সুইস আল্পস – পাথুড়ে পাহাড়

পর্বত আরোহনের জন্য পাথর বাওয়ার প্রাথমিক জ্ঞান অপরিহার্য। ফরাসিতে যাকে বলে escalade। অনেকে এটাকে sport climbing ও বলে থাকেন। দড়ি বাঁধার কৌশল থেকে শুরু করে rappelling (দড়ি বেয়ে নিচে নামার একটি কৌশল) এবং belay ( নিচে থেকে যিনি দড়ি ধরে রাখেন) সবকিছুই আয়ত্ত করে নেয়া চাই। কারন একটি দড়ির উপর নির্ভর করে থাকতে হয় top rope climber এবং তার সাহায্যকারী belayer কে। শুধু তাই নয় দড়ি কতটুকু ঢিল দিয়ে রাখতে হবে কখন তা টান টান রাখতে হবে তাও জানা খুব জরুরি।


আল্পস ডোরোনা থেকে।


ডোরোনা


প্রথম outdoor climbing (escalade) ডোরোনা।


আমি belay করছি।


Rappelling সেন্ট ট্রিফন।( আমার বউ)


Rappelling সেন্ট ট্রিফন। (আমি)


আমার প্রথম top rope climbing। গাস্টলসেন। আমি মাঝখানে।

২,২৩৬ বার দেখা হয়েছে

২৪ টি মন্তব্য : “সুইস আল্পস – পাথুড়ে পাহাড়”

  1. জুনায়েদ কবীর (৯৫-০১)

    আপনে নিজে উঠেন- উঠেন...ভাবীরে নিয়া ওঠার দরকারটা কি??? 🙁

    অফটপিকঃ ছবি দেইখ্যা মনে হইতেছে Mission Impossible এর শুটিং চলতাছে... :-B


    ঐ দেখা যায় তালগাছ, তালগাছটি কিন্তু আমার...হুঁ

    জবাব দিন
  2. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    সেরকম ছবি একেকটা।
    ফাহিম ভাই আপনেরে :salute: :salute:
    বস্ পর্বতারোহণ নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতাগুলো এবং এর বিভিন্ন টেকনিকগুলো (এই পোস্টের মতো) নিয়ে চরম একটা সিরিহ নামায়ে ফেলেন। চমৎকার অ্যাডভেঞ্চারগুলোর কিছুটা স্পর্শ আমরাও পাই :boss: :boss:


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  3. মান্নান (১৯৯৩-১৯৯৯)

    ফাহিম ভাই, আপনার কপাল দেখে হিংসা হচ্ছে। নিজে তো মই ছাড়া উঠছেন উঠছেন, আবার ভাবীকেও উঠাইছেন। এমন এডভেন্চার পাগলজুটি দেখে আরো বেশি হিংসা হচ্ছে। আমি বোধহয় জুনের দিকে ইউরোপ ট্যুরে যেতে পারি। আমার সুইস এক বান্ধবী ( একটু বাড়ায়ে বললাম, আসলে স্বল্পদিনের কলিগ) এসবের অনেক লোভ দেখাইছিল। তারপর থেকে দুইটার লোভেই সুইজারল্যান্ড যেতে ইচ্ছে করে 😛 । আপনিতো আরো লোভ বাড়ায়ে দিলেন।

    জবাব দিন
  4. রহমান (৯২-৯৮)

    গত ২২ শে ডিসেম্বর "সিসিবি মাহফিল" এ কেকের গায়ে লেখা দেখলাম "সিসিবি রকস্‌"

    এইবার বুঝলাম, সিসিবির ছবি ব্লগে "রকস্‌" এর আবির্ভাব পোলাপাইন তাইলে আগেই টের পাইছিল :-B

    ফাহিম ভাই, ছবি দেখে হিংসা হচ্ছে। "ইশশশ" টাইপ ছবি সব

    জবাব দিন
  5. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    আচ্ছা আমার একটা ছোট্ট ডাউট আছে। সবাই না হয় দড়ি দিয়া উপড়ে উঠল আর নামলো। কিন্তু পয়লা যে ব্যাটা দড়ি বানবো পাহাড়ের মাথায় সে উঠব ক্যামনে ওইখানে?


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
    • ফাহিম (৯০-৯৬)

      আগেই বলেছি যে সবার প্রথমে দড়ি বাঁধে তাকে বলা হয় Top rope climber বা Lead climber। দুই ধরনের রুট থাকে সাধারণত, কিছু রুট এ আগে থেকেই climber রা স্থায়ী bolt গেঁথে রাখেন। এই বাঁধাটা বেশ জটিল। প্রথম বল্টটি বাঁধা হয় মাটি থেকে ৫ মিটার উচুঁতে। দ্বিতীয় বল্ট বাঁধা হয় তার ৩ মিটার পর। তার কারন হচ্ছে কেও দ্বিতীয় বল্ট বাঁধতে গিয়ে পড়ে গেলে মাটি থেকে ২-১ মিটার উঁচুতে আটকে যাবে। সুইস আল্পসে বেশির ভাগ রুটেই স্থায়ী বল্ট বাঁধা থাকে তাই জটিলতা একটু কম। বল্টে প্রথমে আটকাতে হয় কুইক ড্র। এটি হচ্ছে দুই আংটা বিশিষ্ট একটি যন্ত্র। কুইক ড্র এর এক প্রান্ত বল্ট এ বাঁধতে হয় আরেক প্রান্তে বাঁধতে হয় দড়ি। এভাবে টপ রোপ ক্লাইম্বার ধীরে ধীরে উপরে উঠতে থাকে। একেবারে উপরে উঠে তাকে anchor বা নোঙর বাঁধতে হয়। এবার বলি দ্বিতীয় রুট এর কথা। সব কিছুই আগের মত শুধু পার্থক্য হচ্ছে বল্ট এর বদলে ব্যবহার করতে হয় বিভিন্ন প্রটেকশন গিয়ার। প্রটেকশন গিয়ার গুলু বাঁধতে হয় পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে। এখানে সঠিক খাঁজে সঠিক গিয়ার বাঁধা খুব জরুরি। কারন ভুল গিয়ার বাঁধার কারনে আপনার মৃত্যু হতে পারে। পর্বত আরোহনের রুট এমনই হয়ে থাকে।

      জবাব দিন
  6. মুহাম্মদ (৯৯-০৫)

    পর্বাতরোহণের কয়েকটা কৌশল শেখা হয়ে গেল। এরকম কুশলী সচিত্র পোস্ট আরও চাই। জীবনে আল্প‌সের মত কোন পাহাড়ে বোধহয় উঠা হবে না। তারপরও সফ্‌ট অভিজ্ঞতা নিয়ে রাখি।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।