কাঁধে আলতো করে এলিয়ে দেবে মাথাটি

কাঁধে আলতো করে এলিয়ে দেবে মাথাটি
————————————- ড. রমিত আজাদ

তখন আকাশে জোয়ার, ভরা জোৎস্নার,
বাগানের থোকা থোকা হাসনা হেনা ফুলগুলো
অদ্ভুত সুবাশ ছড়িয়ে দক্ষিনা হাওয়ায়
আন্দোলিত হবে পাঁপড়িতে পাঁপড়িতে ।

আমি একা ছাদে পায়চারি করে অপেক্ষা করবো,
তুমি সন্তপর্নে সিঁড়ি বেয়ে উঠে যাবে খালি পায়ে,
যেন কেউ তোমার পায়ের শব্দ শুনতে না পায়।
কেবল আমার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বুঝতে পারবে,

বিস্তারিত»

শুরু হোক আনুষ্ঠানিক যৌনশিক্ষা প্রদান

ভূমিকা:

নানা ঝামেলায় বেশ কিছুদিন নেটে তেমন একটিভ না। লিখালিখিতে আরও কম। সিসিবিতেও আসা হচ্ছে না।

এরমধ্যে গতকাল, এই লিখাটা লিখলাম বিডি নিউজ ২৪-এর জন্য।

বের হবার প্রথম ২-৩ ঘন্টার রেসপন্স দেখে পুরাই টাসকিত হয়ে গেলাম। ঘটনা বোঝার চেষ্টা করছি।

ঘটনা হতে পারে দুইটা, হয় তারা সবাই আমারই মত ভাবছেন যে শিক্ষাটা চালু হোক, না হয় তো এই ভাবনাটির বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন।

বিস্তারিত»

দেখা হয়নাই চক্ষু মেলিয়া, রাত্রি কাটিলো তাবু খাটাইয়া।

শনিবার সকাল সাড়ে আটটা। ল্যাপটপের সামনে বসে ঘুম তাড়াচ্ছি। সিড়িঘরে পায়ের আওয়াজ পেয়ে বুঝলাম ওরা বুঝি এলো। অমিত, ধ্রুব, সনেট, প্রিয়ম, ও নির্ঝর। আমার রুমমেট জোসেফের এমআইএসটির বড় ভাই ও তার বন্ধুবান্ধবের দল। মিশিগান আপার পেনিনসুলার প্রাকৃতিক নৈঃসর্গের সুনাম শুনে গাড়ি ভাড়া করে চলেই এল ইলিনয়ের দক্ষিণের রাজ্য ইন্ডিয়ানা থেকে। দুষ্ট মস্তিষ্ক আরেক দুষ্ট মস্তিষ্কের কথার তরঙ সহজেই ধরে ফেলে। আমার রুমে এসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে দু-চার মিনিটের পরিচয় পর্বের মাথায়ই নির্ঝর মার্লবোরোর প্যাকেট বের করে জিজ্ঞাসা করলো,

বিস্তারিত»

অতৃপ্তি

একলোক নাকি ভুট্টা তোলায় এক্সপার্ট !!! 
তার মনিব তাকে ডেকে বলল, আমার জন্য এই ক্ষেতের সবচেয়ে ভালো ভুট্টা তুলে নিয়ে আসো । কিন্তু তুমি ভুট্টা তোলার সময় কখনো পিছনে তাকাতে পারবে না । 

লোকটি মুচকি হেসে ভুট্টা ক্ষেতে প্রবেশ করলো । প্রথমেই সে চমৎকার একটি ভুট্টা পেলো, কিন্তু তুললো না । কারন সামনে আরো ভালো কিছু দেখতে পেলো । এভাবে এগোতে গিয়ে একসময় ক্ষেতের আইল এসে পড়ল ।

বিস্তারিত»

তোমার জন্য

তোমার জন্য, নতুন কোন মহাকাব্য লিখতে পারবো না,
ভালবেসে কোন প্রেমের কবিতা পড়ে শোনাতে পারি…

শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে বারান্দায় দাড়িয়ে কথা বলতে পারবোনা মুঠোফোনে।
খুব বেশি হলে, কথা হবে ঘুম জড়ানো গলায়-
কম্বলের উষ্ণতায়।

বিউটি পার্লারের সামনে দাঁড়তে পারবো না এক কিংবা আধা ঘন্টা,
লাল টিপ আর খোলা চুলেই আমি খুশি; অনেক বেশি।

তোমার মন খারাপের রাতে জেগে থাকবো তোমার সাথে-
হিন্দি সিনেমা দেখতে বোলো না প্লিজ।

বিস্তারিত»

একজন রহিম মিয়া

রহিম মিয়া, আলমনগর এলাকার প্রভাবশালী গৃহস্থ।

হটাৎ তার টাইফইয়েড হলো । ডাক্তারের   পরামর্শে ওষুধ খেয়েও তার জ্বর ভালো হলো না । সে মানত করলো,“হে আল্লাহ, আমার জ্বর যদি ভালো করে দাও আমার গরু বিক্রি করে যে টাকা পাবো তা তোমার রাস্তায় দান করে দিবো ।”

মাসখানেক পর তার জ্বর ভাল হলো। কিন্তু সে তার মানতের কথা ভুলে গেলো ।

অনেকদিন পর তার আবার হাল্কা জ্বর আসাতেই তার মানতের কথা মনে পড়লো ।

বিস্তারিত»

বিবর্তন

আজ আমি ভিষন বিভ্রান্ত
বিবর্তনবাদ কি মিথ্যা ?
একেবারে ফেলনা ?
কি বলে একাত্তর
কিংবা পঁচাত্তর ?
অন্তঃসত্ত্বা নারী
অবোধ শিশু
পিতার খুনে উল্লাসে
মেতে ওঠে দুপেয়ে
পশুর দল।
ওরা কি হায়েনা
বা হাঙ্গর নয়?
নরবেশী কিংবা বিবর্তিত!
যাদের রক্তবীজে
গজিয়ে উঠেছে
হাজারো বিষবৃক্ষ
স্থলে জলে অন্তরীক্ষে
সদম্ভ বিচরণ।

বিস্তারিত»

মুক্তিযুদ্ধে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
দুঃসহ এ বেদনার কণ্টক পথ বেয়ে
শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে
মুক্তির এ বারতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
কৃষাণ-কৃষাণীর গানে গানে
পদ্মা-মেঘনার কলতানে
বাউলের একতারাতে
আনন্দ ঝংকারে
তোমাদের নাম ঝংকৃত হবে।

বিস্তারিত»

বেগম মুজিব

সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমান।

(বা থেকে শেখ কামাল, শেখ রেহানা, শেখ রাসেলকে কোলে বঙ্গবন্ধু, বেগম মুজিব, শেখ জামাল ও শেখ হাসিনা)

শেখ মুজিব পরিবার

একটি মহীরুহকে ওরা চেয়েছিলো সমূলে উৎপাটন করতে।
চেয়েছিলো ওরা একটি চেতনাকে বিনাশ করতে।

আজ বেগম মুজিবকে নিয়ে বলি।

১৯৩০ সালের ৮ই আগষ্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ফজিলাতুন্নেছা জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতা শেখ জহুরুল হক ও পাঁচ বছর বয়সে মাতা হোসনে আরা বেগমকে হারান তিনি।

বিস্তারিত»

ধোঁকামী, …অতঃপর, সি.এম.এইচ ভ্রমণ

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে আমি ছিলাম দুর্দান্ত ভাল ছাত্র। আমার স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল জাহাঙ্গীর স্যার(বহিষ্কার হওয়া এক্স-ক্যাডেট), আমাকে ‘অ্যাটম বোমা’ উপাধি দিয়েছিলেন। অর্থাৎ, আমি এম্নিতে শান্ত, কিন্তু পরীক্ষার সময় সবাইরে ফাটায়ে ফেলি আর কি! ধারে কাছে কেউ থাকে না। তো এই আমি ক্যাডেট কলেজে আসার পর সম্পূর্ণ বদলে গেলাম। অ্যাটম বোমা থেকে খুব দ্রুত সাধারণ পটকা হয়ে গেলাম। ক্লাস সেভেন লাইফটা ৪ থেকে ১০ এর মধ্যেই পার করেছি।

বিস্তারিত»

আমার রেজাল্ট

২০০৩ সালের কথা। এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেবার দিন। বগুড়াতে বাসায় ছিলাম। তখনও ইন্টারনেটে ফল দেয়ার চল শুরু হয়নি। মোবাইল নেটওয়ার্কের প্রসারও তেমন হয়নি। সবাই নিজেদের রেজাল্ট জানতে তখন মাঞ্জা মেরে স্কুলের নোটিশ বোর্ডের সামনে ভিড় জমাত। আমার কলেজ রংপুরে হওয়ায় আমার সে সুযোগটা ছিল না। সবেধন নীলমণি টিএন্ডটি ফোনই ছিল যা ভরসা। কিন্তু সে সময় বাসায় ফোনটা নষ্ট। রেজাল্ট জানার একমাত্র উপায় বাবার অফিস থেকে ফোন করা।

বিস্তারিত»

ফেসবুকের মানুষগুলো (পর্ব-২)

এক

এই মাত্র রীহানকে খাইয়ে ঘুম পাড়ালো শর্মিলী। ছেলেটা ঘুমাচ্ছে কত সুন্দর করে। রীহানের বাবার সাথে কি আশ্চর্য ঘুমানোর স্টাইলের মিল! “ব্যাপারটা নিশ্চয় জিনগত”- ভাবে শর্মিলী। হঠাৎ করেই ছেলের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে শর্মিলীর চোখে পানি চলে আসলো।

আহারে ছেলেটা দেখতে দেখতে বড় হয়ে যাচ্ছে, আর কিছুদিন পর পাঁচে পা দিবে। স্কুলে ভর্তি করে দিতে হবে। ছেলে পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যাবে,

বিস্তারিত»

তৃষ্ণা

তৃষ্ণা

পড়শীর ডালপালায়
ক্ষনিকের আশ্রয়
পাতা চোয়ানো শিশির
কালাহারি তৃষ্ণা
অলিন্দের পাশে
নিলয়ের গভীরে
খুজে ফিরি শেকড়!

[ লেখেছিলাম এক কথা ভেবে কিন্তু পাঠক বিশ্লেষণ করেছেন অন্যভাবে । সেটি বেশ মজার । পাঠক – মোস্তফা মোস্তাকুর রহিম খান পলাশ আমার সহকর্মী বন্ধু। তাঁর মতামত দেখুন]

ধনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় একজন সমাজসেবা অফিসারের ধনপতি হওয়ার তীব্র আকাংখা এ কবিতায় ফুটে উঠেছে।

বিস্তারিত»

ছেলে-ধরা

হয়তো আগেও সমস্যাটা ছিল সুপ্ত অবস্থায়, কিন্তু জিনাত বেগম এখন তা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে আগের দিন শাকিলার বাসা থেকে ফিরে আসার পর থেকে। ফলাফল গতরাতের পুরোটাই কাটলো নির্ঘুম অবস্থায়। পরদিন সকালে উঠলো মাইগ্রেনের ব্যথা। অনিদ্রা আর মাইগ্রেন – একেবারে কান আর মাথা। একটা টানলে আরেকটা সুরসুর করে এগিয়ে আসে। সেই সাথে শুরু হবে আরও কিছু যন্ত্রণাদায়ক উপসর্গ। যেমন, খাবারের অরুচি, বমি বমি ভাব।

বিস্তারিত»

আহারে সোনালী দিন !

বেজোড় ক্যাডেট নাম্বার হলেও হিউম্যানিটিজে পড়ার সুবাদে সাড়াটা ক্যাডেট লাইফ বি ফর্মেই কাটাতে হয়েছে। মাঝে মাঝে তিন জনের জন্য ক্লাসরুম হিসেবে ব্যবহৃত ছোট্ট খুপড়িটিও বিশাল মাঠ মনে হত স্কেল আর কাগজ দিয়ে ক্রিকেট খেলার জন্য। ঘুমের জন্য ওই রুম টার চেয়ে শান্তির জায়গা মনে হয় নিজের হাউজের রুমটাও ছিল না। রাতে তো ঘুম আসে না, ঘুম আসে টিচার দেখলে। আর সেই সময়ে ওই ছোট্ট রুমটার বিকল্প আর কোথাও ছিল বলে মনে হয় না।

বিস্তারিত»