সন্ধ্যা সন্ধ্যা বিষাদ বিষাদ

বিকেলের রোদ মিশেছে নীলের সাথে
কমলা আভায় ভরেছে আকাশ দূরে
পৃথিবীর পরে পড়েছে মেঘের ছায়া
বিদায় রাগিনী বাজিছে করুণ সুরে
দু হাত দিয়ে সরায়ে আচল খানি
তাকালো যুবক বধূর নম্র চোখে
কী দারুন ব্যথা বুকে জেগে উঠে দেখে
বিস্মিত আলো বালিকার চোখে মুখে
বিদায় নারী আমাদের পথচলা
শেষ হলো আজি সন্ধ্যার এই ক্ষণে
ফুলগুলো যবে উদ্যত হলো,হায়
ফুটবে এবার রজনীগন্ধা বনে
[ক্লাস নাইন টেনের ডায়েরীতে এই কোবতেটা ছিলো……একটু অসম্পূর্ণ মনে হয়…তাও এইসব সন্ধ্যাবেলায় কেম্নে কেম্নে জানি মনে পড়ে গেলো]

অদ্ভুত ফ্যান্টাসি গুলো
বাচ্চাকাল থেকেই এক একটা মানুষের একেক রকম ফ্যান্টাসি থাকে। এই ফ্যান্টাসি গুলো অনেকটা বাধাহীন বলগা হরিণের মতো। কোনো নিয়ম কানুনের তোয়াক্কা করে না। খুব ছোটবেলায় টাইটানিক দেখেছিলাম। একটা সিন আছে মুভিতে যে জ্যাক জাহাজের সামনে দাড়িয়ে খোলা সাগরের দিকে তাকিয়ে চিত্কার করে বলে,” আই এম দি কিং অফ দি ওয়ার্ল্ড” .. দৃশ্যটা কোনো এক অদ্ভুত কারনে আমার কচি মস্তিস্কে গেথে যায়। কালে কালে এটাই হয়ে যায় আমার ফ্যান্টাসি।
বিস্তারিত»অকম্মা সময়ে হুদাই প্রোডাকশন…
অলস সময় কাটছে…হিজিবিজি হিজিবিজি কবিতা…
(১)
যক্ষের ধনের মত যে শরীল আগলাইয়া রাখছি সে আমার নয়,
খাচা থেইকা পাখি ফুরুত দেয়, আটকাইতে পারি না।
মন থেইকা কাম, বাসনা দূর করতে আমার জান যায়, সামলাইতে পারি না,
দুরের মাঠে যে পলি পড়ে সেই পলি নিয়া কাদা মাখামাখি করি-
আমার উঠানের কাদা থিকথিক করে।
নতজানু হইয়া বইসা থাকি আধারের ভিতর জোনাকীর খেলা দেখার আশায়
প্রবল আগুনের লহরে আমার চোখ ঝলসাইয়া যায়,
আমরা আর হারিয়ে যেতে পারি না
“জল দেখলেই আর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারি না, আমাদের পকেটের দামী মুঠোফোন খানা যে ভিজে রদ্দি হয়ে যাবে। ইন্সট্যাগ্রামে না দেয়া পর্যন্ত অ্যাডভেঞ্চার গুলো আর সত্যি হচ্ছে না। সব কিছুই কেবল কতগুলো ঘটনা হয়ে আটকে থাকছে ফেসবুকে অথবা হ্যাশট্যাগ হয়ে টুইটারে। প্রযুক্তি আমাদের এই সব ছোটখাট রোমাঞ্চগুলোকে কেড়ে নিয়েছে আর প্রতিবার গুগল, চেক ইন দিয়ে সে ধ্বংসের পথটা আমরাই সুগম করে দিচ্ছি।”–কথাগুলো জেরেমি গ্লাস নামে এক ব্লগারের,কি সহজ অথচ নির্মম সত্যি।
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৮, ইসিসি (একটি স্বপ্ন)
নাহ, দুনিয়া জুড়ে প্রচুর গিয়াঞ্জাম। কালকে হঠাত সিসিবি এর এফবি পেজ এ একটা কমেন্ট দেখলাম। পুরানো দিনের কথা মনে করে আফসোস করা হইতেছে। আসলেই আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম। সারাদিন কমেন্ট র পোষ্টের বন্যা। এখন আর আগের সেই স্টার লেখকদের কাউকেই দেখি না। এমন কি আমাদের প্রিন্সিপাল স্যার ও অনেক বিজি। 🙁
কালকে কমেন্ট এ ফাইসা গেলাম। আবাহনীর আকাশ ( আবাহনী রে নিয়া আমিও খুব এ হতাশ এই সিজন এ) এর রিকোয়েস্ট একটা সেলোগ্রাফী হইলেও দেন।
বিস্তারিত»মেমোরি কার্ড
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর সবাই একাডেমির ওয়াশরুমকেই নিজেদের আড্ডাখানা মনে করতো। বোরিং মফিজ স্যারের ক্লাস কিংবা জহির স্যারের গাইড দেখে দেখে ম্যাথ করানোর টাইমটাতে ওয়াশরুমে আড্ডা কিংবা ফোনে গান শুনাটা সিনিয়র ক্যাডেটদের নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো। তাছাড়া ল্যাব পিরিয়ডে এবং প্রেপ টাইমেও ক্যাডেটদের বিনোদোন খুঁজে নেওয়ার একমাত্র স্থান ওই ওয়াশরুম। ফোনে গান শোনা কিংবা ফেসবুক গুতানোর জন্যে ওই জায়গাটা তুলনামূলকভাবে অনেক নিরাপদ। আমাদের একাডেমিতে সিনিয়র ব্লকে চার টা টয়লেটের মাঝে চার নাম্বার টয়লেটে কেউ কাজ সারতো না।
বিস্তারিত»সাভারনামা…
সাভারের ভবনধসের ঘটনা এখন পুরোনো হয়ে গেছে। আজ সেই সময় তোলা কিছু ছবি ফেবু’তে আপলোড করলাম। ছবি দেখে রাজীব ভাই/১৩তম বিসিসি; বললেন “সাভারের উদ্ধারকাজের উপরে একটা লেখা দে”! সাথে সাথে ফেবু বন্ধ করে সেই সময়কার কিছু স্মৃতি নিয়ে আজ লিখলাম। এক বসায় লিখেছি। ভুলভাল হতে পারে।
ভবন ধসে পড়ার পরপরই শাহবাগ গিয়ে রক্ত দিয়ে এসেছি। তবু কেমন যেন ছটফট করছিলাম। আরো কিছু করতে ইচ্ছা হচ্ছিলো।
বিস্তারিত»পাঙ্গালিস্ট
একাদশ শ্রেণীর মাঝামাঝি। উনত্রিশ তম ব্যাচের জুনিয়র প্রিফেক্টদের তখন জুনিয়র পাঙ্গানোর মসরুম চলিতেছে।
প্রেপ টাইমে জনৈক জুনিয়র প্রিফেক্টকে দেখিলাম কাগজ কলম নিয়ে একাগ্রচিত্তে কি-জানি লিখিতেছে। কৌতূহলবশতঃ কাছে গিয়া দেখিলাম সে লিখিতেছে—
পুশআপ————– ৫০ টি
লং আপ————– ১০ মিনিট
ফ্রন্টরোল—————২৫ টি
লকার স্টিকের বাড়ি—- ১২ টি
ইত্যাদি ইত্যাদি………
কারন জিজ্ঞাসা করিলাম।
উত্তরে সে বলিলো, ” জুনিয়র পাঙ্গাইতে গিয়ে ভুলিয়া যাই কি কি পানিশমেন্ট দিবো,
দৌড়…
১৭ জুন ছিল ৩৬ মির্জাপুরের তথা ইনটেক ১৯৯৮ এর জন্মদিন। ফেইসবুকে আড্ডার মাঝে অনেক স্মৃতিচারণ করা হয়েছে গতকাল। মাহমুদের (১৯২১) অনেক স্মৃতি খুব বিশদ ভাবে মনে থাকে। হয়তো বাকিদেরও মনে থাকে কিন্তু সবাই সব সময় মুখ খুলে না। মাহমুদ সুযোগ পেলেই পুরনো স্মৃতি নিয়ে ঘেঁটে বেড়ায়। কিছু স্মৃতি রোমন্থনের আশায় সবার পোস্ট ও স্ট্যাটাস ঘেঁটে দেখছিলাম। শাহরিয়ারের স্ট্যাটাসটা পড়ে ভালো লাগলো। অনেক কথা অনেক সময় গুছিয়ে বলা হয় না।
বিস্তারিত»সুপারম্যান: ম্যান অফ স্টিল
ম্যান অফ স্টিল !
দেখে আসলাম … প্রচন্ড আগ্রহ নিয়ে ওয়েট করছিলাম মুভিটার জন্য। তাই, একদম ফার্স্ট শো তেই দৌড় দিয়েছিলাম। এখন প্রশ্ন হলো , মুভিটা কেমন লাগলো? আমি সত্যি ই কনফিউজড … প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী ! সব টুকু কি পূরণ হলো?
ট্রেইলার দেখে আন্দাজ করেছিলাম যে মুভিটা “ব্যাটম্যান বিগেইনস” টাইপ হতে পারে। হ্যা, অনেকটা সেই আদলেই তৈরী করা হয়েছে । অবশ্যই দুটোর মাঝে অবভিয়াস কোনো মিল পাবেন না দেখতে বসলে।
প্লিজ ফিরে এস
আজ অনেক গুলো দিন পার হয়ে গেল তোমাকে দেখিনা। সময় এর হিসেবটা ঠিক বলতে পারছিনা। কখনও মনে হয় কয়েক বছর , কখনও কয়েক যুগ। আগে তোমার ছবি দেখে দেখে দিন কাটাতাম এখন তাও করা হয়না। তোমার সাথে আমার এত এত ছবি , সেগুলা দেখি আর খারাপ লাগে। ছবিগুলা দেখে যেভাবে আমি কষ্ট পাই তুমি কি পাও? মনে হয়না।
আমি জানি তুমি এখন অন্য কারও সাথে আছ,
বিস্তারিত»অসমাপ্ত…
ফজরের আজান শুনে ঘুম ভেঙ্গে যায় কাশেম আলীর। অযু করে নামায পড়ে সে। পাশে শুয়ে অঘোরে ঘুমাচ্ছে তার স্ত্রী আর চারটি ছেলেমেয়ে। কাশেম আলীর তিনটি মেয়ে আর একটি ছেলে। বড় মেয়েটির বয়স সতেরো, ছেলে মানিকের এগার আর বাকি দুই জমজ মেয়ের বয়স সাত বছর। নামায শেষে ডেকে তোলে তার স্ত্রীকে। বলে, “খাইতে দেও, আর মানিকরে ডাইকা তোল”।
ছেলেটির গায়ে ধাক্কা দিয়ে ডেকে তোলে তার মা।
বিস্তারিত»আমার ব্যাচমেট দের জানাই ঈদ মোবারক
নতুন জুতা (সাদা ও কালো), নতুন স্যান্ডেল(চামড়ার ও স্পঞ্জ), জুতার কালি(সাদা ও কালো), জুতার ব্রাশ…। লিস্টে এগুলা দেখে আমি ভাবতেছিলাম পড়তে যাচ্ছি নাকি জুতা পালিশ করা শিখতে আল্লাহই জানে। সুঁই থেকে শুরু করে আন্ডারওয়ার সব কিছু নতুন নিয়ে ২০ইঞ্চি ট্রাভেলীং ব্যাগের ওজন প্রায় এক মণের কিছু বেশী বানিয়ে ১৯৯৮ সালের এই দিনে বিকেল বেলা স্বেচ্ছায় গিয়ে জেল খানায় ঢুকলাম। ঐ দিন এই সময়ে (দুপুর বেলা) পাবনা শহরে বসে বিরীয়ানী খাচ্ছিলাম আর বাপের দিকে তাকাইয়া তাকাইয়া ভাবতেছিলাম একটা লোক কতখানি হারামী হলে নিজের এতটুকুন নিস্পাপ ছেলেকে এরকম করে বাসা থেকে দূরে পাঠিয়ে দিতে পারে।
বিস্তারিত»সমান্তরাল
কথা বলা ছাড়া অন্য কোনো কাজে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ব্যাপারটা আশরাফ সাহেব একদমই বোঝেন না। সবুজ বাটন চেপে কথা শুরু। আর লাল বাটন চেপে কথা শেষ। এর বাইরে মোবাইল ফোন বিষয়ে তার জ্ঞান ডাবল জিরো। তিন দশকের বেশি সময় ধরে সরকারি চাকরি করে অবসর নিয়ে এখন নামকরা প্রাইভেট কোম্পানিতে গুরুত্বপূর্ণ চেয়ারে বসে থাকা লোকটার ইংরেজি জ্ঞান খারাপ না। ছেলেরা ছোট থাকতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় গ্রামার বই নিয়ে বসতেন তিনি।
বিস্তারিত»