অন্যান্য দিনের মত সকালের দৌড়-ঝাপ শেষে বাসায় ফেরত এসে নাস্তা খেয়ে একটু ঝিমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় শাহরিয়ার (১৯৪৪ – মকক) এর ফোন। ধরার পরেই বলল,”অই কিবরিয়ারে স্ট্যাব করসে গাজীপুর স্টেশানে শুনছিস নাকি?! এখন ঢাকা সি,এম,এইচ এ আসে??!” বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠতে গিয়ে ব্যালান্স হারিয়ে পরে গেলাম। আরোও বলল প্রথম আলো দেখতে। বাসায় ছিল ডেইলি স্টার। চোখ বুলাতেই দেখি “গাজীপুর স্টেশানে ৪ বুয়েট ছাত্র ছুরিকাহত”।
বিস্তারিত»রাতচারণ

দুপুর নিয়ে আমার প্রবল উন্মাদনা আছে। উন্মাদনা, অর্থাৎ সাধারণ্যের সমাজ ও প্রথানিয়ন্ত্রিত আচরণের বাইরে আচরণ। আমি এমন করি, জেনেশুনেই বুক-পকেটে উন্মাদনাসমূহ লালন করি বিবিধ বিষয়ে। জাগতিক তাড়না দিয়ে যেগুলো ইস্যু আমার হিস্যা নিয়ে নেয়- অর্থ, চাকরি, খাওন-দাওন এগুলো আমাকে উন্মাদ করে না। আমি হিসেবি ও খেয়াল করে দেখি এটিএম বুথের ভেতরে ছক ছক নম্বরের জোরে আমার প্রাপ্য খটাখট আমার করতলে চলে আসে। পাতলা হয়ে থাকা ওয়ালেটের ভেতরে শৌখিন রোলার স্কেটিং করে নোটগুলো জমা পড়ে।
iTunes এ প্রথম বাংলা সিনেমা: ‘দ্বন্দ’ ইতিহাস তৈরী করল
লিখেছেন – বিপ্লব পাল, ভিন্নমত নিউজ নেটওয়ার্ক
লেখকের অনুমতিক্রমে ভিএনএন এর ওয়েবসাইট থেকে এখানে প্রকাশিত
অনেকেই ভাবছেন আই টিউনে বাংলা সিনেমা “দ্বন্দ” রেন্টে বা ডাউনলোড হিসাবে পাওয়া যাচ্ছে– এই ঘটনাকে কেন আমি ঐতিহাসিক বলছি? টরেন্ট সহ নানান ডাউনলোড সাইটে অমন শত শত বাংলা সিনেমা বেআইনি ভাবে ডাউনলোড করা যায়!

এতে নতুনত্বটা কি?
বিস্তারিত»নববর্ষ ‘৭১ – (ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-৩)
[আগের আধ্যায় – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা]
[আগের আধ্যায় – অজানা যাত্রা – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-২]
চরণ দ্বীপে আমরা আশ্রয় নিলাম মিলের এ্যাসিস্টান্ট লেবার অফিসার রহমান সাহেবের বাড়ীতে। যে বিষয়টি আমার বেশী চোখে পড়ল সেটি হচ্ছে, গ্রামের সাধারণ মানুষের সহজে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করা দেখে। আমি আগে কখনো গ্রামে বাস করিনি, এমনকি গ্রামের মানুষদের নিয়ে কখনো বেশী চিন্তাও করিনি।
বিস্তারিত»বউরে ডরায় না কেডা?
করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না?
প্রতিদিন এই আমি…
প্রতিদিন একটু একটু করে অনেকটুকু ঘুমাই
স্বপ্ন দেখিনা…
সারাখন বসে কেবলি ভাবনা বিলাস; কাব্য করিনা
প্রতিবার ভাবি ছেড়ে দেব, বদঅভ্যাস যত্তসব
ছেড়েও ছাড়িনা
একছুটে ঘর পেরিয়ে বারান্দায়, পালাতে চাই
গ্রিলের খাচায় আটকে রই…পথ যে অজানা
প্রতিদিন একটু একটু করে মুটিয়ে যাই,
হাটতে চাইনা
বড় হতে চাই, বুড়ো হতে চাই না ।
সিগারেট ছাইদানি ছেড়ে দেব সব…তবু ধোয়া বাড়ে
মৃত্যুঝুকি কমেনা
পথ পেরিয়ে পথে যাব ভাবি,
ধুর শালাহ, তুই ঠিক করিসনি…
ঠিক দুই বছর আগে শেষ চৈত্রের এই দিনেই বিদায় নিয়েছিল অনুপ…
কত অভিমানি বিদায় এই প্রাণের বন্ধুটার…কত এলো মেলো বিদায়…
বুঝিনি সে সবাইকে আর কতটা অবাক করতে চেয়েছিল
আজ শূণ্য কোলে কেমন আছে তার মমতাময়ী মা, গম্ভীর সরল বাবা বা
ছোট ভাইটার জ্বালাতনের অভাবে কেমন আছে দিদি আর
তার প্রিয় আশিশ পাগলা (বড় ভাইকে এমনই সম্বোধনে ডাকত সে)
জানা হয়নি।
সেলাই#৩
বিকেলের আলোমাখা টেবিলে আমরা দুজনে বসে
তোমার খয়েরি চোখের গাঢ় কাজল দেখলাম
চোখের পাঁপড়িগুলো নেই
(কেউ এসে তুলে নিয়ে গেছে)
ডান চোখের কিনার থেকে লাল ঠোঁটের প্রান্ত অবধি ছুরি দিয়ে চিরে দিয়েছে কেউ
ঠোঁট থেকে হাসির কিছু টুকরো কণা চোখের দিকে সিঁড়ি ভেঙে উঠে যাচ্ছে
তোমার কষ্ট লাগছে। তোমার ব্যথা লাগছে। তুমি হাসছো না। তুমি কাঁদছো না।
আসো আমরা এদিক-ওদিক তাকাই।
বিস্তারিত»৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৯ম পর্ব
কত যে মজার স্মৃতি কলেজে ঘটেছিল, তা লিখতে বসলেই কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখব ভেবে উঠতে পারি না। তাই আজকে মনে করলাম, যেহেতু কলেজ পালানোর স্মৃতিচারণ চলছে সেহেতু এই পর্বও কলেজ পালানো কে উৎসর্গ করি।
তখন আমরা একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেট। শিক্ষাসফর শেষ করে এসেছি মাসখানেক হয়েছে। সিগারেট ফুরিয়ে গেছে। অতএব কলেজ পালিয়ে সিগারেট আনতে হবে। তখন পালানোর ব্যাপারে কিছুটা কড়াকড়ি হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না যাওয়া উচিত হবে কিনা।
বিস্তারিত»কাল(সময়)
আমাদের স্কুলে যখন ক্লাশ থ্রীতে পরতাম তখনকার কথা।আমাদের বাংলা ক্লাশ নিতেন মামুন স্যার।তিনি বাংলা ব্যকরণ পরানোর দিনে এই জোকস টা বলেছিলেন।আমরা বেশ মজা পেয়েছিলাম।দেখি আপনারা মজা পান কিনা??(না পাইলে আমার কিছু করার নাই)
এক স্যার তার ক্লাশের ছাত্রদেরকে ক্রিয়ার কাল পরাবেন।তার আগে তিনি দেখতে চাইলেন কেউ এ বিষয়ে কিছু জানে কিনা।তাই তিনি জিজ্ঞেস করলেন , “কেউ কি বলতে পারবে কাল কত প্রকার?”
১ম ছাত্রঃস্যার কাল তিন প্রকার।
ফালতু কিছু প্যাঁচাল
আবার আসিলাম ফিরে এই ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর তিরে। গতবার যে পরিমান :frontroll: জমছিল সেটা শেষ করতে এত দিন সময় লেগে গেল। আল্লাহই জানেন এইবার কতগুলা দেয়া লাগবে। ব্যাপার না, সিনিয়র ভাইদের আদেশ ২টা না হয় বেশি দিব।
ফৌজে ১ মাস ছুটি কাটানোর সৌভাগ্য কয়জনের হইছে আমি জানি না, কিন্তু ছুটি কাটানোর আমি যা অর্জন করেছি সেটা হচেছ খানদানি একটা ভুড়ি। যাইহোক এই ব্যাচেলর জীবনে অন্তত একটা পার্টনার পাওয়া গেছে।
বিদ্যুত সমস্যা — আওয়ামীলীগ সরকারের দায় এড়ানো ও বিএনপি সরকারের দায়
দেশে না থেকেও বিদ্যুত সমস্যার ভোগান্তিটা ভালই বুঝতে পারছি । পেপারে টিভিতে বিদ্যুতের জন্য হাহাকার। আওমীলীগ সরকার ২০১৫ সালে ৯ হাজার মেগাওয়াত বিদ্যুতের প্রতিশ্রুতির মূলা ঝুলিয়ে রেখেছে সবার জন্য। সাথে সাথে এই মুহুর্তের ভোগান্তির জন্য সব দোষ বিএনপি র ঘাড়ে চাপিয়ে বসে আছে। আমরা কম বেশি সবাই জানি বিএনপি আমলে বিদ্যুত সেক্টরে লুটপাট হয়েছে । কিন্তু সত্যিকারের পরিসংখ্যান কি জানি ? আওয়ামীলীগের দাবিই বা কতখানি যুক্তিযুক্ত ?
বিস্তারিত»মুক্তিদাতা
ঘটনাটা স্মৃতির পাতায় এখনো রয়ে গেছে; যদিও বেশ আবছা। কলেজে পা রাখার পর দ্বিতীয় দিন। দুপুরে হারানো চুলের শোক বুকে চেপে ডাইনিং হল থেকে বেরুচ্ছি, হঠাৎ হুনাইন হাউসের সামনে বেঞ্চিতে বসে থাকা রেজওয়ান ভাই ডাক দিলেন, “এই পিচ্চি এদিকে আসো।” বেশ করুণ মুখে হাজির হলাম। চার-পাঁচ জন ক্লাস ইলেভেন বসে আছেন (উনারা পরের টার্মেই ক্লাশ টুয়েলভ হবেন)| দৌঁড়ে গিয়েই বুঝলাম ভুল করে ফেলেছি; আমার পাশেই ওমর হাঁটছিল,
বিস্তারিত»একটি হৃদয়স্পর্শী প্রেমের উপন্যাস (নাম খুঁজছি)
[ বখাটের দৌরাত্ম্যে কিশোরীর আত্মহত্যা – পত্রিকার এরকম দুঃখজনক সংবাদে ইচ্ছে হলো কিশোরী হয়ে আত্মহত্যার আগের মুহূর্তটিকে অনুভব করার। কেন অকাল মৃত্যু? কী তার প্রতিকার? ভাবনার ফলস্বরুপ এক উপন্যাসের প্লট মাথায় আসলো। জীবনের বিভিন্ন সময়টা দেখানোর জন্য উপন্যাসের সময়কালের পরিধিটা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। জানি না শেষ পর্যন্ত কী দাড়ায়।]
বার
ইচ্ছেটা অনেকদিনের। ছোট মামিকে নিয়ে ধর্মসাগরের পাড়ে বেরাতে যাব। আসলে ঠিক অনেকদিনের নয়,
বিস্তারিত»দ্যা গ্রেটেস্ট , মাই ওন স্টোরি- ৪+৫
সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধার আত্মজীবনী ‘দ্য গ্রেটেস্ট – মাই ওন স্টোরি’ । মোহাম্মদ আলীর জবানীতে লিখেছেন রিচার্ড ডারহাম।
‘কালের কন্ঠ’তে ধারাবাহিক ভাবে অনুবাদ করছি আমি। ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ, সেই প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে সিসিবিতে দেয়ার লোভটাও সামলানো গেল না! আজ দিচ্ছি ধারাবাহিকের পরের দুই পর্ব-
৪
অনেক দিন ধরেই এর উল্টোটাই দেখিয়েছি । ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জো ফ্রেজিয়ারের লেফট হুক যখন আমাকে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছিল তখনো তাদের এমন বুনো আনন্দ দেখিনি।