আশীর্বাদ

গতকাল ছিল গায়ে হলুদ
আজ তোমার বিয়ে।
ভেবনা আমি মেনে নিয়েছি!
প্রেম করবে একজনের সাথে
আর বিয়ের সময় আরেকজন??

আমি একটা পিস্তল ভাড়া করেছি
তোমার বরকে গুলি করব
অবশ্য মেরে ফেলব না।
ওর ডান হাতে গুলি করব।
আজীবন লুলা বরের সাথে ঘর
ভাবতে ভালই ঠেকছে আমার।

পুলিশের লাঠি দেখেছ?
ইয়া বড়,

বিস্তারিত»

হালুউউউউউউউউউউউউউউউউউম্মম্মম্মম!!!!!

ইতোমধ্যেই আমরা সবাই জেনে গিয়েছি নিউজিল্যান্ডের পূর্ণ শক্তির দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের কথা।এই আনন্দের ডামাডোলে এই খবরটি সম্ভবত অনেকের চোখ এড়িয়ে গিয়েছে।হ্যাঁ,আমাদের ছেলে তামিম উইজডেন ম্যাগাজিনের জরিপে বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছে।২০১০ সালে ৫৯ দশমিক ৭৮ গড়ে ৭টি টেস্টে তামিমের মোট রান ৮৩৭,যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষে ১৫১ রানের এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া সেঞ্চুরির মত ইনিংস রয়েছে।এই অর্জনের পথে তামিম পেছনে ফেলেছে গ্রায়েম সোয়ান এবং ভিরেন্দর শেহবাগের মত ক্রিকেটারদের-যাদের অবস্থান যথাক্রমে ২য় ও তৃতীয়।

বিস্তারিত»

আসবি কি তুই?

খেয়া নিয়ে রইবো বসে বৈতরণীর ঘাটে
রাখবি কি তুই আমার তরী’য় পা?
নইলে আমি নির্বাসনে যাবো অচিন দেশে

তোর স্মৃতি সব ফেরি করে শিমুলতলীর হাটে
দুঃখ যত ঋণ করেছি বুকে
থাকবি কি তুই সর্বনাশী দুঃখগুলো ঘেষে?

জোৎস্না রাতে বসবো একা নীলফড়িংয়ের মাঠে-
আসবি সখী ভাঙতে আমার মান?
ফেরার বেলায় স্বপ্ন যত বলবি আমায় হেসে?

বিস্তারিত»

হোয়াইট ওয়াশের বাংলা কি ?

শিরোনামের কপিরাইট তারেক ভাইয়ের, আর বিজয়ের আনন্দটা আমাদের সবার!!! :awesome: :awesome:

এবার শুধু একটা ম্যাচ না, পুরো সিরিজটাই নিজেদের থলেতে পুরলো বাংলাদেশ। সাবাস বাংলাদেশ, সাবাস সাকিব !!!
উইলিয়ামসনের প্রতি রইলো সমবেদনা। তবে সত্যি বলছি, তুমি না থাকলে দিনটা এতো দমবন্ধ করা থ্রিলিং হতো না। এভাবে জেতার মজাটাই হয়তো আরো বেশি।
নিজেই বুঝতে পারছি না কী লিখছি!!!!!!!!!!!!!!!!!

এবার কেবল চুনকামের অপেক্ষা !!!!!!!!!!!!!!

বিস্তারিত»

যদি হই দোষী, তবে তাই হোক।

শুরুর কথা:
ক্লাস সেভেনে যখন আমি ক্যাডেট কলেজে গেলাম তখন এক আজব পরিস্থিতিতে পরলাম, ওইখানে দোষ করলেও দোষ, আবার না করলেও দোষ। সিনিয়ারেরা (বিশেষ করে ১ ব্যাচ নব্য সিনিয়ারেরা) আজব আজব ফল্ট ধরে পাংগানি দেয়।
“কি ব্যাপার মাথা উচু কেন”?…… মাথা নিচু করলে “মাথা নিচু কেন?”
মসজিদ/ডাইনিংয়ে “টাচ” লাগায়, টাচ লাগল কেন?…… স্যরি বল নাই কেন?
স্যরি বললে “এত স্যরি কেন?”
মানে সিংহ আর মোষশাবকের মত অবস্থা।

বিস্তারিত»

অবস্ট্যাকল কোর্সের উপকারিতাঃ ২

আমার প্রিয় খেলার তালিকাটা মনে হয় এরকম হবেঃ বাস্কেটবল, ক্রিকেট, ফুটবল। দেখতে হলে এবং খেলতে হলেও। এই তালিকাটা কিছুদিন আগেও একটু ভিন্নরকম ছিল, কিন্তু আপাতত এইটাই সবচেয়ে কারেন্ট আর আপডেটেড লিস্ট। কিন্তু এইগুলা হইল কনভেনশনাল স্পোর্টস। তালিকায় চতুর্থ নামটা যোগ করতে হলে একটা আনকনভেনশানাল স্পোর্টের নাম লিখতে হয়- পেইন্টবল। পেইন্টবল খেলা সম্পর্কে যারা জানেন না, তার ঘুরে আসতে পারেন প্রাগৈতিহাসিক একটা পোস্ট থেকেঃ

অবস্ট্যাকল কোর্সের উপকারিতা

আগে পেইন্টবল খেলছি ইনডোরে।

বিস্তারিত»

প্রশ্ন ও উত্তর

আমরা কোথা থেকে এসেছি???????
মানুষ যখন থেকে তাদের আশে-পাশে জগত নিয়ে চিন্তা করেছে তখন থেকে এক প্রশ্ন আমরা কোথা থেকে এসেছি?
এই প্রশ্নের উত্তর আমরা বিভিন্ন ভাবে দিয়েছি।কিন্তু আমরা যদি খুব ভাল ভাবে চিন্তা করি তাহলে মূলত এই প্রশ্নের দুইটি উত্তর আমাদের জানা এবং তা এসেছে দুইটি বিখ্যাত তত্ত্ব থেকে তা হল-
১.ঐশ্বরিক তত্ত্ব
২.ডারউনের র্বিবতনবাদ তত্ত্ব
আমরা এই দুটি মতবাদ সর্ম্পকে খুব ভালো করে জানি।তবে একটা কথা বলতে হয় তা হল বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আর আবিষ্কার বর্তমান কালে ডারউনের মতবাদের ভিত্তি যেমন দূর্বল করে দিয়েছি,

বিস্তারিত»

স্বপ্ন মৃত্যু অথবা ভালোবাসার গল্প

স্বপ্নেরা সুন্দর হয়,ভালোবাসা বিষণ্ণ হয় , জন্ম হয় শুভ্র অথবা শীতল। আগমনে চঞ্চল হয় এক অথবা দুফোটা জলকণা। আর নিশ্চলতার মাঝে শুরু হয় গতির। সেই গতির টানেই শুরু হয় তার অথবা তাদের যাত্রা।শুভ্রতার বুক হতে সে নেমে আসে কেবল। আঁধার অরণ্য তাকে আলো দেখিয়ে শোনায় একটানা একঘেয়ে নৈঃশব্দ্যের গান। সেই গানে তারা সঞ্চারিত হয় ক্রমশ। পাথরের বুক চিড়ে বের হয়ে আসে যেন।জন্ম হয় শুভ্র, শুভ্রতা বিলীয়মান হয় জীবনের গতিতে।তপ্ত রৌদ্র বেগবান করে তার স্রোতকে।নিশ্চল পাথুরে ভালোবাসায় বেড়ে উঠে সে ক্রমাগত বিদীর্ণ করে তার জননীর বুক অথবা সে জননী যেন হাসিমুখে বরণ করে নেয় জন্মের বেদনা।

বিস্তারিত»

বন্য সুন্দরে পাঁচদিন চাররাত

ভ্রমণ কাহিনীর আমি গোগ্রাসে গিলি। তাতে মজা একটাই। অদেখা, অজানা সব জায়গায় নিজে যেতে না পারলেও অন্যের চোখ দিয়ে দেখে নিই। এই যে আমাদের শান্তা, এমন সব দারুণ লেখে। পড়েও অতৃপ্তিটা থেকে যায়। যদি আরো কিছু পাওয়া যেত। কিন্তু ভ্রমণ তো এক জায়গায় শেষ হতেই হবে। শান্তা দেশ দেখে, স্থান দেখে, মানুষ দেখে, সেসব নিয়ে ভাবে- তারপর দারুণভাবে আমাদের সামনে তুলে ধরে। সাইফ ভাই মানুষ দেখেন।

বিস্তারিত»

বেগ আবেগ

সুখ..
কী আপেক্ষিক এক গল্প,
তোমার, আমার, আমাদের সবার-
কিছু মাস্টার-পিস মুহূর্ত
আর মস্তিষ্কে বিদ্যুৎ তরঙ্গের অনুরণন,
কিছু ভালো লাগা মুখ আর
কিছু চেনা স্বরে।

বিস্তারিত»

সোনার হরিণ

সোনার হরিণ
স্বপ্নদ্রষ্টা
সোনার হরিণ ছুটে গেছে
কে দেখেছিস ওরে,
সবাই ছোটে তাহার পিছে
সোনার হরিণ পাবার তরে।
হেথায় খোঁজে হোথায় খোঁজে
কোথাও নাহি মিলে
সারাদিনে কাহিল হল
হতাশ সবার দিলে।
অবশেষে শ্রান্ত সবাই
ক্লান্ত হতাশ মনে
না পেলে আজ কি আছে
খুঁজবো আবার মনের বনে
এ ভাবতেই মাস গেলো
এই ভাবতেই বছর
এ ভাবতেই সব হারালাম
তবু নাহি হলো তাহার গোচর
আসল কাজে নাহি মোরা
মরীচিকায় ছুটি
আসল কাজে ছেড়ে সবাই
মরীচিকায় খাচ্ছি লুটোপুটি
এখনো সময় আছে
ভেবে দেখ ওরে গাধার দল
আসল কাজে সময় দিলে
পাবি তাহার ফল
সে ফলেই দেখবি তোরা
সব রয়েছে মিছে
সোনার হরিণ সে তো কোন ছার
ওরে তোদের কাটবে অমানিশে।

বিস্তারিত»

একটি শোক সংবাদ

এইমাত্র খবর পেলাম আজ সকালে বরিশাল ক্যাডেট কলেজের শরীয়তউল্লাহ হাউজের ক্যাডেট ওয়াহিদ নামে এক ক্যাডেট মারা গেছে।(ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না লিল্লাহে রাজিউন) ক্লাস নাইনের এই ক্যাডেটটি সকালে পিটির পরপর অসুস্থ হয়ে পড়ে,সঙ্গেসঙ্গে কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়,সেখান থেকে মেডিক্যাল কলেজে নেওয়ার পথে ক্যাডেটটি মারা যায়।
আসুন সবাই দোয়া করি যেন আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করেন এবং ক্যাডেট কলেজ,তার বন্ধুরা ও তার স্বজনদের এই শোক সইবার শক্তি দেন।

বিস্তারিত»

বীথোফেনের Eroica শুনে এসে….

[সেদিন বীথোফেনের সিম্ফনি ৩ শোনার সৌভাগ্য হয়েছিলো বিশ্বখ্যাত Cleveland Orchestra-র পরিবেশনায়। পরিচালনা করছিলেন ফ্রানজ ওয়েলসার মোস্ত্‌। এই সিম্ফনিটি Eroica নামেও পরিচিত। নেপোলিয়নের বীরত্বকে উৎসর্গ করার উদ্দেশ্যে এটি রচিত হয়েছিলো, যদিও পরে আর তা করেননি বীথোফেন। তাই (H)eroica নামকরণ।অপূর্ব এই সিম্ফনিটি সম্পর্কে বিস্তারিত যে কেউ জেনে নিতে পারবেন একটু সার্চ করলেই। আপাতত শ্রবণকালীন অনুভূতির কিছু টুকরো এখানে তুলে ধরলাম, আমার মতো করেই। লিংকটিতে গিয়ে সুরটি চালিয়ে নিয়ে পাঠ করতে অনুরোধ করছি।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা – ১

প্যাশন বনাম প্রফেশনের সুন্দর বাংলা কী হতে পারে? হাতের কাছে অভিধানটা নেই। তাই আপাতত স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা দিয়েই শুরু করি। এটা একটা সিরিজ হতেও পারে নাও হতে পারে। নির্ভর করছে পোস্ট পরবর্তী আলোচনার উপর – যদি আদৌ তা হয়। তবে কম বেশি আমরা সবাই যেহেতু এই দ্বন্ধের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছি তাই মনে হয় বিষয়টা নিয়ে সবারই কিছু না কিছু ভাবনা রয়েছে – হয়তো তা এখনও ভাসা ভাসা যা ভাষা খুঁজে বেরাচ্ছে।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ১৫তম পর্ব

২০০৩ সালের ২৩শে ডিসেম্বর, কিছুদিন আগে বিজয় দিবস হয়ে গেছে কিন্তু মন থেকে সেই স্মৃতি বা চেতনা তখনো যায়নি। তাই সেদিন বসে গিয়েছিলাম কবিতা লিখতে। কবিতা লেখার কোন জ্ঞান আমার ছিল না। মন থেকে যা ভাল মনে হয়েছিল তা দিয়ে ছন্দ মেলানোর একটা চেষ্টা করেছিলাম আরকি। যাইহোক আমার কবিতার ভুলগুলোকে পাঠকরা দয়া করে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। তো কবিতাটা ছিল এমন………………

বিস্তারিত»