ফিরে আসার টুকরো গল্প।

১।

ইউরোপের দিক থেকে দুবাইের ফ্লাইটটা একটা নেহাৎ ভদ্র ফ্লাইট। বিমানআপুদের সাথে খুব সাবধানী ইংরেজি বলতে হয়। এ পর্যন্ত যতবার এ পথে দেশে গিয়েছি, যাত্রা পথের এই অংশটুকুকে নিরানন্দ মনে হয়েছে, বলা যায় কিছুটা বিবর্ণও মনে হয়েছে।

রং তাহলে শুরু হয় কোথা থেকে? বলা যায় এই পথের মধ্যপ্রাচ্যের বিমানবন্দরগুলো থেকে। আমার মত মিশ্র গায়ের রং যাদের-তাঁদের দেখে পরিচিত আবহ খুঁজে পাই মনে হয়।

বিস্তারিত»

বিলাইয়ের একদিন

সকাল আট।
গ্রীলের ওপাশে
নাগাল-বাইরে
নির্ভয়ে গ্যাঁট
হয়ে
চোখেমুখে গোঁফে
নবাবী আমেজ

মিটিমিটি হাসে
বাংলার রাজকীয় ক্যাট

সাড়ে বারো, দুপুর।
জুতোর শব্দে
যেনো বা পাথর
চোখে তার
চাবির গোছার
ঝনঝন
বেজে উঠে

গোঁফে লোমে ঢেউ

বিলাই শেষে
দু’তিন লাফে’

বিস্তারিত»

আমার সকল প্রেমগাথাঃ২ (দ্বিতীয় প্রেম)

আমার দ্বিতীয় প্রেমের কাহিনীটা লেখা শুরু করে ছিলাম অনেক আগেই, কিন্তু আমার ল্যাপটপের মকরামির কারনে লেখাটি হারিয়ে যায় তারপর আর মনের দুঃখে আর লেখা শুরুও করিনাই । আর লেখা কয়েকবার শুরু করলেও প্রথম বার যেমন হয়েছিল তেমন টি আর হয় না যার ফলে দ্বিতীয় পর্ব আসায় এতো দীর্ঘ সময় নিল। যা হোক, আসল কথায় আসি এবার, সেই প্রথম প্রেমে ছেকা খাবার পর চলে গেলাম ক্যাডেট কলেজে।

বিস্তারিত»

আয়নাবাসী

কী আশ্চর্য,প্রতিদিন একই ভাবে তোমার ঘুম ভাঙে
মুখে লেগে থেকে গত পর্বের প্রেম ভাঙা দাগ
আরো কিছু “রয়ে যাওয়া” অনুরাগ
আয়নায় মুখ দেখবার আগ পর্যন্ত কী নিষ্পাপ তুমি!
যেন আমাদের ইতিহাস নেই কোনো,
আমাদের বিচ্ছেদ ছিল না কোনদিন
তোমার বাগানে প্রজাপতি,
আমার উঠোনে জল-জোৎস্ন্যা ,
তোমার বাড়ির পেছনে নদী,
আমার বৈঠা হাতে নৌকায় বসে প্রতীক্ষা ,

বিস্তারিত»

নারী ও সমুদ্র

নারী ও সমুদ্র

——– ডঃ রমিত আজাদ

 

চুলগুলি অযত্ন বিন্যস্ত,

মোলায়েম কেশগুচ্ছ এলোমেলো উড়ছে,

উচ্ছাসী সাগরের হাওয়ায়

সমুদ্রের ছায়া পড়ে তার চোখে,

সমুদ্রের ঐ আস্চর্য্য নীলের মত

তার চোখও ঠিকরে দিচ্ছে তীব্র রঙের ছটা।

 

খুব দূরে দূরে একেবারে দিগন্ত ঘেসে

সাগরের ঢেউ ছুঁয়ে ছুঁয়ে,

বিস্তারিত»

বৃষ্টি-৮

কংকাবতী তোমার ফোনে আজ
অবিরল বৃষ্টির শব্দ লেগে ছিলো

এক ফালি বিদ্যুত!
ক্বড় ক্বড় করে
ভেঙে গেলো আকাশ –
তারপর কলকল
বিষ্টির পাল এসে
আমাদের কথোপকথনে
উঁকি দিয়ে গেলে
এলোমেলো কথার সুযোগে
লাল-সবুজ ট্রাফিক বাতি
নেমে গেছে টলমল পায়,
যেদিকে দুচোখ যায়
এঁকেবেঁকে চলেছে
শহর দাপাবে বলে

অনিয়মের
হুড়োহুড়ি লেগে গিয়ে
সোনা-রূপোর কাঠি
জায়গাবদল ভুলে গেলে
কি ক্ষতি
তোমার শিয়রে
না হয় আজ
বর্ষা বয়ে আনা
এই ফোন জেগে থাক!

বিস্তারিত»

ইস্তানবুল,কিছু অভিজ্ঞতা এবং আমি (১)

আজকে আবারও হটাৎ করেই লিখতে বসা। আসলে গণহারে এক্সামগুলোতে কাঁচা কাঁচা সব বাঁশ খেতে খেতে লেখতে বসার সময়ই হয় না। সেই সাত সকালে উঠে কাঁধে এক ঝোলা নিয়ে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যেতে হয় ইউনিভার্সিটিতে। সারাটা দিন কানের পাশে তুর্কী ভাষায় প্যাঁচাল শুনতে শুনতে যখন দেখি কানটা  প্রায় ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে তখন ঘড়ির কাঁটায় প্রায় ৬ টা বাজে। এটা হল আমার নিত্ত নৈমিক ব্যাপার।

বিস্তারিত»

রাতের ঘ্রাণ

চার নম্বর সিগারেটের শেষের ধোঁয়াটুকু আর সহ্য হচ্ছে না, শেষ অংশটা ফিল্টার আর ছাইয়ের দঙ্গলে গুজে দিতেও প্রবল অনিহা। ওপর থেকে ওটাকে অ্যাশট্রের ওপর ছেড়ে দিয়ে মগের তলানীর কফিটুকু তার ওপর ঢেলে দিল তরুন। ছ্যাঁৎ করে একটা ক্ষণস্থায়ী শব্দ, সিগারেটের অঙ্গারটা নিভে গেল, ধোঁয়া থেমে গেল। অঙ্গার থেকে উঠতে পারা শেষ ধোঁয়াটুকু ধিঙ্গি নাচতে নাচতে তার চোখের সামনে পর্যন্ত উঠে তারপর হালকা হয়ে মিলিয়ে যেতে লাগল চারপাশে।

বিস্তারিত»

নিজের খেয়াল রেখো…

জামান স্যারের সঙ্গে আমার পরিচয় ক্যাডেট কলেজে। সেনাবাহিনীর কঠোর নিয়মতান্ত্রিক এ প্রতিষ্ঠানে যখন প্রথম ভর্তি হই, তখন থেকেই বাবা-মাকে ছাড়া থাকার কষ্ট অনুভব করতাম। সেই কষ্ট কিছুটা হলেও কমে গেল, যখন জামান স্যারকে কাছে পেলাম। ক্যাডেট কলেজে আবাসিক থাকতে হয়। এক রাতে মায়ের চিঠি পড়ে কাঁদতেই পেছন থেকে মাথার ওপর একটা হাত অনুভব করি। তাকিয়ে দেখি জামান স্যার। আমার দিকে তাকিয়ে মমতামাখা কণ্ঠে বলেন, ‘ক্যাডেট কলেজে সবাইকেই বাবা-মা ছাড়া থাকতে হয়।

বিস্তারিত»

কিছু খাগা এবং অল্প flop গল্প

খাগা কথাটির উৎপত্তি কোথায় কবে হয়েছিলো তা আমার সঠিক জানা নেই। তবে আমি এটাকে চিনি আমাদের জনৈক অল্টারনেট সিনিয়র ভাইয়ের সুবাদে। তিনিই প্রথম আমাদের মধ্যে ‘খাগা’ শব্দটি প্রচার করেছেন, এবং তা বলা যায় বেশ ভালোই শেয়ার পেয়েছিল, অন্তত ডি এস ই র থেকে ভালো। তো যাই হোক ‘খাগা’ শব্দটির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করি।

প্রথমেই বলে রাখি খাগা শব্দটির কোন অর্থ নাই। এটা একটা জোক্সের ক্যাটাগরি।

বিস্তারিত»

রেডবুক সংক্রান্ত এবং কিছু বিষয়

কয়েকটি বিষয়ে সিসিবির সম্মানিত সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। কিছু নির্দেশনা আমরা সিসিবি রেডবুকে যোগ করতে যাচ্ছি।

১. সিসিবির হোম পেইজে একই লেখকের একইসাথে অনেক লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকলে প্রথম পাতার বৈচিত্র্য কিছুটা নষ্ট হয়। আবার দুঃখজনক হলেও সত্য ইদানিং কালে সিসিবিতে নিয়মিত লেখক কিংবা নতুন লিখছেন এরকম লেখকদের লেখার হারও বেশ হতাশাজনক। এই দুটি বিষয়ই মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রথম পাতায় একই লেখকের তিনটির বেশি লেখা প্রকাশ না করার।

বিস্তারিত»

যন্ত্রণা

তোমার ভালবাসা পাবার জন্য বার বার হয়েছি সম্পাদিত
তাও তুমি বুঝো নি
সঞ্চিত ভালবাসা উজাড় করে দিয়েছি না পাবার যন্ত্রণায়
তাও তুমি বুঝো নি
রোদ্দুর হয়েও মেঘের কুয়াশায় বার বার সিক্ত হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি
বহুকাল ইটের চাপায় থেকে সবুজ থেকে হলুদ হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি …।।

এই ভাবে আর কতকাল তুমি না বুঝে থাকবে
আমি যে বাষ্প হয়ে বাতাসে হারিয়ে যাচ্ছি তোমার অপেক্ষায় থেকে ।।

বিস্তারিত»

লিস্ট্‌নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – ২

লিস্ট্‌নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ
——————————ডঃ রমিত আজাদ

(সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও পতন পরবর্তী সময়ের উপর ভিত্তি করে একটি ধারাবাহিক উপন্যাস)

যুগে যুগে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে আদর্শ সমাজের। সেই আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নানা যুগে মানুষ আঁকড়ে ধরেছে নানা দর্শনকে। ইতিহাসের ধারায় নয়-দশ হাজার বছর পূর্বে গড়ে ওঠা মানব সভ্যতা এ’ পর্যন্ত এসেছে নানা রকম ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দি্যে,

বিস্তারিত»

উদারতা বনাম রক্ষণশীলতা- ধর্মীয় প্রেক্ষাপট

মাস কয়েক আগে এখানে সহ সদালাপ ব্লগে “আমি কেন ব্লগে লেখালেখি কমালাম” শিরোনামে আমার একটা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে ধর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্কে সহনশীলতা প্রদর্শনের জন্যে ব্লগারদেরকে সদুপোদেশ দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মের মৌলিক বিধি-বিধানের বাইরে সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, ইত্যাদি সেকেন্ডারী বিষয়গুলোতে গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গীর ওপরে উঠে নিরপেক্ষ দৃষ্টি অর্জনে আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্ঠার কথা উল্লেখ করেছিলাম। কথা প্রসঙ্গে ধর্মীয় উদারতা ও রক্ষণশীলতার ব্যাপারটা কিছুটা এসেছিল প্রবন্ধটিতে। প্রচুর কমেন্ট পড়েছিল আমার লেখাটিতে এবং অনেকগুলো কমেন্ট ছিল মুসলমানদেরকে ধর্মীয় রক্ষণশীল কিম্বা উদারপন্থি হিসেবে ভাগ করার মনোভাব বা প্রচেষ্ঠার বিরোধীতা করে।

বিস্তারিত»

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -৭

রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -৭
————————————–ডঃ রমিত আজাদ

অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা আমাদের সাথে মহাবিশ্বের?

বিস্তারিত»