রাজত্ব

Interview with Towfique & Faisal Roddy by Amadergaan.com

তমসাছন্ন রাত্রি আর কুহক কুয়াশার পথ ঠেলে ঠেলে যেমনটি হাটতে হয় জীবনের  প্রতিটি মুহুর্তে , ঠিক তেমনই অজস্র ক্লান্তি নিয়ে সময়ের ক্ষুধায় গাইতে হয় শহুরে বাউলকেও । বাংলা গান আর বাঙ্গালী চেতনার মূল রশদ ‘বাংলা ভাষা’ সে ক্ষুধাকে মিটিয়েছে বহমান কালের সাথে তাল মিলিয়ে।চলমান সময় পরিবর্তিত পরিস্হীতি, ঘূনে ধরা মূল্যবোধ, রাজ্যস্বার্থ বিবর্জিত রাজনীতি,উপগ্রহীয় অশুভ কায়া থেকে উপশম- সবটাই রাজত্ব রাগে প্রতিফলিত বারবার।রাজত্বের এই অভিযানে তার নিজের যতটুকু দূরে যাওযার স্বপ্ন,

বিস্তারিত»

কবিতাঃকিছুই মুছে যায় না

কিছুই মুছে যায় না,মুছে দেওয়া যায় না
আপাত চোখে যতই অদৃশ্য মনে হোক
সবকিছু রয়ে যায় অঘোষিত প্রেক্ষাপটে
একান্ত অন্ধকারের মাঝে কালো অক্ষরে!

আপোষ্ব চোখ বুঝে থাকা তবুও ভালো
নিজেকে সজোরে চেপে ধরা অমসৃন পাথরে
ঘষে ঘষে যতই চেষ্টা হোক-মুছবে না,
খসখসে শুধু-আর আগুনের ফুলকি জ্বলতে পারে!

এখন যতই হাওয়ায় বাঁধা থাকুক বর্তমান
শ্যাওলা জমে ঢেকে যাক বুক-সবুজ আস্তরণে
ভেতরে কঠিন অস্থিমজ্জা তবু নীরবেই
আঁচড়ে বয়ে বেড়াবে গোপ্ন গভীর দাঘ!

বিস্তারিত»

একটি রম্য রচনার খসড়া

প্রায় ২ মাস হয়ে গেল আমি এই ব্লগের সদস্য, কিন্তু আজোও পর্যন্ত কিছূ লেখা হইয়া ওঠেনি।এর বেশ কিছু কারণ রহিয়াছে। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হল এই ব্লগের লেখকরা সবাই অনেক উন্নত প্রজাতির হইয়া থাকেন। মাঝে মাঝে মনে হয় উনারা এত গুণগত মানসম্পন্ন ISO 9001 certified লেখাগুলো লেখেন কিভাব? আসলে cadet rokzz. ব্লগ না লেখিবার আর একটি কারণ হইলো আমি বাঙলা টাইপ করিতে পারি না। আজ এক বন্ধুকে অনেক তৈল মর্দনের পর সে রাজি হইল।

বিস্তারিত»

দ্য নিউ অ্যাডভেঞ্চার অব “লুইচ্চা”


[আগেই বইলা নেই, এই গল্পের সকল চরিত্র কাল্পনিকও হইবার পারে, অকাল্পনিকও হইবার পারে, কেউ মাইন্ড কইরা বয়া থাকলে থাকেন, আমার কী, আমি তো লেখক রে ভাই… B-) B-) ]

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। একদা এই দেশে ‘মঈন’ নামের এক লুইচ্চা বাস করিত। তাহার আসল নাম জনসম্মুক্ষে আনিতে চাহিতেছি না বিধায় “X-factor”-এর ‘লুইচ্চা মঈন’ বলিয়া অভিষিক্ত করিলাম। লুইচ্চা বলিবার পেছনে যে কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ নাই তাহা নহে।

বিস্তারিত»

দুষ্মন্তপুরান-৩

রাজা চৌকীতে হেলান দিয়া বিশ্রাম করিতেছিলেন। তাহার সম্মুখেই রাজপরিচারিকা উবু হইয়া ঘর ঝাড়ু দিতেছিল। বেটি বড়ই বেশরম,অর্ন্তবাস বলিয়া যে একটা জিনিষ আছে বোধহয় জানেই না। রাজা নিবিষ্ট মনে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করিতেছিলেন। এমন সময় দুম করে দরজা খুলিয়া প্রধানমন্ত্রীর অনুপ্রবেশ।
রাজা যারপরনাই বিরক্ত হইয়া কহিলেন, মন্ত্রী,বলি বোধবুদ্ধি সব সরবতের সহিত গুলিয়া খাইয়া ফেলিয়াছ নাকি? তোমাকে না বলিয়াছি, দেখা করিবার পূর্বে একটা মিস কল দিবে,নিদেন পক্ষে একটা টেক্সট।

বিস্তারিত»

প্রিয়তমা

যদি কখনো অঝর ধারায় খুব কাঁদতে ইচ্ছে করে,
আমায় ডেকো…,
আমি অশ্রু হয়ে তোমার চোখ থেকে ঝরবো।

যদি এক বর্ষায় সাদা মেঘের ছায়ায় খুব ভিজতে ইচ্ছা করে,
আমায় ডেকো…,
আমি বৃষ্টি হয়ে তোমায় ছুঁয়ে দিয়ে যাবো।

যদি শরতের ভরা পূর্ণিমায়
আকাশটার দিকে অর্থহীন তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে,
আমায় ডেকো…,
আমি চাঁদ হয়ে জোছনার জলে তোমায় ভরিয়ে দেবো।

বিস্তারিত»

অদ্ভুত আঁধার এক

১.

গরমটা যা জাকিয়ে পড়েছে এবার। বিশ্রি এক অনুভূতি সারাদিন। উফঃ দিনে কোথাও এক দন্ড বসে থাকার উপায় নেই, ঘামে গায়ের কাপড় ভিজে জব জব করে সারাক্ষন। রাত ৯টা। রোকেয়া হল, মেইন বিল্ডিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। রাতের এই সময়টুকুতে বারান্দার রেলিং এ বসে রুমের ক্যাসেটে জোয়ান বায়েজ ছেড়ে অন্যরুমের সুখদুঃখে আড়ি পাতার মতো এক চিলতে আনন্দ ঢাকার আর কোথাও নেই।

বিস্তারিত»

প্রসব বেদনা..

তীব্র ঘুম থেকে ওঠার পর যখন ঝলমলে রোদ আমার দৃষ্টিসীমাকে চকিত সম্মোহিত করে যায়, পুকুরের শান্ত জলের ঢেউ ছুঁয়ে উঠে আসা ফাগুনী হাওয়া বাগানের সৌরভে দোলা খেয়ে এসে আছড়ে পড়ে আমার খোলা দরজায় । বসন্ত হাওয়ার ঝাপটায় আমি বিমোহিত হয়ে থাকি ক্ষণিক সময়। তারপর খালি পায়ে রুম থেকে কয়েক পা এগিয়েই বারান্দার গ্রীল ধরে শীত শেষের মিষ্টি রোদ।আমার ক্ষণিক অংশে রৌদ্র খেলে যায়। আমার মুখে ,

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক ২.২

রমজানুল মোবারক। নিত্যনতুন ইফতার আইটেম আর বাজারে আগুন মাস শেষে ঈদের আনন্দের প্রতিশ্রুতি নিয়ে বছর ঘুরে আবার আমাদের মাঝে ফিরে এসেছে রমজান। তাও আবার বোনাস প্যাকসহ, অর্ধদিবস নয় পুরো সাড়ে ১৪ ঘন্টা। এর সাথে যারা ট্রাফিক জ্যাম আর লোডশেডিং এর সমন্বয় ঘটানোর মত সৌভাগ্যবান তাদের জন্য তো সোনায় সোহাগা। আমি নিজে যদিও এ দুটি থেকে বঞ্চিত তবে বাড়তি হিসেবে আমার জন্য বরাদ্দ আছে দিনব্যাপী পরীক্ষা আর রাতব্যাপী এসাইনমেন্ট।

বিস্তারিত»

এলোমেলো কথামালা-১

[১২ এপ্রিল ২০১০ তারিখে ইউনিফিল-এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করে লেবাননে এসেছি…অনেক সাগর/উপসাগর পাড়ি দিয়ে । এখানে অবস্থানের কিছু কিছু কথা/স্মৃতিকেই অনিয়মিত/এলোমেলোভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি আর কি!]

০২ জুন, ২০১০।
প্রথমবারের মতন তুরস্কের মার্সিন শহরে এসেছি আমরা…মনে অ-নে-ক চিন্তা, শহরটা ভাল লাগবে তো? লেবাননের মতন দেশটা সুন্দর…দেশের মানুষেরা বন্ধুবৎসল হবে তো? এখানে কোন বাংলাদেশী আছে না কি? থাকলেও সে/তিনি/তারা আমাদেরকে শহরটা দেখাবে/চিনাবে তো!

বিস্তারিত»

সেমিস্টার কথোপকথন

১.
ভর্তি হয়েছি সবে মাত্র
পরিচিত নয় কেউ
কিন্তু তোমায় এক দেখাতেই
মনে জাগে ঢেউ।
প্রথম দিনই ভাল লাগে
বলতে পারিনি তখন,
আজ বলব কাল বলব
ভাবি বসে এখন।

বিস্তারিত»

অগাস্ট ১২, ২০১০

ক্ষিলখেত নামটা শুনতেই কেমন ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত লাগে। সেই তুলনায় নিকুঞ্জ নামটা বেশ সুন্দর। মনে হয় কত গোছানো আর পরিপাটি। কিন্তু প্রথম যেদিন নিকুঞ্জ দেখার সৌভাগ্য হলো সব গোছানো আর পরিপাটি ভাবনা চিন্তা দুই নাম্বার রোড থেকে দশ নাম্বারে আসতে আসতেই গায়েব হয়ে গেল। দশ নাম্বারে তখন জনি’রা থাকতো, এখনো থাকে। আমার এলাকার ফ্রেন্ড। ওর সাথেই দেখা করতে প্রথম আসা এই এলাকাটাতে। মোড়ের চায়ের দোকানে বসে চা খেতে রাস্তার এখানে ওখানে জমে থাকা ময়লা পানি দেখে ঘেন্নায় কেমন গা গুলিয়ে আসছিল।

বিস্তারিত»

আরও কয়েকটি অণূকাব্য (কি যে হচ্ছে… কে জানে!)

১। চেহারা সাদামাটা…
জামাটা ডোরাকাটা…
কথায় ঠোঁটকাটা…
কিন্তু…
ভালবাসায় সেরাটা!!

অর্থঃ তরমুজের উপরের রঙ কোন সমস্যা নয়…ভিতরটা লাল হলেই হলো।

২। ছেলেটি স্যুটপড়া…সাথে টাই,
মেয়েটি জিন্স-টপ্‌স… হিল হাই।
মেয়েটি অস্থির…চঞ্চল,
ছেলেটি বোকাসোকা…দূর্বল।
মেয়েটি উদ্দম…বন্য,
নয় যে একটুতে ধন্য।
ছেলেটি বোঝেনি মেয়ের মতিগতি…
বিচ্ছেদ-ই এ ভালবাসার পরিণতি।

অর্থঃ ক্যাডেটরা সব সময়েই পাথরায় না!!!!!!!

বিস্তারিত»

ভৌত রসায়ন !!!


টানা কয়েক দিন গেল প্রখর রৌদ্রের দাপট
চারদিক ছিল দমবন্ধ করা ভ্যাপসা গুমোট।
চৌচির ক্ষেত,শুকনা জলাশয় আর শুষ্ক ঠোঁট
সারি বাধা প্রার্থনারত তৃষিত আত্মার জোট।
মেঘে মেঘে চলে দলাদলি মান অভিমানে
তৃষ্ণার্ত প্রকৃতি প্রতীক্ষারত আকাশপানে!


বৃষ্টির ছাঁট এসে লাগছিল হাতে-মুখে
প্রকৃতি এলোমেলো দারুন বাতাসে।
ছাতাখানি ধরে রাখাটাই বুঝি দায়
হাত উঁচু করে আছি আপ্রাণ চেষ্ঠায় ।

বিস্তারিত»

টুকরো কথন

১.
ব্লগ লিখতে বসলাম। ব্লগের সদস্য হবার পর থেকেই আকাশদা আর পিন্টুসের কাছ থেকে ব্লগ লেখার তাগাদা পাচ্ছিলাম, কিন্তু ব্লগ আমার মাথায় আসলেও কি-বোর্ডে কিছুতেই আসতে চাচ্ছিল না। আজ পণ করেই বসেছি পিসি-র সামনে, ব্লগ আমি আজ লিখেই ছাড়ব। কিন্তু কি লিখি! অনেক জল্পনা-কল্পনার শেষে তাই ঠিক করলাম- একটা ছবি ব্লগ দেই। ব্লগটা আকাশদা এবং পিন্টুসকে যৌথভাবে উৎসর্গ করছি 🙂

২.
দিহানাপ্পি অনেকদিন হল তেমন সরব উপস্থিতি দেখাচ্ছে না ব্লগে।

বিস্তারিত»