ক্রিং ক্রিং। একঘেয়ে শব্দে বেজে চলেছে ফোনটা। চোখ কচলিয়ে পাশ ফেরে ফারহান। দেয়ালের রেডিয়াম ঘড়িটা সময় জানান দিচ্ছে রাত দুটা বেজে সাত। ধুর! কোন বলদ এত রাতে ফোন দিয়েছে?
দেশের মানুষের কি কাজকর্ম নেই নাকি?ভাবতেই মেজাজটা খিঁচ খেয়ে যায় ওর।
মোবাইল স্ক্রিনে আননোন একটা নাম্বার।
আইজ খাইসি তোরে। বিড় বিড় করে ফোনটা রিসিভ করে সে।
-হ্যালো, স্লামালিকুম। কে বলছেন?
–
একজন এক্স ক্যাডেটের জীবন ঝুঁকিতে একটু প্রচেষ্টা পারে তাকে বাঁচাতে
![মুহিব বাঁচবেই</p><br /><br />
<p>বুয়েট- এর নেভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মুহিবুর রহমান @[1337011753:2048:Muhibbur Rahman] (২৫ তম ব্যাচ, ২০০২-২০০৮, পাবনা ক্যাডেট কলেজ)। সে আজ মরণব্যাধি `ANO-RECTAL CARCINOMA’ তে আক্রান্ত। এটি খুবই খারাপ ধরনের একটি কোলন ক্যান্সার।</p><br /><br />
<p>বর্তমানে সে ইউনাইটেড হাসপাতালে কোলন ও রেক্টাল সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহিদুল হক এর অধীনে চিকিৎসাধীন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যতদ্রুত সম্ভব তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন। এ চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হবে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। তার মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে এতো বড় ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব না।</p><br /><br />
<p>আমাদের প্রতিটি ছোট-বড় সাহায্যই পারে সদা হাস্যোজ্জ্বল ও প্রাণোচ্ছল মুহিবকে আবার বুয়েট ক্যাম্পাসে তার বন্ধুদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে।</p><br /><br />
<p>Bkash Account : 01816111200<br /><br /><br />
Trust Bank Ltd. : Nur Mohammad<br /><br /><br />
A/C No.- 0029-0310015861<br /><br /><br />
AB Bank Ltd. : Md. Mehedi Hasan<br /><br /><br />
A/C No.- 4026-384366-300<br /><br /><br />
Brac Bank Ltd. : Md. Hasan Mahmud<br /><br /><br />
A/C No.- 1532202001766001 </p><br /><br />
<p>বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন : ০১৮১৬১১১২০০ (নূর)<br /><br /><br />
০১৬৭৮৬১২১১৮ (আবিদ)<br /><br /><br />
০১৬৮৭৮৮৩৮৯৪ (মনির)](http://sphotos-c.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/s403x403/1003144_10201351450779296_881547598_n.jpg)
মুহিব বাঁচবেইবুয়েট- এর নেভাল আর্কিটেকচার এন্ড মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪র্থ বর্ষের মেধাবী ছাত্র মুহিবুর রহমান Muhibbur Rahman
(২৫ তম ব্যাচ, ২০০২-২০০৮, পাবনা ক্যাডেট কলেজ)। সে আজ মরণব্যাধি `ANO-RECTAL CARCINOMA’ তে আক্রান্ত। এটি খুবই খারাপ ধরনের একটি কোলন ক্যান্সার।বর্তমানে সে ইউনাইটেড হাসপাতালে কোলন ও রেক্টাল সার্জন অধ্যাপক ডা. জাহিদুল হক এর অধীনে চিকিৎসাধীন। তার উন্নত চিকিৎসার জন্য যতদ্রুত সম্ভব তাকে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
স্বপ্ন
জীবনে কখনো যা হয়নি আজ তাই হচ্ছে । মন হচ্ছে আমাদের কলেজের প্রিন্সিপ্যাল দেলওয়ার স্যার কে আজ পাইলে ঠ্যাং ভাইঙ্গা দিতাম ।
( ইনি দিলওয়ার নন )
এই লোকটা কলেজের ডিসিপ্লিন ঠিক রাখার জন্য যখন জরিমানার সিস্টেম চালু করলেন, সাথে সাথে আমার মতন যে ছেলেগুলা মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে কলেজে এসেছিল, তাদের আকাশে ওড়ার স্বপ্নের পাখাটাও কেটে দিলেন । শুধুমাত্র জরিমানা আর বাবার সেন্টিমেন্টের ওপর আঘাত বাঁচাতে কখনো কলেজ পালানো হয়নি ।
ধাক্কা!
১।
কেবিনের মধ্যে ঢুকে দেখি বাবা চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছেন, জেগে আছেন না ঘুমচ্ছেন- ঠিক বুঝতে পারলাম না। নার্স বেশ কয়েকবার আমাকে বলেছে বাবার সাথে বেশি কথা না বলতে। আমি আস্তে করে বাবার পাশের চেয়ারে গিয়ে বসলাম। সাথে সাথে বাবা চোখ খুলে তাকালেন।
-বাবা, এসেছিস।
-জ্বি, অফিস থেকে একটু আগেই বের হয়ে এলাম। ভাবলাম তোমার সাথে একটু বেশি সময় কাটাই…
ব্র্যান্ডেনবার্গে সেবাস্টিয়ান বাখের ভাবনাগুলো
ব্র্যান্ডেনবার্গের আকাশে তখনো সন্ধ্যা নামেনি।
শুনেছ কি ছুরিকাহত হয়েছে রংচটা বেহালাটা?
ওরা সবাই বলছে শেষবারের মত কেঁদেছে…অনেকক্ষণ।
আর সেইসাথে রক্তে লাল হলো আকাশ।
মৃদু বাতাস ভারী হলো স্বজন হারানো পিয়ানোর আহাজারিতে।
ঘরের কোণে কিছু বেহালার জটলায় মৃদু গুঞ্জন।
মূর্ছা যাচ্ছিল বাঁশি, আর তাকে শান্তনা দিতে চেলো
শূন্য দৃষ্টি মেলে জড়িয়ে ধরে আছে সেই শুরু থেকেই।
শুনলাম রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করবে তাকে?
বিচার
আর কত্তদিন থাকা লাগব এইহানে? পরথম পরথম হিসাব রাখতাম। এহন তো আর মনে থাকে না। কুন রুমে আছি? সারাডাদিন কাম করায়- মোড়া বানাও, খাওন রান্ধ, গাছে পানি দাও…।। কিয়ের লইগা যে আইছি তাও তো ভুইলা গেছি। ওহ! মনে হইছে, বউডারে মাইরা লাইল চেয়ারম্যানের পোলায় – কফিল্লায়। ঘাড়ে দিলাম এক কোপ পরের দিনই। ব্যাস কল্লাডা নাইমা গেল।
এইখানে নাকি অনেক বড় একজন মানুষ আইব?
বিস্তারিত»তারার পাশে তাঁরা
শাকুর মজিদ নামের সাথে পরিচয় নবম শ্রেণীতে। আমি তখন বরিশাল ক্যাডেট কলেজ এ পড়ি। হঠাত্ করে খবর পেলাম কেউ একজন ক্যাডেট কলেজের সপ্তম শ্রেণীর জীবনযাত্রা নিয়ে একটি বই লিখেছে। বই এর নাম,ক্লাস সেভেন ১৯৭৮। বইয়ের নাম শুনেই বুঝলাম যে বইটা লিখেছেন তিনি হয়তো ১৯৭৮ সালে ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণীতে ছিলেন। বই এর প্রতি আগ্রহ তৈরি হল। কারণ,আধাসামরিক এ কলেজের নিয়ম কানুন দেশের আর দশটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা।
বিস্তারিত»ICCLMM-2011:একটি অজানা ভালোলাগার গল্প(২য় পর্ব)
প্রতিযোগিতা থেকে বাসায় গিয়ে ধরলাম ঢাকার বাস। খোঁজ নিয়ে জেনেছি সে ঢাকায় থাকে। তাই অগত্যা কোন উপায় না দেখে আমার ছুটির শান্তি নষ্ট করে ছুতে গেলাম ঢাকা অভিমুখে। ঢাকায় থাকার অন্যান্য সহস্র সমস্যার মধ্যে প্রধান সমস্যা হল – ০১। সকালের অতি আদরের ঘুম বিসর্জন করা ও ০২। মিরপুর-১ থেকে ফার্মগেট গিয়ে পড়া। অবশ্য তাতেও রাজি শুধু যদি পূরণ হয় সে আশা যার জন্য এত জলাঞ্জলি,
বিস্তারিত»ICCLMM-2011:একটি অজানা ভালোলাগার গল্প(১ম পর্ব)
২৬ শে অক্টোবর,২০১১ ইং। ৩ মাসের সুদীর্ঘ প্রস্তুতি পর্ব শেষে ছাড়পত্র পেয়েছি এখানে আসার। কিন্তু বর্তমানে যে অবস্থায় আছি তা সহ্য করা দায়। ডিনারের আগে সর্ব সাকুল্যে ১২টা রবীন্দ্র সংগীত শুনতে হয়েছে। আসলে রবীন্দ্র সংগীত ভালো লাগেনা। তা নয়, বরং সবার গাইবার ঢংটা তো আর রবীন্দ্র সংগীতের সাথে যায়না তাই ভালো লাগে না। ডিনারের পর আবার ফিরে যেতে হলো বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা মিলনায়তনে, আন্তঃ ক্যাডেট কলেজ সাহিত্য ও সংগীত প্রতিযোগিতায় এবারের ইভেন্ট আধুনিক গান।
বিস্তারিত»মেয়েটিকে ভাল লাগে – ২য় ও শেষ পর্ব
এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছি ল্যাপটপের স্ক্রিনের দিকে। এটা আমার খুব পছন্দের বাজে অভ্যাস। গান থেমে গিয়েছে মনে হচ্ছে। নতুন কিছু শিল্পীর সঙ্গীত নিয়ে নাড়াচাড়া করছি ইদানীং। দ্য ওয়াটার বয়েজ নামের একটা নতুন ব্যান্ড পেলাম। বেহালা আর গীটার ডুকরে কান্নার মত সুর তোলে। মেলোডি গারডট – চমৎকার জ্যাজ গায় মেয়েটি। জন কোলট্রেন – স্যাক্সোফোনের পাগলামি। থেলোনিয়াস মঙ্ক – পিয়ানোর সাদাকালো শরীর নেচে বেড়ায় ৯/৮ মাত্রায়। মুঠোফোনটি হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম ক্ষুদেবার্তা গুলোর দিকে।
বিস্তারিত»কোটা এবং মেধার বিরোধ
সরকারি চাকরিতে মেধা এবং কোটার বিরোধ অনেকদিন ধরেই চলছিল। গতকাল বুধবার ১০ জুলাই, ২০১৩ তার একটা বিস্ফোরণ ঘটেছে। ৫৬ শতাংশ নানা ধরণের কোটার বাধায় অনেকে ভালো ফল করেও চাকরি পাচ্ছেন না। এটা দুঃখজনক। কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।
কিন্তু বিক্ষুব্ধরা ঢালাওভাবে কোটার বিরোধীতা করছে। যারা সব কোটা তুলে নেয়ার পক্ষে বলছেন, তারা দেশ-মানুষ সম্পর্কে কতোটা জানেন বুঝেন সে নিয়ে সন্দেহ আছে। এরা সরকারি চাকরিতে গিয়ে দেশ ও মানুষের কতোটা কল্যাণ চিন্তা করবেন সে নিয়ে প্রশ্ন তোলাই যায়।
বিস্তারিত»রেট্রো টু রামাদান – ১
ক) “নামায পারলো, সাহরী খালো। ভাইয়ো – নামায পারলো, সাহরী খালো।”
আমার কানে এখনো বেজে ওঠে সেই ভাঙ্গাচোরা বিহারী দারোয়ানটার কন্ঠ। সারা লালখানবাজার এলাকায় হয়ত একাই ডেকে ডেকে সবাইকে ওঠাতো। আমি তাকে কখনও দেখিনি। আমি শুধু তাকে শুনেছি। শুনেছি তার হাতের ঝুনঝুন লাঠির আওয়াজ – দুমদাম করে গেইটে বারি দিত। আর সবাইকে চেঁচিয়ে বলত –
“নামায পারলো, সাহরী খালো।
বিস্তারিত»মেয়েটিকে ভাল লাগে – ১ম পর্ব।
মেয়েটিকে দেখলেই ভাল লাগে। সারাক্ষণ হাসে। “মুখের মাংসপেশী অবশ হয়না?” জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছা হয়। ইদানিং বেশ কিছু পুরোন প্রিয় রোমান্টিক গান ভাল লাগছে। মেয়েটিকে ভাল লাগার সাথে সম্পর্ক আছে কিনা ধরতে পারছি না। লাস্যময়ী সুন্দরী যেকোন মেয়ে দেখেই তো ভাল লাগে। সেদিনের কমলাপুর রেলস্টেশানগামী ট্রেনে উঠার জন্য দৌড় দেয়া মেয়েটি। সেও তো ভাল লাগা তৈরী করেছিল। শাড়ি পরে এভাবে এর আগে কাউকে দৌড়াতে দেখিনি। বাতাসে ছড়িয়ে যাওয়া সুগন্ধী মিলিয়ে আসার আগ পর্যন্ত ভাল লাগা বজায় ছিল।
বিস্তারিত»আর্টেমিসিয়া ভালগারিস
সোহরাওয়ার্দী হাউসের পোর্চ এ বসে আছি। একটু আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। ভ্যাপসা একটা গরম পরেছিলো। এই গরমের সময় প্রেপ টাইমে অবস্থা ভয়ানক রকমের খারাপ হয়ে যায়। টাইয়ের নট লুজ করে বসলেও ঝামেলা ! স্যার এসে বারবার ডিস্টার্ব করে। ফ্যানের গরম বাতাস শরীর ও মনের উষ্ণতা আরো বাড়িয়ে দেয়। প্রেপ থেকে এসে লম্বা একটা শাওয়ার নিয়েছি। কালিয়াকৈরের ডিশ অপারেটর এর ওখানে কি একটা ঝামেলা হয়েছে নাকি শুনলাম।
বিস্তারিত»ছবি ব্লগ ৩ – গত এক বছরের মার্কিনি ফিরিস্তিঃ আন্তর্জাতিক বান্ধবীরা।
আমেরিকার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তজার্তিক ছাত্র নেই তা আমার জানা নেই। উপযুক্ত বেতনের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের শিক্ষা প্রদানের জন্য মার্কিনিরা বিখ্যাত। তবে বৃত্তিধারী ছাত্রের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। সেটা স্নাতোকোত্তর পর্যায়ে বেশী। অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী ও শীতল এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় বলে মিশিগান টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক ছাত্র অপেক্ষাকৃত কম। তারপরেও সংখ্যাটা একেবারে কম নয়। তবে আমার কাছে মার্কিনিরাও আন্তর্জাতিক। তাই আন্তর্জাতিক ছাত্রদের মাঝে যারা আমার পরিচিত তাদের নিয়েই আমার আজকের ফটোব্লগ।
বিস্তারিত»