একটি ক্যাডেটীয় প্রেমের গল্প

মণ্ডল স্যারকে আমরা ডাকতাম চড়ুই স্যার বলে। তাঁর আচরণ ছিল কিছুটা চড়ুই পাখির মত। অর্থাৎ তিনি ছিলেন চড়ুই পাখির মতই চঞ্চল প্রকৃতির। এই যেমন ক্লাসে ঢুকেই তিনি কারো ড্রেসের দিকে তাকিয়ে বলতেন, এই ছেলে, তোমার নেমপ্লেট ঠিক নাই কেন? বোতাম একটা ভাঙ্গা কেন? এই ড্রেস পড়ে কি কুস্তি করেছ? এই ফ্যানটা আরো একটু বাড়িয়ে দাও তো। আচ্ছা তোমাদের সিলেবাস কতখানি বাকি? এই তুমি জানালাগুলো সব খুলে দাও। চলন্ত ট্রেনের মত তাঁর কথাও চলতে থাকতো। থামার প্রয়োজনিতা অনুভব করতেন না। তাঁর পড়ানোর স্টাইলও ছিল ভিন্ন। তিনি আমাদের পদার্থবিজ্ঞান পড়াতেন। ইংরেজি ভার্সন এ পড়ালেখা করতে হতো বিধায় তাঁকে লেকচারও দিতে হতো ইংরেজিতে। ফলে তিনি শুরু করতেন ইংরেজি লেকচার দিয়ে। এরপর কিছুক্ষণ থেমে সেটাকে বাংলায় ভাষান্তর করতেন। এবং পরে যে বিষয়ে পড়াচ্ছেন তার ছবি আঁকতেন। এরপর বলতেন, এই তোমরা কি বুঝতে পেরেছ? যদি কোন উত্তর না আসতো তাহলে তিনি আবার প্রথম থেকে শুরু করতেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্যারের ইংরেজি এবং বাংলা লেকচার দাঁড়ি কমা সহ বইয়ের সাথে মিলে যেত। এবং বইয়ের বিরামচিহ্ন অনু্যায়ী তিনি তার কথার মাঝে থামতেন। তাই আমাদের বুঝতে অসুবিধা হতো না তিনি পুরো বই মুখস্ত করে এসেছেন এবং আমাদের কাছে ঠিক সেভাবেই উপস্থাপন করছেন। ফলে পদার্থবিজ্ঞানের মত বিষয়ও আমাদের কাছে মুখস্ত বিদ্যায় পরিণত হলো। আমাদের আরাফাত ছিল স্যারের প্রতি কিছুটা দুর্বল। অবশ্য এর কারণ স্যার কিংবা তাঁর পড়ানোর ধরণ নয়, স্যারের মেয়ে। আমরা যখন প্রতিদিন সকালে নিয়মমাফিক দৌড়াতে যাই তখন প্রায়শঃ স্যারের মেয়েকে “মর্নিং ওয়াক” করতে দেখা যায়। মেয়েবিহীন ক্যাডেট কলেজে মেয়েদের দেখা পাওয়া অনেকটা দুর্ঘটনার মত। কদাচিৎ ঘটে। মেয়ে সুন্দর কী না তাতে কারো ভ্রূক্ষেপ নেই। মেয়ে হলেই হলো। কল্পনার রাজ্যে তাকে নিয়ে দু’একবার ঘুরে আসা হয়ে যায়। স্যারের মেয়ে সুন্দর না হলেও অন্তত ফেলে দেয়ার মত নয়। অন্তত আরাফাতের কাছে সে মেয়ে দেবী তুল্য। কথায় আছে, পিরীতের পেত্নীও ভালো। আমরা প্রায়ই আরাফাতকে শ্রেয়া বলে ক্ষেপাই। স্যারের মেয়ের নাম শ্রেয়া। আরাফাত যদিও বিরক্ত কিংবা রাগ প্রকাশের চেষ্টা করে কিন্তু বেচারা যে মনে মনে খুশিই হয় তা আমাদের বুঝতে অসুবিধা হয় না। মাঝেমাঝে লাজুক মুখে বলে, এই যা। আমার লজ্জা লাগছে। তোরা একটু থামবি?

আমরা থেমে গেলেও আরাফাত থামে না। বিশ্রামহীন স্যারের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে। যেদিন স্যারের ক্লাস থাকে সেদিন সবচেয়ে ভালো ইউনিফর্ম পড়ে আসে। মুখে ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম দিয়ে, তেল দিয়ে চুল আঁচড়িয়ে প্রায় কেতাদুরস্ত হয়েই ক্লাসে আসে। এবং সবার সামনের ডেস্কে বসে। স্যার ক্লাসে ঢোকার সাথে সাথে শুরু হয় তাকে সম্মোহন করা পর্ব। স্যারের পানি লাগবে কি না, বোর্ড মুছতে হবে কি না, কোন বই লাগবে কি না এ সবকিছু আরাফাতই খেয়াল রাখে। ফলে আমরা ওকে স্যারের অঘোষিত জামাই বলেও টিজ করি। স্যার অবশ্য বিষয়টা জানেন না। তবে আরাফাতের এই বিশেষ যত্ন তার মনোযোগ কাড়ে। ফলে তিনি প্রায়ই বলেন, তোমরা সবাই আরাফাতের মত হওয়ার চেষ্টা করো। কি পরিপাটি ছেলে। দেখলেই প্রাণ জুড়িয়ে যায়। স্যারের কথা শুনে আমরা মুখ টিপে হাসি। কারণ আমরাতো জানি আরাফাতের ভেতরে খবর। আমাদের মধ্যে আরাফাত হলো সেই ব্যক্তি, যে কালো মুজা ব্যবহার করে করে তাকে সাদা বানিয়ে ফেলেছে। যে এক প্যাকেট বাটার কুকিজ বিস্কিট একমাস ধরে খায়। যাহোক, আরাফাতের এই বিরামহীন প্রচেষ্টায় আমরাই ওকে সবচেয়ে উৎসাহ দেই। তবে মাঝেমাঝে অতিরিক্ত মনযোগ কাড়তে গিয়ে আরাফাত কিছু বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয় স্যারকে। এই যেমন একদিন স্যার মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ নিয়ে হাবলের সূত্রটি পড়ালেন। পড়ানো শেষে আরাফাত বলল, স্যার এ সবই তো বইয়ে হুবহু আছে। কিন্তু এই সমীকরণটা কিভাবে এলো?

আরাফাতের কথা শুনে স্যার কিছুটা বিব্রত হয়ে বললেন, যেভাবে হাবল বের করেছেন সেভাবেই এসেছে। আমি যদি সব জানতাম তবেতো আমি এখন এখানে না থেকে নাসাতে থাকতাম। স্যার বেশ বিব্রত হয়ে ক্লাস থেকে বের হয়ে গেলেন। আমরা আরাফাতকে বললাম, দোস্ত, ব্যাপার না। লেবু যদি বেশি চিপড়ানো হয় তবে তা টক হয়ে যায়। তুই একটু ধীরে ধীরে আগাতে থাক। জয়ী তুই হবিই।
আরাফাতকে আর ধীরে ধীরে আগাতে হয়নি। এক ছুটি শেষে আমাদের বন্ধু রেদোয়ান শ্রেয়ার নাম্বার জোগাড় করে আনলো। রেদোয়ানের বাবা ক্যাডেট কলেজেই কর্মরত। ফলে ও স্যারদের বাসার আশেপাশেই থাকে। তাই নাম্বার জোগাড় করা ওর পক্ষে আহামরি ব্যাপার নয়। নাম্বার পেয়েতো আরাফাত দারুণ খুশি। ইচ্ছেমত ক্যান্টিনে খাওয়াতে হবে এই শর্তে আরাফাতকে রেদোয়ান নাম্বার দিলো। নাম্বার পেয়েতো আরাফাত দারুণ খুশী। তবে রেদোয়ান শর্ত জুড়ে দিলো, ঠিক রাত বারোটার পরেই যেন আরাফাত শ্রেয়াকে ফোন দেয়। কারণ রেদোয়ান খোঁজ নিয়ে জেনেছে শ্রেয়া নিজেও লুকিয়ে ফোন ব্যবহার করে। রেদোয়ানের সাথেও তার দু একবার কথা হয়েছে। সে নিজেই বলেছে, তার সাথে কথা বলতে চাইলে যেন রাতে ফোন দেয়। আরাফাত এই শর্তেই রাজি হয়ে গেল। কিন্তু ঝামেলা হলো সেনানিয়ন্ত্রিত ক্যাডেট কলেজে তখনো মুঠোফোনের বেতার তরঙ্গ জায়গা করে নিতে পারেনি। অর্থাৎ আমাদের মোবাইল রাখা নিষিদ্ধ ছিল। যদিও লুকিয়ে মোবাইল রাখা যেত তবে ধরা খেলে নির্ঘাত কলেজ থেকে বহিস্কার অথবা মোটা অংকের টাকা জরিমানা দিতে হতো। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এত ঝুঁকি স্বত্বেও অত্যন্ত দুর্বল চিত্তের আরাফাত কিভাবে কিভাবে যেন মোবাইল জোগাড় করে ফেলল। প্রেমে পড়লে মানুষ সাহসী হয় জানতাম কিন্তু এতটা যে সাহসী হবে তা আমাদের ধারণার বাইরে ছিল।
পুরো টার্মটা আরাফাতের কাটলো খাটের নিচে। অর্থাৎ কথা বলার সবচেয়ে উপযুক্ত এবং নিরাপদ জায়গা হিসেবে ক্যাডেট কলেজে খাটের নিচটাই সবাই বেছে নেয়। আমরা প্রায়ই ওর রুমের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ভেসে আসতো, শ্রেয়া, আজকের চাঁদটা দেখেছো? কি অদ্ভুত সুন্দর। আকাশের চাঁদ প্রেমের কারণে যে খাটের নিচেও আসতে পারে আমরা তা প্রথম অনুধাবন করলাম আরফাতকে দেখে। বৃষ্টি এলে প্রায়ই আরাফাত স্যারদের আবাসিক বাসাগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতো। কিছুদিন পর আবিস্কার করলাম বেচারা ইদানিং কবিতা লিখতেও শুরু করেছে। আমাদের দেখলেই খাতা লুকিয়ে ফেলতো। এভাবেই দিন কেটে গিয়ে আবার ছুটি এলো। আরাফাত ঠিক করলো শ্রেয়ার সাথে দেখা করবে। আমরা সবাই বেশ উৎসাহ দিলাম। আমাদের উৎসাহ পেয়ে আরাফাত বেশ সাহস পেল মনে হয়। ঠিক হলো, রেদোয়ানের বাসায় আরাফাত যাবে। সেখানেই শ্রেয়া আসবে। কেউ যেন না বুঝতে পারে তার জন্যেই এমন করা। আরাফাত রাজী হলো । ছুটির সকালে যথাসম্ভব ভালো ড্রেসআপ করে আরাফাত রেদোয়ানের বাসায় গেল। এবং শ্রেয়া আসার অপেক্ষাতে রইলো। এদিকে অনেকক্ষণ হয়ে গেলেও যখন শ্রেয়া আসছে না তখন আরাফাত একপ্রকার অস্থির হয়েই শ্রেয়ার নাম্বারে ফোন দিলো। রিং বাজলো। হঠাত আরাফাত অনুধাবন করলো, খুব কাছেই ফোনের শব্দ আসছে। ব্যকুল আরাফাত তাকিয়ে দেখলো, রেদোয়ানের পড়ার টেবিলে একটা ফোন থরথর করে কাঁপছে। কাছে গিয়ে দেখলো, “কলিং গুইশাপ” (আরাফাতকে এই নামেই আমরা খেপাতাম)
একটু দুরেই রেদোয়ান মেয়েলি কণ্ঠে বলে উঠলো, জান। আমি এখানে।

আরাফাত হতাশ কণ্ঠে বলল, রেদোয়ান এতদিন তাহলে তুই??????????????????????

প্রকাশিতঃ ঠাট্টা, ঈদ সংখ্যা, ২০ জুলাই,২০১৪।

১,৭৯০ বার দেখা হয়েছে

১৪ টি মন্তব্য : “একটি ক্যাডেটীয় প্রেমের গল্প”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    আবারো এইভাবে স্যারদের নাম সরাসরি উল্লেখ করাটাকে সহজ করে মেনে নিতে পারলাম না।
    তুমি হয়তো বলতে পারো, ভাইয়া আপনি ও তো করেছেন।

    এইটা সত্য যে একটা লেখায় আমি করেছি এবং সে ব্যাপারে অভিযোগ আসায় স্যারদের টিজ নাম রেখে সঠিক নামগুলো সরিয়ে নিয়েছিলাম।

    কিন্তু তুমি তো পত্রিকায় ও এইভাবে ছাপিয়েছো।
    কাজ টা ঠিক হয় নাই। 🙁


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
  2. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    বাড়ৈ স্যার এখনো চাকরীতে আছেন কি না জানি না, যদি থেকে থাকেন তাহলে কখনো চিন্তা করেছো স্টাফ রুমে কোন ভাবে এই লেখাটা পৌছালে স্যারের প্রতিক্রিয়া কি হবে? অন্যান্য স্যারেরা কি বাঁকা দৃষ্টিতে তাকাবে না? স্যার অবসরে চলে গেলেও তার সামনে যদি এই লেখাটা আসে তাহলেও ওনার মনের অবস্থা কি হবে এগুলো পড়ে। স্যারের পড়ানোর সমালোচনা তাও মেনে নেয়া যায় কিন্তু এই লাইন

    বাড়ৈ স্যারের মেয়ে সুন্দর না হলেও অন্তত ফেলে দেয়ার মত নয়। অন্তত আরাফাতের কাছে সে মেয়ে দেবী তুল্য। কথায় আছে, পিরীতের পেত্নীও ভালো।

    আশা করি স্যারের মেয়ের নাম অন্তত বদলিয়েছো, অবশ্য সেটা কতটুকু পার্থক্য করবে জানি না।

    স্যারদের নাম সরাসরি উল্লেখ না করে বা এটলিস্ট ছদ্মনাম ব্যবহার করে লিখলে কি লেখার রোম্য মান বা সাহিত্য মানের কোন বড় কোন ক্ষতি হয়ে যায়? আমার তো মনে হয় না।

    ভাল লাগলো না।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
    • রাব্বী আহমেদ (২০০৫-২০১১)

      স্যারের নাম ছাড়া সব ঘটনাই কাল্পনিক এখানে 🙂 আর ব্যাপারটা এভাবে ভাবিনি। স্যার এখন আমাদের হাউসের হাউস মাস্টার। 🙂 কিছুদিন আগেও দেখা হলো। ভুল হয়ে গেল 🙁


      নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই
      খুব সহযে বিশ্বাসে বুক বাঁধছ কেন, বাঁধতে নেই
      বুকের কিছু গভীর কান্না চোখের মাঝে আনতে নেই
      কিছু অতীত স্মৃতির কথা জানার চেষ্টা বৃথাই, জানতে নেই...

      জবাব দিন
    • রাব্বী আহমেদ (২০০৫-২০১১)

      আমি বিষয়গুলো কে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করি। ২০১২ সালে রস আলোতে আসুন ইংরেজি শিখি জেড ইউ মেথড শিরোণামে একটি লেখা লিখে বেশ সমালোচিত হবার পরে এ ধরণের লেখা লিখি না। তবে নিছক আনন্দ পাওয়া ছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না। 🙁 তবে শাপে বর হয়ে গেল 🙁 🙁


      নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে কাঁদতে নেই
      খুব সহযে বিশ্বাসে বুক বাঁধছ কেন, বাঁধতে নেই
      বুকের কিছু গভীর কান্না চোখের মাঝে আনতে নেই
      কিছু অতীত স্মৃতির কথা জানার চেষ্টা বৃথাই, জানতে নেই...

      জবাব দিন
  3. মোকাব্বির (৯৮-০৪)

    উপরে সবাই বলে ফেলেছেন। নতুন করে কিছু বলার নাই। ভুল বুঝতে পারাটা সুসংবাদ, তবে সবচেয়ে বড় সুসংবাদ হবে এই ধরণের লেখা থেকে ভবিষ্যতে বিরত থাকলে, অথবা যথা সম্ভব পরিমার্জন করে লিখলে।


    \\\তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা
    অবুঝ শিশু হামাগুড়ি দিল পিতামাতার লাশের ওপর।\\\

    জবাব দিন
  4. সিরাজ(১৯৯১-১৯৯৭)

    সবাই অলেরেডি আসল কমেন্ট করে ফেলেছে।আমি শুধু একটা জিনিস এ্যাড করবো। ধন্যবাদ,তোমাকে নিজের ভুল বুঝতে পারার জন্য এবং সেটা স্বীকার করার জন্য কিন্তু আরো ভাল হত যদি বাড়ৈ স্যারের নামটা এডিট করে কাল্পনিক গল্পের মতন একটি কাল্পনিক নাম দিয়ে দিলে তাহলে তোমার ভুল বোঝার এবং স্বীকার করাটা সার্থক হত। তুমি নিজের ভুল বুঝেছো এবং স্বীকারও করেছো কিন্তু সেই ভুলটা এখনও লেখার মধ্যে আছে সেটা ঠিক না। অনেক ক্ষেত্রেই হয়তো ভুলটা সাথে সাথে শোধরানো যায়না কিন্তু এখানে যেহেতু এডিট করার উপায় আছে সেটা করা উচিৎ।কারণ একের পর এক পাঠক যখন তোমার লেখা পড়ছে তখন স্যারের নামটাও জেনে যাচ্ছে। তাই সেটা ঠিক করে দেয়াই উচিৎ।
    কোন এক ব্লগে একজন ব্লগার একটা লেখা লিখেছিল এবং সেখানে সে কিছু তথ্য ভুল দিয়েছিল। আমি পরে তাকে কমেন্টে ভুল ধরিয়ে দিয়েছিলাম এবং সে খুব বিনীত ভঙ্গিতে আমাকে ধন্যবাদ জানালো তার ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য কিন্তু মজার বিষয় হল সে তার ভুল তথ্যটা আর এডিট করে ঠিক করলোনা। তখন আমার মনে হল এই ভুল স্বীকার করার কোন মানেই হয় না। ভুলটা থেকেই যাচ্ছে এবং পরবর্তী পাঠকরা ভুলটাই জানছে।

    অনেক বড় মন্তব্য হয়ে গেল কিছু মনে করোনা তবে স্যারের নামটা বাদ দিলে স্যাটায়ারটা বেশ ভাল ছিল এটা অস্বীকার করবো না।


    যুক্তি,সঠিক তথ্য,কমন সেন্স এবং প্রমাণের উপর বিশ্বাস রাখি

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।