আকাশে কালো মেঘ দেখে
চিৎকার করে উঠল আদম মালিক
-“বৃষ্টি হবে, বৃষ্টি হবে”
তিনশত বিঘা জমি পড়ে আছে রাস্তার ধারে
মঙ্গায় খেয়ে গেছে ধান
টানাটানি পড়েছে চারজনের সংসার
‘অমানবিক’!
আমার ঘরে কিছু স্পর্শকাতর মানুষ বাস করে। তারা সামাজিক জীবঃ একা একা চলতে পারে না। থমকে যায়, দু’পা এগোয়, তারপরে থামে আর হোঁচট খায়।
আমার ঘরে কিছু অনুভূতিপ্রবণ মানুষ বাস করে। তারা সাংস্কৃতিক জীবঃ প্রাগৈতিহাসিক সংস্কৃতি ধরে রেখেছে। তারা সংস্কৃতি খায়। মাখে। ঘুমায়। চোষে। আমের আঁটির মতো সংস্কৃতির গায়ে কমলা কমলা মাংস কামড়ায়।
আমার ঘরে কিছু বাঙালি-চেতনায় গাঢ় মানুষ বাস করে।
বিস্তারিত»কালো মেয়ের জন্য ১৩ টি কালো গোলাপ
শোন কালো মেয়ে
তুলেছ ঝড় আমার মনে
কেন চলে যাও হেয়ালী চেয়ে
দুষ্টুমি হাসি লুকিয়ে।
যাও-না তুমি, যাচ্ছ চলে
আবার কেন মুখ ফেরালে
……”যন্ত্র মেয়ের মতোই যান্ত্রিক”..
উত্তাল প্রেমের ঢেউগুলো আমার হৃদস্পন্দন থামিয়ে গেছে
মন ভেসে গেছে অকাল প্লাবনে
কাজ নেই আর ভালোবেসে, সুর তুলি ভাটিয়ালী গানে
মরম সাধন খুঁজে ফিরি বেদনার বেশে
শ্যামা মেয়েও হয়ে গেছে যান্ত্রিক
এই যান্ত্রিক নগরে।
অপু’র তিথি

[এই গল্পের কাহিনী পুরোপুরি কাল্পনিক নয়, কাজেই বাস্তবের কারও সাথে মিলে যাইতেই পারে। খেপে গিয়া আমারে গাইলায়েন না। আমার কিচ্ছু করার নাই] 😛 ;;;
অপুরা নতুন বাসায় উঠেছে খুব বেশিদিন হয়নি। নতুন জায়গা, নতুন বাসা, কাল থেকে নতুন স্কুল-সব মিলিয়ে যার-পর-নাই এক্সসাইটেড অপু। মূলতঃ অপুর বাবা খন্দকার সাহেবের কারণেই সেই টাঙ্গাঈল থেকে ট্রান্সফার হয়ে মানিকগঞ্জ আসা অপুদের। খন্দকার সাহেব বিরাট নীতিবান লোক।
বিস্তারিত»শিরোনামহীন কথোপকথন – এক
– হ্যালো …
: হ্যালো, আমি।
– কি ব্যাপার? এত রাতে? তোমার ওখানে তো এখন শেষ রাত।
: ঘুম আসছিল না তাই। নির্ঘুম রাতগুলো এত কষ্টের হয়, কাউকে বুঝাতে পারবো না। তুমি ব্যস্ত নাতো?
– নাহ! এ্যা ওয়াক ইন দ্য ক্লাউডস দেখছিলাম। আজ তো সানডে।
: হটাৎ এতো পুরোনো মুভি?
বিস্তারিত»দৃষ্টির আড়াল হলেই মনের আড়াল হয় না বন্ধু
যে ছিল দৃষ্টির সীমানায় : শাহনাজ রহমতুল্লাহ
“যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়/ যে ছিল হৃদয়ের আঙিনায়/ সে হারালো কোখায় কোন দূর অজানায়/ সেই চেনামুখ কতোদিন দেখিনি……….” মিলনায়তন জুড়ে তখন পিনপতন নিস্তব্ধতা। বিষ্মিত শ শ মানুষ মুগ্ধ হয়ে তের বছর বয়সি এক বালকের কণ্ঠে বিরহ-বিষাদের প্রিয় গানটি শুনছে! আমাদের এই বালকটির নাম মাহবুবুল হক শিলার।
সময়টা ১৯৭৪ সাল শেষদিক। দিন-মাস মনে নেই।
বিস্তারিত»গুটিকয়েক অণুকাব্য
ডিস্ক্লেইমারঃ সাগরে পড়ে থাকায় সবসময় সিসিবিতে আসা হয় না।তবে, যখন সিসিবিকে ঝিমিয়ে পড়তে দেখি…নিজের কাছেই খারাপ লাগে :no: । আগের রেকর্ড বলে, আমি লেখা দিলেই ব্লগ সচল হয়…মনে হয় এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না!! ;;;
অঃটঃ ইদানিং ব্লগে একটা নতুন চল শুরু হয়েছে…সবাই অণুকাব্যের ভুল অর্থ করে। সেকারণেই, অর্থসহ-ই দিয়ে দিলাম!!! (ওরে, মুই কি হনু রে!! :awesome: )
১। রগরগে বই,
বিস্তারিত»যে নারীটি আমার ছিলো,আজ কেন সে অন্য কারো?
যে নারীটি আমার ছিলো,আজ কেন সে অন্য কারো?
আমার নারী অন্য কারো!
যে বিকেলে প্রাচীন ব্যথা আঘাত হানে মর্মমূলে
আজ কেন সে ভীষণ গাঢ়?
নিশিথ রাতে একলা পাখি হঠাৎ ডাকে তারস্বরে
আজ কেন তার ঘুম ভেঙে যায়?
যার রুমালে সুবাস ছিলো বকুলফুলের দোলনচাঁপার
যার সে রুমাল,আজ সে কোথায়?
এই বছরে কেনই বা আর একটি বারও চাঁদ উঠেনি?
ডাউনলোড স্পীড বাড়ান :D
সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় আমার বাস ছাড়বে। দীর্ঘদিন পর ছুটি যাচ্ছি, ৬ দিন এর ছুটি শেষে রংপুর আর ফেরত আসা হবে না। সিলেট যাচ্ছি ৪ মাসের কোর্স এ। গোছগাছ সব মোটামুটি শেষ পর্যায় শুধু হতচ্ছাড়া পিসি টা বাদে। ৮/৯ দিন আগে একটা ইংরেজী সিরিয়াল ডাউনলোড দিয়ে রেখেছি। এখন এক্কেবারে জায়গামত এসে ব্রেক দিয়েছে ব্যাটা। ৯৭ % এ এসে তিনি ৫/৬ কেবিপিএস গতিতে নামছেন। এদিকে সময় ও নেই।
বিস্তারিত»এলোমেলো বাচ্চাগল্প
প্রজন্ম এক
আমার বাবাটা আর দশজন মানুষের মতোই, তবে রাগটা একটু বেশি। এই মানুষটার সাথে অন্য কারো পার্থক্য নিয়ে চিন্তা করতে গেলে সবার আগে আমার মনে আসে তার বাচ্চা বাচ্চা স্বভাবের কথা। সবসময় উৎসুক দৃষ্টি নিয়ে চারিদিকে ঘুরে বেড়ানো, সুযোগ পেলেই আমার মা কিংবা তার মাকে খোঁচানো ( দাদী যখন বেঁচে ছিলেন ), কখনো আমার সাথে লুকোচুরি খেলা, কখনো বা বাসার বিড়ালটাকে ভেংচানো!
বিস্তারিত»আমাদের স্টার্ট আপ এর একটি প্রোডাক্টঃ ১ম বারের মত মুঠোফোনে থেকে লিখুন বাংলা ফোনেটিকে, পোস্ট করুন ফেসবুকে বাংলা স্ট্যাটাস
অ্যাপলিকেশনটির ছবি:

অ্যাপলিকেশনটির ভিডিও দেখুন:
সফটওয়্যারটির মাধ্যমে প্রথমবারের মত আপনি পাচ্ছেন মুঠোফোন থেকে আপনার প্রাণের ভাষা বাংলায় ফেসবুকের স্ট্যাটাস আপডেটের সুযোগ। তাছাড়া সফটওয়্যারটি আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিচ্ছে প্রথমবারের মত মোবাইলে বাংলা ফোনেটিক পদ্ধতিতে লেখার সুবিধা।
বাংলা ফোনেটিক কি-প্যাড:

আরো ছবি :


সবার মতামত চাচ্ছি।
বিস্তারিত»অ-ছড়াকারের ছড়া
প্রেম
তোমার জন্য এক কথাতেই দিব সাগর পাড়ি
আনব তুলে তলা থেকে মাছ দুখানা ভারী
বলতে পারো তোমার জন্য করতে পারি সব
যখন তখন মরতে পারি, হতে পারি শব ।।
——————————–
ছবি
মিষ্টি হাসি বাঁকা ঠোঁটে
তপ্ত চোখে চেয়ে থাকে
মধুর তাহার অম্লবদন
রংবেরঙের স্বপ্ন আঁকে ।।
————————–
রাত
কেউ বসে বাজায় গিটার স্বপ্নসুরে
কেউ আবার ভারী নাকে তুমুল আওয়াজ তুলে
আমার মত হয়ত কেউ লিখছে ছড়া কম্পুটারে
জীবনটাকে মাপছে হয়ত রাত নিশীতের মনিটরে ।।
মুঠোজুড়ে একান্ত গান
- don’t know what to say, don’t know how to say…
let me just be silent, and beside you I stay…
মানুষের জীবন এক ক্ষণিক আচরণ, মুহূর্তিক আবেশ
কাটতেই টের পাই হাতের তালুতে জলকঙ্কাল ছাড়া
আর কিছু নাই। কেউ নাই।
আমাদের জীবনে কিছু নাই আর, স্মৃতিভার ব্যতীত
কিছুই রাখি নাই যত্নে মুঠোর ভেতরে ছিলো তারা
সুখে,
হিলারী, বেশ কাছ থেকে
আমার বাসার কাছে একটা বইয়ের দোকান ছিল – নাম ‘পেইজ ওয়ান’। বেশ বড় বইয়ের দোকান। মাঝে মাঝে সেখানে লেখকরা এসে সভা করতেন এবং বইয়ের সাক্ষরতা অনুষ্টানে যোগ দিতেন। একদিন শুনলাম হিলারী ক্লিন্টন তার নতুন বই “Living History” -এর বিক্রী বাড়াতে আমাদের শহরে আসছেন এবং এই বইয়ের দোকানে বসে বিক্রীত বইতে স্বাক্ষর করবেন। যদিও ৩০ ডলার দিয়ে একটা বই কেনা আমার কাছে একটু বেশী লাগছিল, তবু ঠিক করলাম এই সুযোগটা হাত ছাড়া করবো না।
বিস্তারিত»

