১
মাঝে মধ্যে রাতের খাবারের সময়টাতে আমরা পরিবারের সদস্যরা মিলে গল্প গল্প খেলি। খেলাটা হচ্ছে কোন একটা বিষয়বস্তু নিয়ে পালাক্রমে সবাই একটা করে গল্প বলবে। যেমন কোন একদিনের বিষয়বস্তু ছিল এম্বুলেন্স। রাইসা গল্প বললো এইভাবে যে ফেইরী গড মাদারের দেরি দেখে সিন্ডারেলা ৯১১ (আমেরিকার জরুরী বিভাগের নাম্বার) নাম্বারে ফোন করে এম্বুলেন্স ডেকে এনে তাড়াতাড়ি রাজপুত্রের নাচের অনুষ্ঠানে চলে গেল। রাসীনের গল্পটা হলো এম্বুলেন্স আর ফায়ার ট্রাক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।
কবিতাঃ সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো

সভ্যতা এক বেশ্যা মেয়ের মতো
শাড়ি তুলে দিয়ে দেখায় ফরসা উরু
বর্বর দেশে লোভ দেয় অবিরত
প্রলোভিত হলে কুঞ্চিত করে ভুরু!
অতঃপর তাকে ডেকে আনে নিজ ঘরে
আর চুপিসারে দ্বারে তুলে দেয় খিল
চোখে ঢেলে দেয় সকলের অগোচরে
মরীচিকাময় উজ্জ্বল লাল নীল!
এক ফাকে যত সম্পদ নেয় লুঠে
তখনো লোকেরা সভ্য হবার লোভে
চুমু খায় তার সভ্য লালচে ঠোঁটে
ততক্ষণে মেকী প্রেম উড়ে গেছে উবে!
নিজ গৃহে পরবাসী
কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক
কে বলে তা বহুদূর
১০০ কিমির মাঝে স্বর্গ নরক
টাঙ্গাইল ঢাকাতাই সুরাসুর।
ঢাকার অতি মাত্রায় যান্ত্রিক এবং ব্যস্ততম জীবনে প্রায়ই হাপিয়ে উঠি।ঢাকা আমার কাছে একটা সিক সিটি এবং মাঝে মাঝেই আমার মন বিদ্রোহ করে বসে।তখন কিচ্ছু ভাল লাগেনা।শুধুই মনে হয় আই নীড এ ব্রেক।তখন আর কোথাও না হলেও আমার টাঙ্গাইল যাওয়ার কথাই মনে হয়।তার মানে আমাকে হোমসিক ভাবার কোন কারন নেই।শহীদ কোচিং দিয়ে শুরু তারপর ৯৩-৯৯ ফৌজদারহাট কেন্দ্রীয় কারাগারে কাটানোর পর বিগত ১১ বছর ঢাকার দূষিত বায়ু সেবন আর ভেজাল খাবার খেয়েই কেটে যাচ্ছে।সব মিলে প্রায় ১৯ বছরের হোস্টেল/মেস লাইফ।আমার জীবনের বেশির ভাগ সময়ই বন্ধুময়।সবার মাঝে থেকেও একা থাকা যায় যা ফ্যামিলি লাইফে সম্ভব না।সিংগেল লাইফে এতই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি যে বিয়ে করতে ইচ্ছে করেনা।আর টাঙ্গাইল গিয়ে বেশিদিন ফ্যামিলির সাথে থাকলেও কেমন যেন আবদ্ধ লাগে!যদিও উত্তরা থেকে টাঙ্গাইল যেতে উত্তরা থেকে মতিঝিল যেতে যে সময় লাগে তার চেয়েও কম সময় লাগে তারপরও স্টুডেন্ট লাইফ থেকে আজ পর্যন্ত আমার মাসে একবার যাওয়ার অভ্যাস।উইক এন্ডে দু একদিন থেকে চলে আসি অতিথির মত।সারাজীবন বাড়ির বাইরে থাকার কারনে আমার নিজেকে নিজ গৃহে পরবাসী মনে হয়।কিন্তু সবকিছুর পরও টাঙ্গাইলেই মুক্তি।আমার সোজা হিসেব-ঢাকা নরক আর টাঙ্গাইল স্বর্গ।ঢাকায় আছি স্রেফ পেটের দায়ে।বিদেশে থাকলে বাংলাদেশের প্রতি যেমন ভালবাসা অনেকগুনে বেড়ে যায়,
বিস্তারিত»টুশকি ৩২
নাম বিড়ম্বনা!
[লেখার প্রতিটি চরিত্র কাল্পনিক এবং লেখকের কল্পনা প্রসুত। কারো নাম বা কাহিনী তার ব্যাক্তিগত জীবনের সাথে মিলে গেলে তা কেবলই কাকতালীয় মাত্র]
১.
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিনত বয়সের প্রেম হয় বিপরীত লিঙ্গের কলিগদের মধ্যে, ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছাত্রীরা করেন নিজেদের ক্লাশমেট বা দুই এক বছরের ব্যাবধানে নিজেদের গন্ডীরই কারও সাথে প্রেম, ক্লাশ নাইন টেন বা ইন্টারমিডিয়েটের ছাত্র ছাত্রীরা প্রেমে পড়ে পাড়ার হার্ট-থ্রব নায়ক বা পাড়ার নায়িকার।
(অ)মানবিক!!
১।
-ডক্টর আনিস! ডক্টর আনিস!
অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করার পর অবশেষে সোফি আনিসের ঘুম ভাঙ্গাতে সমর্থ হল। বেচারা গতকাল অনেক দেরি করে ঘুমিয়েছিল। সে কারনেই বোধহয় গভীর ঘুমে আচ্ছ্বন্ন হয়ে পড়েছিল।
-কি ব্যাপার সোফি? এত ডাকাডাকি করছ কেন? তুমি জান না আজ আমি ভার্সিটি যাব না, ছুটি নিয়েছি?
-মাফ করবেন, ডক্টর আনিস। আমি জানি আজ আপনি ছুটিতে আছেন। কিন্তু ডক্টর সোহরাব অনেকক্ষণ ধরে আপনার সাথে কথা বলতে চাইছিলেন।
সুন্দরবন ট্যুরঃ ২০০৯
(সেই ঊননিশ’ তিপ্পান সালে টাইটেলটা লিখে রাখছিলাম , আজকে চেষ্টা
করব পুরোটা শেষ করে উঠতে )
বিয়ের ঠিক একমাস দশদিন পর জামাই উড়াল দিবে পৃথিবীর অন্য প্রান্তের দিকে এমনটাই ঠিক হয়েছিল । দূর্ভাগ্য আমাদের , এই সময়টুকুতেই আমার ডিপার্টমেন্টের স্যারদের মাঝে যেন প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল পরীক্ষা নেয়ার । ফলাফল আমি ঢাকা আর সে ময়মনসিংহ । দুই বছর পর যাও বা সে ফিরল ,
বিস্তারিত»আন্তঃ ক্যাডেট কলেজ ফুটসালঃ ফাইনাল আপডেট
কালকে হয়ে গেলো ফাইনাল খেলা। কোনো অঘটন ছাড়াই অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় কুমিল্লা। খেলার একমাত্র গোলটি হয় ২য় অর্ধে। টুর্নামেন্ট কাভার করতে আসে বাংলা ভিশন। টুর্মামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় এমদাদ(৯৫-০১) কুমিল্লা। অফিসে তাই বেশি লেখার সুযোগ নাই, ছবি দেখেন সবাই।
বিস্তারিত»মুভিব্লগ: ১০ শিক্ষামূলক সিনেমা
মানুষজন খামাকাই আলতু ফালতু সিনেমা বানায়। সিনেমায় যদি শিক্ষামূলক কিছু নাই থাকে, তাহলে সেসব সিনেমা দেশ বা জাতিকে কি দিতে পারে? শিল্প থেকে শিক্ষার উপাদান আমাদের নিতে হবে। সিনেমা থেকে উচ্ছন্নে যাওয়া কাজের কিছু না। বরং সিনেমা থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবন গড়াই হওয়া উচিৎ আমাদের ব্রত। বিশেষ করে যারা বেশি সিনেমা দেখেন তাদের জন্য এটি বেশি প্রযোজ্য। আজকে আমি কিছু শিক্ষামূলক সিনেমার তালিকা দিলাম।
১.ডিরেইলড: দেশে বা বিদেশে পথ চলতে অনেকের সাথেই তো দেখা হয়।
প্রেম, তুমি এত Awful কেন?
ব্যস্ততা আমাকে দেয় না অবসর,
তাই বলে ভেবো না আমায় স্বার্থপর,
যেখানে যাই, তুমি আছো মনের ভেতর;
যেখানে যাই, তুমি আছো মনের ভেতর।
আমি যে কি নিয়ে ব্যস্ত থাকি আমি নিজেই জানিনা। সপ্তাহে মাত্র ২ দিন ক্লাস, বাকি দিন গুলো ফাকা। মাস দুয়েক আগে এখানকার একটা ছেলের সাথে বসে শুরু করেছিলাম একটা মিক্সড এ্যালবামের কাজ; কথা ছিল জুনের মধ্যে কমপ্লিট করে ফেলবো।
বিস্তারিত»সাবাস বাংলাদেশ !!!
প্রথমেই ছোট পোষ্টের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি!!! কিন্তু কিছু আনন্দ আছে, কিছু বুনো উল্লাস আছে যা দু’লাইনের জন্য হলেও প্রকাশ করে প্রচন্ড আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায়।
এ বছরে সম্ভবত বাংলাদেশের এটাই প্রথম জয়; প্রায় ২৪৭ দিন অপেক্ষার পর আবার জিতলো বাংলাদেশ। আর এবার প্রতিপক্ষ বারবার পিছলে বের হয়ে যাওয়া ইংল্যান্ড !!!!
আসেন ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-ইতালি এইসব পরদেশ নিয়ে চেঁচামেচি না করে সকল বিবাদ ভুলে আরেকবার সোল্লাসে চিৎকার করে পুরো পৃথিবীকে জানান দেইঃ
সাবাস বাংলাদেশ
এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়,
আন্তঃ ক্যাডেট কলেজ ফুটসাল –সেমিফাইনাল আপডেটঃ
আগের পোষ্টেই জানিয়েছিলাম যে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের আয়োজনে চলছে আন্তঃ ক্যাডেট কলেজ ফুটসাল প্রতিযোগীতা “Creato CCCL Cup” ।
আজকে হয়ে গেলো এই প্রতিযোগীতার ২টি সেমি ফাইনাল। তাই ভাবলাম একটু আপডেট জানিয়ে যাই সবাইকে।
১ম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিলো সিলেট ক্যাডেট কলেজ আর ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ।খেলার প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশুন্য ভাবে। ২য় ভাগে মাঝামাঝিতে সিলেট খেলার একমাত্র গোল করতে সমর্থ হয় যা তাদের নিয়ে যায় ফাইনালে।
বিশ্বকাপ…প্রেডিকশন…পল…আমার বিড়াল!!
এবারের বিশ্বকাপে নানা ঘটনা-দুর্ঘটনা, বিতর্ক ছাপিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হচ্ছে সাইকিক অক্টোপাস পলের কেরামতি। একের পর এক নির্ভুল ভবিষ্যতবাণী করে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হালের বিখ্যাত জ্যোতিষীদের মাথা খারাপ করে দিচ্ছে সে।
পলের সাফল্যে ঈর্ষান্বিত বা অনুপ্রাণিত যাই বলুন না কেন, আমিও আমার বিড়াল কিটি’র উপর হালকার উপর ঝাপসা দিয়ে এক পরীক্ষা চালিয়েছিলাম। যখনকার কথা বলছি তখন ছিল বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল রাউন্ড।
বিস্তারিত»আন্তঃ ক্যাডেট কলেজ ফুটসাল প্রতিযোগিতা, ২০১০
বিশ্বকাপ প্রায় ফিনিশিং লাইনে। একটা মাস ভালোই কাটলো। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল করে সবাই গলা ফাটালাম। ঝগড়া, মারামারি সবই করলাম। কিন্তু অক্টোপাস পলের কথামতো এগিয়ে স্পেন। শুধু শুধু একমাস ধরে খেলা হলো। তা না করে পলের সামনে ৩২ দেশের পতাকা রেখে ২ মিনিটেই চ্যাম্পিয়ন ডিক্লেয়ার করে দেয়া যেতো।
আমরা এমনিতেই হুজুগে জাতি। তারপর উপর তাল পেলে তো কথাই নাই। এই খেলা নিতে মারামারি, আত্মহত্যা কতো কিছু হয়ে গেলো।
বিস্তারিত»দূরের নগরে দু’জন
“Our life always expresses the result of our dominant thoughts.”
– Søren Kierkegaard
সকালে উঠে মনে হয়েছিলো দিন খারাপ যাবে। নির্জলা দুপুরে ঘুঘু যেমন টেনে একঘেঁয়ে স্বরে ডাকতে থাকে সেভাবে মনের ভেতরে কোন্ এক পাখি মৃদু অথচ দীর্ঘ সময় ডেকে চললো – কুউউউ কুউউউ। সেই ডাকের তাল কাটাতে রাহাত খুব জোরে জোরে দাত মাজে। ব্রাশটা নতুন, তাই বেশি জোরে ঘষার কারণে মাড়িতে ব্যথা লাগলে থু করে থুতু ফেলে সে,
বিস্তারিত»