কার্টুন আঁকার নেশায় পেয়েছে আমাকে!
কী বিষয়ে আঁকবো ভাবতে গিয়ে কামরুলের কাছ থেকে বহু আগে শোনা একটা গল্পের কথা মনে পড়লো। সেটাই কার্টুন বানিয়ে ফেললাম! 🙂

কাই বৃত্তান্ত ২
আমার এক দোস্ত (নাম বললে চিনে ফেলবেন….) কাই-রে ডেকে আগের লেখাটা দেখাইছে। কাই খুবই ক্ষিপ্ত এতে। সে আমারে রিসেন্টলি ‘জান কবজ’ করার হুমকি দিছে। আমি নাকি অনেক চাপা মারছি…(তাও নাকি কথ্য বাংলায়………শুদ্ধ বাংলায় নাকি চাপা টের পাওয়া যায় না)…আর যদি ভবিষ্যতে লিখি এইরকম কিছু তাইলে নাকি আমার কুলখানিতে সবাইরে দাওয়াত দেওয়া লাগবে! তা আপনাদের দাওয়াত রইল। কিন্তু কি আর করা! হাতে কোনো কাজ নাই। কিছু তো লিখতে হবে।
বিস্তারিত»ওয়ার্ল্ডকাপ সকার নিয়ে বিশেষ অজ্ঞের বিশেষ ভাবনা
৮ জুলাই ইতালিয়া ১৯৯০, স্টেডিও অলিম্পিকো,রোম। ফুটবল পরাশক্তি আর্জেন্টিনা এবং জার্মানীর মধ্যে বিশ্বকাপ ফুটবলের ১৪তম আসরের ফাইনাল ম্যাচ । ৯ বছরের বালক আর তার বাবার চোখ টিভি পর্দায়। তখন ফুটবলার মানেই দিয়েগো আরমান্ডো ম্যারাডোনা,আর ম্যারাডোনা মানেই উন্মাদনা। তাঁরাও আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। খেলার ৬৫ মিনিটে জার্মানির ক্লিন্সম্যানকে ফাউল করে আর্জেন্টাইন পেদ্রো মঞ্জন লাল কার্ড দেখেন। কোন বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রথম লাল কার্ড।৮৪ মিনিটে আর্জেন্টাইন রবার্তো সেন্সিনি রুডি ভোলারকে ফাউলের বদৌলতে রেফারীর দারুন উপহার পেল জার্মানি।
বিস্তারিত»একটি বড়সড় সুসংবাদ
এতো বড় সুসংবাদটা কেউ এখনো সিসিবিতে শেয়ার করলো না দেখে কষ্ট পাইলাম।
যাক, ছেলেটাকে এত পছন্দ করি যে সবাইকে জানাতে পেরে নিজেরও অনেক গর্ব হচ্ছে।
ব্যাপার কী, বুঝতে পারছে না?
আগে আজকের প্রথম আলোর এই ফিচারটা সবাই একটু পড়ে আসুন। সেখানে এমন একটা ছবি দেখবেনঃ

শার্ট ইন করা পোলাটা আমার আদরের রায়হান আবীর।
এবার এই লাইনগুলো খুঁজে বের করুন-
ইসিজি যন্ত্র: বিভাগের এমফিল গবেষক রায়হান আবির তৈরি করেছেন ইসিজি যন্ত্র।
ব্লগরোল ০২
১।
ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। আমি যেখানে থাকি, সেইটা বিষুবরেখা আর উত্তরমেরুর মাঝামাঝি একটা জায়গা। গ্রীষ্মকালে এখানে সন্ধ্যা বলতে রাত নয়টা। তাই ভার্সিটি থেকে বাসায় ফিরে হাঁক দেই, খিদা লাগছে। বউ খাবার বাড়তে শুরু করে। বাড়তে বাড়তে জিজ্ঞাসা করে দিন কেমন গেল। আমি বলি, DDSB। মানে, ডিফারেন্ট ডে সেইম বুলশিট। এইটা মোটামুটি নিত্যদিনের রুটিন। তবে ওইদিন নিয়মের ব্যতিক্রম করে ফেলল বউ।
বিস্তারিত»সর্বকালের সেরা বাস্কেটবল টিম ০২
সর্বকালের সেরা বাস্কেটবল টিম ০১
৪) স্মল ফরোয়ার্ডঃ ল্যারি বার্ড।
৫) পয়েন্ট গার্ডঃ ম্যাজিক জনসন।
৬) সুপার সাবঃ কোবে ব্রায়ান্ট।
অনেকদিন পর লিখতে বসে আর লিখতে ইচ্ছা করতেছে না। অন্য বিষয়ে আরো পড়তে চাইলে ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করেন, আল্লাহ চাহে তো আরেকটা নতুন ব্লগ নামিতেছে।
অফটপিকঃ আমি চরমভাবে সাম্প্রদায়িক। তাই এই পোস্ট দিয়া কলেজের পোস্ট কাউন্ট একটা বাড়ায়ে নিলাম।
বিস্তারিত»পঁচিশে ফেব্রুয়ারী—-আমি কি ভুলিতে পারি?
কি ভাবছেন? আমি ভুল করে একুশে না লিখে পঁচিশে ফেব্রুয়ারী লিখেছি? উত্তরটা অতি শীঘ্রই জেনে যাবেন। আজ আমি সিসিবি তে প্রথম লিখছি….. তাও আবার বাংলায় ! আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে আমাদের এখানে একটি লোকাল অনুষ্ঠান পরিচালনা করার দায়িত্বটি আমার উপর ন্যস্ত হলো। কোরাসের জন্য বাছাইকৃত গানগুলো স্বহস্তে লিখার পর ফটোকপি করার দায়িত্বটিও আমারই উপর অর্পিত হলো। যখন “মোরা ঝঞ্ঝার মত উদ্দাম, মোরা ঝর্ণার মত চঞ্চল”
বিস্তারিত»ক্ষুধার রাজ্যে ঝলসানো রুটি
মিঃ ফক্স (Ffolks) সহ আমরা ছয় জন ছিলাম আমাদের গ্রুপে। মিঃ ফক্স ছিলেন এক জন ব্রিটিশ ওভারসিজ ভলান্টিয়ার যিনি ক্যাডেট কলেজে এসেছিলেন আমাদেরকে ইংরাজী শিখাতে। গ্রুপের অন্যরা হচ্ছে মুশফিক (ডঃ মুশফিকুর রহমান – এখন অস্ট্রেলিয়ায়), শফি (ডঃ শফিউল্লাহ – বর্তমান ভিসি, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়), আনিস (বারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ – বিগত ফরেন মিনিস্টার ও জাতীয় পার্টি নেতা), মান্নান (মঞ্জুর মান্নান – বর্তমান ওফা সিজিবি চেয়ারম্যান ও কমিশনার,
বিস্তারিত»ফাউ প্যাঁচাল ০৪-“কাই” বৃত্তান্ত
বহুদিন হইয়া যাইতেছে সিসিবিতে নতুন রম্য দিতেছিনা। যাহাই হউক সম্প্রতি আমার সকল গভীর প্যাঁচাইন্যা রচনাসমূহ(কাব্য ও ছোটগল্প) পড়িয়া যাহারা নাভিশ্বাস ফেলিতেছেন, তেনাদের জন্য সুসংবাদ……নির্মল বাতাসে মুক্তির শ্বাস নিন। তবে আজিকে রম্য লিখিব চলিত ভাষায়। তাহা হইলে শুরু করিয়া দেই……
আমার বন্ধু ‘কাই’; ক্লাস সেভেন থেকে ওরে আমরা আদর করে ‘কাউয়া’ও ডাকি। সে মোটেও কোনো সাধারণ পোলা না। সবাই যদি ডাইনে যায় তাইলে কেউ কেউ বাঁয়ে যাইতে পারে,
বিস্তারিত»যা শুনলাম, যা বুঝলাম
গতকাল সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠলাম। ব্রাজিল আর পর্তুগালের খেলা মিস করা যাবে না। তড়িঘড়ি করে কিচেনে টোষ্ট আর চা রেডি করছি। রুমমেট চার্লি হটাৎ জিজ্ঞাসা করলো, টরন্টো যাচ্ছো নাকি? মনে মনে বললাম, সকাল সকাল মাথা নষ্ট নাকি? তারপর খেয়াল হলো, জি-৮ / জি-২০ সামিট। এইটা নিয়ে স্টুডেন্ট ইউনিয়নে বেশ শোরগোল কদিন থেকে। অনেকেই অটোয়া থেকে সামিট প্রটেস্ট করতে টরন্টোমুখী।
বিস্তারিত»কোয়ার্টার ফাইনালের পথে (প্রথম পর্ব)
আরেকটা পর্ব লেখা শুরু করলাম। আমার আগের লেখাগুলা দেখলেই বুঝবেন আমি প্রতিবারই চেস্টা করি একটা সিরিয়াল ধরে লেখার, কিন্তু প্রতিবারই প্রথম পর্ব লেখার পর লেখার কোয়ালিটি দেখে আর লেখার ইচ্ছা করে না (অভ্র চালালেই ঘুম আসে এটা একটা কারন)। তাই দ্বিতীয় পর্ব না পেলে ধরে নিতে হবে এটাই নিয়ম।
এবারের টাইটেল কোয়ার্টার ফাইনালের পথে দেয়ার কারন হল দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলার একটা প্রিভিউ দেয়া।
বিস্তারিত»ব্যস্ততা
টিলাটার ওপরে দাঁড়ালে এক পাশে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বাড়িগুলো চোখে পড়ে। আমার খুব প্রিয় জায়গা এটা। প্রকৃতির একেবারে কোলের কাছে নিজেদের আস্তানা গড়ে নেয়া এইসব মানুষগুলোকে মাঝে মাঝে আমার ভীষণ হিংসা হয়। নাগরিক জীবনের ব্যস্ততায় যখন নিঃশ্বাসটা আটকে আসতে চায় তখন নিজেকে আবার ফিরে পাবার আশায় টিলাটার ওপরে এসে বসে থাকি, আর ঐ বাড়িগুলোকে দেখি। সত্যিই ভীষণ হিংসা করি ঐ বাড়িগুলোর বাসিন্দাদের। সারাদিন জীবিকার তাগিদে ঘুরে বেড়ানো মানুষগুলো যখন দিনশেষে বাড়িতে ফেরে,
বিস্তারিত»লন টেনিসের দুই যোদ্ধার মহাকাব্য রচনা!
বিশ্বকাপ ফুটবলের কারনে যেখানে দেশ-বিদেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবরই আমাদের কাছে পাত্তা পাচ্ছে না, সেখানে লন টেনিসের খবর কে-ই বা রাখে! কিন্তু এবারের উইম্বলডন এ আমেরিকান জন আইজনার এবং ফ্রান্সের নিকোলাস মাহুত যে মহাকাব্যের রচনা করেছেন, তা কিছুটা হলেও মিডিয়ার আগ্রহকে টেনিসের দিকে আনতে পেরেছে।
উইম্বলডনের প্রথম রাউন্ডের খেলায় গত মঙ্গলবার এই দুই তরুণ ১৮ নম্বর কোর্টে পরস্পরের মোকাবেলা শুরু করেন। ম্যাচ শেষ হয় বৃহঃস্পতিবার,
বিস্তারিত»ফুটবল এবং সমান্তরাল
ফুটবল আর হিন্দী সিরিয়ালের মধ্যে আসলে কোন পার্থ্ক্য নাই। আসলেই নাই।
হিন্দী সিরিয়ালে সর্ব শক্তি প্রয়োগ করে কূটনামী শিখানো হয়, আর ফূটবলে লাত্থালাত্থি। দুই মিনিট বসে থাকলে আপনি ছয়টা লাত্থির ঘটনা দেখবেন, তার মধ্যে দুইটা রেড কার্ড পাইসে, তিনটা হলুদ কার্ড, একটাতে তিনজন একসাথে উলটায় পড়ে পাছুতে ব্যথা পাইসে। আর হিন্দী সিরিয়ালে দেখবেন মাল্টি ডাইমেনশনাল কূটনামী, কোন দিক দিয়ে কি হয়ে গেল আপনি নিজেই ধরতে পারবেন না।
বিস্তারিত»অনেকদিন পর কবিতা:হাত বাড়িয়ে কার হাতে ছুঁই……?

অনেকদিন পর কবিতা!কোচিং এর জন্য ঢাকায় থাকি।ঢাকায় আসার পর আজকাল কবিতা লেখা হয় না।কলেজে থাকতে সবকিছু খুব সহজ মনে হত,বিছানায় শুয়ে অলস কল্পনায় যা হয় আর কি!ভাবতাম পাবলিক লাইব্রেরিতে চলে যাব,আজিজ মার্কেটে ঘুরাঘুরি করবো,লিটল ম্যাগে লিখবো!পড়াশোনার ব্যস্ততায় কিছুই করা হয় না।লেখক শিবিরের একটা পাঠচক্র ছিল গত সপ্তাহে,পোলাপাইন যেতে বলছিল…ক্লাসের জন্য যাওয়া হলো না!টি এস সি তে ভাইয়ারা আড্ডায় যেতে বলে…যেতে পারি না!সারাজীবন যে স্বপ্নগুলো দেখে আসছি,এখন হাতের কাছে রেখেও তার কাছে পৌছা হয় না!ভার্সিটির হলে থাকি,কোচিং করতে যাই ফার্মগেট…সারাদিনে কাজ এ দুটো ঘিরেই।অপরাজিতের অপুর সাথে জীবনকে মেলাবার চেষ্টা করি অবচেতনে।মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছা করে লিখতে।দু’একটা লাইন হয়ত লেখা হয়…পরে আর আগানো হয় না!তবুও শেষ পর্যন্ত একটা লেখা হয়েই গেল!
বিস্তারিত»