এবং কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলে খেয়াল হলো যে কবিতা লিখি না
মাথার ভেতর এই খেয়াল মাটিতে পড়ার আগেই আমি দুই ভাগ হয়ে
তর্কে নামলাম। এক ভাগ বলে ওঠে হয়তো আপ্নে কখনই
কবিতা লিখতে পারতেন না। শুনে অন্য ভাগ তেড়ে আসে,
বেশি বুঝেন ইচ্ছা হয় না তাই লিখি না নাহলে দেখিয়ে দিতাম।
আমি দুই ভাগের তর্ক শুনি, কমলার জুস খাই
জুস বেশ তেতো লাগলে ভাবি একটু চিনি মেশালে মন্দ হতো না।
ইতিহাসের ভিন্নপাঠ।। চেঙ্গিস খান
“চেঙ্গিস খান ছিলেন শক্তিমান, প্রজ্ঞাবান, কুশলী, সম্ভ্রম-জাগানিয়া, কসাই, ন্যায়বান, দৃঢ়চেতা, শত্রুর বিনাশকারী, অকুতোভয়, আশাবাদী ও নির্মম এক মানুষ। ’’
– পারসিক এক ইতিহাসবিদ
১.
গত ২০ বছরে তথ্যের জগতে অবিশ্বাস্য একটা পালাবদল হয়েছে। যেকোনো ব্যাপারে জানতে চাইলে গুগল সার্চবারে লিখলেই চিচিং ফাঁক। চোখের নিমেষে হাজারটা তথ্য (কিংবা অপতথ্য) আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। কিন্তু, অজ্ঞানতা খানিকটা কমল কি ?
অন্তর যন্তর অথবা জাদুর শহর
অদ্ভুত জাদুগন্ধময় এক পরাবাস্তব উৎসব ছিল তার শৈশবের ঈদ।
স্কুল কমিটির ফান্ড ক্রাইসিস, বেতনের এরিয়ার আর সোনালী ব্যাংক এর চেক এর চক্কর কে আম্মা কেমন করে যেন চান রাতে বানিয়ে ফেলতেন চকচকে বাটার জুতো অথবা বাচ্চামিয়া কাপুড়িয়ার দোকান থেকে কেনা নতুন নতুন “বাশনা-আলা” শার্ট। ইব্রাহীম খাঁ এর পুটূ গল্পের মত প্রতি বছরই নিজের সন্তানতুল্য পোষা খাসি কুরবানী দিয়ে সারাদিন কাঁদতেন বড় মা।
কোন এক সোনার কাঠি রুপোর কাঠির বলে তার সাম্যবাদী বাবা আর ধর্মবাদী বড় চাচা খেতে বসতেন একসাথে ওই এক দিনই।
বিস্তারিত»বুমেরাং
একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভিন্ন ডিপার্টমেন্টে অনেক ছেলেমেয়ের সাথে দুটো ছেলে মেয়ে পড়তো।
একজন জগৎ সংসার ভোলার জন্য রাতদিন নেশায় ডুবে থাকতো। অন্যজন সংসার করবে বলে সবার অমতে বিয়ে করে অকূলে পড়লো। এরা একদিন সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সিড়িতে এক আড্ডায় বন্ধুদের ভীড়ে পড়ে পরিচিত হলো। ছেলেটার লাল চোখ, ফর্সা মুখ আর আরো কী কী ব্যাপারের কম্বিনেশন মেয়েটার কেমন যেন লাগলো। বান্ধবীর কাছে সে জানলো ছেলেটা অসুখী,
no
পিতৃ ভুমির দায়বদ্ধতা,,, মাতৃ ভাষার অমর কবিতা,,,,,,,,,,,
পিতৃ ভুমির দায়বদ্ধতা,,,
মাতৃ ভাষার অমর কবিতা,,,,,,,,,,,
আমার একটা দুঃখ আছে সুখের প্রলেপ দেয়া,
সেই সুখেতেই কান্না আছে যত্ন করে পাওয়া।
সুখ দুঃখের আস্তাবলে কষ্ট লাগাম টানে,
বেদনা বিলাসে শান্তি বলো পেলাম কেমন করে?
পিতৃ ভুমির দায়বদ্ধতা,,,
মাতৃ ভাষার অমর কবিতা,,,,,,,,,,,
রাত্রিটাকে খুব ভালবাসি প্রখর সূযর্্য তাপে,
অমাবস্যায় অনেক কালো চাঁদনীর অনুতাপে।
ভুল করে যত জাগতিক ভুল স্বপ্নের কান্ডারী,
এশিয়া প্যাসিফিকঃ শান্তি- সমৃদ্ধি অথবা যুদ্ধের ডামাডোল ?
বিশ্বায়ন,শিল্পায়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতি- এই শব্দগুচ্ছ প্রচলিত হওয়ার কয়েক শত বছর আগে জন্ম চাঁদ সওদাগরের। তারও অনেক আগে থেকে বাঙালি জানে- ‘বাণিজ্যেই লক্ষ্মীর বসতি’।
এই একবিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যের শক্তিতে বিশ্বাস করে না এমন দেশ খুঁজে পাওয়ার চেয়ে দু -একটা জ্যান্ত ডাইনোসর পাওয়া বরং বেশি সহজ। এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বর্তমান বিশ্ববাণিজ্যের ইঞ্জিনঘর। রাজনীতি ও অর্থনীতির মনোযোগী পাঠকের জন্য এই অঞ্চলের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা অত্যন্ত জরুরি।
বিস্তারিত»দ্য ফার্স্ট কিস
এক মেয়ে আর এক ছেলের সাথে কঠিন সম্পর্ক ছিল। ১৪ বছর আগে তাদের কিভাবে যেন বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল। পারিবারিক, সামাজিক.. আজ তার স্মরণের কিছু প্রয়োজন নাই।
১৪ বছর পরে মেয়েটার ক্লাসমেটদের মধ্যে একজনের সাথে এই ছেলেটা ওই মেয়েটার কিছু মিল পেয়ে যায়। ঠিক কোথায় এই মিল তা ছেলেটাই ভালোভাবে জানে না। বন্ধুদের আড্ডায় তাদের পরিচয় হয়েছিল। কোনো বন্ধুর মাধ্যমে।
বিস্তারিত»জীবনের মানে
জীবনের মানে
————-
————-
কথাঃ বাপ্পী খান
সুর-সংগীতঃ আইউব বাচ্চু
শিল্পী-ব্যান্ডঃ এল.আর.বি
এ্যালবামঃ ডাবল এ্যালবাম (১৯৯২)
——————————-
——————————–
জীবনের মানে আমি পাইনিতো খুঁজে,
আমার দুচোখ তাই অভিধান খোঁজে।
আমি সারাদিন যারে কাছে পাই,
জানতে চেয়ে পাইনা জবাব ফিরে চলে যাই।
একদিন দেখা হলো সময়ের সাথে,
একটি প্রশ্ন আমি রেখেছিনু তারে।
রে পুলা তুই ** অহনকার ছেরিগুনা
রে পুলা তুই
(কুমিল্লার আঞ্চলিক ভাষায়)
এই পুলা তর বাড়ি কনো থাহস কোনহানে,
হাইঞ্জা বেলা একলা একলা যাস কোন পানে?
তর কি কুনু ডর লাগে না এই জঙ্গল পতে,
কত মানু মরছে জানস এই না নদীর তটে।
তর বাহে কি মারছে তরে মায় কি দিছে বহা?
তারা তো তর ভালা-ই চায় যায় না কি রে সয়া।
দ্য আউটসাইডার
রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়। তবে এটা রাসেলের দিক থেকে একটু বেশী নিচুতে ধাবিত হবার মত হয়ে পড়ে।
বিস্তারিত»এইসব দিনরাত্রি এবং আমার ভাবনাগুলো (প্রাক-কথন)
দিনগুলো কেটে যাচ্ছে ভিষণ ব্যস্ততার মাঝে। জীবনের, আরো নির্দিষ্ট করে বললে ক্যারিয়ারের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছি। ফলে, ইচ্ছা-থাকা সত্বেও সিসিবিতে লিখতে পারিনা আগের মতো করে। এমনকি প্রতিদিনকার হাজিরাটাও মাঝে মধ্যে মিস করে ফেলছি। কি আর করা……
ফ্রান্সে ইসলামী-টেরোরিষ্ট এটাকের প্রেক্ষিতে আমার কিছু ভাবনা সিসিবিতে শেয়ার করতে চাই। তবে সেটা গুছিয়ে নিতে আরো কয়েকদিন লাগবে। ইত্যোবসরে আমি জেনে নিতে চাই এই ঘটনা নিয়ে সিসিবি’তে লোকজন কে কি ভাবছে।
বিস্তারিত»আবোলতাবোল বাজনা
নতুন বছরে নতুন অত্যাচার দিয়ে শুরু করলাম।
রাগ ভূপালি বাজানোর মিথ্যে প্রচেষ্টা।
ক্ষমাপ্রার্থনাসহ।
যন্ত্র – মোহন বীণা
শুভ নববর্ষ
কেবিন নাম্বার ৩১৮
হাসপাতালের দরজা পার হয়ে ভিতরে ঢোকার পর থেকে আনাম নিজের হার্টবীট অনেক জোরে শুনতে পাচ্ছিলো। দেখলো বাবা শুয়ে আছেন শান্তভাবে। আনামের মনে হল, শব্দে ভরা পৃথিবীটা হঠাৎ নিরব হয়ে গেছে। শব্দটা আচমকা থেমে গিয়ে অদ্ভুত অনুভুতি সৃষ্টি করল আনামের সারা শরীর মনে। মনের ভিতর নি:শব্দ আবেগ সাড়া দিল, ‘ আব্বা! ‘
বাবা কি সেই কথা শুনলেন! চোখ খুললেন। বাচ্চাদেরকে নিয়ে রুমু আনামের আগেই কেবিনে ঢুকেছিল।
বিস্তারিত»