিছু বলছিনা।
বিস্তারিত»সর্বাধুনিক কবিতা
ক্র্যাশ খাইলো কানা বাবুল,
ক্র্যাশ খাইলো আটা আবুল
ক্র্যাশ খাওন কি মজার ?
জবাব খুইজাই, পাইকছে দাড়ি
বাইরছে ভুড়ি, আমার চাচা-
কিচমত গনি খাজার।
আমগো পাড়ার রহিম মিয়া
পাঙ্খা মামার ব্যানার নিয়া,
খুলছে চায়ের দোকান একখান-
বছর খানেক আগে,
সেই দোকানে, রোইজ বিকালে
চক্কর একখান মারতে গ্যালে
চা না খাইলে চাচার আমার
কিমুন জানি লাগে !!
দূরত্ব
১.
নির্মাণাধীন মিরপুর ডিওএইচএস ইদানিং চিড়িয়াখানা আর বোটানিক্যাল গার্ডেনের উপর চাপ বহুলাংশে কমিয়ে দিয়েছে। খোলা জায়গা আর কয়েকটা জলাশয়ের গুনে মিরপুর ডিওএইচএস প্রতিনিয়ত ‘ওয়াও’, ‘অসাম’, ‘মাই গস’, ‘অসাধারন’ এবং আরও ছোট কিছু ইংরেজি এজেক্টিভ অথবা লম্বা বাংলা বিশেষণে মহিমান্বিত হয়েই যাচ্ছে!
ওসমানী হলটা পার হয়ে তরফদার সাহেব যেই গাড়িটা ডানদিকে ঘুরালেন ওমনি রুমানার গলা দিয়েও বিস্ময়ের আওয়াজ ‘ওয়াও’ শোনা গেলো। বাসা মিরপুর দুইয়ে হলেও বারো নম্বরের এই দিকটাতে আসা হয়নি কখনও রুমানার ।
বিস্তারিত»“বাং” নাম স্টাইল!!!
এই সিটে কেউ আছে?
আছে।
কে?
একটা লোক । নিচে গেছে ।
ভাই বাস ছেড়ে দিছে…আপ্নার লোক ত আসল না!
আমার এই কথার পরিপেক্ষিতে আবিষ্কৃত হল ঃ যে লোকটিকে পাওয়া যাচ্ছে না তার স্ত্রী সাম্নের সিটে বসে আছে সাথে একটি ৫-৬ বছরের মেয়ে আর তার স্বামী ছিল পিছনের সিটে, সাথে ছিল ৩ বছরের একটি ছেলে। ছোট ছেলেকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেবার নিমিত্তে ভদ্র লোক বাসস্টপে নেমেছিলেন।
ফিরিয়ে দিও
বন্ধু, তোমার ফেলে যাওয়া পথে ঘাসেরা বাড়ে
বন্ধু, তোমার ফেলে যাওয়া নদীটা শুকিয়ে মরে
বন্ধু, তোমার কুড়িয়ে পাওয়া ঝিনুকেরা খোলস ছাড়ে
বন্ধু, তোমার ফুলেরা নীরবেই ঝরে
বন্ধু, তোমার দিনেরা বয়েই চলে
বন্ধু, কেবলই ঘুন ধরে-
তোমার ফেলে যাওয়া স্মৃতির ভাগাড়ে।
যেতে যেতে তবু ফিরিয়ে নিও ধূসর এই পথ,
মৃতপ্রায় নদী, হারানো সময়; কিংবা অথৈ প্রেম।
আবার আবাদী হোক হৃদয়;
হঠাৎ ঝলক (ভৌতিক গল্প)
রবিন ছেলেটাকে আমার একটুও পছন্দ হয় না। দেখলেই গায়ের মধ্যে জ্বলে ওঠে। রাগে, হিংসাই আমার মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়। আর তখন পৃথিবীর সমস্ত গালিগুলি আমি তাকে একটার পর একটা বিড়বিড় করে দিতে থাকি। মনে হয়, যেন লাফ দিয়ে ওর গলাটা টিপে ধরি। অবশ্য ছেলেটির মধ্যে বেশ কয়েকটি ভালো গুন আছে। যেমন- ভদ্রতা, নম্রতা, সুরুচিবোধ ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার বেস্টফ্রেন্ড অর্ণবকে সে বস করে ফেলেছে। প্রত্যেক স্যারের মুখে তার প্রশংসা।
বিস্তারিত»রাধাকথন-৫
নিষাদ-ঋষভ-গান্ধার
ছুঁয়ে
তীব্র মধ্যমের
জর্জর কম্পিত আলাপে
কেটে গেছে কাল
তোর প্রতীক্ষায়
রাতভর
ইমন কল্যাণ বাজিয়েছিল
ধুলোমলিন, পরিত্যক্ত সেতার
বারংবার
ঝালায় ঝালায়
রক্তাক্ত আঙুল
নেচে বেড়িয়েছে
ল্যাপটপে
জানলার গরাদে
ফুটিয়েছে
ব্যর্থ ত্রিতাল
এলিনা হায় পার্থসখা
না হয় সেতার হত রাধিকা,
তুই
যুবক বিলায়েৎ খাঁ!
কান নিয়েছে চিলে…
আমাদের মুমিন ভাইয়েরা ব্যাপক উতসাহে আমেরিকার স্যান্ডি ঘুর্নিঝড়ের খবর প্রচার করছেন, এই ১০০ মানুষের মৃত্যুতে, কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতিতে তারা যারপরনাই খুশি। আল্লাহর গজব এক্কেরে হাতেনাতে পেয়ে গেছে আমেরিকা। এর চেয়ে খুশির সংবাদ আর কি হতে পারে? আসুন খুশির সংবাদ কিভাবে বাড়িয়ে চাড়িয়ে প্রচার করতে হয় দেখি। একটি পোস্টার নজর কাড়লো। অনেক মুমিন ভাইয়েরা তা বিপুল উতসাহে প্রচার করছেন।
যে পোস্টারটি আপনি দেখতে পাচ্ছেন তাতে কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিস্তারিত»অচিন মানুষ
অচেনা মানুষ, এসো আমার সিঁথানে-
চুল এলো হোক বাতাসে, আমরাও ডুবি অচিন আমোদে।
এতটা পথ এলে একাকী? একেবারেই একা?
যেতে যেতে বহুদুর ফিরে এলাম এই বেলা,
পেতে পেতে বহুকিছু ফেলে এলাম এই বেলা,
আহারে অচিন মানুষ! তোমারে যদি দেখানো যেত-
সেই একমুঠো বকুল, প্রথম চুম্বন, নিষিদ্ধ শিহরন,
সেই একফালি চাঁদ, পুরোনো আদর, রোদেলা চাদর,
সেই একখানি হাসি,
ঘুন
বুকের ভিতর ঈর্ষা পুষি, ভালবাসা কীসের?
হৃদয়জুড়ে ক্রোধের আগুন, শান্ত থাকা কীসের?
মনটা জুড়ে সারাটা ক্ষণ ঘৃণাই যাচ্ছি বুনে;
কী লাভ আবার প্রেম-পিরিতির মিথ্যে কিচ্ছা শুনে?
ভাল মানুষ সেজে থেকে, আর কতদিন যাব বেঁচে-
আপন মানুষটারে?
লোকলজ্জা, সংশয়েতে দুলব শুধু এদিক ওদিক-
একটু সময় পেলে
কে বা ছোটে জীবন পানে উজান জগত স্রোতে?
মিথ্যে সবই, মিথ্যে কেবল-
চলছে শুধু কথার চরকা বুনে।

