নিতান্ত ফ্রয়েডীয়


তারপরও জেনো,এই বোকা বাঁশীওয়ালাই
জিতে নিতে চায় সকল মুগ্ধতা,ঘামের মাদক ঘ্রাণ
নরোম মুখের স্বাদ,ছন্দোবদ্ধ নিঃশ্বাস,প্রেম ও
বোতাম ভাঙার দায়-তোমার সর্বস্ব বিদ্যুৎ!

কাকে ভালোবাসতে,কাকে বাসো,তোমার অতীত বৃত্তান্ত
তা নিতান্ত নগন্য;আজকাল প্রায়ই ডুবেও থাকি তোমাকে
জিভ-চুমু খাওয়া,তোমাতে ডুবে যাওয়া ইত্যাদি সব
নষ্ট স্বপ্নদৃশ্যে-আর মনে মনে বলি,”আমাকে পুড়িয়ে করো ছাই!”

বিস্তারিত»

বইমেলা ২০১৩

আপডেট

যারা যারা লেখা পাঠিয়েছেন সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আবার অনেকে লেখা দিবেন বলেছেন, শেষ করতে পারেন নি বলে কিছুদিন সময় চেয়ে নিয়েছেন। আশা করি একটা মানসম্মত সাহিত্যপত্রিকা সবাইকে আমরা উপহার দিতে পারব (আমি শুধু বইমেলায় একটা প্রকাশনা বের করা থেকে নিয়মিতভাবে, সম্ভব হলে ত্রৈমাসিক, নিদেনপক্ষে ষান্মাষিক বের করার পক্ষপাতী)। নূপুর ভাই আর কুমিল্লার রফিক-উম-মুনীর ভাই অনেক সাহায্য করছেন, বিশেষ একটা ধন্যবাদ উনাদের প্রাপ্য।

বিস্তারিত»

আমার বাবা-বেলা – ২

[পাঁচ] আমার ছোটটির বয়স তখন তিন কি চার। বাবার সাথে সবকিছুতে তার উত্সাহ। সবচাইতে কৌতুহলপূর্ণ জায়গা রান্নাঘর। একদিন সকালবেলা এবং উইকএন্ড। ওদের ডিমের প্রতি খুব একটা আসক্তি নাই। তাই আসক্তি জাগাবার জন্য আহ্‌বান করলাম, ”কে আমার সাথে ডিম ভাজা করবে?” বড়টির কোন উত্তর পাওয়া গেলো না। ছোটটি গুটি গুটি পায়ে ঢুকলো। আমি তখন একটি ডিম ওমলেট করবো বলে ভেঙে বাটিতে রাখছি। সে গভীরভাবে ডিম ভাঙার পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করলো।

বিস্তারিত»

আমার সুকুমার পরিচয়

রামগরুড়ের ছানা, হাসতে তাদের মানা,
হাসির কথা শুনলে বলে-
হাসব না-না,না-না…..
ছোটবেলায় মায়ের মুখে শুনতাম, আর হয়ত না বুঝেই খিলখিল করে হেসে উঠতাম। জানতাম ও না যে মা আমাকে কোন বিশাল এক সমুদ্র পাড়ের নুড়ি পাথরের স্বাদ দিচ্ছেন, গন্ধ দিচ্ছেন, ছোঁয়া দিচ্ছেন । নিজেকেই মনে হত একটা রামগরুড়ের ছানা 🙂 । আপনাকে চিনতে পারিনি তখন, ক্ষমা করবেন ।
কি বিচিত্র সুন্দর সৃষ্টির পসরা যে আপনি সাজিয়ে রেখে গেছেন তা বুঝতে একটু দেরীই হয়েছে বোধহয়।

বিস্তারিত»

তবু পাশে থাকো

আরো কিছুখন থাকো পাশাপাশি

অন্ধকার, তবু

কান পাতলেই শিশির ঝরার টুপ টাপ টুপ…  কান পাতলেই।

যদিও এখন কান না পেতেই পায়রার কান্না শুনি…  সবখানে।

 

তবু পাশে থাকো

পাশে আছি বলে আঁধারেও ডাকে কোন কোন পাখি

গাছে ফোটে ফুল

ভগ্নাস্তুপে বুদ্ধ হাসেন মৈত্রীর হাসি

বলেন, “সকল প্রাণী সুখী হোক”।

বিস্তারিত»

কে হায় হৃদয় খুঁড়ে – ২

হাউস বেয়ারা শুক্কুর আলি……………… গোমতী হাউসের । যে থাকলে হাউস সম্পূর্ণ স্বাধীন ঘোষনা করা যায়, আমাদের বিজয়ের তেরাংগা পতপত করে ওড়ে আকাশে বাতাসে।সিগারেট এনে দিতে হালকা পাতলা আপত্তির অধিকারী।বাদবাকি ব্যাপার বিন্দাস…।হাউস লাইব্রেরী লুট করা যায়, তাকে গার্ড হিসেবে বসিয়ে করিডোরে ক্রিকেট খেলা যায়, যার দরুন জুনিয়র ক্যাডেটকে জ্বালাতে হয়না, লেটেস্ট রিলিসড গানের সিডিগুলো পাওয়া যায় গরম গরম। আন্তঃহাউস আম-আটি হাত বদলে তার ভূমিকা অনন্য (আমরা সিডি প্লেয়ার কে বলতাম আম ,

বিস্তারিত»

ঘটনাপঞ্জি ১

তখন আমরা ক্লাস সেভেনে পড়ি। তখন নাইট প্রেপের পরে কাউন্টিং বলে একটা জিনিস হত। রাতে প্রেপ থেকে এসে ২ মিনিটের মধ্যে ড্রেস চেঞ্জ করে হাউস অফিসের সামনে এসে এক লাইনে দাঁড়াতে হবে, তারপরে কাউন্টিং। যদিও নিয়মটা সবার জন্যেই প্রযোজ্য ছিল, কিন্তু কাউন্টিং আসলে হত সেভেন, এইট আর নাইনের। ক্লাস টেনের হত, তবে ইমিডিয়েট সিনিয়র জেপি হলে তারা আর আসত না। মানে আমরাও আর যাই নি।

বিস্তারিত»

ভেতরে কেউ কাঁদছিল

লেখালেখির বিশেষ কিছু না পেয়ে অগত্যা কবিতাপাঠ।আমার অত্যন্ত পছন্দের একটি কবিতা।
কবিতা: কাঁদছিল, কেউ কাঁদছিল। সৈয়দ শামসুল হক।
সুর কৃতজ্ঞতা: Missing you, আনন্দ শংকর।

ভেতরে কেউ কাঁদছিল

কাঁদছিল, কেউ কাঁদছিল

ভেতরে কেউ কাঁদছিল তখন থেকে কাঁদছিল
সেই তখন থেকে
যখন আমার সাজানো এক ঘর ছিল
যখন তার দরোজা থেকে বিরাট তালা ঝুলছিল
ভেতরে কেউ কাঁদছিল
তখন থেকে যখন থেকে
তোমার মতো কারোর দিকে দেখার দুটো চোখ ছিল
যখন কিছু বলতে গিয়ে
হঠাৎ করে ভয় ছিল
নাম ধরে যে ডাকব তখন
সেই সাহসের টান ছিল
তখন থেকে কাঁদছিল ভেতরে কেউ কাঁদছিল
কানে আমার যাচ্ছিল
বোকা যেমন –

বিস্তারিত»

“ক্যাডেট” শব্দটা আমার কাছে “স্পেশাল ওয়ান” কিংবা “অনলি ওয়ান”

“ক্যাডেট” এই শব্দটাকে আমার কাছে মনে হয় – “স্পেশাল ওয়ান” কিংবা “অনলি ওয়ান”। ১১/১২ বছরের একটি কিশোর এর কাছে ক্যাডেট কলেজে চান্স পাওয়াটা যেন আনন্দের এক বঙ্গোপসাগর । বাবা-মা’র হাসিমাখা মুখ, পাড়া-প্রতিবেশী সবার অগনিত প্রশংসা, বন্ধুমহলের সবার কাছে এক বিশেষ গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তির স্থানলাভ কিন্তু এত আনন্দের রেশ কাটতে না কাটতেই চলে আসে কলেজে যাবার ডাক। মনের মাঝে হাজারো স্বপ্ন সাজিয়ে কোন এক সকালে ব্যাগ-পত্র গুছিয়ে বাবা-মা-ভাই/বোন’কে সাথে নিয়ে সেই কিশোরের যাত্রা শুরু হয় ক্যাডেট কলেজের উদ্দেশ্যে ।

বিস্তারিত»

আইসিএসএফ: পাক্ষিক অনলাইন কর্মশালা

আইসিএসএফ: পাক্ষিক অনলাইন কর্মশালা সিরিজ!! (২য় পর্ব)
[স্কাইপ : ৩ নভেম্বর ২০১২, বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা থেকে]
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

❖ এই পর্বের নির্ধারিত আলোচ্যসূচী:
—————————————

☛ ট্রাইবুনালের সাক্ষী সংক্রান্ত বিষয়গুলো, যেমন:
— ✔ সাক্ষীদের নিরাপত্তার বিধান
— ✔ সাক্ষীদের মান
— ✔ সাক্ষীদের ভয়ভীতি, লোভ এবং হয়রানীর ঘটনাসমূহ
— ✔ অত্যধিক সংখ্যক সাক্ষী পেশ সংক্রান্ত বিষয়গুলো

বিস্তারিত»

আমার ডিজি বাংলার থ্রিজি গরু

একটি গরু কিনলাম-
১. ২ রংয়ের ৩২০ পিক্সেল রেজুলেশন চামড়া বিশিষ্ট
২. যার গোস্ত ধারন ক্ষমতা প্রায় ৫৫০ জিবি।
৩. ডাইমেন্সান হবে ১০২৪ x ৭৬৮ .যার মধ্যে এন্টিভাইরাস থাকায় ভ্যাক্টেরিয়া আক্রমন করার কোন সম্ভাবনা নাই।
৪. ইউ এস বি পোর্ট ১টা (…) ।
৫. নাক, মুখ ও মলদারসহ প্রসেসর এর কুলিং তিনভাবে হয়।
৬. গরুর লেজের অসিলেশন সিম্পল হারমোনিক মোশানের সকল তত্ত্ব ফলো করে।

বিস্তারিত»

ঈদের একাল-সেকাল

সময় পাল্টিয়েছে, বদলে গেছে ঈদের আমেজও। যখন ছোট ছিলাম, তখন হাট বসার আগেই একটা উত্তেজনা কাজ করত- কবে হাট বসবে, কবে এলাকার প্রথম গরু কেনা হবে, ওদের গরুটা কেমন হলো, রোমানা পেইন্ট- সোহাগ পরিবহন কত বড় গরু কিনলো, ঈদের দিন আগে ইমরানদের গরু ফালানো আগে দেখবো, নাকি রোমানা-পেইন্ট এর গরু ফালানোর কসরত দেখবো? এইরকম বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে ঈদ ঘিরে থাকত।

ঈদ নিয়ে আমার স্মৃতির একটা অংশ জুড়ে আছে হাসপাতাল!

বিস্তারিত»

আমি একজন ক্যাডেট

ক্লাস সেভেনে থাকাকালীন ঘটনাটা বলি। কলেজ হাসপাতালে আমরা কয়েকজন মিলে ধরাধরি করে আমার এক বন্ধুকে নিয়ে এলাম। বেচারার অবস্থা আজ বড়ই খারাপ। বেশ টানা কয়েকদিন ধরে আমাদের নভিসেস্‌ প্যারেডের প্র্যাকটিস চলছে। কড়া রোদের নিচে থাকতে থাকতে গায়ের রঙ তো কালো হয়েছেই তার সাথে সাথে আবার গেঞ্জিটা খুললে রোদে না পোড়া অংশটুকু আর একটা সাদা গেঞ্জির মতো লাগে। যাইহোক, আমার বন্ধুটা আজ সকালের প্যারেড প্র্যাকটিস শেষে বাথরুমে গোসলের জন্য লাইন রাখবে বলে দৌঁড়ে আসার সময় পিচের রাস্তায় পড়ে যায়।

বিস্তারিত»

আমার বাবা-বেলা – ১

[শূণ্য] আমি যখন প্রথম বাবা হই, তখন থেকে ছ’মাস পরে আমার মেয়ে তার প্রথম ধ্বনী উচ্চারণ করে – ’বা বা বা বা উঁ উঁ উঁ’ যার অর্থ করলে দাড়ায় আমার এখন ক্ষিদে লেগেছে। কিংবা আমার ডাইপারটা এক্ষুণি বদলে দাও। কিংবা সবকিছু বাদ দাও, এখন আমি ঘুমোব। এটি কমবেশী সব বাবা মা ই জানেন। বাকী গুলো বাবা-মা বিশেষে বিস্তারিত এবং ইউনিক!

[এক] আরো ছ’মাস পর যখন সে তার চারদেয়ালের ঘরের ভিতরকার জগত্‍াআবিষ্কার করলো তখন আরো কিছু কথা সে বলা শুরু করলো।

বিস্তারিত»

মুক্তি

মুক্তি চাস? মুক্তি পাবি
মুক্তি চাস,মুক্তি পাবি
মুক্ত হয়ে চলে যাবি…
কিন্তু তুই কোথায় যাবি?
কোন আকাশে কোন বাতাসে
দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে
ধাক্কা খাবি।
মুক্তি পেয়ে চলেই যাবি।

আমার আবার কিই বা হবে,
আগের মতই কয়েকটা রাত
কাটবে না হয় তোকে ভেবে
বিষাদ কালি চোখের নিচে জমলে বেশি
কছম খোদার,তুই চরম সুখী হবি।

বিস্তারিত»