আউলা চিন্তাঃ যা করে রামের খড়ম, আমি কেউ না

১।
দশরথ ছিলেন কোশল রাজ্যের রাজা, তাঁর রাজধানী ছিল অযোধ্যা নগরীতে। তাঁর তিন মহিষী: কৌশল্যা, কৈকেয়ী ও সুমিত্রা। দীর্ঘদিন অপুত্রক অবস্থায় থাকার কারণে পুত্রকামনায় রাজা দশরথ পুত্র-কামেষ্টী বা পুত্রেষ্টী যজ্ঞের আয়োজন করেন। এরপরই কৌশল্যার গর্ভে রাম, কৈকেয়ীর গর্ভে ভরত এবং সুমিত্রার গর্ভে লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্ন নামে দুই যমজ পুত্রের জন্ম হয়।
রাম ও সীতার বিবাহের বারো বছর পর বৃদ্ধ রাজা দশরথ রামকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন।

বিস্তারিত»

পড়; ছোট থেকে বড়


লিটনের কেয়ারে
আছে ভালো কেয়া রে !


দেখো দেখি কত বড় ন্যাকা সে
দু’ দু’খানা প্রেম করে
তবু বলে- একা সে!

বিস্তারিত»

কবিতাঃ প্রতীক্ষা

কাক ডাকা ভোর
সাদা কুয়াশায়
ঢাকা চারদিক
সব চুপচাপ
শুধু টুপটাপ
ঝরা শিশিরের
ঘোর শব্দ
সেই সকালে

বিস্তারিত»

খুশী হওয়া আসলেই সহজ

তিন বছর আগে যখন ডাক্তার জানালো যে তারা আমার হৃদয় খুলে দেখতে চায়, আমি অবাক হবার ভান করে বললাম – বলো কি? আমার স্ত্রী তো সব সময় বলে যে আমি হৃদয়হীন মানুষ। তোমরা কি তাকে যেয়ে বলবে যে আমার হৃদয়ের খোজ তোমরা পেয়েছো?

প্রথমে বুঝতে পারেনি, পরে বুঝতে পেরে ডাক্তার ও নার্স দু’জনেই হাসি দিল। বছর দু’য়েক ভালই চললো, তারপর তারা আবার আবিস্কার করলো যে,

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপের সাতকাহন

ডিসক্লেইমারঃ
এটা মৌলিক কোন লেখা নয়। সংকলিত, অনুবাদ। গোল ডট কম, বিগপন্ড স্পোর্ট ডট কম, ব্যাচেলর রিপোর্ট এমন বেশ কিছু ওয়েব সাইট থেকে সংকলন করা হয়েছে। ছবিগুলোও এসব ওয়েব সাইট থেকে নেয়া। ভিডিওগুলো ইউটিউবের।
———————————

সেরা দল

নিউজিল্যান্ড

এই বিশ্বকাপের একমাত্র অপরাজিত দল। স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কিন্তু সেরা হিসেবে নিউজিল্যান্ডকেই বেছে নিতে হচ্ছে।

বিস্তারিত»

সব বোর্ডে সেরা ১০ ক্যাডেট কলেজ : অভিনন্দন তোমাদের

অভিনন্দন ক্যাডেটস। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবার ক্যডেট কলেজগুলোর শিক্ষার্থীরা অসাধারণ ভালো ফল করেছে। সেরা ফলের হিসাবে প্রতিটি বোর্ডের (মাদ্রাসা আর কারিগরী শিক্ষা বোর্ড ছাড়া ;;; ) সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকায় ক্যাডেট কলেজগুলো প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান দখল করে নিয়েছে। এমন খুশির খবরটা সবার সঙ্গে ভাগ করে নিতে বেশ অনেকদিন পর আপনারা আমার এই পোস্টটির জন্ম দেখতে পেরেছেন। (আমার অফিসের সহকর্মীরা অবশ্য বেশ অনেকদিন পর আমার হাসিখুশি মুখ দেখে বিষয়টা আগেই অনুমান করেছে)।

বিস্তারিত»

বর্ষায় বর্ষার রূপ খুঁজে পাই……

বেশ চনমনে রোদ দেখে
হেঁটে বেরিয়ে পড়লাম বন্ধুবাড়ির পথে
ছাতা ছাড়াই। ঘরের দরজা খুলে দেখি
ঘন্টাখানেক আগের বৃষ্টির পানি জমে আছে
বেশ খানিকটা উঠোন জুড়ে। লক্ষ্য ঠিক করে
সিঁড়ি থেকে লাফিয়েও সামান্য বিচ্যুতি…….
ফলাফল কাদাপানিতে প্যান্টের পায়ে ইঞ্চি কয়েক
সয়লাব; “যাত্রা শুভ নয়”– ~x( -বিরক্ত হয়ে ভাবি
এই না হলে বর্ষা!!

কিছুদূর যেতে না যেতেই হঠাৎ কালো মেঘ।

বিস্তারিত»

অপেক্ষা

কাল সারারাত ঘুমুতে পারিনি
ছটফট করেছি এপাশ ওপাশ
বিছানা ছেড়ে পায়চারি করেছি
মেঝেতে বসেও ছিলাম কিছুক্ষণ।
জানালা দিয়ে চাঁদ দেখেছি

বিস্তারিত»

অ্যানিম রিভিউঃ ফাইভ সেন্টিমিটার পার সেকেন্ড

স্কুল জীবনের প্রথম প্রেম, কৈশরের দুর্বার ভালোবাসা আর ছোট্ট তিনটি মনের স্বপ্ন, বাস্তবতা, চাওয়া- পাওয়ার গল্প এটি। ছোট্টবেলার স্বপ্নময় সুন্দর সময়ে বন্ধুত্ব হয় তাকাকী তোনো আর আকারী সিনোহারা র। আকারী সবকিছুই দেখে অন্যরকম চোখে, সব সুন্দর যেন ওর চোখে সবার আগে ধরা দেয় । আর মুগ্ধতার স্পর্শ তাকাকীকে জাগিয়ে তোলে। রেল ক্রসিংইয়ের পাশে চেরী গাছের পাতা ঝরা দেখতে দেখতে আকারী বলেছিল, তাকাকী, আগামী বসন্তেও তোমার সাথে এই চেরী গাছের নীচে দাঁড়াবো,

বিস্তারিত»

অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (জীবনের টুকরো দেশে-বিদেশে)


মাঝে মধ্যে রাতের খাবারের সময়টাতে আমরা পরিবারের সদস্যরা মিলে গল্প গল্প খেলি। খেলাটা হচ্ছে কোন একটা বিষয়বস্তু নিয়ে পালাক্রমে সবাই একটা করে গল্প বলবে। যেমন কোন একদিনের বিষয়বস্তু ছিল এম্বুলেন্স। রাইসা গল্প বললো এইভাবে যে ফেইরী গড মাদারের দেরি দেখে সিন্ডারেলা ৯১১ (আমেরিকার জরুরী বিভাগের নাম্বার) নাম্বারে ফোন করে এম্বুলেন্স ডেকে এনে তাড়াতাড়ি রাজপুত্রের নাচের অনুষ্ঠানে চলে গেল। রাসীনের গল্পটা হলো এম্বুলেন্স আর ফায়ার ট্রাক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।

বিস্তারিত»

কবিতাঃ সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো

সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো
শাড়ি তুলে দিয়ে দেখায় ফরসা উরু
বর্বর দেশে লোভ দেয় অবিরত
প্রলোভিত হলে কুঞ্চিত করে ভুরু!

অতঃপর তাকে ডেকে আনে নিজ ঘরে
আর চুপিসারে দ্বারে তুলে দেয় খিল
চোখে ঢেলে দেয় সকলের অগোচরে
মরীচিকাময় উজ্জ্বল লাল নীল!

এক ফাকে যত সম্পদ নেয় লুঠে
তখনো লোকেরা সভ্য হবার লোভে
চুমু খায় তার সভ্য লালচে ঠোঁটে
ততক্ষণে মেকী প্রেম উড়ে গেছে উবে!

বিস্তারিত»

নিজ গৃহে পরবাসী

কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক
কে বলে তা বহুদূর
১০০ কিমির মাঝে স্বর্গ নরক
টাঙ্গাইল ঢাকাতাই সুরাসুর।

ঢাকার অতি মাত্রায় যান্ত্রিক এবং ব্যস্ততম জীবনে প্রায়ই হাপিয়ে উঠি।ঢাকা আমার কাছে একটা সিক সিটি এবং মাঝে মাঝেই আমার মন বিদ্রোহ করে বসে।তখন কিচ্ছু ভাল লাগেনা।শুধুই মনে হয় আই নীড এ ব্রেক।তখন আর কোথাও না হলেও আমার টাঙ্গাইল যাওয়ার কথাই মনে হয়।তার মানে আমাকে হোমসিক ভাবার কোন কারন নেই।শহীদ কোচিং দিয়ে শুরু তারপর ৯৩-৯৯ ফৌজদারহাট কেন্দ্রীয় কারাগারে কাটানোর পর বিগত ১১ বছর ঢাকার দূষিত বায়ু সেবন আর ভেজাল খাবার খেয়েই কেটে যাচ্ছে।সব মিলে প্রায় ১৯ বছরের হোস্টেল/মেস লাইফ।আমার জীবনের বেশির ভাগ সময়ই বন্ধুময়।সবার মাঝে থেকেও একা থাকা যায় যা ফ্যামিলি লাইফে সম্ভব না।সিংগেল লাইফে এতই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি যে বিয়ে করতে ইচ্ছে করেনা।আর টাঙ্গাইল গিয়ে বেশিদিন ফ্যামিলির সাথে থাকলেও কেমন যেন আবদ্ধ লাগে!যদিও উত্তরা থেকে টাঙ্গাইল যেতে উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে যে সময় লাগে তার চেয়েও কম সময় লাগে তারপরও স্টুডেন্ট লাইফ থেকে আজ পর্যন্ত আমার মাসে একবার যাওয়ার অভ্যাস।উইক এন্ডে দু একদিন থেকে চলে আসি অতিথির মত।সারাজীবন বাড়ির বাইরে থাকার কারনে আমার নিজেকে নিজ গৃহে পরবাসী মনে হয়।কিন্তু সবকিছুর পরও টাঙ্গাইলেই মুক্তি।আমার সোজা হিসেব-ঢাকা নরক আর টাঙ্গাইল স্বর্গ।ঢাকায় আছি স্রেফ পেটের দায়ে।বিদেশে থাকলে বাংলাদেশের প্রতি যেমন ভালবাসা অনেকগুনে বেড়ে যায়,

বিস্তারিত»

টুশকি ৩২

টুশকি [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২] [১৩] [১৪] [১৫] [১৬] [১৭] [১৮] [১৯] [২০] [২১] [২২] [২৩] [২৪] [২৫] [২৬] [২৭] [২৮] [২৯] [৩০] [৩১]

১.

বিস্তারিত»

নাম বিড়ম্বনা!

[লেখার প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক এবং লেখকের কল্পনা প্রসুত। কারো নাম বা কাহিনী তার ব্যাক্তিগত জীবনের সাথে মিলে গেলে তা কেবলই কাকতালীয় মাত্র]

১.
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিনত বয়সের প্রেম হয় বিপরীত লিঙ্গের কলিগদের মধ্যে, ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রীরা করেন নিজেদের ক্লাশমেট বা দুই এক বছরের ব্যাবধানে নিজেদের গন্ডীরই কারও সাথে প্রেম, ক্লাশ নাইন টেন বা ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র ছাত্রীরা প্রেমে পড়ে পাড়ার হার্ট-থ্রব নায়ক বা পাড়ার নায়িকার।

বিস্তারিত»