১৯১৭ সাল: ব্রিটিশ সেনাবাহিনী অটোম্যান সাম্রাজ্য থেকে আরব জনগণ অধিকৃত একটি জায়গা দখল করে। স্বাক্ষরিত হয় ব্যালফোরচুক্তি। ইউরোপ থেকে ইহুদীদের সরিয়ে নেয়া হয় এই জায়গাটিতে যেখানে অল্প সংখ্যকইহুদী অধিবাসীর আগে থেকেই বাস ( খ্রিষ্টপূর্ব ১০০০) ।
১৯৪৭ সাল: জাতিসংঘ প্রস্তাব দেয় দুইটি পৃথকরাষ্ট্রের যার একটি হবে স্বাধীন ইহুদী রাষ্ট্র- ইসরায়েল, অন্যটি- ফিলিস্তিন। কিন্তু সেটি কখনও হয়নি।
১৯৪৮ সাল: আরব এবং ইহুদীদের মাঝে শুরু হয় যুদ্ধআর ব্রিটিশরা এই অঞ্চল পরিত্যাগ করে আর জন্ম হয় ইসরায়েল এর।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
– কাজী নজরুল ইসলাম
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ। তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ দে যাকাত, মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ। আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।
প্রচলিত ধর্মে বিশ্বাস রফিকের কখনো ছিলো না। নামায সে কালে ভদ্রে পড়েছে বটে কিন্তু গত এক যুগে কয়বার সে কিবলায় মাথা ঠেকিয়েছে তা হয়তো হাতের কর গুণে বলে দেয়া যাবে। এমনকি রমযানের রোজা রাখার ব্যাপারেও রফিকের তীব্র অনিহা।
স্ত্রী মমিনুন নেছার এই নিয়ে তীব্র মনোঃকষ্ট। জীবনে আর যাই হোক এইরকম বেদ্বীন, নাস্তিক স্বামী তার কখনো কাম্য ছিলো না। তাও যদি তার স্বামী রফিক উদ্দিন এইসব নিজের ভিতরে রাখতো!
যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে, এখনই তাকে নেয়ার জন্য গাড়ি চলে আসবে।আজকে সারাদিন অনেক পরিশ্রম গেছে।
রহিম বাদশাহর গল্প বলছিলাম।
প্রতিদিন রহিম বাদশাহর সাথে দেখা হয় আমার। ঢাকা রিজেন্সীর সামনের খিলক্ষেত ফুটওভারব্রীজ এর উপরে সে উপুড় হয়ে থাকে। উঁরুর পর থেকে দুইটা পা নাই। খালি গা-উরুঁ পর্যন্ত গোটানো মলিন প্যান্ট, মাথায় ময়লা একটা টুপী।পেট-মাথা-নাক দিয়ে ভর দিয়ে শুয়ে থাকে। কি তীব্র গরম,
বছরখানেক আগে আমার একটা স্টুডেন্ট ছিলো।সদ্য ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে ওঠা।ঢাকার মোটামুটি নামজাদা কলেজের।কাছাকাছি বয়সের হওয়ায় পড়াশুনার চেয়ে ওর সাথে গল্পগুজবই হত বেশি।তাসরীফের(আমার ছাত্র) একটা প্রেমিকা ছিলো,ওর ৩বছরের ছোট(ক্লাস নাইন পড়ুয়া),একটা ব্যান্ড টীম ছিলো নাম COOL-5,একটা ফুটবল ক্লাব ছিলো,নাম ভুলে গেছি,সেইসাথে ভিডিও গেমস খেলার প্রচন্ড নেশাও ছিলো।পড়াতে বসলেই এসব কথা উঠে আসত।ও ওর স্বপ্নের কথা বলত।গার্লফ্রেন্ডকে পালিয়ে নিয়ে দার্জিলিং যাওয়ার স্বপ্ন,ব্যান্ডটীম নিয়ে রকনেশানে যাওয়ার স্বপ্ন,একটা এক্সবক্স কেনার স্বপ্ন,আরো অনেক কিছু।কিছু মাথায় ঢুকত,কিছু মাথার উপর দিয়ে চলে যেত।এরপরেও হাসি হাসি মুখ করে মাথা নাড়তাম ওর কথা শুনে।কোন পরামর্শ দিতাম না,পাছে যদি আমার অজ্ঞতা প্রকাশ পেয়ে যায়।কারণ ঠিক ওই বয়সে,সদ্য দ্বাদশ শ্রেণীতে ওঠার পরে আমার একটাই স্বপ্ন ছিলো,কলেজে একটা মোবাইল ফোন ফোন নিয়ে যাওয়া!!!
১৯৭১ সালে বাবার মৃত্যুর পর খুব বিপদে পড়ে যান এলাহী বক্স। বাধ্য হয়ে তারা তিন ভাই সরকারী এতিম খানায় ভর্তি হন। ১৯৭২ সালে দেশব্যাপী এধরণের সমস্যাগ্রস্তদের কল্যাণে সরকার অনেকগুলো এতিম খানা প্রতিষ্ঠা করে। রাজশাহী জেলাতে এতিমখানাটি ছিলো পুঠিয়াতে। পুঠিয়া রাজবাড়ির একটা দোতলা ভবনে। এতিমখানাটি পরে রাজশাহীর বায়াতে স্থানান্তরিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির নাম- সরকারী শিশু সদন, বায়া, রাজশাহী।
সরকারী এতিমখানায় ১৮ বা তদুর্ধ বয়স্কদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে সমাজে পুনর্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১২টি সংগঠন, এবং সংগঠন বহির্ভুত একক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জোট। জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইংরেজী এবং বাংলা মিলিয়ে বাংলাদেশের ৮ (আট)টি কমিউনিটি ব্লগ, গণহত্যার ওপর একটি প্রধান আর্কাইভ, গণহত্যার ওপর বিশেষায়িত একটি গবেষণানির্ভর সংগঠন, এবং একটি বিশেষায়িত উদ্যোগভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আইসিএসএফ কিছু মৌল নীতি এবং মূল্যবোধ এর ওপর প্রতিষ্ঠিত, যার সরাসরি প্রতিফলন হল আমাদের অনুসৃত স্তরবিহীন সামষ্টিকতার ধারণা এবং অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া/সংস্কৃতি।
মুক্তিযুদ্ধের মাঝামাঝি সময়, নিয়মিত ব্রিগেড বানানোর উপর জোর না দিয়ে রেগুলার গেরিলা যুদ্ধের উপর গুরত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করেন সদ্য পাকিস্তান ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে আসা মেজর তাহের। সেনাপ্রধাণ ওসমানীসহ অন্যান্য সেক্টর কমান্ডাররা প্রস্তাবে অনাস্থা প্রকাশ করলেও সমর্থন দেন জেড ফোর্সের প্রধান মেজর জিয়া। সেদিন থেকে দুজন মানুষের ইতিহাসে এক সরল রেখায় অবস্থানের সূচণা। জিয়ার সমর্থনে কৃতজ্ঞতাবোধ করেছেন, নিজের চিন্তার সঙ্গে মিলে যায় ধরে নিয়েছেন। ১১ নং সেক্টরের দায়িত্বে থেকে মেজর জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন জেড ফোর্সের সদর দপ্তরে যেয়ে।
(একজন ফেইসবুক বন্ধু মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বঙ্গভাষা’ কবিতাটির ইংরেজী অনুবাদ চাইছিলেন। নেটে সার্চ দিলাম কোথাও পেলাম না। ভাবলাম অনুবাদটা করে ফেলি। আমি অনুবাদক নই, তার উপর সাহিত্যের অনুবাদ! খুব অদক্ষ হাতের কাজ, ক্ষমা করবেন।)
Bengali Language
Michael Madhusudan Dutta
(translated by Dr. Ramit Azad)
A huge stock of various wealth, o Bengal,
What a fool I have been,
ইদানিং ক্যামেরা নিয়ে ঘোরাফেরা করা হয় না। তাই ছবিব্লগ লেখার মত ছবি তুলতে পারছি না। গত গ্রীষ্মের মত এবার খুব একটা গায়ে বাতাস লাগিয়ে চলাফেরা করা হচ্ছে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডিং এর মেয়াদ ফুরিয়েছে গত বসন্তেই। তাই জীবিকার সন্ধানে সামার স্টুডেন্ট কাস্টডিয়ান হিসাবে কাজ নিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তম ছাত্রাবাসটিতে। বলে রাখি এই ছাত্রাবাসটির একটি বিশেষত্ব আছে। তা হলো এটি দৈর্ঘ্যে সিকি মাইল লম্বা অর্থাৎ কিলোমিটারে রূপান্তর করলে প্রায় ৪০০ মিটার।
মণ্ডল স্যারকে আমরা ডাকতাম চড়ুই স্যার বলে। তাঁর আচরণ ছিল কিছুটা চড়ুই পাখির মত। অর্থাৎ তিনি ছিলেন চড়ুই পাখির মতই চঞ্চল প্রকৃতির। এই যেমন ক্লাসে ঢুকেই তিনি কারো ড্রেসের দিকে তাকিয়ে বলতেন, এই ছেলে, তোমার নেমপ্লেট ঠিক নাই কেন? বোতাম একটা ভাঙ্গা কেন? এই ড্রেস পড়ে কি কুস্তি করেছ? এই ফ্যানটা আরো একটু বাড়িয়ে দাও তো। আচ্ছা তোমাদের সিলেবাস কতখানি বাকি? এই তুমি জানালাগুলো সব খুলে দাও।
হুমায়ূন আহমেদ আমার কাছে একজন মিশ্র মানুষ। তার ছোটগল্প যতটা ভালো লাগে উপন্যাস ততটা লাগে না। কিছু কবিতাও তিনি লেখার চেষ্টা করেছেন ; ভালো লাগেনি। তবে তিনি কবিতা, পূর্ণিমা, বৃষ্টি, নদী, নৌকা পছন্দ করতেন এরকম প্রমাণ তার লেখা থেকে পাওয়া যায়।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ আগেই লিখেছিলেন। অনীল বাগচীর একদিন, ১৯৭১, সূর্যের দিন, আগুনের পরশমণি,
হুমায়ূন আহমেদ । বাংলাদেশ, বাংলা ভাষা ও বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য নাম । প্রিয় অথবা অপ্রিয় যেটাই হোক না কেন, এ যাবত কালের সবচাইতে প্রভাবশালী লেখক। যার কলমের কয়েকটি আকিবুকিই অসংখ্য বই পড়ুয়া তৈরী করেছে। আমিও তাদের মধ্যে একজন।।
আমি মানি উনার লেখার গভীরতা তেমন ছিল না । পরবর্তীতে অন্যান্য লেখকের বই পড়ে মনে হয়েছে, হাতে গোনা কয়েকটা বই বাদে হুমায়ূন আহমেদ এর ভালো বই নেই বললেই চলে ।