বিশ্বকাপের সাতকাহন

ডিসক্লেইমারঃ
এটা মৌলিক কোন লেখা নয়। সংকলিত, অনুবাদ। গোল ডট কম, বিগপন্ড স্পোর্ট ডট কম, ব্যাচেলর রিপোর্ট এমন বেশ কিছু ওয়েব সাইট থেকে সংকলন করা হয়েছে। ছবিগুলোও এসব ওয়েব সাইট থেকে নেয়া। ভিডিওগুলো ইউটিউবের।
———————————

সেরা দল

নিউজিল্যান্ড


এই বিশ্বকাপের একমাত্র অপরাজিত দল। স্পেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, কিন্তু সেরা হিসেবে নিউজিল্যান্ডকেই বেছে নিতে হচ্ছে। না হেরে বাড়ি ফিরে যাওয়া কিন্তু সোজা কথা না।

সবচেয়ে বাজে দল

ইংল্যান্ড

তারা বিশ্বকাপে আসে ফেভারিট হিসেবে। ফিরে যায় খালি হাতে। গত ৪৪ বছর ধরে একই গল্পের পূনরাবৃত্তি হচ্ছে। চার ম্যাচে মাত্র একটি জয় এবার, সেটাও ১-০ ব্যবধানে, স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে। যত গর্জে, ইংল্যান্ড কখনোই তত বর্ষে না।

সৌদি আরব অ্যাওয়ার্ড (সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্সের জন্যে বিশেষ পুরষ্কার)

ইতালি

বিশ্বকাপ চলার সময়ই গেনারো গাত্তসো বলে দিয়েছিলেন, বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নয় ইতালি এখন একটা মদ্দা ছাগলদের দল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আজ্জুরিরা তাদের সমর্থকদের লজ্জা ছাড়া আর কিছু দিতে পারেনি। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্সের দল হিসেবে তাদের ব্যাপক প্রতিযোগিতা হতে পারে ফ্রান্সের সঙ্গে। কিন্তু সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বলে এটা তাদেরই পাওনা!
গাত্তুসো ছাগল বলেছেন তো কী হয়েছে, ইতালি কিন্তু বিদায় নেবার সময় অন্তত প্রমান করেছে তারা পুরুষ মানুষ। (পাশের ছবি দেখুন, পজিশন খিয়াল কইরা..)

সেরা কোচ

ডিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা)

অবশ্যই ম্যারাডোনা। শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু কোচ হিসেবে আর কেউ ডিয়েগো ম্যারাডোনার মত দর্শকদের এতোটা মনোরঞ্জন করতে পারেননি। দলের অনুশীলনের কথাই বলুন বা সাংবাদ সম্মেলনের-আর্জেন্টাইন কোচ ছিলেন বাকি সবার চেয়ে আলাদা। প্রিটোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে কখনো ফুটবলারদের সঙ্গে স্কুলের ছেলেদের মত অদ্ভুত অদ্ভুত খেলায় মেতেছেন, কখনো আপেল খেতে খেতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। বিশ্বকাপের আগে যেসব সাংবাদিক আর্জেন্টিনার সমালোচনা করেছিলেন তাদের উদ্দেশ্যে তো একবার বলেই বসলেন ‘আপনাদের উচিত ফুটবলারদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। আমি প্যান্ট খুলে ফেলতে বলছি না। শুধু মুখে বলুন আপনারা ভুল লিখেছিলেন।’
ডাগ আউটের কিছু স্মরনীয় ‘ম্যারাডোনা মুহুর্ত’ তো আছেই।

সবচেয়ে বাজে কোচ

রেমন্ড ডমেনেখ (ফ্রান্স)

ভুল, সবই ভুল। জ্যোতিষ বিদ্যা এবার আর কাজে লাগাতে পারেননি ডমেনেখ। হয়তো গ্রহ, নক্ষত্র, রাশি বিশ্বাস না করে এবার অক্টোপাসের উপর ভরসা করা উচিত ছিল তাঁর। গালাগালি, বিদ্রোহ, বহিষ্কার- কী হয়নি এবার ফরাসি কোচের দলে! কেউ কেউ তো বলছেন পল-দ্য অক্টোপাসেরও সাধ্য ছিলনা এবার ডমেনেখকে উদ্ধার করার।

সেরা ফুটবলার

কিম মিয়োং ওন (উত্তর কোরিয়া)

এমনিতে স্ট্রাইকার, কিন্তু উত্তর কোরিয়ার বিশ্বকাপ দলে নিবন্ধন করা গোলরক্ষক হিসেবে! ফিফার নিয়মানুযায়ী ২৩ জনের দলে অবশ্যই তিন জন গোলরক্ষক থাকতে হবে। উত্তর কোরিয়ান কোচ ইচ্ছে করেই একজন স্ট্রাইকারকে গোলরক্ষকের জায়গায় নিবন্ধিত করলেন যাতে তাঁর আক্রমনভাগ আরো ধারালো হয়। কিন্তু বেঁকে বসলো ফিফা। কিম মিয়োং ওনকে তারা গোলবারের নিচে ছাড়া অন্য কোথাও খেলতে দিতে রাজি নয়। দেশের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হয়েও মিয়োং ওন বিশ্বকাপ কাটালেন সাইড বেঞ্চে বসে!

সেরা গোলরক্ষক

লুই সুয়ারেজ (উরুগুয়ে)

কোন সন্দেহ নেই, এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে দুর্দান্ত সেভটি করেছেন একজন স্ট্রাইকার। ঘানার বিপক্ষে লুই সুয়ারেজের যদি হাত দিয়ে গোল বাঁচিয়ে না দিতেন তাহলে এই বিশ্বকাপের অনেক কিছুই বদলে যেতে পারতো। লাল কার্ড দেখে ফুটবল ইতিহাসে আর কেউ এতো খুশি হননি যতটা সুয়ারেজ হয়েছিলেন। বিশ্বকাপের সেরা সেভটা আমিই করেছি। আমারটাই আসল হ্যান্ড অব গড- সুয়ারেজের ঘোষনা শুনে ম্যারাডোনাও কিন্তু রাগ করেননি।

রবার্তো বাজ্জিও অ্যাওয়ার্ড (সবচেয়ে বাজে মিসের জন্যে)

ইয়াকুবু আয়েগবেনি (নাইজেরিয়া)

দ্বিতীয় রাউন্ডে যেতে হলে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচটা জিততেই হত নাইজেরিয়ার। ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রাইকার আয়েগবেনি দুর্দান্ত একটি সুযোগ পেলেন। দক্ষিণ কোরিয়ান গোলরক্ষক তার পাশে পড়ে আছেন। আয়েগবেনির পায়ে বল, ফাঁকা গোলবার থেকে মাত্র এক গজ দূরত্বে তিনি।। নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার শট নিলেন এবং বল মাঠের বাইরে।
২০১৪ বিশ্বকাপে বাজ্জিওর বদলে তার নামে এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হতে পারে।

জিনেদিন জিদান অ্যাওয়ার্ড (মাথা গরম ফুটবলারের জন্যে)

ফিলিপে মেলো (ব্রাজিল)


নাইজেরিয়ার সানি কাইটার সঙ্গে কঠিন প্রতিদ্বন্দীতার পর এ পুরষ্কারের বিজয়ী ফিলিপে মেলো। আরিয়েন রোবেন সফল। মেলোকে তিনি চুড়ান্ত বিরক্ত করতে পেরেছেন নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে। মাথা গরম করে ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার লাল কার্ড পেয়েছিলেন। কিন্তু তারচেয়েও বেশি দুঃখ নিশ্চয়ই পেয়েছেন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো তাঁকে দেশে ফিরতে নিষেধ করায়।
জিদানকে কিন্তু এমন কথা কেউ বলেনি।

ক্লিন্সম্যান-রিভালদো অ্যাওয়ার্ড (সেরা অভিনেতার জন্যে)

কাদের কেইটা (আইভরি কোস্ট)

আসলে এটাকে বলা যায় ফুটবলের অস্কার। কেইটা ব্রাজিলের তীরে ব্রাজিলকে ঘায়েল করতে চেয়েছিলেন (২০০২ বিশ্বকাপে রিভালদোর কথা মনে করুন)। কিছুটা পেরেছেনও। তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে রেফারি লাল কার্ড দেখিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান প্লে-মেকার কাকাকে। তবে কেন জানি মনে হয়, কেইটা হিসেবে ভুল করেছেন। পর্তুগালের সঙ্গে গ্রুপের শেষ ম্যাচটা কাকা খেলতে পারেননি। পারলে হয়তো ব্রাজিল হারিয়েও দিতে পারতো রোনালদোদের। আর পর্তুগাল হারলে লাভ হত আইভরি কোস্টেরই।
ব্রাজিল-পর্তুগাল ম্যাচ ড্র হয়েছে। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে আইভরি কোস্ট। ওয়েল ডান কেইটা।

কেভিন কস্টনারের ওয়াটার ওয়ার্ল্ড অ্যাওয়ার্ড (সবচেয়ে বড় ফ্লপ)

ওয়েইন রুনি (ইংল্যান্ড)

প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফার্নান্দো তরেস। কিন্তু তার দল শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তিনি বেঁচে যাচ্ছেন। বেচারা রুনি! কিছু দিয়ে যেতে পারেননি, কিছু নিয়েও যেতে পারেননি। কাঁধে ব্রিটিশ সম্রাজ্যের বোঝা নিয়ে যেন একেবারে নুয়ে পড়েছিলেন বিশ্বকাপে। শেষদিকে তো মনে হচ্ছিল ক্যাপেলো তাঁকে প্রথম একাদশে না রাখতে পারলেই বাঁচেন!

গোল লাইন টেকনোলজি অ্যাওয়ার্ড (সবচেয়ে তীক্ষদৃষ্টির রেফারির জন্যে)

মাওরিসিও এসপিনোসা

গ্রাহাম পল নামে একজন ইংলিশ রেফারি ২০০৬ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে এক ফুটবলারকে তিনবার হলুদ কার্ড দেখিয়ে হাসির পাত্র হয়েছিলেন। এবার মাওরিসিও এসপিনোসা ছাড়িয়ে গেছেন তাকেও। দ্বিতীয় রাউন্ডে জার্মানি-ইংল্যান্ড ম্যাচের এই সহকারী রেফারিকে শুধু একটাই কথা বলা যায়- ‘বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। এবার অন্তত আপনি একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারেন।’

এরিক ক্যান্টোনা অ্যাওয়ার্ড (কুংফু দক্ষতার জন্যে)

নাইজেল ডি ইয়ং

আরেকটু হলে জাভি অলন্সোর বুকের হাড় ভেঙ্গে যেত। এমন লাথির পরেও ডি ইয়ং কেন লাল কার্ড দেখেননি এটাই আশ্চর্যের। শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ জিততে পারেননি কিন্তু তার কুংফু দক্ষতার জন্যে পরবর্তীতে ‘পাইরেটস অব ক্যারিবিয়ান’ জাতীয় সিনেমার নায়ক হিসেবে নিজের দাবিটা অন্তত জোরালো করে গেছেন।

সেরা নাঁচ

দক্ষিণ আফ্রিকা, ঘানা

রজার মিলার আবির্ভাবের পর থেকে বরাবরই আফ্রিকানরা এই পুরষ্কারের সবচেয়ে বড় দাবিদার। গোলের পর ক্যামেরার সামনে এসে বাফানা বাফানাদের নাঁচ সত্যিই উপভোগ্য ছিল। তাদের মত তাল এবং ছন্দজ্ঞান হয়তো ঘানার নেই। কিন্তু নিজস্ব ঢংয়ে জিয়ান এন্ড কোং যেটা করেছে সেটাও কম আনন্দদায়ক ছিল না।
সেরা বিদ্রোহ

ফ্রান্স

ফরাসি বিপ্লব থেকেই বোধহয় অনুপ্রেরণা নিয়েছিলেন অ্যানেলকা-এভরারা। অ্যানেলকা ফরাসি কোচকে ছাপার অযোগ্য গালি দিলেন। তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেশে ফেরত পাঠানো হল। প্রতিবাদে এভরার নেতৃত্বে অনুশীলন বয়কট করলেন বাকি ফুটবলাররা। ফ্রেঞ্চ ফুটবল ফেডারেশনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হল। তিন ম্যাচের কোনটা না জিতে দেশে ফিরে গেল ফ্রান্স।
বিপ্লব দীর্ঘজীবি হোক!

ব্যর্থ বিদ্রোহ

ইংল্যান্ড

আসলে চেষ্টা করেছিলেন জন টেরি। সতীর্থের বান্ধবীকে বগলদাবা করে নিজেকে সফল প্রেমিক হিসেবে প্রমান করেছিলেন আগেই। জো কোলকে কেন প্রথম একাদশে খেলানো হচ্ছে না-এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেখাতেচাইলেন তিনি বিপ্লবীও। কিন্তু ইংল্যান্ড কোচ ফ্যাবিও ক্যাপেলোও তো আর যেনতেন লোক নন। কারো পছন্দ না হলে সে চলে যেতে পারে। রাস্তা খোলা-ক্যাপেলোর এমন পালটা হুমকিতে একদম ঠান্ডা টেরি।
ব্যর্থ প্রেমিকরা নাকি সফল কবি হন। জন টেরি প্রমান করেছেন সফল প্রেমিকরা হন ব্যর্থ বিপ্লবী!

সেরা তারকা

পল দ্য অক্টোপাস


মন্তব্য নিস্প্রোয়োজন।
সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র মলাস্কা শ্রেনীর প্রানী যে প্রশ্ন বুঝতে পারে, উত্তরও দিতে পারে! বিশ্বকাপের পর তার প্রেডিকশন খেলাও আপাতত শেষ। তবে নতুন ক্যারিয়ার হিসেবে নাকি ইতিমধ্যেই সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাবও পেয়েছে পল।

মিডিয়াকে জানানো সেরা প্রতিক্রিয়া

ইকার ক্যাসিয়াস (স্পেন)



আনন্দে মানুষ কত কিছু করে! ইকার ক্যাসিয়াস এক সাংবাদিককে চুমু খেয়েছেন। দোষের কিছু নয়, বিশ্বকাপ জিতলে সব করা যায়। সেই সাংবাদিকও কিন্তু সাধারণ কেউ নন। সারা কারবোনেরোকে বলা হয় বিশ্বের সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী ক্রীড়া সাংবাদিক। এবং তিনি স্প্যানিশ অধিনায়কের বান্ধবী!

মিডিয়াকে জানানো সবচেয়ে বাজে প্রতিক্রিয়া

রফিক সাইফি (আলজেরিয়া)

সাংবাদিক না হয় জিজ্ঞেস, করেছিলেন ম্যাচটা হেরে যাওয়ায় কেমন লাগছে? তাই বলে চড় দিতে হবে! তা-ও আবার মহিলা সাংবাদিক। ভালো নয় জনাব রফিক সাইফি, মোটেও ভালো নয়। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেও মাথা ঠান্ডা রাখতে হয়।

সেরা সমর্থক

উত্তর কোরিয়া

স্বৈরশাসক কিম জং ইল ঘোষনা দিয়েছিলেন কমপক্ষে দুটো অ্যাওয়ার্ড না জিতে যেন উত্তর কোরিয়ানরা বিশ্বকাপ থেকে ফিরে না আসে! এর একটি অন্তত তাদের এনে দিবে কোরিয়ান সমর্থকরা। তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করেছে তাদের দল, কিন্তু গ্যালারিতে উত্তর কোরিয়ান সমর্থকদের উচ্ছাস কমতে দেখা যায়নি কখনো। অবশ্য উত্তর কোরিয়ান অনেক পত্রিকার দাবি এদের অনেকেই নাকি ভাড়া করা চাইনিজ অভিনেতা!

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর প্রতিক্রিয়া

নাইজেরিয়া

ভোট দিয়ে যখন দেশের মানুষ ‘গুডলাক জোনাথন’ নামের কাউকে দেশের প্রেসিডেন্ট বানায় তখন এমন হতেই পারে। বিশ্বকাপে ব্যর্থতার জন্যে নাইজেরিয়ান প্রেসিডেন্ট দুই বছরের জন্যে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ করেছিলেন তার দলকে। ফিফা পালটা হুমকি দিল যদি প্রেসিডেন্ট তাঁর নিষেধাজ্ঞা তুলে না নেন তাহলে নাইজেরিয়াকে ফিফার যাবতীয় কর্মকান্ড থেকে বহিষ্কার করবে ফিফা (তাতে লাভ?)।
হুমকিতে অবশ্য কাজ হলো। প্রেসিডেন্ট তুলে নিলেন নিষেধাজ্ঞা।
ব্যাডলাক মিস্টার জোনাথন!

সেরা সংলাপ

নাহ, আমি মেয়েদেরকেই পছন্দ করি। ভেরোনিকার সঙ্গে আমার প্রেম চলছে। ওর বয়স ৩১, চুল লাল, দেখতে খুব সুন্দর

ডিয়েগো ম্যারাডোনা
নিজের দলের ফুটবলারদের প্রচুর চুমু দিচ্ছেন। প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় সাংবাদিকরা হঠাৎ এই নিয়ে প্রশ্ন করলে আর্জেন্টাইন কোচ হেসে জানিয়েছিলেন, অন্যভাবে নেওয়ার কিছু নেই। তিনি এখনো মেয়েদেরই পছন্দ করেন।

২,৩৮৪ বার দেখা হয়েছে

১৯ টি মন্তব্য : “বিশ্বকাপের সাতকাহন”

  1. তাইফুর (৯২-৯৮)

    রথ দেখা, কলা বেচা টাইপ পোষ্ট ...
    জীবন ও জীবিকা'র জন্য এই পোষ্ট তোকে লিখতেই হইত ...
    কইষা মাইনাস ...


    পথ ভাবে 'আমি দেব', রথ ভাবে 'আমি',
    মূর্তি ভাবে 'আমি দেব', হাসে অন্তর্যামী॥

    জবাব দিন
  2. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    ম্যারাডোনারে রাইখা দিছে কোচিং এ, মনে হয় কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবো আর্জেন্টিনা, এতটা আশা করে নাই তাগো ফেডারেশন। পারফরম্যান্সে খুব খুশি।

    আর কয়টা গোল খাইলে যে দুঃখ পাইতো, এই প্রশ্ন করতে চাইছিলাম?


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।