মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়, নিয়মিত ব্রিগেড বানানোর উপর জোর না দিয়ে রেগুলার গেরিলা যুদ্ধের উপর গুরত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেন সদ্য পাকিস্তান ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে আসা মেজর তাহের। সেনাপ্রধাণ ওসমানীসহ অন্যান্য সেক্টর কমান্ডাররা প্রস্তাবে অনাস্থা প্রকাশ করলেও সমর্থন দেন জেড ফোর্সের প্রধান মেজর জিয়া। সেদিন থেকে দুজন মানুষের ইতিহাসে এক সরল রেখায় অবস্থানের সূচণা। জিয়ার সমর্থনে কৃতজ্ঞতাবোধ করেছেন, নিজের চিন্তার সঙ্গে মিলে যায় ধরে নিয়েছেন। ১১ নং সেক্টরের দায়িত্বে থেকে মেজর জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন জেড ফোর্সের সদর দপ্তরে যেয়ে।
বিস্তারিত»মাইকেল মধুসূদন দত্ত-এর কবিতা ‘বঙ্গভাষা’-র ইংরেজী অনুবাদ
(একজন ফেইসবুক বন্ধু মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটির ইংরেজী অনুবাদ চাইছিলেন। নেটে সার্চ দিলাম কোথাও পেলাম না। ভাবলাম অনুবাদটা করে ফেলি। আমি অনুবাদক নই, তার উপর সাহিত্যের অনুবাদ! খুব অদক্ষ হাতের কাজ, ক্ষমা করবেন।)
Bengali Language
Michael Madhusudan Dutta
(translated by Dr. Ramit Azad)
A huge stock of various wealth, o Bengal,
What a fool I have been,
রঙ মিস্ত্রির স্টুডিও দর্শন
ইদানিং ক্যামেরা নিয়ে ঘোরাফেরা করা হয় না। তাই ছবিব্লগ লেখার মত ছবি তুলতে পারছি না। গত গ্রীষ্মের মত এবার খুব একটা গায়ে বাতাস লাগিয়ে চলাফেরা করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডিং এর মেয়াদ ফুরিয়েছে গত বসন্তেই। তাই জীবিকার সন্ধানে সামার স্টুডেন্ট কাস্টডিয়ান হিসাবে কাজ নিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তম ছাত্রাবাসটিতে। বলে রাখি এই ছাত্রাবাসটির একটি বিশেষত্ব আছে। তা হলো এটি দৈর্ঘ্যে সিকি মাইল লম্বা অর্থাৎ কিলোমিটারে রূপান্তর করলে প্রায় ৪০০ মিটার।
বিস্তারিত»একটি ক্যাডেটীয় প্রেমের গল্প
মণ্ডল স্যারকে আমরা ডাকতাম চড়ুই স্যার বলে। তাঁর আচরণ ছিল কিছুটা চড়ুই পাখির মত। অর্থাৎ তিনি ছিলেন চড়ুই পাখির মতই চঞ্চল প্রকৃতির। এই যেমন ক্লাসে ঢুকেই তিনি কারো ড্রেসের দিকে তাকিয়ে বলতেন, এই ছেলে, তোমার নেমপ্লেট ঠিক নাই কেন? বোতাম একটা ভাঙ্গা কেন? এই ড্রেস পড়ে কি কুস্তি করেছ? এই ফ্যানটা আরো একটু বাড়িয়ে দাও তো। আচ্ছা তোমাদের সিলেবাস কতখানি বাকি? এই তুমি জানালাগুলো সব খুলে দাও।
বিস্তারিত»একজন শহীদের কথা
হুমায়ূন আহমেদ আমার কাছে একজন মিশ্র মানুষ। তার ছোটগল্প যতটা ভালো লাগে উপন্যাস ততটা লাগে না। কিছু কবিতাও তিনি লেখার চেষ্টা করেছেন ; ভালো লাগেনি। তবে তিনি কবিতা, পূর্ণিমা, বৃষ্টি, নদী, নৌকা পছন্দ করতেন এরকম প্রমাণ তার লেখা থেকে পাওয়া যায়।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ আগেই লিখেছিলেন। অনীল বাগচীর একদিন, ১৯৭১, সূর্যের দিন, আগুনের পরশমণি,
বিস্তারিত»মানসিক চিন্তার রেলগাড়ী
ওরা বললো-
নরাধম খৃষ্টানেরা, ধর্মান্তর হউ অথবা মৃত্যু।
রাতের আঁধারে রুদ্ধশ্বাসে, সন্তর্পণে হেঁটে যায়।
হঠাৎ কেঁদে ওঠা খোকার মুখ চেপে ধরে মা।
ওরা ঘোড়া চেপে দিতেই কেঁপে উঠলো-
কালাশনিকভ, দেহ। শেষ কয়টি বুলেট-
শিস বাজিয়ে স্থান নিল হাড় মাংসে।
ফিনিক্স পাখি ডানা মেললো নিথর দেহে।
ওরা ডাক দিল খেলাফতের।
আগুন জ্বললো ঘরে বাহিরে।
ঘরের কোণে ছেলেটির চুপসে যাওয়া বল,
আরেকজন হুমায়ূন
হুমায়ূন আহমেদ । বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নাম । প্রিয় অথবা অপ্রিয় যেটাই হোক না কেন, এ যাবত কালের সবচাইতে প্রভাবশালী লেখক। যার কলমের কয়েকটি আকিবুকিই অসংখ্য বই পড়ুয়া তৈরী করেছে। আমিও তাদের মধ্যে একজন।।
আমি মানি উনার লেখার গভীরতা তেমন ছিল না । পরবর্তীতে অন্যান্য লেখকের বই পড়ে মনে হয়েছে, হাতে গোনা কয়েকটা বই বাদে হুমায়ূন আহমেদ এর ভালো বই নেই বললেই চলে ।
সিসিবি ইফতার ২০১৪
সিসিবি ইফতারের আর মাত্র একদিন বাকি। ইতোমধ্যে ফেসবুক ইভেন্ট পেজে ৪২জন কনফার্ম করেছেন। (ফেসবুক ইভেন্ট লিংক)
ইফতারের চাঁদা : ৩০০ টাকা,
তারিখ : ২১জুলাই
স্থান: ক্যাডেট কলেজ ক্লাব।
ইফতার শেষে আড্ডার পরও খাবারের ব্যবস্থা খাকবে।
ইতোমধ্যে নিশ্চিত করা কেউ যদি আসতে না পারেন দয়া করে আজকের মধ্যেই এই পোস্টে কিংবা ফেসবুক ইভেন্ট পেজে জানান।
বিস্তারিত»তদুপরী ফুলের এ ঘর ভাঙলো কেন আমার?
তদুপরী ফুলের এ ঘর ভাঙলো কেন আমার?
———————————— ড. রমিত আজাদ
ভালোবেসেই ঘরতো আমি বেধেছিলাম তোমার,
তদুপরী ফুলের এ ঘর ভাঙলো কেন আমার?
তোমার চোখে দেখেছিলাম , আমার হাসির আলো,
সেই সে হাসি কেমন করে কান্না হলো বলো?
সেই যে সেদিন প্রথম দেখার মধুর কোমল ক্ষণে
বলেছিলে মিষ্টি হেসে, আজও পড়ে মনে,
“এতো রূপের ঝলক নিয়ে গড়া যাহার অঙ্গ,
যদি-আমি-তুমি-তবে…………..!
যদি আজ আমি আমাকে হারিয়ে ফেলি,
যদি তুমি আজ তোমাকে খুঁজে আর না পাও,
তবে বুঝে নিও নিয়তি অনেক কঠিন,
ভালবাসা মিছে আশা অনেক প্রাচীন………..
যদি আজকের দুপুরটা মায়াবতী মনে হয়,
যদি রাতের আকাশটাতে সব তারা গোনা যায়,
তবে বুঝে নিও মগজের নিরাময় প্রয়োজন,
নতুবা ফুরাতে পারে যাবতীয় আয়োজন………
যদি প্রেমের মানেটা তুমি চাইলেই দিতে পারো,
বিস্তারিত»সবুজ চিলেকোঠা
অনেক উঁচুতে টবের মাটিতে
জন্মেছে ছোট্ট গাছ,
কোথাও নেই প্রকৃতির ছায়া
সুউচ্চ দালানের সাজ।
সবুজ জীবনের রঙ _
তা না দেখিলে, মন-শরীরে
ধরে আলস্যের ঢঙ।
রঙের তৃষ্ণায় মানব হৃদয়
জট পাকানো শেকড়ের ঘাট
হাল্কা বৃষ্টি মিষ্টি রৌদ্র
চিলেকোঠায় সবুজের হাট।
০৯/৭/১৪
মালিবাগ, ঢাকা।
দ্বিতীয় পর্ব
নোটঃ এই গল্পটা আগেরটার মত অত বড় না, অনেক ছোট, পড়তে তেমন একটা কস্ট হওয়ার কথা না। যারা আগের গল্পটা জানেন না, তারা জাস্ট হ্যাড এ ফার্স্ট হ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স অন লাইফ থেকে পড়ে নিতে পারেন।
আজকে দুপুরের আগে লোকটার বাবা ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন), আল্লাহ তার যাবতীয় ভুল ভ্রান্তি মাফ করে তাকে চিরশান্তিতে রাখুক,
বিস্তারিত»আষাঢ়ে ছড়া
বৃষ্টি এলো রিমঝিমিয়ে
টিনের চালে ঝমঝমিয়ে
জলের পরে টুবটুবিয়ে
কৈ টাকি শোল খলবলিয়ে
যাচ্ছে চলে উজান পানে !
বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে
গাছের পাতায় ছিপছিপিয়ে
আকাশ ছেয়ে বাতাস বেয়ে
সব কিছুকে ভিজিয়ে দিয়ে
তবু ঘেমে উঠছি নেয়ে !
[ পহেলা আষাঢ়ে যেমন দেখেছি ]
বিস্তারিত»অতঃপর স্বপ্নেরা
ভালো থাকুক আমার স্বপ্নেরা….
সুখে থাকুক তারা…
শান্তিতে বসবাস করুক তাদের পরিবার নিয়ে।
এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্ম,
জন্মদানের মাধ্যমে তারা বেচে থাকুক আমার মস্তিষ্কের নিউরনে।
সুন্দর স্বপ্নগুলাকে এই বিভৎস বাস্তবে এনে,
আমি ওদের নষ্ট করতে চাই না।
কারন, আমি দেখছি ওদের করুণ মৃত্যু।
আমার সহ্য হয়নি।
আবগের ছোট্ট ছোট্ট অনু দিয়ে যেইটার সৃস্টি,
যেইটার লালনে পরিস্ফুটিত হয় মানব হৃদয়,
French Revolution এক ধরণের গ্যাস?!
তখন দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ি। প্রাক নির্বাচনী পরীক্ষা চলছিল। পরদিন ছিল ইংরেজি পরীক্ষা। আর ইংরেজি পরীক্ষার ক্ষেত্রে যা হয়, আমরা ইংরেজি না পড়ে রসায়ন পড়ছিলাম। কারণ ইংরেজির পরদিন ছিল রসায়ন পরীক্ষা। এ কাজটা আমরা পুরো ক্যাডেট life ই করে গেছি। ইংরেজি পরীক্ষার আগের দিন তার পরের পড়া পড়তাম। এ নিয়ে লতিফা ম্যাডামের প্রচুর কথা শুনতে হয়েছে। যদিও তিনি ছিলেন বাংলার শিক্ষিকা।তো আমরা যারা বিজ্ঞান বিভাগে ছিলাম তারা রসায়ন আর মানবিক বিভাগে যারা ছিল তারা ইতিহাস পড়ছিল।
বিস্তারিত»

