পরীক্ষার কারনে কয়েকদিন হলে কাটিয়ে বাসায় ফিরে দেখি হুলস্থুল ব্যাপার। নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে- তাদের মাল-পত্র আনা নেয়া, লোকজনের হাঁকডাকে পুরো বাড়ি মাথায় উঠেছে। বাসায় ফিরে মা’কে খাবার দিতে বলে আমার ছোট বোন টুনিকে ডাক দিলাম। ওর নাম দিয়েছি আমি ‘এফ এম’, কলোনীর যে কোন ভাল-মন্দ খবর আমি সবসময় ওর কাছ থেকেই পাই।
-ভাইয়া, ডেকেছ? টুনি জিজ্ঞাসা করল।
-তোর রেডিও প্রোগ্রাম শুরু কর…
১.
তরুণ স্বামীর বাড়ি ফেরার পথ চেয়ে নববিবাহিতা তরুণী স্ত্রীর অপেক্ষার মতন দম আটকে আসা ভালোবাসার উদাহরণ পৃথিবীতে খুব কমই আছে। সংসারের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে ভালোবাসা, আরও নির্দিষ্ট করে যাকে এইমাত্র বলা হল দম আটকে আসা ভালোবাসা। কিন্তু একইসাথে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়তে থাকে নির্ভরতা আর অভ্যস্ততা, এককথায় যাকে বলে মায়া-মমতা।
২.
প্রায় রাতেই ঘুমের মাঝে শারমিনের গলা চেপে ধরে কেউ।
বাংলাদেশে সম্পূর্ণভাবে ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু হয়নি কিন্তু প্রাইম ব্যাংক প্রায় এর কাছাকাছি কিছু সুবিধা দিচ্ছে। আমি দেখেছি অনেকেই DBBL বা BRAC ব্যাংকিং করেন।DBBL এ নিজের নাম এ ২টা Account থাকলে একটা থেকে আরেকটা Accountএ টাকা পাঠানো যায় কিন্তু অন্যজনের DBBL Accountএ বা অন্য বেসরকারি ব্যাংক এ টাকা পাঠানো যায়না। BRAC ব্যাংক থেকেও এক Account থেকে BRAC ব্যাংকের অন্য Accountএ টাকা পাঠানো যায়(দিনে সর্বোচ্চ ১লাখ)কিন্তু BRAC ব্যাংক অন্য বেসরকারি ব্যাংক এ টাকা পাঠানো যায়না।
না সে খটখটে রোদ্দুর থেকে,
না কোন বজ্রঝরানো মেঘে চড়ে
এসেছিলি মোহন কালা
আমি তখন হাটে
আনাজ নিয়ে বসে।
পিরিতের ওল্টানো থালা
বলেছে, দ্যাখ্
ধুলোওড়ানো বাস
নিয়ে এলো
পরিপাটি সিঁথির
সুঠাম নাগর এক!
ও চুলের ক্লিপ
সুগন্ধি তেল
কাঁচুলির গোলাপী পলিথিন
যমুনায় ছুঁড়ে দে কালা,
আজ নয়
মোর ঠাঁয়ে চল –
আজ না হয় মনিটরেই
অবিরাম বৃষ্টি পড়ে যাক,
হেডফোনে মুহুর্মুহু বাজ!
ঘষা কাঁচ ভেবে
বিন্দু বিন্দু টলোমল
জল এসে
লেপ্টে যাবে,
সবকিছুকে ধুত্তোরি দেবার
আদেশ দিয়ে
এলোমেলো পায়ে
নেমে গেলে
কীবোর্ড
বেসামাল হবে
ভেতরঘর থেকে
উঠে আসা ভাপে,
গতজন্মের
হারানো মনস্তাপ
স্বপ্নের কথা ভেবে
পস্তাবে কেমন কে জানে!
নতুন ব্লগার হলাম তাই প্রথমইে ছোট একটা লেখা লিখেই শুরু করি।হঠাৎ করইে এই ব্লগের ঠিকানা পেলাম।ভাল লাগলো ক্যাডট কলজে সমন্ধে এরকম একটা ব্লগ পেয়ে।এখানে নিজের মতামত গুলো শেয়ার করা যাবে।অন্যের মতামতও গ্রহন করতে পারবো।এমনিতে আমি সামহোয়্যারইন ব্লগে লিখি।এখন থেকে এখানেও লিখবো আশাকরি।আপনারাও আমাকে সাহায্য করবেন আপনাদের চিন্তা ভাবনা গুলো দিয়ে।আমি রংপুর ক্যাডট কলেজ থেকে।সিরাজ জ-৭৬০।এখানে আমাদের মাহমুদ ভাইকে দেখলাম ব্লগ লিখতে।সবার সাথইে কথা হবে।ভাল থাকবনে সবাই।আবার দেখা হবে এই ব্লগে।আগাম ঈদের শুভেচ্ছা রইল।
কলেজের প্রথম দিন জড়সড় ভাবে বাতাসের সাথে মিশে থাকার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টায় নাজেহাল হচ্ছি। বাবা মায়ের বিদায়ের সময় ঘনিয়ে আসছে, অডিটোরিয়ামের কোনায় বসে নিজেকে আড়াল করে মায়ের আঁচল ভেজাচ্ছি।এভাবে কেঁদেও সুখ নেই! চারপাশে অনেকেই শরমের তোয়াক্কা না করে প্রাণ খুলে কাঁদছে।
এমন শোকসন্তপ্ত পরিবেশে উচ্ছল হাঁসির শব্দে চমকিত হয়ে অদূরে বসা ছেলেটিকে দেখলাম। আর সবার থেকে আধা হাত লম্বা, কাল লিকলিকে গড়নে জীবন্ত কংকাল।
রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ বাংলাদেশের ৪র্থ ক্যাডেট কলেজ।১৭৩৩ সালে বার্লিনে প্রথম ক্যাডেট স্কুল স্থাপন করেন জার্মান সামরিক শাসক দ্বিতীয় ফ্রেড্রিক উইলিয়াম। জার্মান সম্ভ্রান্ত জমিদার পরিবার (জাংকার) এর সন্তানরা যাতে বিদেশী সেনাবাহিনীতে যোগ না দেয় এবং একই সাথে জাংকারদের সমর্থন পাবার জন্য এই ক্যাডেট স্কুলের শুরু।পরবর্তীতে সম্রাট নেপোলিয়ান বোনাপার্ট ফ্রান্সে এই ব্যবস্থা চালু করেন।কিন্তু ক্যাডেট কলেজ শব্দটি প্রথম আসে জার্মানীর চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক এর সময়ে ।
আমায় বারুদ এর ভয় দেখিয়ে লাভ নেই
সভ্যতাকে পোড়াতে ,ছাই ভস্ম করতে যে হিংসার বারুদ ছড়ানো ছিটানো ছিল
আরব সাগরের পাড়ে, দজলা ফোরাতের তীরে
সেই বারুদ কে আমি পুড়িয়েছি নিজের হাতে নিজের মত করে আপন খেয়ালে আপন ধ্যানে
এক্টুও ভয় পাইনি
সুকান্তের দেশ্লাই দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছি লাখ লাখ টন বারুদ
আমাকে দাবানলের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি অনেক দাবানল দেখেছি
এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ,আফ্রিকা থেকে ইউরোপে
শীতল প্রশান্ত করে দিয়েছি সেইসব দাবানল কে
আমাকে আগুনের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
পুড়তে পুড়তে আমি নিজেই জ্বলে উঠেছি
পুড়িয়ে দিয়েছি চিতার আগুন কেও
আমাকে হিংসার ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হিংসাকে ভালোবেসে নিজেই কখন জানি হয়ে উঠেছি অহিংস
আমাকে মানুষের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি মানুষ খেকো মানুষ কে বধ করে অমানুষ কেও বানিয়েছি মানুষ
আমাকে হৃদয়ের ভয় দেখিয়ে কোন লাভ নেই
আমি হৃদয়ের পাথুরে জমিন খুড়ে
সে জমিনে ফুটিয়েছি ্লাল টুকটুকে রক্তগোলাপ
এখানকার এলাকাবাসীরা বেশীরভাগ ইউরোপীয় বংশোদ্ভূত। এদের বেশিরভাগ আমেরিকান নামের শেষে দাঁত ভাঙ্গা কোন ইউরোপীয় শেষ নাম থাকেই। আগেই বলেছিলাম ১৮৮৫ সালে মাইনিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। সেই সময় ফিনল্যান্ড, সুইডেন, পোল্যান্ড, থেকে প্রচুর শ্রমিক কাজ করতে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। যাই হোক পুরনো এই অধিবাসীরা পর্যন্ত এবারের শীতের উপর চটে গিয়েছিল। গত নভেম্বরে তুষার পড়া শুরু হয়ে সর্বশেষ তুষারপাত হয়েছে এই বছর মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত।
আমার বান্ধবীরা,যারা আত্মহত্যা করতে চায়,অথবা চায় না
সবাইকে নিয়ে এবার আটতলার ছাঁদে বেড়াতে এসেছি
নিচে কংক্রীটের কী মসৃণ মজবুত সারফেস!
সাথে ব্লেড,রশি,আর তিনশত ঘুমের বড়ি
এদের সবারই বয়ফ্রেন্ড ছিলো,প্রেমিক ছিলো না
যার যার কাজ শেষ করে সকলেই বাড়িতে গেছে গা ধুতে
শুধু মেয়েগুলো পড়েছিলো বিছানায়-
~একা,বিধ্বস্ত,আতঙ্কিত,লজ্জিত এবং একা~
অবশ্য শীৎকারে কেউ কার্পন্য করে নি
অন্তত বয়ফ্রেন্ডদের তাই মনে হয়েছিলো
(অবশ্য তাড়াহুড়োর মধ্যে কে শুনতে যায়)
আর আজকে যখন ছাদে নিয়ে এলাম
একজন বলছিলো,কেউ তো জানে না!