কভিড-১৯ মহামারীর প্রকোপ ঠেকাতে এ বছরের ১৭ মার্চ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ও শিক্ষণ প্রক্রিয়া দারুণভাবে ব্যাহত হয়। পুরো পৃথিবী এখনও করোনামুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন শীতে বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধেয়ে আসছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তা কেউ বলতে পারছে না। অন্যদিকে, দেখতে দেখতে প্রায় আট মাস হয়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে আছে।
বিস্তারিত»মেলবোর্নের দিনলিপি – ৬ঃ মাউন্ট ড্যান্ডিনং রেঞ্জে এক পড়ন্ত বিকেলে
এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি – ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন
প্রতি বছরের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের প্রথম শুক্রবারে ব্রাইটন বীচের বেলাভূমি সংলগ্ন ভূমিতে খোলা আকাশের নীচে “Soul Night Market” এর আয়োজন করা হয়। Night Market বা “নৈশ বাজার” কেবল নামেই, আসলে এটা শুরু হয় মধ্যাহ্নের পর পরই, শেষ হয় সূর্যাস্তের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই।
বিস্তারিত»সমসাময়িক চলমান পাতা
৩১শে আগস্ট ২০২০ [ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]
১. গত রাতে ফেসবুকের ফ্রেণ্ডলিস্ট ঝাড়ামোছা করতে গিয়ে খেয়াল করলাম, অতি পরিচিত এবং ঘনিষ্ট বেশ কয়েকজনের একাউণ্ট-প্রফাইলের ছবি উধাও (পুরা ফাঁকা) এবং আমার ফ্রেণ্ডলিস্টে দেখানো তার/তাদের নামের উপরে ট্যাপ করার সাথে সাথে কি একটা রিএ্যাক্টিভেশন টাইপের ম্যাসেজ দেখালো,
বিস্তারিত»দুটি কবিতা
~সুরঞ্জনা~
হেমন্তের নক্ষত্রখচিত রাত
সুরঞ্জনা চলে গেছে
রাখেনি কবির অনুরোধ
পিছু ফিরে দেখেনি
লক্ষ্মী পেঁচা ঝরা পালক
কুয়াশায় ভেজা জোনাকির আলো
ধূসর পান্ডুলিপি জীবনের আনন্দ
©টিটো মোস্তাফিজ
২২ অক্টোবর ২০২০
রাজশাহী
♦♦♦
~বরিষণ দিনে~
পথের ধারে জলাধারে
টুপ করে দেয় ডুব
কই টিপি ছানা
খলশে শোলের পোনা
জলে ছাড়া বুদবুদ
নিমিষেই যায় মিশে
টোকা দেয় আবেশে
কাগজের নৌকায়
সযতনে এঁকে রাখা
বর্ষার স্মৃতির খাতায়
©টিটো মোস্তাফিজ
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
নাটোর
নারী ও প্রকৃতি
নারী ও প্রকৃতি
নারী ও প্রকৃতি
একে অপরের প্রতিকৃতি,
শোভায়, স্বভাবে, মননে, মেজাজে
দেখি তাদের আমি একই সাযুজ্যে।
তারা উভয়ে প্রাণের ধারক ও বাহক,
ঝড় ঝঞ্ঝায়, ক্ষুধায় প্রতিপালক।
গর্ভে, ক্রোড়ে, বক্ষে, আঁচলে রেখে
লালন করে নবজাতককে সস্নেহে।
সকল সৌন্দর্যের উৎস প্রকৃতিমাতা
নারী তার থেকে আহরণ করে স্নিগ্ধতা।
ঋতুতে ঋতুতে প্রকৃতি যে রূপ বদলায়,
পরাণ
পরাণ
মো ও খা ও।
হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।
আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।
করো না এমন করোনা।
করোনা এমন করোনা
মো ও খা ও।
এমন করে কি বেচে থাকা যায়
একা একা ঘরে,
তোর সাথে হবে না দেখা এখন
কি হবে পরে?
চোখের আকাশে সুখের সাতরঙ
কত কথা বলে,
যত খুনসুটি বন্দি বুকের মাঝে
ঢেকে কি রাখা চলে?
নদীতো বইছে এখনো ছন্দে ছন্দে
আকাশে উঠেছে চাদ,
কন্ঠে না মিলিলে সুরে সুরে গান
মিটিবে কি সুখ সাধ।
কতোদূর এগোলো মানুষ
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।
বিস্তারিত»রামগড় চা বাগান ভ্রমণ
(আমি একজন ট্রাভেল ইন্থুসিয়াস্ট আবার শখের বসে ফটো বা ভিডিও করে থাকি, আমার এই ব্লগ এর ভিডিও দেখতে পারেন এই লিংকে: https://youtu.be/eCiV1E7usgA
রামগড় খাগড়াছড়ি জেলার উত্তরদিকে অবস্থিত একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা। এই উপজেলায় দেশের অন্যতম বড় একটি চা বাগান রয়েছে। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা আর সবুজ চা বাগান একে করে তুলেছে অত্যন্ত সৌন্দর্যময়।
কিভাবে যাবেন?
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসার পথে,
নীলকুঠি – দিনাজপুর
মোমেনপুর ইউনিয়নের অপ্রশস্ত মেঠো পথ ধরে এগোচ্ছিলাম। বালু মাটি দ্বারা গঠিত বলে এই অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট ভঙ্গুর প্রকৃতির। বাংলার গ্রামের ‘রাস্তা ও সেতুমুখ’ – এই দু’য়ের বন্ধন দীর্ঘ বিবাহিত অভিমানি দম্পতির ন্যায়। ক্ষনে ভাল, অধিকক্ষনে বিমুখ। মহাসড়ক ছেড়ে গ্রামীন এই পথে নেমে হঠাৎ বিপাকে পড়লাম। গাড়ী করে আর সামনে এগোনো যাবে না, তাই বাধ্য হয়ে গাড়ী ছেড়ে হাঁটা শুরু করলাম। শীতের সকাল, তার উপর সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
বিস্তারিত»মুভি রিভিউঃ প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট (২০১৯)
২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ভোর সোয়া ছয়টা
[ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]
… মুভি রিভিউ
… রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, সকাল সোয়া ছয়টা
… সকল জেন অস্টিন প্রেমীদের জন্য ভালবাসা
২০১৯ সালের মুভি প্রাইড এন্ড প্রেজুডিস কাট-কে সবার সামনে নিয়ে আসছি;
বিস্তারিত»আমার জীবনে নারীঃ পর্ব-২
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০
জীবনের চক্র বড়ই অদ্ভুত। আজ, ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২০, আমাদের মেয়েটার জন্মদিন; আট বছর পূর্ণ করে নবম বর্ষে পা রাখলো সে। ২০১২-তে এদিনে দুপুর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে তার জন্ম। আর আজই আমাদের পুরো পরিবারের একটা জেনারেশনের সর্বশেষ ব্যাক্তিটি ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোক গমন করলেন, ভোর তিনটা-সাড়ে-তিনটার দিকে; তিনি আমার জন্মদাত্রী মায়ের জন্মদাত্রী, আমার ভালবাসার নানু। মন খারাপ লাগছে কিনা, কিংবা কষ্ট পাচ্ছি কিনা,
বিস্তারিত»ডরোথি পার্কার এর তিনটি কবিতা
পরাজয়
আমার যদি চকচকে বন্দুক থাকতো
তাহলে এক পৃথিবী মজা নিতে পারতাম
বুলেট ছুটিয়ে তাদের মাথার ভিতর
যারা কি না আমাকে কষ্ট দেয়!
কিংবা আমার যদি বিষাক্ত গ্যাস থাকতো
সময়গুলো কাটিয়ে দিতে পারতাম
যাদের ভালোবাসি না তাদের সাবাড় করে!
কিন্তু আমার কোনো মারাত্মক অস্ত্র নেই
তাই নিয়তি মাড়িয়ে যায় আনন্দের ক্ষণ
তাই তারা আজও ছোটে মহা আনন্দে
নরকবাস যাদের একচ্ছত্র অধিকার!
বিতংস – পাঠক প্রতিক্রিয়া
বিতংস
লেখকঃ ওয়াহিদা নূর আফজা
প্রচ্ছদঃ সামিয়া হোসেন
প্রাকাশকঃ আগামী প্রকাশনী, ফেব্রুয়ারী ২০১৩ খ্রীঃ
পৃষ্ঠাঃ ২৮০
মূল্যঃ ৫৫০ টাকা
————————————————————
বিতংস এর ঘেরা টোপে পাঠক। লেখক
তার স্বকীয়তায় সুনিপুণ রচনাশৈলী দিয়ে সুক্ষ সুক্ষ জালে আটকে ফেলবে পাঠককে – হ্যাঁ ওয়াহিদা নূর আফজার লেখা ‘বিতংস’ আগা-গোড়া পড়ে পাঠক হিসাবে এই আমার অভিমত।
একজন মৃণাল হক ও একজন ওয়াস্ফি
২৩শে আগস্ট ২০২০, রাত ৩টা [ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]
এই পোস্টে সংযুক্ত ছবিটা ক্যাডেট কলেজ ক্লাব আয়োজিত ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বাচ্চাদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিচারক মৃণাল হকের কাছে আমাদের কন্যা আরিশা সহ প্রতিযোগী সকল বাচ্চার ব্যাক্তিগত ভাবে উপহার গ্রহনের মুহূর্তে তোলা।
বিস্তারিত»