বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড : ইসলাম কী বলে
সম্প্রতি বিশ্বজিৎ দাসের হত্যাকান্ড প্রতিটি বিবেকবান মানুষের অন্তরে দাগ কেটে গেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানী শহরে অসংখ্য চোখ ও ক্যামেরার সামনে একজন বনী আদমকে কুপিয়ে কুপিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত করার এ ঘটনাকে হত্যাকান্ড না বলে মানব হত্যার প্রদর্শনী বললেই বেশি মানানসই হবে। এ নৃশংস পৈশাচিক কান্ড ইসলামপূর্ব জাহিলিয়াত তথা অন্ধকার যুগের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
বিশ্বজিৎ দাসকে হত্যা করা হয়েছে প্রায় কয়েক সপ্তাহ হতে চললো (০৯/১২/১২)।
বিস্তারিত»একটি নিঃস্বার্থ মৃত্যু এবং আমার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ
আমার জীবনের প্রথম লেখা, সত্য একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করছি। এখানে কোনোকিছুই কাল্পনিক অথবা অতিরঞ্জিত নয়।
একটি বিষয়ে প্রথমেই বলে রাখা দরকার, বিষয়টি হচ্ছে – লেখার ভিতরে হয়তো অনেক ভুল পাবেন, আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। লেখাটি আমার খুব প্রিয় বন্ধু জহির কে নিয়ে।
২১মে, ১৯৯২, চট্টগ্রাম
আমরা ৫৬ জন ১১-১২ বছর বয়সী দুরন্ত ছেলে এক অচেনা জায়গায় একত্রিত হলাম।
স্বপ্নের দোষ
লেখার স্থান, কাল,পাত্র সবই কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে মিলে গেলেও যেতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে লেখক দায়ী নয়।
কিছু একটা মাথার মধ্যে জটলা পেকে আছে হাযম সাহেবের, আস্বাভাবিক ভাবে ঘুম ভেঙ্গে গছে।বাইরে আলো ফুটতে শুরু করেছে কেবল।অনেক দিন ধরেই এই ভোর হওয়া দেখছেন, একটা সময় খুব ভাল লাগত। এখন আর ভাল লাগে না। ভাল লাগাটা চলে গেছে ’৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে পাকিস্তানের সূর্যোদয় দেখতেন তিনি,
বিস্তারিত»যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তুরস্কের মামাবাড়ির আবদার
২০০৯ সালে তুরস্ক সরকারের স্কলারশিপ পেয়ে তুরস্কে আসা। এর পর দেখতে দেখতে কখন যে তিনটা বছর কেটে গেলো টেরই পেলাম না।গত তিন বছরে অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে,চোখের সামনেই ঘটে গেছে অনেক আজব আজব ঘটনা।সেই ঘটনাগুলো লিখতে বসিনি কারণ এটি কোন দিনপঞ্জিকা নয়।আমার এই লেখার বিষয়বস্তু হলো তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লাহ গুল এর লেখা একটি চিঠি।এতদিনে হয়তো সবাই জানেন সেই চিঠির কথা।যেই চিঠিতে গুল সাহেব গোলাম আযম কে ফাঁসি না দেয়ার আবদার করেছেন।এই আবদারকে আমার মামাবাড়ির আবদার বলেই মনে হয়।তার চিঠির পর আবার একদল টার্কিশ নাগরিক ‘’অন অ্যারাইভাল’’ ভিসার সুযোগ নিয়ে তাদের লম্বা নাকগুলো গলিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।
বিস্তারিত»মিউজক ব্লগ-৬: গ্রামি এওয়ার্ড ২০১৩ অনুষ্ঠানের টিকেট বিনামুল্যে জিতে নিন!
আসন্ন ফেব্রুয়ারী ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গানের জগতের সেরা পুরস্কার গ্রামি এওয়ার্ডস ২০১৩।
কিন্তু এর আগে হয়ে গেল নোমিনেশন বা মনোনয়ন। ৫৫তম এই অনুষ্ঠানটি সাজাতে অনেক কিছুই করা হচ্ছে।
যেমন রেকর্ডিং একাডেমি (এটা গ্র্যামি ফাউন্ডেশন ও মিউজিকেয়ার নামের সংস্থা মিলিয়ে একটা চ্যারিটি আর ডিস্ট্রিবিউসন করার কোম্পানিও বটে) বের করতে যাচ্ছে মনোনীতদের নিয়ে একটি গানের সিডি।
বিস্তারিত»ডায়রি
ডায়রি
১৫ডিসেম্বার ২০১২
সবাই বলে –আমি না’কি ঠিক আমার বাবার মত।সেই নাক,সেই চোখ,সেই চেহারা।আমি আবার এত কিছু বুঝি না।জমজ ভাইবোনদের ভেতরই আমি মিল পাই না,আর তো বাপ-ছেলে!কিন্তু বাবার সাথে আমার মিল আছে।স্বভাবের মিল,অভ্যাসের মিল; তাও আবার যে-সে অভ্যাস ন্য।ডায়রি লেখার অভ্যাসের মিল।বাবা প্রচুর ডায়রি লিখতেন যেই অভ্যাস পৈতৃক সূত্রে আমার পাওয়া।বাবা সেগুলো রেখেও গেছেন আমার জন্য,কিন্তু সেগুলো পড়া বারন আমার।বাবা না’কি ফুফুকে বলে গিয়েছিলেন ২০ বছর হবার আগে যেন কোনভাবেই সেইগুলো আমাকে পড়তে দেওয়া না হয়।না আমার বাবা কোথাও ঘুরতে যান নি,আমাদের ছেড়ে পালিয়েও যাননি।উনি আর নেই।ঢাকা ভার্সিটির টিচার ছিলেন,
“Eating Haram Getting Fat”
ফেসবুকের এক্স-ক্যাডেট ফোরামে Megamind Habib এর দেয়া পোস্ট টা ছিল
{ “যে ছেলের হাতের লেখা খারাপ তার চরিত্র খারাপ আর যে ছেলে বাংলা বানান জানেনা তার রক্তে বিষ! ” – কিরণ কুমার মণ্ডল স্যার ! 😀 😀 😀 }
তার নিচে সবার কমেন্টস থেকে কয়েকটা ঘটনা এক করে একটা পোস্ট বানাইয়া ফেলসি। যে যেটা লিখছে নাম সহ দিয়া দিছি।
বিস্তারিত»দুঃস্বপ্ন
সবইতো সরলরেখা ছিল
অথচ প্রতিনিয়ত কত কি ভাবি ;
চারদিকে অসভ্যতার মাত্রা বেড়েই চলেছে
মাঝে মাঝে নিজেকেও অসভ্য বোধ হয়
কখনো কখনো মনে হয় আমি বোধ হয় মানুষ নই।
মানুষ হলে
শকুনের যৌনাঙ্গ খুবলে খাওয়ার গল্প
কিভাবে এতো নিরুত্তাপ হয়ে শুনি ?
মসজিদ মন্দির আর গির্জায় একাকার সমাজ
তারপরেও প্রশ্ন জাগে
প্রভাতে কেন দেখি শিরোনাম
হিংস্র পিশাচ মানুষ যম
ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দরতম ।
আমার পঞ্চসত্ত্বা
আমার পাঁচটি ইন্দ্রিয় বহুদিন ধরেই অক্ষম
আমার দৃষ্টি,আমার শ্রবণ,আমার স্পর্শ,
আমার স্বাদ,আমার ঘ্রাণেরা সহস্র শতাব্দী ধরে বিমর্ষ।
যেদিন আমায় প্রথম কবিতা শুনিয়েছিলে
সেদিন থেকেই আমি বধির। তারপর কত তানসেনের গান,
রবিশঙ্করের সেতার,টিনের চালে বৃষ্টি,চুড়ির টুং টাং।কেউই
কাঁপাতে পারেনি আমার বধির কানের পর্দা।
একবার তোমার কাঁধে পড়ে থাকা নাতিদীর্ঘ ভেজা চুলে
নাক ডুবিয়েছিলাম।তারপর কি যে হলো আমার ?
নির্বাসনের কবিতা
১.
তেতুল বনে উঠবে জোছনা
তিতলী তুমি থাকবে কি?
মধ্য রাতে দূরের পথে হাতটি ধরে হাঁটবে কি?
নিঃসীম রাতের নিরবতায় একটি কথা বলবে কি?
ছন্নছাড়া বিষন্নতায় মনের সাথে চলবে কি?
জোছনা থাকে মুখ লুকিয়ে চাঁদের চোখে দেখো
তিতলী তুমি অন্য আকাশ,
আমায় পাশে রেখো
২.
মানবী তোমার মুখে ঢেলে দেব বিষ
মানবী ঈশারায় দাও যদি শিস
মানবী তোমার খুনে রাঙাবো এ হাত
মানবী তোমার মনে হোক বজ্রপাত
মানবী তোমাকে চাওয়া সুবিশাল পাপ
মানবী তোমাকে তাই দেই অভিশাপ
মানবী হবেনা সুখী,কেঁদে যাবে বেলা
মানবী আমাকে যদি করো অবহেলা
মানবী তোমার মন ভেঙে যাক ঝরে
আশ্রয় খুঁজবে তখন আমার ই ঘরে.
ভালবাসি ৫৫
(গত ২০ ডিসেম্বর ছিল আমাদের পাসিং আউট প্যারেডের ছয় বছর পূর্তি।বন্ধু তোদের অনেক মিস করছি)
BMA তে জয়েন করেছিলাম ১১ জানুয়ারি,২০০৫ –দিনটা সবসময় খেয়াল থাকেনা।তবে ঘটনাগুলা ভালই মনে আছে।এয়ারপোরট রেল স্টেশন থেকে পারিবারিক বিদায়।সম্ভবত শারেক আমাদের একটা বিশাল গ্রুপের জন্য কয়েকটা বগি ম্যানেজ করেছিল।আমার ঠিক খেয়াল নাই-অনেক ভায়া হয়ে টাকা জমা দিয়েছিলাম কিনা।সেদিন শৈত্যপ্রবাহ ছিল-তার পরও জার্নিটা খারাপ লাগেনি।জীবনের প্রথম ট্রেন জার্নি বলে কথা।তাও আবার A REAL JOURNEY TO HELL………।
বিস্তারিত»স্বপ্ন বদল
একে একে প্রায় সবার নাম, স্কুল আর লক্ষ্য জানা গেল। সমাজে আদৃত কোন পেশাই বাদ পড়ল না এবং সেই সাথে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকারও সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হোল । বড় শহরের নামজাদা স্কুল থেকে মফস্বল বা গণ্ডগ্রামের অপরিচিত স্কুলের কিশোরদের স্বপ্নিল চোখের ঝিলিক দেখে ফর্ম মাস্টার আপ্লুত। এমন স্বপ্নময় পরিবেশেও আমি ঘামতে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে আমার পালা এগিয়ে আসছে, আতংকে আমার গলা শুকিয়ে আসছে।
বিস্তারিত»তারুণ্যের প্রচেষ্টাকে যারা স্বাগত জানাত চান, তাদেরকে স্বাগতম ( বইমেলার জন্য লেখা আহ্বান)
একটি লিটল ম্যাক’এর জন্য কিছু থিম বেইজড কবিতা, ছড়া, অনুকাব্য, ছোটগল্প (ওয়ার্ড লিমিট সর্বোচ্চ ৮০০-১২০০), রম্য, প্রবন্ধ-নিবন্ধ (সর্বোচ্চ শব্দসীমা ৮০০-১৫০০), সাহিত্য পর্যালোচনা, প্রভৃতি লেখা আহ্বান করা হচ্ছে। এসব লেখা দিয়েই সাজানো হবে প্রথম সংখ্যা। বইমেলা থেকেই যাত্রা শুরু। ১৫ জানুয়ারীর ভিতরে মেইল করে লেখা পাঠাতে পারেন। লেখা পাঠাবার ঠিকানা, paglaraza@gmail.com. ব্যক্তিগত যোগাযোগ- আলীম হায়দার, ০১৭১৭-৫২২২০৬।
ইচ্ছুক এবং আগ্রহী ব্যক্তিরা লেখা দিবেন আশা করি।
বিস্তারিত»একটা বড় মাঠ কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ
আমি যেই বছরে হই সেই বছরে আমাদের পরিবারের ক্যাডেট কলেজ যাত্রা শুরু বলা যায় বড় আপু ক্যাডেট কলেজে চান্স পেল।এর পর মেজ আপু written এ হল পরে ভাইভা তে বাদ পরে। এক সময় আমার পালা আসলো আমার চার পাশে যে ক্যাডেট দের চিনতাম তারা ছিল FCC এর অনেক গল্প শুনতাম তাই FCC এর দিকে একটা টান ছিল।আর বাড়ি বরিশাল তাই ভাবতাম হয়তো BCC তে পরীক্ষা দেওয়া হবে কিন্তু আব্বা ঠিক করলেন MCC একটু মনঃক্ষুণ্ণ হইসিলাম ।
বিস্তারিত»