এ সমাজে ঠাঁই নেই
নানা মত, যুক্তির
অভিজিৎ তবু পথ
খুঁজেছিলো মুক্তির।
চেয়েছিলো বাঙালিকে
জোর করে জাগাতে
প্রতিদান পেল তার
চাপাতির আঘাতে।
এ সমাজে ঠাঁই নেই
নানা মত, যুক্তির
অভিজিৎ তবু পথ
খুঁজেছিলো মুক্তির।
চেয়েছিলো বাঙালিকে
জোর করে জাগাতে
প্রতিদান পেল তার
চাপাতির আঘাতে।
নিলয় তখন ঢাকার বাইরের কোন একটা ক্যান্টনমেন্টে যোগ দিয়েছে সবে। পরিবার পরিজন ছেড়ে একা একা থাকে বেচারা। দিনভর লেফট রাইট আর রাষ্ট্রীয় সব কাজের মাঝে ডুবে থাকতে হয় তাকে। অবসর বলতে যা পায় সেটুকু সে গান নিয়েই থাকে। ভোরবেলা পিটি করে ও মনে মনে গান গাইতে গাইতে। গিটারও বাজায় নাকি তখন ওই মনে মনেই! আমরা যেমন ছোটবেলায় ‘মনে মনে কলা খাও’ খেলতাম, ঠিক ওই রকমই ব্যাপার স্যাপার আর কি!
বিস্তারিত»আত্মহননঃ আমার অভিমত – প্রেক্ষাপটঃ ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটি
[আমার এই লেখাটা কোন ভাবেই কোন সিস্টেম বা ব্যাক্তিকে দায়ী বা কটাক্ষ করে লেখা নয়। বরং গত কয়েক বছর ধরে বেশ কিছু ঘটনার কারনে মনের মাঝে জমে থাকা অনেকগুলো বিষয়কে রিলেট করে একটা সমাধানের আশায় লেখার একটা প্রয়াস মাত্র। আমি নিজে একজন ক্যাডেট বলেই হয়তো বিষয়টা নিয়ে আমি ক্যাডেট কলেজ কম্যুনিটির প্রেক্ষাপটে লিখছি। কিন্তু আসলে এটা সর্বক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
বিস্তারিত»নিঃস্পৃহতায় বাঁচতে যেন, কেমন লাগে!
নিয়ম করে ভুলে থাকায়, ক্লান্তি লাগে,
পালিয়ে থাকার বিড়ম্বনায়, খারাপ লাগে
লুকিয়ে ফেলা ভালোবাসায়,কষ্ট বড়!
যেমন কষ্ট অভিমানে, ফিরে দেখায়;
যেমন কষ্ট মুখোশ পরে, পালিয়ে থাকায়,
যেমন কষ্ট আত্মবোধের, জেগে থাকায়,
যেমন কষ্ট সব হারিয়ে, বেঁচে থাকা । ।
বলো,’আসি’
তারাপদ রায়
‘যাই’ বলা নাই। বলো,’আসি’,
বলো, ‘আবার আসমু, দেখা হইবে।’
তুমিও জানো, আমিও জানি এসব বাজে কথা –
এক নদীতে দুইবার ডুব দেওয়া যায় না,
এক ওষ্ঠে দুইবার চুম্বন করা যায় না,
এক বিছানায় দুইবার শয়ন করা যায় না,
এক জন্মে দুইবার দেখা হয় না।
কিন্তু তুমি যদি বলো, ‘যাই’
আমার আর দাঁড়ানোর জায়গা থাকে না।
ফেসবুকে Reza Shawon ভাইয়ের লেখা পড়ে আমারো একটা ঘটনা মনে পরে গেল।
ক্লাস ৯ অথবা ১০ এর কথা। আমাদের B ফর্মে সেদিন ছিল ভূগোল ক্লাস। আমরা মোটামুটি সবাই বিরক্ত এই ক্লাস নিয়ে। কারণ, ভূগোল অনেক মুখস্ত টাইপের পড়া। কোন দেশ কোথায়, কোন অঞ্চলে আম গাছ, আর কোথায় বাঁশ গাছ বেশি পাওয়া যায়, এসবের বিস্তারিত বর্ণনা। আফ্রিকাতে “রকি” মাউন্টেন, নাকি “কিলিমাঞ্জারো” এই নিয়ে আমাদের কেন এত মাথাব্যথা করতে হবে তা বুঝতাম না।
বিস্তারিত»রুমি’স কিচেনে দু’জনের একটি টেবিলের রিজারভেশন দিয়ে রেখেছিল অভিজিৎ। পার্সিয়ান এই রেস্তোরাঁটি তার সবিশেষ পছন্দ। জিভে জল আনা সব কাবাব বানায় ওরা। রাবেয়ার সাথে আজ প্রথমবারের মতো
দেখা হবে জর্জিয়া টেকের ক্যাম্পাসে। সেখান থেকে দু’জনে মিলে দুপুরবেলা ভেড়ার কাবাব আর জাফরানী ভাত খেতে যাবে রুমি’স কিচেনে। আজকের দিনের প্ল্যান বলতে আপাততঃ এটুকুই। রাবেয়া সদয় হলে অবশ্য ঘুরতে ঘুরতে ইন্ডিয়ান পাড়ায় মাসালা টি খাওয়া যেতে পারে বিকেলে।
বলতেই হবে,সুখে আছি,
গুঁজে আছি মাথা বেশ,
রাজা হল কে? ধুর মশাই,
ভাববো কেন অতশত?
ভাববার আছে, আরও যে ঢের!
কাজের ছেলে রেখেছি একটা,
বাজার করে সেই,
যেমন রেখেছি নেতা-পাতিনেতা,
চিন্তা করুক সেই।
বরং আমি মজে থাকি নিজে,
দেয়াল একটা তুলে।
বলতেই হবে, এই বেশ আছি,
সুখে আছি, এইতো বেশ ।।
( আমার জীবনের সবচেয়ে অশ্লীল লেখা। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। গালাগালি যত খুশি দিবেন দেন, আর কোপাইতে মঞ্চাইলে ডাইরেক্ট হালাহ পন্থায় জবাই দিয়া দিয়েন, কোপাকুপি এখন ব্যাকডেটেড হয়ে গেছে। শুঞ্ছি হালাহ পন্থায় জবাই করা প্রানী সুজা বেস্তে যায়! আমার আবার হুর নিয়া মাস্তি করনের অনেক শখ! আর কিছু বানান ভুল ইচ্ছাকৃত)
অভিজিৎদাকে যখন কোপানো হচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে আমি খুব বেশী দুরে না, যদিও তার কিছুই আমি তখনো জানিনা।
বিস্তারিত»১৯৬৫ ইংরেজীর মার্চ মাসের শুরু, বাংলা ১৩৭১ ফাল্গুনের শেষাশেষি। ২ জানুয়ারী অনুষ্ঠিত ইলেক্টোরাল কলেজ ভিত্তিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ফাতেমা জিন্নাহ কে পরাজিত করে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব শাহীর বেসিক ডেমোক্রেসির দোর্দণ্ড শাসন চলছে। পাক-ভারত সীমান্তে টানটান উত্তেজনা , এই যুদ্ধ লেগে গেল বলে।আব্দুল মালেকের এসব খবর নেবার জো নেই।তার ভাবনায় অন্য কিছু।
বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছিল একেবারে সাধারন ঘরে। আব্দুল মালেকের অবস্হা ও তখন তাদের মতই ছিল।মেয়েরা উভয়েই প্রথম মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সময় মারা যায়।বড় ছেলে তো আর ও আগেই অকাল প্রয়াত।বাধ্য হয়ে মেধাবী মেঝ ছেলে মনু মিয়া কে কয়েক বছর পূৃর্বে প্রাইমারি স্কুলের পাট চুকিয়ে তার সাথে চাষবাসের কাজে লাগিয়ে দেন।বাপ-বেটার উদয়াস্ত পরিশ্রমে আব্দুল মালেকের অবস্হা দ্রুত উন্নতির দিকে।
বিস্তারিত»প্যাটেল প্লাজায় শনিবারের উৎসবমুখর মধ্যাহ্ন। কুমড়োর ছক্কা রাঁধবেন বলে বাতের ব্যাথা শিকেয় তুলে প্রতিবেশীর সাথে বাজারে এসেছেন চাটুয্যে গিন্নী। কুমড়ো কেনার বাহানায় এলেও নারকোল, মামড়া, মেথি শাক আর বাসমতী চাল কিনলেন তিনি। মেয়েটা ইডলি খেতে বড় ভালবাসে তাই একটা ইডলি মেকারও নিলেন মনে করে। মিশিগান থেকে মেয়ে জামাই আর টোপলা গালের নাতনীটা আসছে যে কাল রাতের ফ্লাইটে।
মায়ের পাশে কুলফি হাতে কিশোরীটির কানে হেডফোন।
বিস্তারিত»আইডিয়াটা পেলাম এহসানের সাথে কথা বলার সময়ে।
কোন এহসান? কিসের কথা??
তখনও জানি না কোন এহসান। ওয়াপদা মাঠে XCL-এর ফাইনাল দেখছি। হঠাৎ এসে নিজ থেকে পরিচিত হতে চাইলো একজন। নাম, ক্যাডেট কলেজ ও পাসিং ইয়ার বলে এমন পরিচিত ভাবে কথা বলা শুরু করলো যে বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে নাম ছাড়া বাকি সব ভুলে একাকার।
বিস্ময় কেন?
অতি পরিচিত অনেককেই দেখলাম সবান্ধব একই মাঠে ঘুরে বেড়াতে,
অফিসের কাজে শাহবাগে আসতে হয়েছিল।
কাজ শেষে কি মনে করে বই মেলার ভিড়ে নিজেকে হারাতে ইচ্ছে হল রেজার। তাই বাংলা একাডেমীর ভিতরে এখন সে। কত মানুষ। নানা রঙের মানুষ। উচ্ছল প্রানবন্ত এক একজনের আনন্দিত মুখগুলোকে দেখছে। নিজেও ভালোলাগার আবেশে ভেসে যাচ্ছে।
কয়েকজন বন্ধুর সাথে দেখা হল।
এরা নবীন লেখক। এদের সবার বই বের হয়েছে। ওদের থেকে একটি করে বই কিনলো। খুশী মনেই।
কাক কি কাকের মাংস খায়? কিংবা কুকুর কুকুরের? বহুদিন আগে আমার এক বন্ধুর প্রশ্নে কিছুটা চিন্তিত হয়ে গিয়েছিলাম। তাকে জানাই, বিষয়টা জেনে আমি জানাবো। জেনে বলতে বইপত্র ঘেঁটে নয়, কাক এবং কুকুর মানুষের খুব কাছাকাছি থাকায় চাইলেই এদের নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। আমার বন্ধু আলি খুব কাকপ্রিয় মানুষ। কাক সম্পর্কে আলিকে প্রশ্ন করতেই আলি জানায়, তুমি ভালো করে খেয়াল করে দেখো। কাকের মধ্যে ভালোবাসাবোধ অনেক।
বিস্তারিত»[ধর্মনুনুভূতি আহত হতে পারে। ঢুইকেন না। সত্য কথা তিতা লাগবে।]
বাংলাদেশের গলিতে গলিতে চিপায় চাপায় মসজিদ। প্রতি ওয়াক্তের নামাজে দুইচারজন বুড়োমানুষ আর হুজুর ছাড়া লোক হয় না। তবে জুম্মার দিন ভিড় উপচায় পড়ে। এতোই উপচে পড়ে, যে রাস্তাঘাট সব বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি চলে না।
অথচ এই দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন! ক্যামনে হইলো? যে দেশে এত ধার্ম্মিক, সেখানে দুর্নীতি হয় ক্যামনে?
তারপর ধরেন,
বিস্তারিত»