ফজরের আজান শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায় কাশেম আলীর। অযু করে নামায পড়ে সে। পাশে শুয়ে অঘোরে ঘুমাচ্ছে তার স্ত্রী আর চারটি ছেলেমেয়ে। কাশেম আলীর তিনটি মেয়ে আর একটি ছেলে। বড় মেয়েটির বয়স সতেরো, ছেলে মানিকের এগার আর বাকি দুই জমজ মেয়ের বয়স সাত বছর। নামায শেষে ডেকে তোলে তার স্ত্রীকে। বলে, “খাইতে দেও, আর মানিকরে ডাইকা তোল”।
ছেলেটির গায়ে ধাক্কা দিয়ে ডেকে তোলে তার মা।
বিস্তারিত»