কাক
কী এক হতভাগা পাখি
রাজ্যের যত ময়লা
খেয়ে করে পরিস্কার
তারই বাসায় চুরি করে
কোকিল ডিম পাড়ে
ডাকাতি করে ভালোবাসা
অথচ চোর দুর্নামটি
গেল না কোনমতে
কবে না কি নিয়েছিল
ময়ূরের পুচ্ছদেশ
কিংবা কারো সস্তা
রঙিন কাঁচের চুড়ি!
দেখো হে ভেবে
আর কবার
গল্পটা এবার
পাল্টানো দরকার…
ধোঁয়ার পলিটিক্সকে
সিগারেট পুরুষালী, তুই কে হে অসভ্য মেয়ে
নিকোটিন কেন? র্যাটম খা, সিরিঞ্জে বিষ নে,
তোর স্বাধীনতা দেখে নষ্ট হয় পাড়ার মেয়েরা
তোর ধূমপানে জল আসে পুরুষের শিশ্নে!
অবশ্য বিড়ি কৃষকের, নিচু শ্রেণী, তামাকেও চলে-
গ্রাম্য মেয়ে হতি, কালো দাঁত পুঁড়ে যাওয়া জর্দাতে
তাতেও আপত্তি নেই, তবু সিগারেট কেন? তাও রাস্তায়?
সমাজ নষ্ট হয়,
হ্রস্ব জীবন, দীর্ঘ প্রতিবিম্ব
ঝুলে থাকে সে ঝুলে থাকা একটি পাতায়,
কিংবা কখনো নিশ্চুপ বসে থাকে
কোন সবুজ ঘাসের উঁচু করে থাকা মাথায়।
কখনো শিশির বিন্দু হয়ে, ধানের শীষে…
নয়তো জলে ভাসমান কোন পদ্মপাতায়,
কিংবা হিল্লোলিত কোন পুষ্পকোরকে।
যেখানেই সে থাক, যেভাবেই থাক,
তার স্মৃতি রয়ে যায় এক মুগ্ধ কবির নয়নে।
মৃদুমন্দ বাতাসে আন্দোলিত হতে হতে,
একটা সময় সে টুপ করে ঝরে পড়ে,
জীবনের সমীকরণ
“ … … … আয় খোদা, রহমান,
ভেস্ত নাজেল করিও সকল মৃত্যু-ব্যাথিত প্রান।”
– “কবর”, জসীম উদ্দিন
২রা ডিসেম্বর ২০২০
জীবনের সমীকরণ জটিল থেকে জটিলতর হয়ে যাচ্ছে। রক্তের সম্পর্কের বাইরেও, কালেভদ্রে দেখা বা সাক্ষাৎ হওয়া মানুষজনদের সাথেও কিভাবে যেন জীবনের মায়ার জাল বিস্তৃত হয়েই চলেছে। করোনাকালে বেশ কয়েকজন নিকট আত্মীয়ের মহাপ্রস্থান হলো। আজকের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত ঘনিষ্টজনদের মধ্যে এই দূর্যোগকালীন সময়ে যাঁরা গত হলেন,
বিস্তারিত»হাউজ মস্ক
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমরা সাধারণত আমাদের সুখের স্মৃতি নিয়ে লিখে থাকি। সব সময় যে ঠিক একই রকম লেখা আসে তাওনা, আমাদের কিছু দুঃখের কাহিনীও ক্যাডেট কলেজ ব্লগে লিখা আছে।
আজকে অন্যরকম ব্যাপারে আলোচনা করতে চাই যা আজকে একটা ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ পড়তে গিয়ে চোখে পরে।
ব্লগটি লেখা হয়েছে হাউজমস্ক নামের একটা ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে। আমি নিজেও কলেজে হাউজ মস্কে মোটামুটি একটিভ থাকার কারণে আগ্রহ নিয়েই ব্লগটা পড়লাম।
বিস্তারিত»অকবিদের কবিতা
অকবিদের কবিতা-
হয়তো সবই যাচ্ছে তা,
উর্বর বাংলার জনসংখ্যার মত
অগণিত…
অসহায়…
জন্মায় আগাছার মত।
তবুও আশায় থাকি-
একদিন আগাছার মধ্য থেকেই
সবার অলক্ষ্যেই-
কেউ কেউ উচ্চশির হবে,
মহীরুহ হয়ে দাঁড়িয়ে রবে,
গাছ আগাছার মাঝে, সগৌরবে!!!
অকবি’র কথাঃ একথা অনস্বীকার্য, সিসিবি’তে যারা কবিতা লিখেছেন এবং এখনও লিখছেন, তাদের সবার কবিতার মান (আমার নিজেরগুলো মতই) উচ্চ নয়।
বিস্তারিত»করোনা পরবর্তী শিক্ষাদান: যেসব উদ্যোগ ও কৌশল জরুরি
কভিড-১৯ মহামারীর প্রকোপ ঠেকাতে এ বছরের ১৭ মার্চ সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেয় সরকার। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ও শিক্ষণ প্রক্রিয়া দারুণভাবে ব্যাহত হয়। পুরো পৃথিবী এখনও করোনামুক্ত নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন শীতে বাংলাদেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ধেয়ে আসছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কবে খুলবে তা কেউ বলতে পারছে না। অন্যদিকে, দেখতে দেখতে প্রায় আট মাস হয়ে গেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে আছে।
বিস্তারিত»মেলবোর্নের দিনলিপি – ৬ঃ মাউন্ট ড্যান্ডিনং রেঞ্জে এক পড়ন্ত বিকেলে
এর আগের পর্বটি দেখতে পাবেন এখানেঃ মেলবোর্নের দিনলিপি – ৫ঃ নতুন বছরের (২০২০) প্রথম কয়েকটা দিন
প্রতি বছরের জানুয়ারী, ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসের প্রথম শুক্রবারে ব্রাইটন বীচের বেলাভূমি সংলগ্ন ভূমিতে খোলা আকাশের নীচে “Soul Night Market” এর আয়োজন করা হয়। Night Market বা “নৈশ বাজার” কেবল নামেই, আসলে এটা শুরু হয় মধ্যাহ্নের পর পরই, শেষ হয় সূর্যাস্তের ঘন্টাখানেকের মধ্যেই।
বিস্তারিত»সমসাময়িক চলমান পাতা
৩১শে আগস্ট ২০২০ [ব্লগের প্রথম পাতায় বেশ কিছুদিন আমার একাধিক লেখা থাকায় এবং সেগুলোর কোন একটি পরের পাতায় না যাওয়া পর্যন্ত অন্য লেখা দিতে পারছিলাম না। খসড়টা আগেই লেখা ছিল। আজ শুধু এই প্রথম অংশটুকু সংযোজন করে লেখাটাকে পোস্ট করছি।]
১. গত রাতে ফেসবুকের ফ্রেণ্ডলিস্ট ঝাড়ামোছা করতে গিয়ে খেয়াল করলাম, অতি পরিচিত এবং ঘনিষ্ট বেশ কয়েকজনের একাউণ্ট-প্রফাইলের ছবি উধাও (পুরা ফাঁকা) এবং আমার ফ্রেণ্ডলিস্টে দেখানো তার/তাদের নামের উপরে ট্যাপ করার সাথে সাথে কি একটা রিএ্যাক্টিভেশন টাইপের ম্যাসেজ দেখালো,
বিস্তারিত»দুটি কবিতা
~সুরঞ্জনা~
হেমন্তের নক্ষত্রখচিত রাত
সুরঞ্জনা চলে গেছে
রাখেনি কবির অনুরোধ
পিছু ফিরে দেখেনি
লক্ষ্মী পেঁচা ঝরা পালক
কুয়াশায় ভেজা জোনাকির আলো
ধূসর পান্ডুলিপি জীবনের আনন্দ
©টিটো মোস্তাফিজ
২২ অক্টোবর ২০২০
রাজশাহী
♦♦♦
~বরিষণ দিনে~
পথের ধারে জলাধারে
টুপ করে দেয় ডুব
কই টিপি ছানা
খলশে শোলের পোনা
জলে ছাড়া বুদবুদ
নিমিষেই যায় মিশে
টোকা দেয় আবেশে
কাগজের নৌকায়
সযতনে এঁকে রাখা
বর্ষার স্মৃতির খাতায়
©টিটো মোস্তাফিজ
২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
নাটোর
নারী ও প্রকৃতি
নারী ও প্রকৃতি
নারী ও প্রকৃতি
একে অপরের প্রতিকৃতি,
শোভায়, স্বভাবে, মননে, মেজাজে
দেখি তাদের আমি একই সাযুজ্যে।
তারা উভয়ে প্রাণের ধারক ও বাহক,
ঝড় ঝঞ্ঝায়, ক্ষুধায় প্রতিপালক।
গর্ভে, ক্রোড়ে, বক্ষে, আঁচলে রেখে
লালন করে নবজাতককে সস্নেহে।
সকল সৌন্দর্যের উৎস প্রকৃতিমাতা
নারী তার থেকে আহরণ করে স্নিগ্ধতা।
ঋতুতে ঋতুতে প্রকৃতি যে রূপ বদলায়,
পরাণ
পরাণ
মো ও খা ও।
হারিয়ে গেলে কোথায় বল তাহার দেখা পাই
বুকের মাঝে বসত করে চোখের সমুখ নাই,
বীনা তারে সুরের সাধন কোন সে পাখি গায়
থামলে বাদন শুন্য আসর গায়েন কোথা যায়।
আখির পলক মনের ঝলক ভাবনা মনে যত
পাপড়ি দোলায় সুখের মেলায় সপ্ন অবিরত,
টানলে রশি বাশের বাঁশি গাইবে না আর গান
থামবে গাড়ী অচিন বাড়ী চড়বে কাধে যান ।
করো না এমন করোনা।
করোনা এমন করোনা
মো ও খা ও।
এমন করে কি বেচে থাকা যায়
একা একা ঘরে,
তোর সাথে হবে না দেখা এখন
কি হবে পরে?
চোখের আকাশে সুখের সাতরঙ
কত কথা বলে,
যত খুনসুটি বন্দি বুকের মাঝে
ঢেকে কি রাখা চলে?
নদীতো বইছে এখনো ছন্দে ছন্দে
আকাশে উঠেছে চাদ,
কন্ঠে না মিলিলে সুরে সুরে গান
মিটিবে কি সুখ সাধ।
কতোদূর এগোলো মানুষ
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ নামের এক শব্দবন্ধের সঙ্গে আমাদের তারুণ্যের বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি জড়িত। মনে পড়ে, তখন হঠাত করেই পত্র-পত্রিকা, মিডিয়া, বিজ্ঞাপন কিংবা জনমুখে ‘ডিজিটাল’ শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেলো। সে সময়ে মানুষের মস্তিষ্কে তা এমন অভিঘাত তুলেছিলো যে শহর কিংবা মফস্বলে বিভিন্ন দোকানপাটের নামের সঙ্গে দেদার্চে ডিজিটাল শব্দটি যুক্ত হওয়া শুরু করলো। ‘মায়ের দোয়া ফুচকা’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল ফুচকা শপ’, ‘আল্লাহর দান বিরিয়ানি’ হয়ে গেলো ‘ডিজিটাল বিরিয়ানি হাউজ’ এমন অজস্র উদাহরণ রয়েছে।
বিস্তারিত»
