গেল দুদিন খুব ঝক্কি গেল। ব্যাস্ততার কারণে অনেক প্রিয় লেখা পড়া হয় না, মন্তব্য করা হয় না।
মাঝেমধ্যে ঢুঁ মেরে চলে যাই। হঠাৎ ডঃ রমিত আজাদের সাম্প্রতিক একটি লেখায় অস্বাভাবিক ট্রাফিক লক্ষ্য করে কৌতূহলী হয়ে উঠি।
প্রসঙ্গৎ বলে রাখা ভালো, ইতোপূর্বে নানান কারণে তিনি সিসিবিতে হতাশার কারণ হয়েছিলেন দফায় দফায় – তা সেসবার বিস্তারে যাচ্ছিনা, অনেকে অবগত আছেন – প্রয়োজনে পুরনো লেখা উত্তোলন করে দেখয়ে নিতে পারেন (অবশ্য কোন ভায়াবহ দুর্যোগ যে নেমে আসবেনা তার নিশ্চয়তা দিতে পারবোনা)।
ডক ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় (ভূমিকা পর্ব)
ভানুঃ (গুনগুন করে নিজের মনে কীর্তন গাইছে)
ভজো দুহাত তুলিয়া ভজো কাঞ্চন গোঁসাই …
তাঁর জোরে সবাই তোমায় বাপ ডাকবে ভাই …
ওরে থাকলে তিনি ট্যাঁকের মাঝে বুকে বাড়ে বল …
স্ত্রী পুত্র ভাই বন্ধু তোমার পদতল …
ওরে টাকাই ধর্ম টাকাই কর্ম কলিযুগের সার …
সত্য নিষ্ঠা আইন কানুনের মাথায় ঝাঁটা মার …
ভজো দুহাত তুলিয়া…
আগন্তুকঃ আরে আরে দেখি,
বিস্তারিত»স্বার্থান্ধ ব্যাখ্যা আর চর্চাই ধর্মকে দেয় অন্ধত্বের ঠুলি ও পরিচিতি
বৌদ্ধ ধর্মের প্রাথমিক কথায় কলা হয়েছে পাঁচটা বিষয় থেকে দূরে বা বিরত থাকতে, আর চারটা বিষয়কে আত্মস্থ চর্চায় আনতে। বিরত থাকা বা দূরে থাকার বিষয় কয়টা হলো – ১. প্রাণীহত্যা – না করা, ২. আদিন্নাদানা – অর্থাৎ নিজে অর্জন না করে কোন কিছু ভোগে বা দখলে না নেয়া, ৩. মিথ্যাচার – থেকে বিরত থাকা, ৪. কামেসু মিথাচারা – অর্থাৎ কামের বশবর্তী হয়ে খারাপ কোনো কাজ না করা,
বিস্তারিত»নিশাতের গল্প
১
এক রাশ বিরক্তি নিয়ে ঘুম ভেঙ্গেছে আজকে নিশাতের। রুমে বড় বড় জানালা দিয়ে আসা রোদে চারিদিক আলোকিত, হাত বাড়িয়ে ফোন অন করতে গিয়ে মনে পড়লো আগের রাতে চার্জশূন্য হয়ে বন্ধ হয়ে গেছিল। কয়টা বাজে জানার উপায় নেই। রুমে কোন ঘড়ি নেই, না না আছে। কিন্তু মেরামতের অভাবে দীর্ঘ দিন যাবৎ বিকল পড়ে আছে। বিছানায় শুয়ে শুয়েই নিশাত ভাবতে শুরু করে ওর রুমে কোন ক্যালেন্ডারও নেই।
শিরোনামহীন প্রবাস কথন
কিছু একটা লেখার ইচ্ছে ছিল সবসময়। ইচ্ছেটা মাথা মাঝে মাঝেই জেগে উঠে, আবার তা হারিয়েও যায়। তেমন ভাবে লেখা হয় নি কখনই, বলাও হয়ে উঠেইনি। নীরব দর্শক হয়েই থেকেছি বেশিরভাগটা সময়।
সেই ২০১২ সালের অগাষ্ট মাসে পাড়ি জমিয়েছিলাম এই আমেরিকাতে। উদ্দেশ্য হাইড্রোলজি ও জিওস্পেশ্যাল টেকনলোজিতে উচ্চ্তর জ্ঞান আহরন। বাল্টিমোরের পাঠ চুকিয়ে বর্তমানে অ্যামারিলো নামক এক গ্রামে চাকুরির প্রয়োজনে স্থানান্তর। এই তিন বছরের কিছু বেশি সময়ে নানা রকম দেশি-বিদেশির সাথে পরিচয়-আলাপ হয়েছে।
~ বাসিনি ভালো ~
বাসবো বলেই বাসিনি ভালো
পৃথিবীর এতো আলো।
বাসবো বলেই বলিনি কখনো
বুকের প্রদীপ জ্বালো।
বাসবো বলেই
কথার বাগানে কখনো খুঁজিনি
ক্যাকটাস ফুলগুলি।
বাসবো বলেই করিনি উজাড়
রাতজাগা ঘুমগুলি।
চাইনি কখনো ফানুসে সাজানো
নিথর অন্তপুরী।
চোখের মাদল জলের ঢলে
রঙধনূ রঙ কাগুজে নৌকো
ভাসাইনি পাল তুলে।
বাসবো বলেই এক জোড়া কাপে
দেইনি চুমুক চুমুর নোটেশনে।
পুটু
নোটঃ ফেসবুকে প্রকাশিত। মুঠোফোনের বাংলায় অভ্যস্ত নই বলে বানান ভুল আছে। ঠিক করতে পারছি না। দুঃক্ষিত।
বছর পাচ ছয়েক আগে মামা কোরবানী ঈদের পর একটা খাসী কিনে আনলেন। পরের বছর ঈদে কোরবানী করবেন বলে। খাসী উনি পালন করা শুরু করলেন এমন ভাবে যেন খাসী নয় উনার আরেকটা সন্তান বড় করছেন। মামী নাম দিয়ে দিলেন পুটু। আমি বাড়িতে গিয়ে দেখলাম পুটু শুধু সাদা ভাত খায় না,
বিস্তারিত»লাইবেরিয়ার ডায়েরি
লাইবেরিয়া এসেছি প্রায় ১ মাস হতে চলল। নতুন একটা দেশে আসলে কেন যেন আপনা থেকেই নিজের দেশের সাথে একটা তুলনা চলে আসে। লাইবেরিয়ার সাথে তুলনা করলে আমরা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতেই পারি কিন্তু লাইবেরিয়া তুলনা করার মত কোন দেশ কিনা সে প্রশ্নটাই প্রথমে আসে, যে দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন চলছে সে দেশের সাথে তুলনা করা কোন কাজের কথা নয়।
লাইবেরিয়ার আবহাওয়া, ভূমি বৈশিষ্ট্যের সাথে বাংলাদেশের অসাধারণ মিল।
বিস্তারিত»মলিন ঈদ মোবারকঃ দায় নিতে হবে সৌদি আরবকেই!
১। মুসলিম জাহানের অঘোষিত এবং স্বঘোষিত অভিভাবক সৌদি আরব ২০১৪ সালে সামরিক খাতে ব্যয় করেছিল ৮০.৮ বিলিয়ন ডলার (৭৬.২ বিলিয়ন ইউরো)। যা কিনা আগের বছরের চেয়ে ১৭% বেশি।
সারা বিশ্বজুড়ে সিরিয়া শরণার্থী ইস্যুটি যখন ‘টক অব দ্যা মোমেন্ট’ তখন সৌদি বাদশাহ, যুবরাজ, আমির, উজির, নাজির…সবাই ভোগ বিলাসে ব্যস্ত। শুধু সৌদি আরবই নয়, মুসলমানদের আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ও আই সি’র ও তেমন কার্যক্রম নেই। কেবল সিরিয়া ইস্যু নয়,
বিস্তারিত»আমাদের কোরবানী হয়তো কবুল হতো
আমাদের কোরবানি বোধ হয় কবুল হতো। শৈশবের কোরবানি। আমাদের বাড়িতে ছিলো বারোটি ঘর। বারো ঘরের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিলো বারো রকম। কেউ চারটা গরু কোরবানি দিতো, আবার কেউ কোরবানি দিতে পারতো না অর্থাভাবে। গ্রামের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত মুসলিম বাড়ি। ঐতিহ্য ধরে রাখার খাতিরে অনেকেই ধার দেনা করে একটা গরু কোরবানী দিতো। কেউ কেউ ভাগে। দুই পরিবার মিলে একটা বা কখনো তিন চার ঘর।
বাড়ির অদূরেই ছিলো গরুর হাট।
বিস্তারিত»কিছুদিন একা থাকো

কিছুদিন একা থাকো,এই ভালো;
নিজস্ব বৃত্তের কেন্দ্রে-প্রেমহীন মূর্খতায়
শীতল অনিমেষ দুঃখের মধ্যে নির্বাপিত হোক সকল প্রেমাগ্নি
তাতে ডুবে যেতে থাকুক তেজস্ক্রীয় সন্দেহ, তোমার অবিশ্বাস
তুমি একা থাকো, নীরব থাকো অথবা মুখরাও হতে পারো
নিতান্ত নিন্দা-স্তবে, আমাকে ঘৃণা বাক্য-ভর্ৎসনায়
পুরোনো মলাটে, তোমার স্ব-স্বীকৃত মিথ্যে স্বর্গে
যেখানে তোমাকে বিউটি পার্লারে ছুটতে হয় পেডিকিউরের জন্য,
সৌন্দর্যবর্ধক ভিটামিন আর ঢেউহীন ঝরঝরে চুলে খুঁজতে হয়
লোকের চোখের ঝলক,
দুঃসংবাদের জন্য দৈনিক পত্রিকা, সুসংবাদের জন্য ফেসবুক
১
উপরের শিরোনামটি লেখার পর একবার ফেসবুকে ঢুঁ মারলাম। প্রথম খবরটিই ছিল একটি দুঃসংবাদ। জিহাদের বাবা আর এই পৃথিবীতে নেই। আমাদের জিহাদ। এই ব্লগের একজন মুখ্য কারিগর। কত বয়স জিহাদের? ত্রিশের আশপাশ কিছু হবে। সত্তর বছর বয়সে যার মা মারা যান তিনিও দুঃখ পান। অবশ্য বৃদ্ধাশ্রমের অধিবাসীদের সন্তানদের কী অবস্থা তা হয়তো জানি না। সে খবর আপাতত না জানলেও চলবে। জিহাদ এখন কী ভাবছে?
প্রিয় বই- ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’ -মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
এক অদ্ভুত রঙ্গমঞ্চ আমাদের এ জীবন।প্রতিটি মানুষের স্বতন্ত্র জীবন বৈচিত্র্য, নর-নারীর এক অমোঘ আকর্ষণ,যুগ যুগ ধরে টিকে থাকা ভুয়োদর্শনের উপর অন্ধবিশ্বাস,সার্থক জীবনের নামে এক মরীচিকার পিছে ছুটে চলা এইসব মিলিয়ে ফুলে-ফেঁপে ওঠা জীবনকে সঙ্গী করে আমাদের বেঁচে থাকা।
বইটিতে মানিক বন্দোপাধ্যায় বলেছেন,এক গ্রাম্য যাপিত-জীবনের গল্প।আপাত দৃষ্টিতে যাকে বৈচিত্র্যহীন,সঙ্কীর্ণ স্বকেন্দ্রিক বলে ভুল হয়।কিন্তু মানিক দেখিয়েছেন এর মাঝেও আছে কত বৈচিত্র্য, কত রহস্য,ক্ষুদ্র-বৃহৎ ঘটনা প্রবাহের কত বিশাল প্রভাব সেখানকার মানুষগুলোর জীবনে।তারা বাস করে এক ঘোর লাগা জীবনে।সেখানে নিজেদের জীবন কেউ পরিবর্তন করতে পারেনা।নিজেদের সৃষ্ট সুতোর জালে নিজেরাই আটকে পড়ে অনেকটা পুতুলের মত নেচে যায় তারা অদৃশ্য কোন শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয়ে।
সারফেস অ্যানাটমি
মৌসুমীর লগে দেখা হইলো চার বছর পর। লোকাল বাসে ক্রুশবিদ্ধ যীশুর মতো ঝুইলা ঝুইলা যাইতে ছিলাম। শাহাবাগ টু কাকরাইল। আট নাম্বার বাস। এই বাস গুলাতে সিট পাওয়া যায় না। অনেক সময় ধইরা ঝুইলা আছি দেইখা মৌসুমী ডাক দিলো।
ওই তুমি মাহফুজ না?? প্রথমে আমি মাহফুজ পরিচয় দিতে রাজি হই নাই। এই রকম ঝুইলা ঝুইলা যাওয়া একটা প্রেস্টিজের ইস্যু। এছাড়া মৌসুমীর লগে একবার আমি আকাম করছিলাম।
বিস্তারিত»একটা ‘ধন্যবাদ দিবস’ চালু করলে কেমন হয়?
কয়েক বছর আগেকার কথা। মতিঝিলে একটি অনেক উঁচু ভবনে লিফটে করে উঠে নামার সময় লিফট-ম্যানকে ‘ধন্যবাদ’ দিতেই তিনি আমার হাত খপ করে চেপে ধরে বলেছিলেন, ‘আপনাকেও ধন্যবাদ; আমার কুড়ি বছরের কর্ম-জীবনে আপনিই প্রথম আমার কাজের জন্য ধন্যবাদ দিলেন’। আমার এক ধন্যবাদে এই মানুষটির খুশি দেখে আমি ঠিক করেছিলাম মানুষকে আরও বেশি-বেশি করে ধন্যবাদ দিতে হবে। এই মানুষটির সঙ্গে আমার যেমন মনের যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল, তিনি যেমন আমার মনের ইতিবাচক দিকটি দেখতে পেয়েছিলেন,
বিস্তারিত»