১। নতুন একটা যন্ত্র আবিষ্কারের সময় হইছে, জিনিষটা দেখতে অনেকটা হেডফোন টাইপের হবে, USB দিয়ে কম্পিউটারে সংযোগ দেয়া থাকবে। এটার কাজ হবে Thought Writing মানে চিন্তা লেখনী, আমি যা লেখার জন্য চিন্তা করবো তা লেখা হয়ে যাবে। গত প্রায় একমাস যাবৎ এই ‘Thought Writer’ এর অভাব বেশ অনুভব করছি। এ ক’দিন সিসিবিতে পোস্ট দেয়া তো দূরে থাক, মন্তব্যও করতে পারছি না। এই যন্ত্র একটা থাকলে কি শান্তিতেই না এগুলো করা যেত।
বিস্তারিত»আমার ছোটবেলার কবিতা – মানসী
আমার মনে কোন গহনে
অচিনপুরের কোন সে বনে
আমার আমি চুপটি করে থাকে
এই আমি না
ওই তুমি না
এই জগতের আর কেউই না
সঠিক করে চিনতে পারে তাকে
আমার আমি চুপটি করে থাকে।
- * * *
কেউ তো তারে চিনতে নাহি পারে
হৃদয় দুয়ার নাড়া দিয়ে
এদিক ওদিক ঘুরে গিয়ে
যায় ফেলে যায় আমায় বারে বারে।
“এই তো সেদিন”
২০ মে ১৯৯৩। এখন থেকে প্রায় ১৭ বছর আগের একটা সাধারণ দিন, পড়ন্ত বিকেলে অজানা সময় আর নতুনের শিহরন নিয়ে পা রেখেছিলাম বরিশাল ক্যাডেট কলেজের শক্ত জমিনে।তারপর,তারপর একে একে কেটে গেছে আরও ১৭ বছর।ছয় বছরের ক্যাডেট জীবন, দু’বছর বি এম এ আর তারপর এই আর্মি, আজ ত্রিশের ঘরে পৌঁছে সেই দিন টির দিকে ফিরে তাকালে কেবলই মনে হয় “এই তো সেদিন”।এক জীবনের অর্ধেক টা সময়ের ও আগের কোন একটা দিন কেন যে আজও “এই তো সেদিন” রয়ে গেল জানিনা।
বিস্তারিত»প্রেম-যুদ্ধ-সুখ-২
ভালোবাসায়
সুখ যে নারীর,
তাহার চুড়ির ,
জরিগুলো
মাখবো মুখে
থাকবো সুখে।
সুখ ফুরোলে
যুদ্ধ এলে
দেশের ডাকে
রেখে তাকে
যুদ্ধে যাবো
কাঁদবে না সে
ভালবাসায়-
বাঁধবে না সে
যুদ্ধ শেষে
ফিরে এসে
দেখবো তাকে
আমায় দেখে
মুখ লুকোবে
আমার বুকে।
থাকবো সুখে!
প্রলাপ-৩
ভোরের প্রতীক্ষায়
শুধু একেলা
থাকো প’ড়ে
হা চোখে,
আড়াআড়ি দুহাত
সারারাত
বালিশের এপাশে
স্বপ্নে কারা যায় আসে,
জানবে বলে
ঘুমোবার বেলা
একবার কেবল
সংগে নিতে
জানালে অনুনয়
মুচকি হেসে
ও শুধু বলেছিলো,
না রে
সে তো হবার নয়
কেউ বুঝি চশমা পরে
ঘুমোবার সময়!
উৎসর্গঃজিতু।যে সন্দেহ করেছিলো আমার চশমায় নির্ঘাত কোন প্রবলেম আছে।
বিস্তারিত»সন্ধ্যা
ফিরছে পাখিরা তাদের আপন নীড়ে
সন্ধ্যা আসছে নেমে নদীর তীরে।
ক্লান্তিতে নুয়েছে সব গাছের পাতা
রঙ্গিন বসুধা মেলেছে গোধুলির খাতা।
আধো আলো আধো কালো আর আধো ছায়া
নদীর স্রোতে জেগেছে এক অপরূপ মায়া।
নীলাকাশ ছেয়ে গেছে আগুনের লালে
সেউতি জ্বলছে যেন ঢেউয়ের জলে।
নিশাচরেরা উঠছে জেগে পাতার ফাঁকে
পালের নৌকা ভিড়ছে তটিনীর বাঁকে।
সন্ধ্যাটা যেন এক স্বপ্নীল আভাস
তীরেতে বইছে হিমেল ফাগুনের বাতাস।
স্বপ্ন-১
অনেক দিন ধরেই ইচ্ছা ছিল কিছু লেখার, এখন তো আর খাতা কলম নিয়ে বসার সময় হয়না। তার চেয়েও বড় কথা এখন কার যুগে আবার খাতা কলম নিয়ে বসার যুগ না, আধুনিক যুগ। এখন সবাই কম্পিউটার এর সামনে ব্লগে লিখে; শুনেছি বড় বড় লেখকরাও নাকি এখন আর আগের মত সুন্দর খাতা, সুগন্ধি কলম নিয়ে লিখতে বসে না। তারা এখন তাদের ল্যাপটপ- এর সামনে বসে টাইপ করে,
বিস্তারিত»এই যে দেখো,এই যে শোনো ঝড়োশ্বাসী বুকের কষ্ট
এই যে দেখো,এই যে শোনো ঝড়োশ্বাসী বুকের কষ্ট
গর্ভবতী মাঠের ফসল
ঘূর্ণিমায়া পৃথুল নারী
মন উচাটন হীরের টুকরো কালিমাময় সুখের কষ্ট!
এই যে দেখো,এই যে শোনো রাত্রি জাগা পুরুষ মানুষ
অন্ন-ক্ষুধা তীব্র মারী
আলোর বন্যা আ’ল সমতল
মানুষ নিজেই মারছে মানুষ,ছড়ায় আগুন,রক্ত ফানুশ!
এই যে দেখো,এই যে শোনো কেমন কেমন হচ্ছে লড়াই
এক পাশে তার ঢাল তলোয়ার
কামান বারুদ সবই আছে
অন্য পাশে নিঃস্ব মানুষ লড়ছে কোনো অস্ত্র ছাড়াই!
প্রেম নয়
চাকুরী জীবনের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটা দিন আমার কেটেছে শিলছড়ি নামের একটা প্রত্যন্ত ক্যাম্পে। শিলছড়ির আকাশ ছোয়া পাহাড়,বহুরুপী পাহাড়ী ছড়া ,একদল সহজ সরল মানুষ, একটা ছোট্ট বাজার তাতে দিনমান নাপ্পির গন্ধ, দেবযানী, কৈশল্য আর রঙহীন গোধূলিতে করতালের শব্দে মাতাল চিয়ানজলের সুর—এইটুকু নিয়েই আমার পাহাড় বিলাস।সেইদিনগুলি বড্ড অন্য রকম ছিলো। মনের ভেতর তখন ফেলে আসা সমতলে লাজুক কিশোরীর আধো আধো প্রেম, খাতার ভেতর লম্বা চিঠির দীর্ঘ শব্দমালা,
বিস্তারিত»ব্যক্তিগত রেসিপি-৫
খোলা মাঠ।বিস্তৃত সবুজের দিকে চোখ মেলে রয়েছি দুজনে।একটা বিশাল বুদ্বুদ কোত্থেকে যেন ভেসে এসে হেলেদুলে লাফিয়ে লাফিয়ে সামনে দিয়ে পালিয়ে গেলো, গায়ে তার পিছলে যাচ্ছিলো রঙধনু।একছুটে একটা কাঠবিড়ালী এসে পৃ-কে মুখ ভেংচে গেলো।দূরে কোথাও মন উদাস করা সুরে বাঁশি বাজছে।
‘এ জায়গাটার নাম কী পৃ?’
‘জানিনা সোনা, আগে কখনো এসেছি এখানে?’
নিশ্চয়ই এসেছিলে
কোন একদিন
আমারি হাত ধরে,
বুনোপথের ঠিক এই প্রান্তে।
শব্দহীন সময়
নীলাদ্রির আজ মন ভাল নেই। সুদূরে শূন্য আকাশের গায়ে জমে থাকা ছিন্ন ভিন্ন মেঘের গায়ে জমাট ধূলিকণা আর সেইসাথে ছড়ান শূন্যতার রেণু। নীলাদ্রির আজ মন ভাল নেই সেই শূন্যতার রেণুতেই। ফেলে আসা সময়ের নিবিড় আবেশ একটুখানি কষ্টের তীর হয়ে গেঁথে আছে মনের গহীন কোণে, যেখানে শব্দময় অতীত কেবলই গুমড়ে মরে আজকের ভয়াল নৈশব্দের কাছে।
আজ সেই ফেলে আসা সময়ের ঝুম বৃষ্টি, ভেজা মাঠ,
বিস্তারিত»মাসরুফের মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়ক পোষ্ট থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নির্মাণের পদ্ধতি নিয়ে আমার ভাবনা
অনুজপ্রতীম মাসরুফের “অস্ত্র থেকে অক্ষর” লেখাটি সাম্প্রতিক সময়ে সিসিবি’র অন্যতম আলোচিত এবং প্রশংসিত একটি পোষ্ট। এর প্রতি আমাদের বেশিরভাগেরই মনোযোগও ছিল বেশ, কারণ এটি পোষ্ট করার আগে আরেকটি পোষ্টে লেখক জানিয়ে দিয়েছিল এর মূল প্রতিপাদ্য যা’ ছিল একজন এক্স-ক্যাডেট মুক্তিযোদ্ধা মেজর কামরুল ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎকার এবং তা’ থেকে প্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কিছু অজানা তথ্য। যথারীতি পোষ্ট আসল এবং সকলেই ব্যাপক প্রসংশায় ভাসিয়েও দিলাম পোষ্ট এবং পোষ্টদাতাকে।
বিস্তারিত»ডায়লগ সংকলনঃ মেডিকেল কলেজ ভার্সন
(ডিসক্লেইমারঃ আপনি মেডিকেল লাইনের না হলে পোষ্টটি একটু কম উপভোগ্য হবে, এই জন্য ক্ষমাপ্রার্থী)
আমেরিকার মেডিকেল কলেজগুলোর স্টুডেন্টরা ৩য় বছর থেকে হাস্পাতালে কাজ করা শুরু করে, যাকে বলে ক্লিনিকাল রোটেশন। ক্লিনিকাল রোটেশনের সময় তাদের রুগী দেখার পাশাপাশি মেডিকেল চার্টে রুগীদের স্বাস্থ্যবিষয়ক তথ্যবলীগুলোও লিপিবদ্ধ করতে হয়। নতুন এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক মেডিকেল স্টুডেন্টই প্রথম প্রথম কিছুটা হিমসিম খায়, যার ফলস্বরূপ মেডিকেল চার্টে তাদের এন্ট্রিগুলো একটু হাস্যকর রূপ নেয়…তারই কিছু উদাহরন এইখানে উপস্থাপন করলাম…
আ মরি বাংলা ভাষা
শব্দগুলো সব উঠে আসছে, বিমর্ষ অভিমানী বাংলা ভাষা আমার। এত শ্রম দিয়ে এত যতনে লেখাটিকে সাজালাম, শব্দে বাক্যে খেলিয়ে কবিতা বানালাম, গান এনেছিলাম কণ্ঠে, অশ্রুপ্রবণ দুটো হৃদয় নিয়ে উপন্যাস লিখেছিলাম, টুসকি বানালাম, ছবিতে ছবিতে ভরিয়ে সেদিনের বেড়ানো, পিকনিক মাতালাম তবু আমার লেখা থেকে শোকার্ত সব শব্দেরা মিছিল করে কালোব্যাজ নিয়ে বেরিয়ে আসছে কেন। সামান্য লেখক আমি, যে কোন লেখায় একটি শব্দ কি মাত্রা উল্টে পাল্টে গেলে কি ভীষণ বিভ্রান্তি হতে পারে আমার থেকে বেশি কে জানে।
বিস্তারিত»এলেবেলে
রমযানের ঈদের পরের সপ্তাহে আমেরিকা আসা অব্দি দিনগুলো কেটে যাচ্ছে এলোমেলো, একেবারেই। পড়ায় আছি, কিন্তু মন নাই। আজ এই পড়ি তো কাল সেই।দেশে থাকতে একটা পেপার লিখছি আমার তিন নম্বর এমএ ডিগ্রীর লোভে, সেইটা নিয়েও সুপারভাইজারে টালবাহানা করছেঃ বেশি চালাকি করে লিখছিলাম একটা একাডেমিক জার্নালকে মাথায় রেখে যেন সুপারভাইজার আপ্রুভ করা মাত্র ছাপানোর জন্য পাঠাতে পারি, এখন খাইছি ধরা। সুপারভাইজার কয় আরেকটা থিওরেটিক্যাল ফ্রেমওয়ার্ক আমার ড্যাটা থেকে আরো কি সব নাকি ‘আবিস্কার’
বিস্তারিত»