একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..

আমার ক্রাশ খাওয়ার হিস্টোরি বহুত বড়। জীবনে অনেক বার অনেক মেয়ের উপরে ক্রাশ খেয়েছি। সোজা বাংলায় “একতরফা প্রেমে পতিত” হয়েছি। আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে। না, পেট খারাপ হয় না; তবে কেমন একটা অজানা ভয়…… ভয় না ঠিক, কি একটা জড়তা কাজ করে।

আমার বেশ কিছু বন্ধু আছে যারা এই ব্যাপারে পুরো সিদ্ধহস্ত। তারা যখন অবলীলায় কোন  স্বল্প পরিচিত মেয়ের সাথে Flirting(এর সঠিক বাংলা আমি জানি না) শুরু করে দেয়, আমি অবাক হয়ে বেশ শ্রদ্ধার সাথে তাকিয়ে থাকি। মনে মনে ভাবি- “শালার মানুষ এত Boss হয় ক্যামনে?”

ক্যাডেট কলেজে থাকার সময় প্রেম করার চান্স পাইনাই। অল্প কয়েকদিনের ছুটিতে বাড়িতে আসতাম, কিভাবে কিভাবে ছুটি শেষ হয়ে যেত। ক্লাস ইলেভেনে এক ছুটিতে অপরিচিত এক মেয়ের সাথে মোবাইলে কথা হয় কয়েকদিন। কথা বলে ভালই লেগেছিল তখন। তবে মনে প্রেম বিষয়ক কোন কিছু জেগে ওঠার আগেই ছুটি শেষ। কলেজে এসে যে একবারও তার কথা ভাবি নাই, এটা বললে মিথ্যা হবে। কিন্তু, দুনিয়া বড় আজব। আমি ৩ মাস পর আবার ছুটিতে এসে শুনি ওই মেয়ের নাকি বিয়ে হয়ে গেছে! খুব বেশি কষ্ট লাগে নাই। কারণ তার সাথে আমার ওই রকম কিছু গড়ে ওঠার আগেই আমি কলেজে চলে গিয়েছিলাম। সেই কাহিনী ওখানেই শেষ। পরে অবশ্য কলেজে গিয়ে পোলাপানদের এই ঘটনা বলার পর ওরা আমাকে ছ্যাঁকা খোরদের তালিকায় ফেলে দিল। ফাজিল সবগুলো, আমাকে দেখলেই একেকজন গান শুরু করে দেয়-

“ভালবেসে গেলাম শুধু, ভালবাসা পেলাম না……”

কিংবা-

“পৃথিবীতে প্রেম বলে কিছু নেই… কিছু নেই…”

 

এরপরও যে কিছু হয়নি, তা নয়। ক্লাস টুয়েলভে মানে ইন্টার ২য় ইয়ারে পড়ার সময় এক মেয়েকে ভাল লেগে যায় খুব। আমি যোগাযোগ রাখি অনেকদিন। নিজের চেষ্টায় তার সাথে কথাবার্তা চলে প্রায় দেড় বছর। না, একটানা নয়। মাঝে মাঝে, অনেকদিন পর পর। মোবাইলে, খুব বেশি হলে ৪/৫ মিনিট করে। শেষের দিকে সেও আমার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। তার সাথে হয়তো কিছু একটা হতে পারতো, কিন্তু আমি নিজেই আস্তে আস্তে সরে চলে আসি। যাই হোক, সে গল্প অন্য আরেকদিনের জন্য রেখে দিলাম।

এরপর ভর্তি হলাম বুয়েটে। ভাবলাম, কলেজ লাইফ তো শেষ। এবার ভার্সিটি। মনে খালি এই রকম ভাব-

“প্রাইমারী শেষ করেছি, এবার আমি ক্লাস সিক্সে; রুখবে আমায় কে??”

সুতরাং প্রেম এবার একটা করতেই হবে। কিন্তু বাঁধ সাধলো আমার সেই পেটে মোচড়। মেয়েদের সাথে কথা বলতে গেলেই জড়তায় পেয়ে বসে। তাছাড়া নিজের ব্যাচের কোন মেয়েকেই ওরকম ভাল লাগলো না। তাই ঠিক করলাম, জুনিয়র নতুন ব্যাচ আসুক। এবার ঠিক ঠিক শুভ কাজটা সেরেই ফেলবো।

জুনিয়র ব্যাচ এসে গেল। আমি আমার মতই আছি। মুভি-সিরিয়াল দেখে, ঘুরাঘুরি করে আর আড্ডা মেরে আমার সময় ভালই কেটে যাচ্ছিল। কোন মেয়ে দেখে খোঁজখবর ও নেইনা। আসলে প্রেম বিষয়ে কেন জানি খুব বেশি আগ্রহ পাচ্ছিলাম না।

হঠাৎ একদিন!! সেদিন মনে হয় দুপুরে বৃষ্টি ছিল। দুপুরের শেষের দিকে বের হয়েছি হল থেকে। পেটের তাগিদে টিউশনিতে যাচ্ছিলাম। হল থেকে পলাশীর দিকে যাওয়ার সময় দেখি সামনে ছাতা মাথায় এক মেয়ে আসছে। মুখ দেখা যাচ্ছিল না। কি হল, কে জানে। সে আমার একদম সামনে এসেই ছাতা বন্ধ করে ফেললো। এরপর আমি যা দেখলাম, তা এখনো আমার চোখে লেগে আছে। অদ্ভুত সুন্দর এক মেয়ে। চোখে মুখে অপূর্ব মায়া। কয়েক সেকেন্ড এর জন্য দেখলাম মাত্র। তাতেই আমার পেটে মোচড় শুরু হয়ে গেল।

সে পাশ কাটিয়ে চলে গেল। কিন্তু আমি ওখানেই দাঁড়িয়ে আছি অনেকক্ষণ। মনের মধ্যে স্লো মোশনে গান বাজতে শুরু করলো। আমি কল্পনায় অনন্ত জলিলের “খোঁজ দ্যা সার্চ” সিনেমার দৃশ্য দেখতে লাগলাম। স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি অনন্তের জায়গায় আমি; আমার গায়ে নীল হাওয়াই শার্ট, সবগুলো বোতাম খোলা (আমার পেটের ছোট ভুঁড়িটা উধাও, তার বদলে সিক্স প্যাক)। নায়িকার জায়গায় ওই মেয়েটা, পড়নে লাল শাড়ি। আচল উড়িয়ে আমার দিকে দৌড়ে আসছে…… কাছে এসেই গান শুরু করে দিল-

“এতদিন কোথায় ছিলে……”।

আরেকটু হলেই গানের মধ্যে নাচানাচি শুরু করতে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ কানের কাছ দিয়ে পাশে কী যেন পড়লো। সম্বিত ফিরে পেলাম। উপরে তাকিয়ে দেখলাম, একটা কাক। আমাকে টার্গেট করে “পায়ুনির্গত মিসাইল” ছেড়েছিল। অল্পের জন্য বেঁচে গেছি। বুয়েটের আঁতেল ছাত্রদের মতই ক্যাম্পাসের কাক গুলোরও ভেক্টর-মেকানিক্সে অসাধারণ দক্ষতা আছে। সাধারণত এরা টার্গেট মিস করেনা। তবে এইটা মনে হয় আমার মতই ফাঁকিবাজ, অঙ্কে বড়ই দুর্বল।

কাকের কারণে বাস্তবে ফিরে এসে ভুলে গেলাম কোথায় যাচ্ছিলাম। আস্তে আস্তে মনে পড়লো টিউশনির কথা। গেলাম টিউশনিতে। সেখানেও এক ঘাপলা। ছাত্রীকে অঙ্ক করতে দিয়ে আবার মনে মনে সেই গান গাইতে লাগলাম। এবার অবশ্য হিন্দি গান-

“ইশক হুয়া হি হুয়া……”

সামনে নাস্তা রাখা। গান গাইতে গাইতে পানি মনে করে চায়ের কাপে বড় একটা চুমুক দিয়ে ফেলেছি। খাইছে রে!! পানি এত গরম ক্যান? গরম চা খেয়ে জিহ্বা পুড়িয়ে ফেললাম।

চা খেয়ে জিহ্বা পুড়িয়ে ফেললেও- ঠিক করলাম যে এবার কপাল পোড়ানো যাবেনা। এই মেয়ে কে, নাম-ধাম, কোন ডিপার্টমেন্টে পড়ে, সব জোগাড় করে ফেলতে হবে। মেয়েটার বয়ফ্রেন্ড থাকুক বা না থাকুক আমি হাল ছাড়বো না। কিন্তু বিষয়টা অত সহজ ছিল না। দুয়েকজন বন্ধুকে বললাম মেয়েটির কথা। বর্ণনা দিলাম চেহারার। কেউই চিনলো না। তবে বুঝতে পারলাম সে জুনিয়র ব্যাচের। এর মাঝে আরও কয়েকবার দেখলাম। আমার হলের সামনে দিয়ে সে ক্লাস করতে যায় ‘পুয়েটে’(বুয়েটের পলাশী ক্যাম্পাসকে আমরা আদর করে ‘পুয়েট’ বলে ডাকি, ওখানে শুধু EEE আর CSE এর ক্লাস হয় )। বুঝলাম, সে EEE বা CSE তে পড়ে।

একদিন সকাল ৮ টায় আমি ইলেক্ট্রিকাল ল্যাব করতে যাচ্ছিলাম পুয়েটে। চোখে ঘুম ঘুম ভাব, ঘোরের মধ্যে হাঁটছিলাম। হঠাৎ দেখি সে কোথা থেকে উদয় হল। সে ও পুয়েটেই যাচ্ছিল। আমি এক ঘোর থেকে আরেক ঘোরে পড়ে গেলাম। তার পিছে পিছে সম্মোহিতের মত চলতে লাগলাম।

দিনগুলো আমার আর কাটে না। সব কাজে কর্মে, বইয়ের পাতায়, ল্যাব রিপোর্টে তার মুখ ভাসে। আড্ডায় আর আমাকে পাওয়া যায় না। আমার ল্যাপটপ ভরা ইংলিশ মুভি বাদ দিয়ে আমি রোমান্টিক হিন্দি সিনেমা দেখা শুরু করলাম। মনের মধ্যে খালি “হাজার বছর ধরে” উপন্যাসের নায়ক মন্তুর সেই গানটা বেজে ওঠে-

                                    আশা ছিল মনে মনে,

                                  প্রেম করিব তোমার সনে।

                                   তোমায় নিয়া ঘর বাঁধিব-

                                       গহীন বালুচরে……

একদিন কথায় কথায় ডিপার্টমেন্টের বন্ধু CCR এর তানভীর কে জিজ্ঞাসা করলাম মেয়েটির কথা। বর্ণনা শোনার পর ও যা বলল তার চেয়ে আমার মাথায় লাঠি দিয়ে একটা বাড়ি দিলেও আমি এত আঘাত পেতাম না। সে জানালো যে, ওইটা নাকি আমাদের কয়েক বছরের সিনিয়র আপু। আমিতো স্তম্ভিত। এইডা ক্যামনে সম্ভব?? মনে আবারও গান বাজতে লাগলো……

“আমায় ভাসাইলি রে, আমায় ডুবাইলি রে……”

এরপর………

“নিঃস্ব করেছ আমায়, কী নিঠুর ছলনায়……”

নাম-ধাম, ডিপার্টমেন্ট সব বলল। আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। কিন্তু কী আর করা। হলে এসে ফেসবুকে ‘বুয়েটিয়ান’ গ্রুপে তার নাম লিখে সার্চ দিলাম। পেয়েও গেলাম। প্রোফাইলে ঢুকে দেখি আসলেই তানভীরের কথা ঠিক। উনি আমাদের কয়েক বছরের সিনিয়র। তবু আমি হঠাৎ বাংলার নায়ক শাকিব খানের সিনেমা “প্রেম মানেনা সিনিয়র-জুনিয়র” এই মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে তাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে দিলাম।

এরপর আমার অপেক্ষার পালা। ভাবলাম, এই রকম একটা সুন্দর আপু আমার মত কোথাকার এক হতচ্ছাড়া জুনিয়রের রিকুয়েস্ট একসেপ্ট কেন করবে? নিজেই নিজেকে বললাম- “পাগলা, ঘরে ফিরে যা। এইসব চিন্তা বাদ দিয়ে পলাশীতে গিয়ে কুত্তা হালিম আর পুড়ি খা”।

কিন্তু একি! এক ঘন্টা পরেই দেখি আপু আমার রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করেছেন। আমাকে আর পায় কে! খালি গায় লুঙ্গি পড়ে ছিলাম। ওই অবস্থাতেই “ঢিঙ্কা চিকা, ঢিঙ্কা চিকা” গান গাওয়া শুরু করে দিলাম। দেখি উনি অন-লাইনেই আছেন। প্রথমেই নক করে বলে ফেললাম- “আপু আমিতো আপনার উপরে ক্রাশ খাইছি”। জবাবে কিছু বলেন না। আবারও বললাম। এরপর দেখি উনি “দাঁত কেলিয়ে হাসার” একটা ইমো পাঠিয়েছেন। বুঝলাম, এই কথা তিনি এর আগে বহুবার শুনেছেন তাই কিছু মনেই করেন নি। তারপর আবার বললাম- “আসলে আমার মনে হয় এভাবে বলা ঠিক হয়নি, আপনি আমার রিকুয়েস্ট একসেপ্ট করেছেন সেই খুশিতে বলে ফেলেছি”। এবারও দেখি কিছু বলেন না। খালি “দাঁত কেলিয়ে হাসার” অনেকগুলো ইমো পাঠান। বুঝতে পারলাম তার দাঁত কেলানোর রোগ আছে।

এরপরের কাহিনী বেশি ঘটনা বহুল না। স্বাভাবিক, একদম স্বাভাবিক। না, আপনারা যে রকম ভাবছেন সে রকম কিছু হয়নি। আপুর সাথে মাঝে মাঝে চ্যাট হয় ফেসবুকে।  আমার পোস্ট, ব্লগ পড়েন, স্ট্যাটাসে লাইক দেন। আর কমেন্ট হিসেবে দেন “দাঁত কেলিয়ে হাসার” ইমো। সামনা-সামনি আমাকে কখনো দেখেননি। দেখলেও হয়তো চিনবেন না।

এতদিনে জেনে গেছি তার বাসা কোথায়, ভাইবোন কয়জন এবং তার বয়ফ্রেন্ড আছে। ভাইয়াও বুয়েটেই পড়েন। দুয়েকদিন দুজনকে দেখেছি ক্যাম্পাসে। দুইজনে মনে হয় ভালই আছেন।

হ্যাঁ, ভাল থাকুন তারা। সুখে থাকুন।

আর কী বলবো? হয়তো আপু এই পোস্ট পড়বেন। যদি পড়েন, তাহলে তাকে বলছি- “আপু, যাই হোক ভাল থাকবেন, সারাদিন দাঁত কেলিয়ে হাসবেন। আর আপনি সারাজীবন আমার কাছে ‘ভার্সিটির প্রথম ক্রাশ’ হিসেবেই থাকবেন”।

৩,৮০৫ বার দেখা হয়েছে

২৩ টি মন্তব্য : “একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..”

  1. তাওসীফ হামীম (০২-০৬)

    বুয়েটের এক মেয়ের সাথে পরিচয় হইছিল একটা অনুষ্ঠানে। শাড়ি পরে আসছিল, পেটের হালকা মেদ চিকচিক করছিল, কে বলে বুয়েটে রূপবতী নাই?


    চাঁদ ও আকাশের মতো আমরাও মিশে গিয়েছিলাম সবুজ গহীন অরণ্যে।

    জবাব দিন
  2. মামুনুর রশীদ খান(২০০১—২০০৭)

    চামে একটা বিজ্ঞাপন হয়ে গেল নাকি রে সামি?? 😀
    "আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে। না, পেট খারাপ হয় না; তবে কেমন একটা অজানা ভয়…… ভয় না ঠিক, কি একটা জড়তা কাজ করে।"

    আর flitting বাংলা হইল চাম মারা। 😀

    😀 😀 (আমিও দিলাম)


    ক্যাডেট রশীদ ২৪তম,প ক ক

    জবাব দিন
  3. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    লেখা ভাল কিন্তু শিরোনাম বিরক্তিকর। তাই একটূ দেরি করে পড়তে আসা। :clap:


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন
    • সামিউল(২০০৪-১০)

      সরি ভাই, 🙁
      আমি সবসময় লেখার শিরোনাম নিয়ে টেনশনে থাকি।
      কী বলতে গিয়ে যে কী বলে ফেলি তার ঠিক নাই।

      এরপর থেকে ইনশাআল্লাহ ভাল শিরোনাম দেয়ার চেষ্টা করবো।


      ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

      জবাব দিন
      • রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

        নাথিং সিরিয়াস।
        আমার কাছে ক্রাশ-টাস এই টাইপ শব্দ ছ্যাবলামি মনে হয়।
        হয়তো বয়স হইছে, জেনারেশন গ্যাপ। সো টেক ইট ইজি।

        আমরাও বড় আপাদের প্রেমে পড়তাম। ক্যান যে বড় আপারা বাড়াবাড়ি rokom সুন্দর হন!!!


        এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

        জবাব দিন
  4. সামিউল(২০০৪-১০)

    ভাই আপনারাই তো আমাদের শিখাবেন।নতুন নতুন. লিখি। আপ্নাদের. কাছ থেকে উপদেশ পেলে আর ও ভাল লিখবো ইনশাআল্লাহ।


    ... কে হায় হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে!

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।