
১।
আমাদের প্রতীকী শব্দবন্ধের গোপন সংকেত জেনে ফেলেছিলো যে জোনাকীরা, কাল রাতের স্বপ্নে এসে ক্ষমা চেয়ে গেছে তারা। স্বপ্ন বেশীক্ষণ স্থায়ী হয় নি। পরীক্ষার আগের রাতের স্বাভাবিক স্বপ্নের মতোই লিখতে পারছি না,এক্সাম হলে পৌছুতে পারছি না কিংবা দেরী হয়ে গেছে-এইরকম। তাই সাদা জানলা-পর্দার উড়ে উড়ে আসা দেখে দেখে যখন ঘুম ভাঙলো,তাই দেখে ভুলে গেছি সকল জোনাকীর অপরাধ। পর্দা তখন আরও ফুলে ফেঁপে উঠছে ঝড়ো বাতাসে।
ম্যাচ ডে ৩: হাল্কার উপর ঝাপসা প্রিভিউ! (আপডেটেড!)
গ্রুপ সিঃ কলম্বিয়া বনাম গ্রীস
বাংলাদেশ সময়ঃ রাত দশটা
ভেন্যুঃ এস্তাডিও মিনিরাও, বেলো হরাইজেন্তে
রেফারিঃ মার্ক গেইজার (যুক্তরাষ্ট্র)
ম্যানেজারঃ হোসে পেকারম্যান (কলম্বিয়া), ফার্নান্দো সান্তোজ (গ্রীস)
সম্ভাব্য একাদশ ও ফর্মেশনঃ
দলের খবরঃ হাঁটুর আঘাতের কারনে অনুপস্থিত ফ্যালকাও এর বদলে কলম্বিয়া দলের আক্রমন ভাগের দায়িত্ব থাকবে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেটের হয়ে খেলা তেফিলো গুটিরেজ এর উপর।
বিস্তারিত»ম্যাচ ডে টুঃ প্রিভিউ
গ্রুপ এঃ মেক্সিকো বনাম ক্যামেরুন
ভেন্যুঃ এস্তাদিও ডাস দুনাস, নাতাল
রেফারিঃ উইলমার রোলডান, কলম্বিয়া
সময়ঃ বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা।
ম্যানেজার
মেক্সিকো- মিগুয়েল হেরেইরা
ক্যামেরুন- ভলকার ফিনকে

দলের খবর
মেক্সিক্যান বস সম্ভবতঃ আজকেও ম্যান ইউ তারকা হারনান্দেজকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখবেন। অবশ্য সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনা করলে এটা অত্যন্ত যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। সেক্ষেত্রে আক্রমন ভাগের দায়িত্বে থাকবেন মেক্সিক্যান ‘রোনাল্ডিনহো’ জিওভানি সান্তোস এবং সাথে থাকবেন রাউল জিমেনেজ কিংবা ওরিবে পেরালতা।
ধুলোজমা সেই জীর্ণ ডায়েরী : ৬ জুন, ২০১৩ এর প্রহরান্তে
কঠোর ‘শৃঙ্খলা’ আর ‘নিয়মানুবর্তিতায়’ পরিচালিত ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে সেদিন স্বাভাবিক আর সাতটা দিনের মতই সকালটা শুরু হল ক্যাডেটদের পিটি, স্টাফদের চিৎকার আর বাঁশির কর্কশ ধ্বনিতে। সবই স্বাভাবিক। শুধু ৪৭টা প্রাণ সেদিন সুদীর্ঘ নিঃশ্বাস বুকে এই নিত্য নৈমিত্তিক আনুষ্ঠানিকতার দর্শক মাত্র। ৪৪ তম ইনটেকের ৪৭ জোড়া ভেজা চোখ সেদিন শুধু সময়চোরা সূর্যের দিকে তাকিয়ে ব্যর্থ হাহাকাররত।
তারপর থেকেই দিনটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেদিন ব্রেকফাস্টের জন্য কোন তাড়া ছিল না।
বিস্তারিত»প্রথম ম্যাচ প্রিভিউঃ ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া
গ্রুপ এঃ ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া
ভেন্যুঃ এরেনা করিন্থিয়ান্স, সাও পাওলো
বাজির দরঃ ব্রাজিল ১/৩, ড্র ৪/১, ক্রোয়েশিয়া ৮/১
রেফারিঃ ইউশি নিশিমুরা, জাপান
ম্যানেজারঃ
ব্রাজিল- লুই ফিলিপ স্কোলারি
ক্রোয়েশিয়া- নিকো কোভাক
দলের খবরঃ
নেইমারের গোঁড়ালির ইঞ্জুরি ব্রাজিলসহ সারা পৃথিবীর ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের চিন্তায় রাখলেও শেষ খবর পাওয়া অনুযায়ী উনি সেরে উঠেছেন। ফলে স্কোলারির টিপিক্যাল ৪-২-৩-১ ফরমেশন নেইমারকে বামে রেখে গেম প্ল্যানে কোন পরিবর্তন আপাতত করতে হচ্ছে না।
সিসিবি বিশ্বকাপ ফুটবল প্রেডিকশন-২০১৪
আপডেট ১: মূল প্রেডিকশন সফটওয়্যারের সাথে সমন্বয় সাধনের জন্য সঠিক বিজয়ী নির্বাচনে পয়েন্ট এবং ম্যাচের গোল সংখ্যার ভিত্তিতে প্রদত্ত বোনাস পয়েন্ট এর নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বিশ্বকাপ ফুটবল দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে ক্লান্ত, সময় হয়ে গিয়েছে এবার দরজা খুলে দেবার। আমাদেরও সময় হয়েছে স্মৃতি রোমন্থন শেষে মূল খেলায় মাঠে নামার। এবার মাঠে শুধু নেইমার, মেসি, রোনাল্ডোরাই খেলবে আর গোল করবে না,
বিস্তারিত»ক্যাডেটীয় বিশ্বকাপ: বিশ্বকাপ সময়ের কিছু মজার ঘটনা
এক
আমাদের একজন জনৈক সিনিয়র ভাই ছিলেন যিনি পৃথিবীর কোন কিছু সম্পর্কেই খোঁজ খবর রাখতেন না। আমরা তাকে বলতাম, সংযোগ বিছিন্ন মানুষ। যেমন ডাইনিং হলে খাবার খাওয়ার সময় প্রায়ই তার পোষাকে তরকারির ঝোল লেগে থাকতো। তার সহপাঠীরা অনেকেই মজা করে বলতো, কি রে তুই খেয়েছিস না তোর শার্ট খেয়েছে?
বেচারা অসহায় ভঙ্গিতে উত্তর দিত, দুটোই। হাতে ঘড়ি পড়লেও তিনি অন্যদের কাছে সময় জিজ্ঞেস করতেন।
মণ্ডল থেকে সরকারঃ ৩য় পর্ব
ব্রিটিশ আমলে ফিরিঙ্গি ঠেঙ্গান রিয়াছত উল্লাহ সরকার। ছেফাত উল্লাহ সরকার, গ্রামঃ মাড়িয়া, থানাঃ বাগাতিপাড়া, মহকুমাঃ নাটোর, জেলাঃ রাজসাহীর ২য় পুত্র তিনি।দেখতে রাজপুত্রের মতই ছিলেন তিনি।সোনার মত গায়ের রং। বাঘের মত চেহারা।মতির মত চোখ। অসুরের মত শক্তি। দারুণ মেজাজী।দোর্দন্ড প্রতাপ। দুহাতে রোজগার করেছেন, দেদার খরচ করেছেন।অত্যন্ত অতিথি বৎসল।রাজকীয় চালচলন। তাই সংসারে শ্রীবৃদ্ধি ঘটেনি। সব সময় ইয়ার বন্ধু পরিবেষ্টিত থেকেছেন। সুতরাং এজাতীয় কিছু দোষে দুষ্টও ছিলেন।একটু খোলাসা করেই বলি।তখনকার সম্ভ্রান্ত লোকদের মত পান করার অভ্যাস ছিল।
বিস্তারিত»সেই সময়
তখন প্রেমগুলো ডিজিটাল হয়ে উঠেনি। ক্লাশ সিক্সের ঐ এনালগ সময়ে বন্ধুর সাইকেলের পিছে চড়ে তার সাথে তার প্রেয়সীকে উপহার বা কার্ড দিতে ছুটে গিয়েছিলাম। “পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং গুঁড়ো করে দেব” গানের মতো এলাকার বড় ভাই এর হাতে ঝাড়ি খেয়ে আমাদের ফিরে আসা।
এক বান্ধবীকেই ভালোবেসে ফেলেছিলো দুই কাছের ক্যাডেট বন্ধু। দুইজন এসে দুঃখের কথা বলেছিলো আমাকেই। ক্যাডেট কলেজ এর ছুটিতে গিয়ে এক বন্ধুর হয়ে ওকালতি করলাম,
চুনকাম চলিতেছে, সবার সাহায্য কাম্য
বর্তমানে সিসিবির থীম ইন্টারফেসসহ আরও নতুন নতুন ফীচার আপগ্রেড ও সংযোজনের কাজ চলছে। প্রথম ধাপে সিসিবির থীমটি আপগ্রেড করে রেসপন্সিভ বা মোবাইল ডিভাইস বান্ধব করা হয়েছে। এর মানে হচ্ছে ডেস্কটপ, ট্যাব, স্মার্টফোন সকল ডিভাইসের রেজুলেশন অনুসারে সিসিবির থীমটি আপনাআপনি মানিয়ে নেবে। যেহেতু প্রথমদিকের কাজ চলছে, কাজেই নানা ধরণের বাগ প্রত্যাশিত। সিসিবির নিয়মিত পাঠক/লেখকদের তাই যে কোন ধরণের সমস্যা বা বাগ রিপোর্ট নিচে মন্তব্যের ঘরে করার জন্য অনুরোধ রইলো।
বিস্তারিত»স্মৃতির পাতায় বিশ্বকাপ অথবা বিশ্বকাপের স্মৃতি : ইটলিয়া ৯০
টানটা কিছুটা রক্তের আর কিছুটা পরিবেশগত ভাবে পাওয়া। তবে সেই টানের রেশ রক্তের স্রোতে সব সময় টের পাই সময়ে কিংবা অসময়ে। সেই টান খেলাধূলার প্রতি টান এবং আমাদের জেনারেশনের জন্য বললে আরো স্পেসিফিক হয়ে যায় ফুটবলের প্রতি টান। যেই সময়ে এই টানের শুরু সেটা প্রায় দুই যুগ আগের গল্প। যখন ঢাকা শহর কিংবা তার পাশ ঘেষে শহরতলীর যে জায়গাতে আমার বাড়ি, এখনকার মত পুরো মাত্রায় ধূলো ধোঁয়ায় ধূসরিত হয়ে উঠে নি।
বিস্তারিত»একখানি ত্রিভুজ প্রেম উপাখ্যান
প্রেম জিনিষটা কি সেটা বোঝার বয়স হবার আগেই প্রথমবারের মত প্রেমে পড়ে যাই। প্রথম দর্শনের প্রেম ছিল কি না সেটা বলতে পারবো না কারণ প্রথম দর্শন ঠিক কবে সেটাই মনে নেই। তবে প্রেমে পড়তে খুব বেশিদিন লাগেনি এটা নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি। আর সবার মত আমার প্রেমও আমাকে নিয়মিত হাসিয়েছে, কাঁদিয়েছে, আনন্দ দিয়েছে মাঝে মাঝে রাগে চুল ছেড়ার চেষ্টাও করিয়েছে। তবে ছেড়ে যায়নি কখনো, এখনো আমার প্রথম প্রেম আমার সাথে আছে,
বিস্তারিত»ধূসর নস্টালজিয়া
২০০৬ এর কোন একটা সময়। কাঁধের ওপর ততদিনে উঠে গেছে তিন স্ট্রাইপ। গেমস টাইমে খেলা,ব্লক ক্রিকেট, আম-কাঁঠাল চুরি, স্যারদের টিজ করা আর ক্লাস বাঙ্ক মারা। জীবন যাপন মোটামুটি এ কয়টা জিনিসের মাঝেই আটকে আছে। পিঠের কাছে সদ্য গজানো পাঙ্খা নিয়ে ইকারাসের দূর সম্পর্কের চাচাত ভাই ভাবা শুরু করেছি নিজেদের।
সামনে একমাত্র বড় ইভেন্ট বলতে ফুটবল বিশ্বকাপ। হিসেব কষে দেখলাম ক্যাডেট লাইফে আর কোন বিশ্বকাপ পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
বিস্তারিত»ফেরা
স্টেশনে আমি পৌছালাম শেষরাতের দিকে,
বহু পুরনো ঠিকানা আমার,
জানতাম না আবার ফিরে আসতে পারবো কিনা;
হোক না অন্যভাবে, তবু এসেছি আমি আবার।
রফিক চাচা, হোসেন আর কামাল এসেছে-
আমাকে নিয়ে যেতে,
অনেক চেনা জায়গা এটা; তবু এসেছে ওরা।
কারণ, আসতে হয়।
আমাকে নিয়ে এগুতে থাকে ওরা-
সামনেই নতুনবাজারের মোড়।
হাহ, নতুনবাজার!
৬০-৭০ বছরের পুরনো বাজার।
বিশ্বকাপ দেখাদেখির অভিজ্ঞতা
ভাবছি বিশ্বকাপ দেখাদেখির অভিজ্ঞতা নিয়ে একটা অনুব্লগ লিখে ফেললে কেমন হয়?
২০০৬ সালেও ফ্ল্যাট টিভি মোটামুটি আধুনিকই একটা জিনিষ। সবার নাই। গড় পড়তা মানুষের মত আমার বাসাতেও ২৫ ইঞ্চি সাধারন এক টিভি আর বেডরুমের জন্য ১৪ ইঞ্চি একটা মিনি টিভি। বিশ্বকাপ শুরুর আগের দিন সন্ধায় হাটতে বেরিয়েছি। মালিবাগ চৌরাস্তায় সনি র্যাংগস শো রুমে দেখি ২৯ ইঞ্চি ফ্ল্যাট টিভিতে বিশ্বকাপের প্রমো চলছে। হঠাৎ মনে হলো,
বিস্তারিত»

