সক্রামক ব্যাধি নিয়ে কাজ করছি বেশ কিছুদিন হয়ে গেলো, এপিডেমিক হিস্টোরি বলে একটা টার্ম আছে, এর মানে হলো ডাক্তার রোগীর কাছে জিজ্ঞাসা করে কিছু গুরুত্বপূর্ন ক্ষেত্রের প্রশ্নের উত্তর জেনে নেবে। যেমন ধরা যাক রোগী ছয় মাস আগে ডেন্টিসের চেম্বারে দাঁতের চিকিৎসা করিয়েছে, আর এখন তার জন্ডিস হয়েছে, ডেনিস্ট এর যন্ত্রপাতির কারনে ডাক্তার এখন হেপাটাইটিস বি স্ক্রিনিং করাবে, কারন হেপাটাইটিস বি ভাইরাস মানুষের শরীরে চুপচাপ ছয় মাস পর্যন্ত বসে থাকতে পারে,
বিস্তারিত»ঢাকার রাস্তার সবচেয়ে বড় আতঙ্ক- হর্ন!
বর্তমানে ঢাকার রাস্তার সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম হর্ন। জ্যামে আমরা অভ্যস্ত (বাধ্য) হয়ে গেছি। ছিনতাই, রাহাজানি বা দুর্ঘটনা উপরওয়ালার হাতে ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু হর্নের কোন ব্যবস্থাই করা যাচ্ছে না।
অবশ্য, সেটা হবেই বা কিভাবে? আমাদের শ্রবণশক্তি তো আর রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব নয়! গবেষণায় দেখা গেছে শব্দের মাত্রা ২৫ ডেসিবল পর্যন্ত আমাদের শ্রবণযন্ত্রের জন্য স্বাভাবিক। এরচেয়ে বেশি হলেই শুরু হয় ঝামেলা।
কী কী ঝামেলা?
বিস্তারিত»প্রেম ভালবাসা ও সম্পর্ক নিয়ে কিছু টুকরো ভাবনা (প্রথম পর্ব)
এক
একবার প্রেমে পড়লে, শক্ত কোনো কারন ছাড়া, তা থেকে আর বেরুনো যায় না।
শুধু অস্বীকার করা যায়।
তবে এই অস্বীকার করাটা হয়ে দাঁড়ায় নিজের সাথে প্রতারনা করার সমতুল্য!!!
*****
দুই
সিরিয়াস বা ক্যাজুয়াল, যে নামেই একটি সম্পর্ককে ডাকা হোক না কেন, মূলতঃ তা একটি প্রেমের সম্পর্কই।
সম্পর্কটি স্থাপনের সময় সেটার পরিনতি সম্ভব কিনা অথবা সম্ভব হলেও তাকে পরিনতি দিতে সংশ্লিষ্টগন আগ্রহি কিনা –
সুকান্তর রূপান্তর
ফেসবুকে সুপারমুন ভাবালুতা দেখে প্রিয় কবি সুকান্তর কথা মনে পড়লো। তিনি এ যুগে জন্মালে কেমন লিখতেন ? হয়তো এমন…
Spaces between hungers
are filled with insanity
There is no rhythm
no melody or creativity
Poetry or sort of arts
are forced to hibernate.
Over the hunger fence
full moon appeared like
honeycombed butter munch.
টলমল জল মোতির মালা দুলিছে ঝালর –পলকে!!!
ফযরের আযান শুনে নীলার ঘুম ভাংলো। উঠি উঠি করেও অভ্যেস বশতঃ কিছুক্ষণ বিছানায় শুয়েই এপাশ ওপাশ করলো। তারপর গা ঝারা দিয়ে উঠে সে বিছানার পাশে দখিনের জানালার পর্দাটা সরিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ বাইরে তাকিয়ে থাকলো। দুই একজন মসজিদমুখী মুসল্লীর হেঁটে যাওয়া নির্বিকারভাবে তাকিয়ে দেখলো। জানালার কাঁচটা কিছুটা সরিয়ে দিয়ে নেটের ফ্রেমটা টেনে দিল। ঝিরঝিরে মৃদু সমীরণ শীতের আগমনী বার্তা জানান দিচ্ছিল। নীলা ওযু করে এসে ফ্যানটা অফ করে দিয়ে নামাযে দাঁড়াল।
বিস্তারিত»ছদ্ম প্রসন্নতা
করোটির ভেতরে রয়েছে এক বিষাদাশ্রম,
সেখানে গুমরে কাঁদে কত সব বিষাদের ছায়া।
অথচ মুখে আঁকা থাকে প্রসন্নতার সৌম্য ছবি
নিরন্তর বেদনার মাঝেও জ্বলে হাসির রবি।
এ কেমন বৈপরীত্য, হায়!
হৃদয়-করোটি জুড়ে থাকা এসব বিষন্নতা
বাহ্যিক হাসির আড়ালে সব ঢাকা পড়ে রয়!
বিষাদ বিভ্রমগুলো ক’জনাই বা দেখতে পায়?
কারো মুখে হাসি থাকা মানেই প্রসন্নতা নয়।
বিস্তারিত»আরও দু’টি কবিতা
এক – কেমন আছো
==============
(প্রত্যাহার করে নিলাম)
দুই – একজন সেলিব্রিটির সাক্ষাতকার
=====================
– চুম্বনে সাচ্ছন্দ্য, আলিঙ্গনে সাবলিল,
মিলনেও সানন্দ অংশগ্রহন তোমার।
অথচ, ভালবাসাবাসিতে? কেন এই
নিদারুন অনিহা? দুর্বার অনিচ্ছা??
– “ন্যাকামো সব”, বলেছিল সে,
“হাড়ে হাড়ে চেনা আছে যাবতিয়
প্রেমপ্রত্যাশিদের সব্বাইকে”।
জানলাম, পুরুষের ভালবাসা হলো
দখলে নেবার ছল।
মঁ ভেলো -১
মানুষের কতরকম শখ থাকে; কেউ ছবি আঁকে, কেউ গান গায়, কেউ গান শোনে। কেউ জিনিষপত্র জমায়, কেউ কেউ বিলায়ও। কেউ বাড়ি গাড়ি করে, কেউ করে শপিং! আমি ভালবাসি মানুষ, জীবন, গতিময়তা, অভিজ্ঞতা, মুহুর্ত। কংক্রিটের এই জঙ্গলে শুধুমাত্র টিকে থাকতে, টপকে উঠতে মানুষ যখন তার সবটুকু দিয়ে ছুটতে থাকে, আমার সেখানে এই ইঁদুর দৌড় থেকে দূরে, আরো দূরে চলে যেতে ইচ্ছে করে। আর তাই সুযোগ পেলেই আমি আমার প্রিয় বন্ধুটাকে নিয়ে বেড়িয়ে পড়ি,
বিস্তারিত»অ
ফ্যান্টাস্টিক বিস্ট এ্যান্ড হোয়ার টু ফাইন্ড দেম
বসুন্ধরা সিটির আট তলার ফুড কোর্টে বসে টুকটাক খাচ্ছিলাম আমি ও আমার বান্ধবী। বিভিন্ন কথার মাঝে হাসতে হাসতে জানালো গত বৃহস্পতিবার সপ্তাহান্তের বাড়ি যাবার সময় এবং আজকে ঢাকা আসবার সময় দুই বারই ট্রেনে ইভ টিজিং এর স্বীকার হয়েছে সে। মোটামুটি দুই বারই উত্তম জবাব দিয়ে থামিয়ে দিয়েছে দুই পশুকে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ভাল মতন ধরলে না কেন? উত্তরটা আসলে বাস্তব সম্মত। ভিক্টিম ব্লেমিং ও শেমিং করা সমাজে বেশী ধরার চেষ্টা করলে উল্টো বলবে হয়রানি করা হচ্ছে।
বিস্তারিত»একটি ছোটগল্প, অন্যটি চতুর্দশপদি
প্রেম বনাম ফ্লার্ট
অহন আমি জাইনা গেছি, তুমি তারে ঘেন্না করো
ক্যান? ক্যান বা তার কথাগুলান বিষের লাহান
ঠেকে তোমার কানে? বুঝো নাই, তোমারে সে যে বড়
বাইসাছিল ভালো। তোমার জন্য পর্বত-প্রমান
প্রেম সাজাইয়া, হাত মেইললা – বইসা ছিল সে,
অপেক্ষার প্রহর গ্যাছে, আর তার প্রেম বাড়ছে।
কিন্তু তুমি যে তাঁর কাছে প্রেম চাও নাই, সেইটা
সে জানতেও পারে নাই।
অজেয়
(উইলিয়াম আর্নেস্ট হেনলি রচিত এই কবিতাটা অনুবাদের আগ্রহ জাগে Invictus সিনেমাটি দেখার পর। মূল কবিতার স্বাদ অনুবাদে রইল কতটুকু তা নিয়ে যদিও সন্দিহান। )
কুমেরু থেকে সুমেরু নামছে রাত অবিরাম
সব ছেয়ে যায় নরকের আঁধারে
তারই গহ্বর হতে জপি ঈশ্বরের নাম
যিনি হয়তো দিয়েছেন অজেয় সত্তা আমারে।
দুঃসময়ের ছোবলে আহত হয়েছি বারবার
কিন্তু শিউরে উঠি নি আমি,
ভালবাসা একপলক
শেষ বিকাল
যখন সোনা রোদে পৃথিবী মায়াময়
পার্কের ভিতর দিয়ে হেঁটে চলা যুবক
এক টুকরা কাগজ কুড়িয়ে পায়।
কেউ ঝালমুড়ি খেয়ে ফেলে গেছে-
শিউলি ফুলে সাদা হয়ে আছে পথের পাশে ফুটপাথ
শৈশবের দিন মাখামাখি হয়ে আছে শিউলির সাথে
হৃদয়ের পটে আঁকা
স্মৃতির ভিতর যত্নে রাখা।
রুপালী আলোর জালে যেন জড়ানো আঁধার-
ফুলগুলো সে মাড়িয়ে যেতে পারে না
না পা ফেলা যায়
পাশ কাটানো ও দায়
এমনই তার টান!
সব ফিরিয়ে দিলাম
সেদিন অফিস বন্ধ ছিল আমার
সকাল থেকেই তুমুল বৃষ্টি
এমন দিনে মতিঝিল থেকে ফিরছিলাম সাভারের বাসায়।
.
বিআরটিসি’র ডাবলডেকার বাসের
দোতলার কয়েকটা জানালায় কাঁচ ছিল না
উপরে তাই যাত্রী ও ছিল কম
নাই বললেই চলত.. আমি একাই ছিলাম শুধু।
ভেজা সিটে বসতে অনীহায় নীচতলায় অনেক গাদাগাদি
তাই দেখে
দোতলায় ভাঙ্গা জানালা দিয়ে বৃষ্টি দেখে দেখে ভিজে চলেছিলাম।
যাবার বেলায়
আমার দুয়ারে শব্দেরা কড়া নাড়ে,
হিমেল বাতাসে কাঁপে সন্ধ্যার ছায়া
অস্ফুটে ডাকে ইশারায় চুপিসারে,
‘আয়, চলে যাই, ফেলে রেখে সব মায়া!
কোথায়, কখন, উড়ে যেতে হবে হুট—
ঝরা পাতাদের তা কি কভু জানা থাকে?
এই পড়ে থাকা, এই দেয়া কোন ছুট,
অচেনা পথের শীতার্ত বাঁকে বাঁকে!
কনীনিকা থেকে সব আলো মুছে ফেলে
হাতড়ে হাতড়ে গোধূলির পথ চলা,
