আমাদের স্টার্ট আপ এর একটি প্রোডাক্টঃ ১ম বারের মত মুঠোফোনে থেকে লিখুন বাংলা ফোনেটিকে, পোস্ট করুন ফেসবুকে বাংলা স্ট্যাটাস

অ্যাপলিকেশনটির ছবি:

অ্যাপলিকেশনটির ভিডিও দেখুন:

সফটওয়্যারটির মাধ্যমে প্রথমবারের মত আপনি পাচ্ছেন মুঠোফোন থেকে আপনার প্রাণের ভাষা বাংলায় ফেসবুকের স্ট্যাটাস আপডেটের সুযোগ। তাছাড়া সফটওয়্যারটি আপনার হাতের মুঠোয় এনে দিচ্ছে প্রথমবারের মত মোবাইলে বাংলা ফোনেটিক পদ্ধতিতে লেখার সুবিধা।

ডাউনলোড করুন

বাংলা ফোনেটিক কি-প্যাড:

আরো ছবি :

ফেসবুক ফ্যান পাতা

সবার মতামত চাচ্ছি।

বিস্তারিত»

অ-ছড়াকারের ছড়া

প্রেম
তোমার জন্য এক কথাতেই দিব সাগর পাড়ি
আনব তুলে তলা থেকে মাছ দুখানা ভারী
বলতে পারো তোমার জন্য করতে পারি সব
যখন তখন মরতে পারি, হতে পারি শব ।।
——————————–
ছবি
মিষ্টি হাসি বাঁকা ঠোঁটে
তপ্ত চোখে চেয়ে থাকে
মধুর তাহার অম্লবদন
রংবেরঙের স্বপ্ন আঁকে ।।
————————–
রাত
কেউ বসে বাজায় গিটার স্বপ্নসুরে
কেউ আবার ভারী নাকে তুমুল আওয়াজ তুলে
আমার মত হয়ত কেউ লিখছে ছড়া কম্পুটারে
জীবনটাকে মাপছে হয়ত রাত নিশীতের মনিটরে ।।

বিস্তারিত»

মুঠোজুড়ে একান্ত গান

    don’t know what to say, don’t know how to say…
    let me just be silent, and beside you I stay…

মানুষের জীবন এক ক্ষণিক আচরণ, মুহূর্তিক আবেশ
কাটতেই টের পাই হাতের তালুতে জলকঙ্কাল ছাড়া
আর কিছু নাই। কেউ নাই।

আমাদের জীবনে কিছু নাই আর, স্মৃতিভার ব্যতীত
কিছুই রাখি নাই যত্নে মুঠোর ভেতরে ছিলো তারা
সুখে,

বিস্তারিত»

হিলারী, বেশ কাছ থেকে

আমার বাসার কাছে একটা বইয়ের দোকান ছিল – নাম ‘পেইজ ওয়ান’। বেশ বড় বইয়ের দোকান। মাঝে মাঝে সেখানে লেখকরা এসে সভা করতেন এবং বইয়ের সাক্ষরতা অনুষ্টানে যোগ দিতেন। একদিন শুনলাম হিলারী ক্লিন্টন তার নতুন বই “Living History” -এর বিক্রী বাড়াতে আমাদের শহরে আসছেন এবং এই বইয়ের দোকানে বসে বিক্রীত বইতে স্বাক্ষর করবেন। যদিও ৩০ ডলার দিয়ে একটা বই কেনা আমার কাছে একটু বেশী লাগছিল, তবু ঠিক করলাম এই সুযোগটা হাত ছাড়া করবো না।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ – ০১৪

মাঝে মাঝে রাতে আমার ঘুম আসে না। শুয়ে পড়ার পর অনেক অনেক সময় ধরে ভেড়ার পাল গুনি, দেশে আসার দিন গুনি, হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মুখের সংখ্যা গুনি কিন্তু ঘুম আসে না। মন খারাপ হয়ে থাকে প্রচন্ড নাকি মন খারাপের জন্যই ঘুম আসে না তা বুঝতে পারি না। খুব মজার কিছু পুরনো দিনের কথা ভেবে চোখের কোনায় পানি নেমে আসে আর আমি ঘড়িতে সময় দেখি।
সবাই বড় বেশি দ্রুত ছুটে যায় সামনে।

বিস্তারিত»

তোমাকে হারিয়ে আমি আজ হা-হুতাশ করছি ভরা বর্ষায় আর পূর্ণিমার রাতে

বৃষ্টি এখনো হয়, আমি ভিজতে থাকি একা একা,
বৃষ্টির কান্নায় মিশে যায় আমার চোখের জল,
তোমার গুনগুন গানের সুরেলা আওয়াজ আমাকে
এখনো তাড়িয়ে বেড়ায়, খুব কি প্রয়োজন ছিল
দু’জনের দুই ভিন্ন পথ? – নাকি প্রয়োজন ছিল
দুই ভিন্ন পথে যাওয়ার?

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ২.১

“ইসসিরে মেল্লা পোস্ট, কোনটা বাদ্দিয়া কোনটা পড়ি দিশা পাই না। টাইমো নাই, কাইল্কা পরীক্ষা, কেস স্টাডি। দূর, বিজি হইয়া গেলাম”

ফয়েজ ভাইয়ের সেই যুগান্তকারী পোস্টের মাহাত্ম এত দিনে বুঝতে পারলাম, কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে… টাইপ ঘটনা, আমার অবস্থাও এখন পুরোপুরি এক। মন্তব্যের মত পোস্টেও কপি পেস্টের প্রচলন থাকলে আমি শুধু ঐ পোস্টটাই কপিপেস্ট করেই বিদায় নিতাম,

বিস্তারিত»

নিঃশব্দ অনুভূতি

ত্রপাদের বাসাটা ছিলো ঠিক আমাদের গলির শেষ মাথা থেকে দ্বিতীয়টা। তখন আমার বয়স ছিলো তেরো কি চৌদ্দ যখন ওরা এইখানে প্রথম এসেছিলো। আমি বেশ ঘরকুনো ছিলাম তখন। বাসা থেকে বিশেষ একটা বের হতাম না। সেবার শীতে শ্বাসকষ্টটা বেশ ভালোভাবেই ভোগাচ্ছিলো। আম্মু তাই স্কুলে যেতে দিচ্ছিলেন না। আমারও বিশেষ একটা সমস্যা হচ্ছিলো না ঐ ঘরকুনো অভ্যাসটটার জন্য। সকালটা জানালার পাশে রোদে বসে বাসার নীচ দিয়ে ডাকতে ডাকতে যাওয়া ফেরিওয়ালাদের দেখেই কাটতো।

বিস্তারিত»

আষাঢ়েঃ একটি দৃশ্যভিত্তিক গল্প

আষাঢ় মাস চলে গেলে নাকি আষাঢ়ে গল্প জমে ভালো। আমিও তাই বলি, দিনক্ষণ মেনে গল্প বলতে বসলে কি চলে? আমরা কতো ব্যস্ত মানুষ, সেলিব্রেটি, এটা দেখতে হবে না! আমাদের সারাদিন কতো কাজ থাকে, আমরা ঘুরি ফিরি খাই দাই, দুপুরে ঘুমাই ভাতঘুম থেকে উঠে সন্ধ্যার খবর দেখি আর সন্ধ্যাতারা খুঁজে চোখ ট্যারা করি (ঢাকা শহরে তারা দেখা যায় না, এমন ধোঁয়া আর ধুলা!)। সেই ট্যারা চোখে কি জানি আবোল তাবোল দেখি আর ভাবি যা দেখতেছি সবই ঠিক,

বিস্তারিত»

এক ডজন অনুকাব্য (পুরা)

হাত নিশপিশ করছিলো লেখার জন্য। কিন্তু গত কিছুদিন ঝড় গেছে মোটামুটি। হ, কক্সবাজার গেছিলাম। ব্যাপক ঝড় বৃষ্টি ছিলো। ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত। ফিরে এসে আজ একটু ফ্রী হলাম। তাই এটাকে কামব্যাক পোস্ট বলা যেতে পারে(এক চাপাবাজি আর কয়বার করা যায়, তয় মুসলমানের এক কথা)। কয়েকটা গল্প ভেবে রেখেছি(এটাও একটা গল্প)। আগামী কিছুদিনে লিখে ফেলব আশা করি। আপাতত অনুকাব্য…আগে দেখেছি অনুকাব্যের সবাই খালি ভুল অর্থ চিন্তা করে তাই এবার বোঝার সুবিধার্থে সঠিক ও নির্ভুল অর্থ সহ 😕 ।

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন ব্লগর ব্লগর

১। গত এক বছরে এই নিয়ে দুইবার বাসা বদল করছি। গত বছরের অক্টবরে একবার করলাম। মেয়ে যেহেতু নভেম্বরে হবে তাই এক বেডরুমের বাসা ছেড়ে দুই রুমের বাসায় উঠলাম। কিন্তু নতুন বাসা নেবার সময় চিন্তাভাবনা না করেই ডুপ্লেক্স স্টাইলের দোতলা বাসা নিয়ে খেলাম ধরা। গত এক বছর ধরে সিড়ি বেয়ে উঠতে নামতে বিরক্তি ধরে গেছে। কানে ধরছি, আর দোতলা বাসা না। পিচ্চিও ইদানিং চান্স পেলেই সিড়ি বেয়ে দোতলা উঠে যায়।

বিস্তারিত»

ব্রেকফাস্ট

“খোকন, নাস্তা খেয়ে যাও, পরাটা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে” – মা ডাকলেন নীচের রান্নাঘর থেকে।

আমি তখনো দো’তালায় আমার ঘরে শুয়ে। ঘড়িতে দেখলাম সকাল প্রায় ৯ টা বাজে। কলেজের বন্ধে বাড়ীতে এসেছি। সকালে উঠে পিটি করার ঝামেলা নেই। তবু অভ্যাস মতো সকালেই ঘুম ভেঙ্গেছে। ভাল লাগছিল – কিছু না করে বিছানায় শুয়ে শুয়ে গতকাল বিকেলে সিনেমা হলে দেখা নাম না জানা সেই মেয়েটার কথা ভাবতে।

বিস্তারিত»

স্মৃতির ডাটাবেইজ

আমার শৈশবের সবচেয়ে পুরনো স্মৃতি কোনটা ? স্মৃতির ডাটাবেইজ-এর প্রথম এন্ট্রি …

বাসা বদল হচ্ছে, শিলা আপাদের বাসার সামনে একটা রিক্সা থামল, রিক্সা থেকে নামার সময় দুধ ভর্তি জগ উপুড় হয়ে পড়ে গেল, ছলকে পড়া দুধ গড়াচ্ছে …

হ্যালো বাজান
মাও মাও, ক্যামন আছ
ভাল আছি বাবা
আচ্ছা মা, আমরা শিলাপা’দের বাসায় আসলাম কত সালে ??
তাতো মনে নাই বাবা …

বিস্তারিত»

বেকার

হাঁটছি আমি একলা পথে
এবড়োথেবড়ো রাস্তা জুড়ে
মানুষভর্তি এই শহরে
রোদমাখা এই ভরদুপুরে
সূর্যটার আজ কি যে হল
মানছে না তো কোন বারণ
ইচ্ছেমত জ্বলছে শুধু
জ্বালাচ্ছে-ও ইচ্ছে মতন

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন প্রিয় মাজহার ভাই

আমার খোমাখাতা আজকাল বড্ড অসহ্য হয়ে উঠেছে। আমি না থাকলে এই পান্ডুলিপি কে লিখে যাবে? তা নিয়ে ভাবছিনা, বরং আমাকে জ্বালায় বন্ধুতালিকার একজন একজন করে চলে যাওয়া। এ এমনই এক যাত্রা, না ফেরার দেশে যাত্রা। কি এমন বয়স, এভাবে না বলে চলে যাওয়া প্রিয় মানুষগুলো তাই বড্ড জ্বালাতন করছে। কদিন পর পরই খোমাখাতা জানান দিচ্ছে এরা নিষ্ক্রিয়, এদের আবার জাগাও। কে বলে মাজহার ভাই জেগে নেই,

বিস্তারিত»