টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪] [১৫] [১৬] [১৭] [১৮] [১৯] [২১]
১. জনৈক অফিসার নতুন বিয়ে করে যেই না এক জুনিয়র অফিসারের সাথে ভাবীকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন,
বিস্তারিত»জীবনের গল্প – [ ১ ]
আমার খুব কাছের বন্ধুদের মধ্যে জর্জ একজন। সবসময় হসি খুশী থাকে, দেখলে বোঝার উপায় নেই কতবড় ভার তার বুকের উপড় চেপে বসে আছে। ওকে যখন থেকে দেখেছি তখন থেকেই ভাবতাম এই ছেলেটার মত হাসি খুশী আর মাস্তিবাজ যদি হতে পারতাম তাহলে কত মজাই না হত। কখনওই ভাবি নি ওর মনের মধ্যে কত কষ্ট লুকিয়ে আছে।
বিস্তারিত»আমার এই মুহুর্তে এই ব্লগটা লেখার কথা ছিলোনা। লিখতে চেয়েছিলাম খুব প্রিয় একজন বন্ধুকে নিয়ে। যে আমার উষ্ণ অনুভূতিগুলোর খুব কাছাকাছি থাকে সবসময়। কিন্তু কখনো মুখ ফুটে বলা হয়নি আমি তাকে কতটা ভালবাসি। কিন্তু তা’ আর হলো কই। আমার সব ব্যাপার কিংবা ভাবনাগুলোই অনেকটা এরকম। প্রথমে ভাবি এক কিন্তু পরে হয়ে যায় অন্য কিছু। অনেকটা সিসিবির অনেক পোস্টের মত। হয়তো লেখা হয় সিরিয়াস কিছু ভেবে আর শেষ হয় মাস্ফু ভাইয়ের “আমিও কেক খাপো”তে গিয়ে।
বিস্তারিত»গত বছর সেইন্ট জন’স-এ বরফ পড়া শুরু হয়েছিল ডিসেম্বরের শুরুতে। আমার প্রথম শীত ছিল সেটা কানাডায়, আর প্রথম বরফ দেখা তো বটেই। বরফ পড়া তিন রকম দেখেছি- ফ্লারিজ, ব্লিজার্ড আর ফ্রোজেন রেইন। ফ্লারিজ হলো সবচেয়ে স্বপ্নীল তুষারপাত, আকাশ থেকে পেঁজা তুলার মতো বরফ পড়ে। দেখতে ভালোই লাগে। তাপমাত্রাও থাকে সহনশীল পর্যায়ে, শূন্যের দু’এক ডিগ্রী নিচে। বরফ পড়ার এই দৃশ্যটা মাথায় ছিল আগে থেকেই। বাসায় পুরোনো বইয়ের গাদা থেকে একটা বই পেয়েছিলাম,
বিস্তারিত»১। ডিউটি মাস্টার বাচ্চি খান স্যার। কোন এক অদ্ভুৎ কারণে গেমসের পরে টি ব্রেক এর বাঁশি পড়ার সময় হাউসের বারান্দায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। আমার জনৈক বন্ধু গেমস না করার কারণে গোসলের ঝামেলা ছাড়াই নামাজের পোষাক পরে নিচ্ছিল। কেডস ও মোজা খোলার পরে হাফ শার্ট খুলে ফেললো। পরনে তখন হাফ প্যান্ট আর স্যান্ডো গেঞ্জি। এই অবস্থায় পাজামা না পরে আগে পাঞ্জাবী পরে ফেললো। ঠিক তখনই বাচ্চি খান স্যার রুমের পাশ দিয়ে হেটে যাবার সময় জানালা দিয়ে এই দৃশ্য দেখে আঁতকে চীৎকার করে উঠলেন,
বিস্তারিত»কলেজে যখন যাই তখন আমার উচ্চতা ছিল সাকুল্যে চার ফুট সাড়ে দশ ইঞ্চি। অন্য কলেজে গাইড বলে, আমাদের বলে স্কড। আমার স্কড ছিলেন রেদোয়ান ভাই। তিনি প্রথম দিন নূর বকস ভাইয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন আমাকে, নূর বকস ভাই তো বলেই ফেললেন, এতো খাটো কেনো? রেদোয়ান ভাই আমাকে একটু আড়াল দেবার চেষ্টা করে বললেন, পিটি প্যারেড করলে লম্বা হয়ে যাবে। রেদোয়ান ভাই মনে হয় কথাটা বলেছিলেন বদান্যতা করেই,
বিস্তারিত»পর্বত আরোহনের জন্য পাথর বাওয়ার প্রাথমিক জ্ঞান অপরিহার্য। ফরাসিতে যাকে বলে escalade। অনেকে এটাকে sport climbing ও বলে থাকেন। দড়ি বাঁধার কৌশল থেকে শুরু করে rappelling (দড়ি বেয়ে নিচে নামার একটি কৌশল) এবং belay ( নিচে থেকে যিনি দড়ি ধরে রাখেন) সবকিছুই আয়ত্ত করে নেয়া চাই। কারন একটি দড়ির উপর নির্ভর করে থাকতে হয় top rope climber এবং তার সাহায্যকারী belayer কে। শুধু তাই নয় দড়ি কতটুকু ঢিল দিয়ে রাখতে হবে কখন তা টান টান রাখতে হবে তাও জানা খুব জরুরি।
বিস্তারিত»লাস্ট টার্মে কলেজে পৌছেই সিদ্ধান্ত নিলাম নিজের মাঝে পরিবর্তন আনতে হবে! কোন ধরনের নিয়ম বহির্ভুত কাজে যোগ দিব না! প্রপার ক্যাডেট বলতে যা বোঝায়,তাই হব! ঠিক করলাম নামাজ পড়তে হবে! পরদিন ফজর থেকে শুরু করলাম নামাজ পড়া। জুনিয়রকে বলে দিয়েছি রিভেল দিতে,ক্লাস সেভেন এইট নামাজ পড়ে,তাদের থেকে হুজুর দেখেই একটাকে বললাম “ফজরের নামজে জামাতের আগে ডাক দিবা”! জুনিয়রটাও মহাউৎসাহে ডাক দেয় প্রতিদিন! প্রথম দুদিন আমারও চরম ঊৎসাহ!
বিস্তারিত»সিসিবির সবার মতামত অনুযায়ী এই বছরের সেরা ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব কে হতে পারে? চলুন একটা ভোটাভোটি করে ফেলি। আপাতত আমার মাথায় যে ক’জনের নাম আছে তাদের কে মনোনয়ন দিলাম। আপনারা মন্তব্যে আপনাদের পছন্দ জানান। কিম্বা অন্য কেউ মনোনয়নে আসতে পারে মনে করলে তাও জানাতে পারেন। আমি এখানে যোগ করে দেব।
ডিসেম্বর ২৯ তারিখ পর্যন্ত যে ভোট হবে। এর মধ্যে সেরা হবে যে তাকে নিয়ে আমি ৩১ ডিসেম্বর তারিখে একটি বিস্তারিত পোস্ট দেবো।
১৪-১৫ মাস ধরে ব্লগের সঙ্গে আমার পরিচয়। সম্ভবত গত জুনে সিসিবিতে যোগ দিয়েছিলাম। কিন্তু গত দুই-তিন মাসে এমন ঘণিষ্টতা যে একদিন সিসিবিতে না ঢুকে থাকতে পারি না। একরকম অ্যাডিক্ট যাকে বলে (শওকত মাসুমকেও এই গল্প বলেই ভুলিয়েছি)। আজকাল তো প্রায় প্রতিদিনই মন্তব্যও করি। বাকি দুটো ব্লগে চোখ বুলালেও এখন সহজে লগইন করি না।
অসাধারণ সব ছেলেপিলেরা এখানে। নাম ধরে ধরে বলতে পারি এদের লেখা,
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমারে টাইনা এনেছে লাভলু ভাই। বলছে যে এখানে আমি শান্তি পাবো, স্বস্তি পাবো, মজাও পাবো। এখানে বেশিরভাগই জুনিয়র ছেলে-মেয়ে। কিন্তু প্রত্যেকেই অসাধারণ এক একেকটা ছেলে মেয়ে।
আর তাই লোভে পইরা আমিও চইলা আসলাম। তবে প্রথম পোস্টেই নীল ছবি জাতীয় কিছু লেখার পরা মনে হইলো কাজটা মনে হয় ঠিক হইলো না।
শুক্রবার ছিল আমার ছুটির দিন। নেটের সামনে বসা হয় নাই।
১৬.১২.২০০৮
– ‘মা, ও মা…!!’ -আহ্লাদে গদগদ হয়ে মা’কে ডাকলাম!
– ‘কি বলবি বল… ‘
– ‘আজ এই বিশেষ দিনে তোমাকে কিছু একটা উপহার দিতে খুব ইচ্ছা করছে…’
– ‘কি দিতে চাস?’
– ‘উম্…তোমাকে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে চাই…’
– ‘যা ভাগ! লাগবে না…’
– ‘তাহলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সহনীয় মুদ্রাস্ফীতি, সাধারণ মানুষের জীবনে স্বস্তি…একটা কার্যকরী জনগণের বাজেট?’
দেশ ছেড়েছি অনেকদিন হলো। প্রায় দেড়বছর। এমন না যে একটানা দেড় বছর কাটিয়ে দিয়েছি, একই প্রবাসে পড়ে আছি তাও না । প্রায়ই তিন মাস, ছয়মাস পরেই বাংলাদেশে যাই। চাকরীর কোম্পানী চেন্জ্ঙ হয়, দেশ চেন্জ্ঙ হয়। নতুন নতুন মানুষ, পরিবেশ দেখি । তাই হিসেব অনুযায়ী খুব বেশি হোমসিক হওয়ার কথা না। তারপরও হোমসিক হই । একসপ্তাহ , দুইসপ্তাহ দেশে গেলে খালি অফিসিয়াল কাজগুলোই করা হয়। দুচোখ ভরে বাংলাদেশ দেখার যে আগ্রহ তা কিছুতেই মেটে না ।
বিস্তারিত»[লেখাটি উৎসর্গ করছি আমার বন্ধু ও অনেক অপকর্মের সাথী ইসলাম (জেসিসি, ১৯৯৫-২০০১) কে…ওর সাথে কথা বলার সময়ই প্রথম আজকের প্রসংগটি উঠে এসেছিল…]
দৃশ্যপট-১: গ্রামের মেয়ে কুলসুম। যৌতুকের বিনিময়ে তার বিয়ে হয় একই গ্রামের রুস্তমের সাথে। ছেলেটা অকর্মার ধাড়ি, এবং নেশাখোর…কয়েকমাস যেতে না যেতেই, আরও টাকার জন্য সে দাবী করে কুলসুমের বাবার কাছে। দরিদ্র বাবা তার এ দাবী মেটাতে ব্যর্থ হলে কুলসুমের উপর শুরু হয় অকথ্য অত্যাচার।
বিস্তারিত»অন্যদের বেলায় কি হয় জানিনা, আমার ক্ষেত্রে যা হয় তা হল ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারী কিংবা মার্চ মাসে পত্রিকায় আবেগঘণ, দূর্দান্ত কয়েকটা লেখা পড়ি আর কিছু চোখের জল ফেলে আবার সব ভুলে যাই। আমার ভুল ও হতে পারে তবে ইদানিং মনে হয় আমরা সবাই তাই করছি; দেশপ্রেমের খ্যাপ মারছি। আমি এই দুষ্টচক্রের হাত থেকে মুক্তি চাই।
আরো একটা কাজ আমি করি সেটা হল সবাইকে গালি দেই,
বিস্তারিত»