১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাতে কোন রকম ঢাক-ঢোলের মাতম ছাড়াই শুরু হয়ে গেল মাত্র ছয় বছরের মধ্যে ৪র্থ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ বরাবরের মত এবারও ‘ডেথ গ্রুপ’এর সদস্য। কিছুদিন আগেই বাংলাদেশেও বিশ্বকাপ আয়োজিত হয়েছিলো। আমাদের দেশের মত এত ক্রিকেট পাগল মনে হয় শ্রীলংকানরা নয়। নইলে এই যুগে আলোর ঝলকানি, নাচ-গান অনুষ্ঠান ছাড়া বিশ্বকাপ শুরু হবার কথা না। যাই হোক, বাংলাদেশ দলকে শুভকামনা জানানোর জন্যই এই লেখা। জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনদিন ক্রিকেট থেকে পাওয়া কোন উপলক্ষ ছাড়া পুরো বাংলাদেশীদের এক সাথে আনন্দ করতে দেখিনি।
বিস্তারিত»আশার এক্রসটিক
[এক্রসটিকঃ এই ধরনের কবিতা বাংলায় প্রথম লিখেন কবি মাইকেল মধুসুদন দত্ত।প্রথম বার লিখেছিলেন তার এক বন্ধুর নাম নিয়ে।নামটা ছিল খুব সম্ভবত গৌর মোহন দাশ।সে যাই হোক-এই কবিতা পড়ার নিয়ম হল- প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর একে একে পড়ে যাওয়া।তারপর বাকি কবিতা পড়া।আরেকটা কথা-এই ধরনের কবিতায় প্রথম অক্ষরের বানান ভুল করা যেতে পারে!(কারন টা পড়লেই বুঝবেন)। ধন্যবাদ।]
আকাশে জমা মেঘ গুলো কাঁদে,
মিশে যায় দিগন্তে।
সহজাত সত্য প্রেমে
সাবেক প্রেমিকাদের কাছেও ঋণ থাকে অনেক
অনেক সময় মানুষ ঋণী থাকে পত্র বাহকের কাছে।
প্রেমিকের কাছেও-
কখনো কখনো ঋণী থাকে চলে যাওয়া প্রেমিকারা।
প্রেম হলো কথা-ভেঙ্গে-কথা-রাখা।
নির্মোহ প্রেমিক তাই কথা রাখে না।
কথার চিড়ায় গুড় মিশিয়ে
প্রিয়ার মনে সুখ ছিটিয়ে
প্রেমিক বুঝে নেয় প্রেমিকার চৌষট্টি কলা।
আর প্রেমিকা-
প্রেমিকের সাথে রপ্ত করে গোপন নাচের মধুর মুদ্রা।
অসহায় ভালবাসা
এক মুঠো ভালোবাসা এনে ছড়িয়ে
দিলাম তোমার গায়ে।
তুমি অবাক চেয়ে রইলে
নিরবাক মুরতি হয়ে।যেন বলে
বোঝাবেনা তোমার কোনো অনুভুতি
বুঝলেনা আমার ভালবাসা কতখানি
প্রাচীন আর উদ্দাম।সে জোয়ারে
ভেসে যাবে তুমি-জানিনা সেই ভয়ে
কি তুমি নীরব ছিলে সেদিন।
বুঝিনি কেন তোমার মুখখানি মলিন
হয়েছিল-আধারের শাদা ঘাসের মতো।
আমি তোমায় বুঝতে পারিনি-কতো
রাত বসে তোমায় নিয়ে স্বপ্ন বিলাস
নিরঘুম একঘেয়ে জীবন।আমার আকাশ
ভেসে যায় তোমার উত্তাপে।সে তাপে
আমার প্রেম জোয়ারের নদী হতে
বাশপ ওঠে।তোমার আকাশে মেঘ জমে।
জমজ প্রেম
প্রেম সবার জীবনেই একবার না একবার আসেই। আজকে আরেকটা প্রেমের গল্প। গল্পের নায়ক আমার বন্ধু প্রথি। প্রথি ছোট বলা থেকেই পাড়ার সবচাইতে ভদ্র ছেলে। বাংলা সিনেমার নায়করা যেমন নম্র ভদ্র ক্লাসের ফার্স্ট বয় হয়, গল্পের নায়ক প্রথিও তাদের থেকে কম যায় না, উপরন্তু মাকে বলা ছাড়া বাসা থেকেও বের হয় না।
প্রথির মা এর আবার আমার উপর অগাধ বিশ্বাস যে, আমি একটা ভালো ছেলে।
বিস্তারিত»রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা – ৮
রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা – ৮
————————————–ডঃ রমিত আজাদ
অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা?
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ২১তম পর্ব
এক.
“পেয়ারা! ঝাল-মশলা দিয়ে পেয়ারা!” আজ সকালে অফিসে যাবার সময় রাস্তায় ফেরিওয়ালা এভাবেই ডাকছিল। পেয়ারা আমাদের দেশের একটি অতি পরিচিত ফল। এই ফল নিয়ে অনেক সুখস্মৃতি আমার মনে এখনও গেথে আছে। তখন আমি এক ঝটকায় ১০ বছর পেছনে চলে গেলাম।
আমাদের ক্যাডেট কলেজগুলোর বিশাল আয়তনের কারণে প্রায় সবগুলো কলেজেই প্রচুর ফল গাছ বিদ্যমান। উদাহরণঃ আম, কাঠাল, জামরুল,পেয়ারা, আমলকী, জাম, ডাব, গাব ইত্যাদি।
বিস্তারিত»নারী নির্যাতন ও নারীবাদঃ আমার এলোমেলো ভাবনা
কয়েক সপ্তাহ আগে এক কনফারেন্সে একটা পেপার উপস্থাপন করার সুযোগ হয়েছিল। বিষয় ছিল Failure of the Legal System: Issues of Domestic Violence in Bangladesh- সহজ বাংলায়, পারিবারিক নির্যাতন এবং বাংলাদেশের আইনী ব্যর্থতা । বিষয়টি একবিংশ শতাব্দীর বহুল আলোচিত একটি বিষয় এবং আমাদের সবারই খুব পরিচিত। বিশেষ করে, বাংলাদেশের মাটিতে বড় হয়েছে অথচ পারিবারিক পরিমন্ডলে নারী নির্যাতনের নাম শোনেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুসকিল। তবে,বিষয়টি যতটাই পরিচিত হোক,
বিস্তারিত»কল্পনারা এবং আমার প্রেমিকারা
কি নিয়ে লিখব, কি নিয়ে লেখা যায়, এই সেই আজেবাজে চিন্তায় দিন পেরিয়ে যায়। রাত্রি ভোর হয়। আবার দিন আসে। দিন যায়। কিন্তু লেখা আর হয় না। অলস সময় আলস্যেই পার হয়ে যায়। তাই এই ছন্নছাড়া লেখার খাতা। যা মনে আসে, যাচ্ছেতাই, সব লিখে ফেলা। মনের অবিন্যস্ত চিন্তাগুলোকে শব্দের আকারে লেখার খাতায় তুলে আনা। যোগসূত্র-হীন সব বিচ্ছিন্ন চিন্তা-রাশি। মনের আনাচে-কানাচে ঘুপটি মেরে থাকা কল্পনারা যদিবা এই সুযোগে বাস্তবের দেখা পায়।
বিস্তারিত»একটু কঠিন ধর্ম বটে
পেয়ে হারানোর বেদনা কি একটু বেশী !
না পাওয়ার চাইতে !
হয়তোবা।
আবার নাও হতে পারে!
মনে মনে চেয়েছ অনেক
কিন্তু
পাওয়ার কোন চেষ্টাই করোনি হয়তো
তাই
হারানোর পর আজ এমন মনে হচ্ছে !
অথবা
এমনোতো হতে পারে
পাওয়ার পরে পায়ে ঠেলে ফেলে দিলে !
দূরে ঠেলে দিয়ে তুমি পালিয়ে বাঁচলে !
আজ-
চলে গিয়ে সে তোমাকে পীড়া দিচ্ছে!
পশ্চিমের আধুনিক নারীদের আধুনিক সমস্যা
(এই লেখাটি আগে অন্য একটি ব্লগে ছাপা হয়েছিলো। নীতিমালা বিরুদ্ধ হলে মডআরেটর লেখাটি সরিয়ে দিতে পারেন।)
১
প্রথম যখন আমেরিকায় আসি, সেই ১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসের কথা, মনে হচ্ছিল চারপাশের সবকিছু দেখে খুব বিস্ময়াভূত হবো। কিন্তু না, তেমন কিছু ঘটছিলো না। দেশ আর বিদেশের পার্থক্য তো আছেই। যানজটহীন মসৃণ আর প্রশস্ত রাস্তায় তরতর করে সব ফিটফাট গাড়ি ছুটছিল। এ আর নতুন কি?
চিরবিদায় নিলেন আমার ফুপু ভাষা সৈনিক ডাঃ কামরুননিসা
চিরবিদায় নিয়েছেন ভাষা সৈনিক ডাঃ কামরুননিসা। গতকাল ১৩ই সেপ্টেম্বর ২০১২ বৃহঃস্পতিবার সকাল আটটায় তিনি ঢাকায় তার উত্তরার বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বৎসর। তিনি বেশ কিছুদিন যাবৎ ক্যন্সারে ভুগছিলেন। তিনি দুই কন্যা, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গিয়েছেন। তাঁর স্বামী মরহুম ডাঃ মতিয়ুর রহমানও একজন চিকিৎসক ছিলেন।
বিস্তারিত»স্বপ্ন সন্ত্রাস – ১
খুব মৃদু ভাবে ঘন্টা বেজে যাচ্ছে যেটা একদম ভালো লাগে না। আজকে একদম উঠতে ইচ্ছা করছে না। বন্ধ চোখ এক চিলতে খুলে দেখলাম বাইরে আলো ফুটেনি কিংবা কুয়াশা। যেটাই হোক এখন উঠবার প্রশ্নই আসে না। চোখ আবার বুজে ঘুমের রাজ্যে একটু ডুব দেবার আগেই স্টাফের তীক্ষ্ণ হুইসেল বেজে উঠলো। নাহ আজকে ঘুমাতেই দিবে না। কোনমতে উঠে বসলাম বিছানায়। ফয়সাল, মঞ্জুর, হাবীব, শাকেরীন, মোটামুটি সবাই উঠে পড়ছে।
বিস্তারিত»“হোয়ার কেইম, বিহাইন্ড কেইম”
আমরা যখন ক্লাস টেনে পড়ি (১৯৯৪) তখন হঠাত ক্যাডেট কলেজ গভর্নিং কাউন্সিল হতে নির্দেশনা এলো এখন হতে সব ক্যাডেট কলেজে ইংরেজি কথোপকথন চালু করতে হবে৷ কিছু শিক্ষক এটাকে তাঁদের ইংরেজি জ্ঞান প্রদর্শনের উত্তম সুযোগ হিসাবে গ্রহণ করলেন এবং সর্বত্র ইংরেজি প্রয়োগ করতে লাগলেন৷ এর এক একটির নমুনা ছিল আরেকটির চাইতে সাংঘাতিক৷ আজ একটির কথা হঠাত মনে পড়ে গেল৷ তাই লিখতে বসা৷
FCC তে লান্চের শেষে সিনিয়র ক্যাডেটদের কল্যানে ডাইনিং হলে মাঝে মাঝেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটা মহড়া শুরু হয়ে যেত যেখানে মূল ক্ষেপনাস্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হত কলার খোসা,
বিস্তারিত»