আজকে আবারও হটাৎ করেই লিখতে বসা। আসলে গণহারে এক্সামগুলোতে কাঁচা কাঁচা সব বাঁশ খেতে খেতে লেখতে বসার সময়ই হয় না। সেই সাত সকালে উঠে কাঁধে এক ঝোলা নিয়ে সাত সমুদ্র তের নদী পার হয়ে যেতে হয় ইউনিভার্সিটিতে। সারাটা দিন কানের পাশে তুর্কী ভাষায় প্যাঁচাল শুনতে শুনতে যখন দেখি কানটা প্রায় ঝালাপালা হয়ে যাচ্ছে তখন ঘড়ির কাঁটায় প্রায় ৬ টা বাজে। এটা হল আমার নিত্ত নৈমিক ব্যাপার।
বিস্তারিত»রাতের ঘ্রাণ
চার নম্বর সিগারেটের শেষের ধোঁয়াটুকু আর সহ্য হচ্ছে না, শেষ অংশটা ফিল্টার আর ছাইয়ের দঙ্গলে গুজে দিতেও প্রবল অনিহা। ওপর থেকে ওটাকে অ্যাশট্রের ওপর ছেড়ে দিয়ে মগের তলানীর কফিটুকু তার ওপর ঢেলে দিল তরুন। ছ্যাঁৎ করে একটা ক্ষণস্থায়ী শব্দ, সিগারেটের অঙ্গারটা নিভে গেল, ধোঁয়া থেমে গেল। অঙ্গার থেকে উঠতে পারা শেষ ধোঁয়াটুকু ধিঙ্গি নাচতে নাচতে তার চোখের সামনে পর্যন্ত উঠে তারপর হালকা হয়ে মিলিয়ে যেতে লাগল চারপাশে।
বিস্তারিত»নিজের খেয়াল রেখো…
জামান স্যারের সঙ্গে আমার পরিচয় ক্যাডেট কলেজে। সেনাবাহিনীর কঠোর নিয়মতান্ত্রিক এ প্রতিষ্ঠানে যখন প্রথম ভর্তি হই, তখন থেকেই বাবা-মাকে ছাড়া থাকার কষ্ট অনুভব করতাম। সেই কষ্ট কিছুটা হলেও কমে গেল, যখন জামান স্যারকে কাছে পেলাম। ক্যাডেট কলেজে আবাসিক থাকতে হয়। এক রাতে মায়ের চিঠি পড়ে কাঁদতেই পেছন থেকে মাথার ওপর একটা হাত অনুভব করি। তাকিয়ে দেখি জামান স্যার। আমার দিকে তাকিয়ে মমতামাখা কণ্ঠে বলেন, ‘ক্যাডেট কলেজে সবাইকেই বাবা-মা ছাড়া থাকতে হয়।
বিস্তারিত»কিছু খাগা এবং অল্প flop গল্প
খাগা কথাটির উৎপত্তি কোথায় কবে হয়েছিলো তা আমার সঠিক জানা নেই। তবে আমি এটাকে চিনি আমাদের জনৈক অল্টারনেট সিনিয়র ভাইয়ের সুবাদে। তিনিই প্রথম আমাদের মধ্যে ‘খাগা’ শব্দটি প্রচার করেছেন, এবং তা বলা যায় বেশ ভালোই শেয়ার পেয়েছিল, অন্তত ডি এস ই র থেকে ভালো। তো যাই হোক ‘খাগা’ শব্দটির ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করি।
প্রথমেই বলে রাখি খাগা শব্দটির কোন অর্থ নাই। এটা একটা জোক্সের ক্যাটাগরি।
বিস্তারিত»রেডবুক সংক্রান্ত এবং কিছু বিষয়
কয়েকটি বিষয়ে সিসিবির সম্মানিত সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। কিছু নির্দেশনা আমরা সিসিবি রেডবুকে যোগ করতে যাচ্ছি।
১. সিসিবির হোম পেইজে একই লেখকের একইসাথে অনেক লেখা প্রকাশিত হয়ে থাকলে প্রথম পাতার বৈচিত্র্য কিছুটা নষ্ট হয়। আবার দুঃখজনক হলেও সত্য ইদানিং কালে সিসিবিতে নিয়মিত লেখক কিংবা নতুন লিখছেন এরকম লেখকদের লেখার হারও বেশ হতাশাজনক। এই দুটি বিষয়ই মাথায় রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রথম পাতায় একই লেখকের তিনটির বেশি লেখা প্রকাশ না করার।
বিস্তারিত»যন্ত্রণা
তোমার ভালবাসা পাবার জন্য বার বার হয়েছি সম্পাদিত
তাও তুমি বুঝো নি
সঞ্চিত ভালবাসা উজাড় করে দিয়েছি না পাবার যন্ত্রণায়
তাও তুমি বুঝো নি
রোদ্দুর হয়েও মেঘের কুয়াশায় বার বার সিক্ত হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি
বহুকাল ইটের চাপায় থেকে সবুজ থেকে হলুদ হয়েছি
তাও তুমি বুঝো নি …।।
এই ভাবে আর কতকাল তুমি না বুঝে থাকবে
আমি যে বাষ্প হয়ে বাতাসে হারিয়ে যাচ্ছি তোমার অপেক্ষায় থেকে ।।
লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ – ২
লিস্ট্নিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ
——————————ডঃ রমিত আজাদ
(সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও পতন পরবর্তী সময়ের উপর ভিত্তি করে একটি ধারাবাহিক উপন্যাস)
যুগে যুগে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে আদর্শ সমাজের। সেই আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নানা যুগে মানুষ আঁকড়ে ধরেছে নানা দর্শনকে। ইতিহাসের ধারায় নয়-দশ হাজার বছর পূর্বে গড়ে ওঠা মানব সভ্যতা এ’ পর্যন্ত এসেছে নানা রকম ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দি্যে,
বিস্তারিত»উদারতা বনাম রক্ষণশীলতা- ধর্মীয় প্রেক্ষাপট
মাস কয়েক আগে এখানে সহ সদালাপ ব্লগে “আমি কেন ব্লগে লেখালেখি কমালাম” শিরোনামে আমার একটা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে ধর্ম নিয়ে তর্ক-বিতর্কে সহনশীলতা প্রদর্শনের জন্যে ব্লগারদেরকে সদুপোদেশ দেওয়ার পাশাপাশি ধর্মের মৌলিক বিধি-বিধানের বাইরে সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, ইত্যাদি সেকেন্ডারী বিষয়গুলোতে গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গীর ওপরে উঠে নিরপেক্ষ দৃষ্টি অর্জনে আমি আমার ব্যক্তিগত প্রচেষ্ঠার কথা উল্লেখ করেছিলাম। কথা প্রসঙ্গে ধর্মীয় উদারতা ও রক্ষণশীলতার ব্যাপারটা কিছুটা এসেছিল প্রবন্ধটিতে। প্রচুর কমেন্ট পড়েছিল আমার লেখাটিতে এবং অনেকগুলো কমেন্ট ছিল মুসলমানদেরকে ধর্মীয় রক্ষণশীল কিম্বা উদারপন্থি হিসেবে ভাগ করার মনোভাব বা প্রচেষ্ঠার বিরোধীতা করে।
বিস্তারিত»রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -৭
রহস্যময় মহাবিশ্ব ও চিরন্তন জীবন জিজ্ঞাসা -৭
————————————–ডঃ রমিত আজাদ
অপার রহস্যে ঘেরা আমাদের এই মহাবিশ্ব। আর তার মধ্যে রহস্যময় একটি সত্তা আমরা – ‘মানুষ’। এই দু’য়ের সম্পর্কও কম রহস্যময় নয়। মহাবিশ্বের বিবর্তন বা বিকাশের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ ফলাফল মানুষ, সেই মানুষই আবার গভীর আগ্রহ নিয়ে অধ্যয়ন ও পর্যবেক্ষণ করছে তার চারপাশের মহাবিশ্বটিকে। কি এই মহাবিশ্ব? আমরা কারা? কি সম্পর্ক মহাবিশ্বের সাথে আমাদের অথবা আমাদের সাথে মহাবিশ্বের?
বিস্তারিত»রক্ত-ইতিহাসের পূর্ব ইতিহাস: দায়ের শিকার তরুণ নবাব স্রাজউদ্দৌলা (ইতিহাস পাঠশালা:বাংলার নবাবী আমল)
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ছিল বাংলার ক্ষমতার ইতিহাসের এক জঘন্য কালো অধ্যায়। পলাশীর আম বাগানে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব স্রাজউদ্দৌলা’র করুণ পরাজয় নিয়তি অবধারিত। ব্যক্তিজীবনে উচ্ছৃঙ্খল, স্বধীণচেতা, কিছুটা অপরিণামদর্শী ও একগুয়ে স্বভাবের হলেও উচ্চাভিলাসি এ দেশপ্রেমিক তরুণ ইংরেজ আগ্রাসনের কড়াল গ্রাস থেকে বাংলাকে মুক্ত করে স্বাধীনভাবেই শাসন করতে চেয়েছিলেন এই বঙ্গদেশকে। কিন্তু ইতিহাসের রক্তের দায় শোধ করতে গিয়েই বড় অসময়ে নিজের জীবন বিপন্ন করতে হয়েছে এই নবাবকে।
বিস্তারিত»আমার সকল প্রেমগাথাঃ১(প্রথম প্রেম)
ছোটবেলা থেকেই আমার একটা বড়সড় সমস্যা আছে। সেটা হইল দুর্বলতা। নারীজাতির প্রতি দুর্বলতা। এই দুর্বলতাটা প্রতীয়মান হয় আমি যখন ক্লাস টু তে পড়ি। আমাদের বাসায় একটা ক্যালেন্ডার ছিল। সেখানে তখন কার যুগের কোন এক মডেল এর ছবি ছিল। আমি হা করে সেই মডেলটির দিকে তাকিয়ে থাকতাম। গোসল করার সময়, খাবার সময় ঘুমের সময় চিন্তা করতাম, আহ কি সুন্দর একটা মেয়ে। আমার বউখানা যদি এমন হইত!!মামা খালারা যখন প্রেম করতো আমি ভাবতাম আমি যে কবে এমন করে প্রেম করব,
বিস্তারিত»উপজেলা ওয়েব সাইটে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ
স্বাগতম। আমি জাতীয় পোর্টাল ফ্রেমওয়ার্ক এর আওতায় উপজেলা ও ইউনিয়ন পোর্টাল প্রস্তুত বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিযেছি। সব জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টাল তৈরীর কাজ চলছে। এ কাজে হাত দিয়ে দেখলাম কলেজ, হাইস্কুল, মাদ্রাসাসহ অনেক রকম প্রতিষ্ঠানের তখ্যই পোর্টালে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু ক্যাডেট কলেজ-এর কোন অস্তিত্বই নেই। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ ::salute:: এবং চারঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতায় উপজেলা ওয়েব সাইটে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ যুক্ত করেছি।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – 2
ক্যাডেট কলেজে ভুতের সন্ধানে – 2
সিলেট ক্যাডেট কলেজ শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে। আরো কিছুদূর এগিয়ে গেলে এয়ারপোর্ট। শহরের ইদানিং কিছুটা এক্সটেনশন হলেও বাংলাদেশের প্রথম চা বাগান মালিনীছড়া ও অপর চা বাগান লাক্কাতুরা পেরিয়ে তারপররই সিকক। কলেজের পরও জনবসতি তেমন নেই।কলেজ ক্যাম্পাসের মাঝখান চিরে যাওয়া মেইন রোডটির শুরুর মাথায় আছে মসজিদ, প্যারেড গ্রাউন্ড শেষের মাথায় হসপিটাল। রোডের একপাশে আছে প্রশাসনিক ভবন,
বিস্তারিত»আধাঁর
বিদ্যুৎ যাওয়ার অপেক্ষায়,
বসে আছি সেই কতক্ষন!
মাঝে দুবার গেল,
অথচ কি আশ্চর্য! চলে এল।
মিনিট দুই না হতেই।
একদম অসহ্য লাগছে,
শক্তি সংরক্ষক বিজলী বাতিটিকে।
আমার মাঝে এই আমাকেই,
কাটছে ভেংচি, করছে উপহাস।
পরিত্রান চাই, লুকোতে চাই,
পালাতে চাই। তাই,
আধাঁর চাই আধাঁর,
মনের গভীরে ঘুঁট পাকাচ্ছে যে আধাঁর,
নিকষ, কালো,
নাম সমগ্র
সঙ্গত কারনে পোস্ট সরিয়ে নেয়া হইল। লেখক অনেক মাইর খেয়েছেন তার ক্লাসমেট দের হাতে :duel: :duel: :gulli: :gulli: :gulli2: :gulli2: :chup: :chup: :brick: :brick: :brick:
বিস্তারিত»