“বিয়ার বয়স হইছে তোমার”—-

ঘটনাটা কত সালের ভুলে গেছি…….

কোন একটা ইনটেকের ভাইয়ারা এক্সকারসন থেকে ফিরেছেন, উনারা কে কি উল্টাপাল্টা 😛 জিনিস নিয়া আসছেন হাউসে, তা চেক করার জন্য বিনা নোটিশে একরাতে ইন্সপেকশন শুরু হলো একেবারে প্রিন্সিপাল স্যারের নেতৃত্বে,কিন্তু এইবার একেবারে হাউস খালি করে আমাদের নামিয়ে আনা হলো নিচে……..আমাদের স্টাফরা বিভিন্ন আজব আজব জিনিস খুঁজে আনতে লাগলেন……..যেমনঃ ব্যক্তিগত পোষাক, বিশেষত হাফপ্যান্ট, মাল্টিকালার মোজা, পত্রিকা, মোমবাতি ইত্যাদি

কিন্তু ফাঁসলো মাত্রই ক্লাশ এইট পড়ুয়া একজন ক্যাডেট…….তার বোধহয় জীবনে তখন দুইটা প্রেমই ছিল,

বিস্তারিত»

জীবন তবুও অম্লান – (ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-৪)

[আগের আধ্যায় – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা]
[আগের আধ্যায় – অজানা যাত্রা – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-২]
[আগের আধ্যায় – নববর্ষ ‘৭১ – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-৩]

প্রায় এক মাস কেটে গেল আমাদের চট্টগ্রামের প্রত্যান্ত গ্রাম চরণ দ্বীপে বসবাস। এর মধ্যে আমাদের সাথে কোন আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের যোগাযোগ হয়নি। তারা কোথায়, কে কেমন আছে তাও জানিনা।

বিস্তারিত»

রাতলিপি ১

হঠাৎ করেই রাতজাগার সুযোগ পাওয়া গেছে। মানে সূয্যি মামা ওঠার আগে উঠবো আমি জেগের জীবন থেকে নিস্তার পেয়েছি কিছুদিনের জন্য, একটু বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা যায়। সে কারনে আমি মনের ইচ্ছা মত রাত জেগে যাচ্ছি। ভাবলাম এই সুযোগে একটু ব্লগর ব্লগর করা যাক।

রাত জাগার অভ্যাস আমার শুরু হয়েছিল যে বছর ক্যাডেট কলেজে চান্স পেলাম তখন থেকে, রেজাল্টের পরে কলেজে যাবার করার আগের সময়টাতে।

বিস্তারিত»

অভ্রের মেহদী

আমার বাসায় কম্পিউটার আসে ক্লাস ইলেভেনে। গেমস খেলে কীবোর্ড খড়ি। এরপর টুকটাক টাইপিং শেখা। ইংরেজিটা তো মুটামুটি হাতে এল মাগার বাংলা কিছুতেই বাগে আনতে পারি না। লিখতে গিয়ে ত খুঁজে পাইনা ঢ হারিয়ে গেছে দুনিয়া থেকে। ণ এর দেখা নাই। অনেক কষ্ট করে বিজয় শিখেছিলাম। এখনও কিছুটা মনে আছে সেদিনকে একটা সার্টিফিকেট টাইপ করতে গিয়ে। কিন্তু ই-কার টা চলে যায় পরে। আগে এ-কার দিতে ভুলে যাই।

বিস্তারিত»

অপরিচিতা(১ম পর্ব)

বাস রাত ১১ টায়।এখন বাজে ৯ টা।বাস ছাড়বে কলাবাগান থেকে।তার আগেই আমাদেরকে হল থেকে যেতে হবে।

আমি আরো অনেক আগে থেকেই রেডী হয়ে আছি।সুমন অবশ্য তার আগেও রেডী হয়ে বের হয়ে গেছে।আসাদ গেটে তার বউ আসবে।সেখান থেকে তাকে বাস কাউন্টারে নিয়ে আসার কথা।এতক্ষণে মনে হয় চলে এসেছে তারা।আমার নীলক্ষেত যেতে হবে তাই রেডী হয়েছি।আমার তো আর বউ নাই! একটা চিঠি কুরিয়ার করতে হবে।খুব প্রয়োজন,

বিস্তারিত»

অভ্র বিজয় লেআউট ব্যবহার করেছে এই মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে একটি পোস্ট

অভ্র নিয়ে মোস্তফা জব্বার কথা বলেছে জন্যে আল্টিমেটলি অনেক ভাল হয়েছে। এখন মানুষজন বিজয় নামক ভয়াবহ সফটওয়ারটি’র সম্পর্কে জানতে পারবে ও সেটি থেকে দূরে থাকবে।এবং একইসাথে জানতে পারবে ইন্টারনেটে বাংলা প্রসারের পিছনে কোন সফটওয়ারটির অবদান সবচেয়ে বেশী।

আমি দুপুরে একবার এই ব্লগে এসেছিলাম, তখন ফয়েজ ভাইয়ার লেখাটি দেখে আমি টেকি/নন-টেকি সবাইকে বিষয়টি সম্পর্কে জানানোর জন্যে একটা ব্লগ লিখেছি সচলায়তনে। আপনারা পড়তে পারেন:
অভ্রকে পাইরেটেড বলার কারণ বিশ্লেষণ ও একটি দাবী

এখন এখানে আমি ওখানকারই আমার করা একটা কমেন্ট ব্যাখ্যা করব।

বিস্তারিত»

ছারপোকা সমাচার-২

ছারপোকা সমাচার-১এর পর থেকে

…ঘটিতে থাকিল নানা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।ছারপোকা পিন্টুর জীবন অতিষ্ট করিয়া তুলিল।শুধু তারই না,সকলেরই।একদা এক হলমেট খাট পিছনের বারান্দায় লইয়া দাউ দাউ করিয়া আগুন ধরায় দিল আর তার পাশে দাঁড়াইয়া হা হা করিয়া হাসিতে লাগিল।নিন্দুকেরা রটাইল, ‘মাথা গিয়াছে!’ কিন্তু খাট আধপোড়া করিয়া সেদিন সে যে শান্তির ঘুম দিল তাহা দেখিয়া অনেকেই পরবর্তী এক সপ্তাহ ‘অগ্নিছ্যাঁকা’ দিয়া ছারপোকা তাড়াইল!কিন্তু এর কুফল পাওয়া গেল যেদিন একজন তার আধপোড়া খাট ভাঙ্গিয়া ভূপাতিত হইল!….খাট হইতে ছারপোকা হয়ত আগুন দিয়া তাড়ানো গেল,কিন্তু তাই বলিয়া কি আর টেবিল,চেয়ার,আলমারি পোড়ানো সম্ভব!…।তাই কেরোসিন অথবা মোমবাতি ক্রয় করিয়া কষ্ট করিয়া খাট পোড়ানোর তরিকা ধীরে ধীরে সবাই পরিহার করিল।।…..

বিস্তারিত»

বই: ‘The 100’ – ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যাক্তিত্বের Ranking.

এস্ট্রোফিজিসিস্ট মাইকেল এইচ হার্ট রচিত মূল The 100: The Most Influential Persons of the History বইটি ২০০৪ সালে পড়ার সুযোগ হয়েছিল। হার্ট সমগ্র মানব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যাক্তিত্বের Ranking করেছেন এই বইয়ে। পৃথিবীর ইতিহাসে ও মানুষের জীবনে যাদের প্রভাব সবচেয়ে বেশি তাদের ১০০ জন স্থান পেয়েছেন এই তালিকায়। বইটা পড়ে যতটা চমতকৃত হওয়ার তা তো হয়েছিই, একই সাথে ভেবেছি ভদ্রলোক এত কঠিন এক কাজে হাত দিতে সাহস পেলেন কি করে?

বিস্তারিত»

কৃতজ্ঞতাঃ অভ্র এবং মেহদীর কাছে

নানা কারনে ব্লগে আগের মত ঘন ঘন লিখতে পারিনা। তবে খুশির খবর হচ্ছে লেখালেখিকে লক্ষ্য বানিয়ে কর্মপদ্ধতি সাজিয়ে নিচ্ছি, যাতে মনের মত করে লিখতে পারি।

সবাই যে বয়সে কবি হয়, আমি সে বয়সে কবি ছিলাম, সবাই যে বয়সে রচনা প্রতিযোগীতা কিংবা রহস্য পত্রিকায় লেখা পাঠায়, যায় যায় দিনের বিশেষ সংখ্যায় লেখা পাঠিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুনে আমিও সেই বয়সে লিখতাম তাদের মত করে,

বিস্তারিত»

খেলা, খেলা এবং ……… খেলা

শনিবার আমার কাছে সাপ্তাহিক ঈদের দিনের মত, কলেজে যেমন ছিল বৃহঃস্পতিবার। কারন আর কিছুই না, বিকাল থেকেই খেলা আর খেলা, বিশেষ করে ফুটবল। আজকের শনিবারও ব্যতিক্রম না। এনসিএল এর খেলার কারনে আজকের ঈদ শুরু হয়েছিল সেই সকাল থেকেই।

এনসিএল টি২০ দেখে যাচ্ছি, তবে তেমন একটা মজা পাচ্ছি না, কারন ঢাকা ডায়নামাইটসকে সমর্থন দিলেও এখনো তেমন একটা প্যাশন তৈরী হয়নি। তবে ঢাকা যেভাবে সবাইকে উড়িয়ে দিতে সেমিফাইনালে উঠলো তাতে তারা যদি চ্যাম্পিয়ন না হতে পারে তাহলে সেটা হবে দুঃখজনক।

বিস্তারিত»

এলোমেলো রাজনৈতিক ছড়া- চার

[আলোচিত বিষয়ঃ লইয়্যার, বেতনভোগী ইমাম, গৃহকত্রী]


স্বর্গের দেয়ালে হলো যে এক ছিদ্র
মাসটা স্বর্গে তখন আশ্বিন, কি ভাদ্র।
স্বর্গের হাওয়া ঢোকে সেটা দিয়ে নরকে
নরকবাসীরা সে হাওয়া খায় দমকে।
তা দেখে স্বর্গবাসী বসালো সালিশ
ভগবানের কাছে দিল কঠিন নালিশ।

বিস্তারিত»

পুষ্প, বিহঙ্গ এবং বসন্তদিন

ক’দিন থেকেই মন ও তার কারখানার যাচ্ছেতাই অবস্থা। কিছুই ভাল লাগে না। সেমিষ্টার শেষ হইয়াও হইল না শেষ – ধরনের একটা অবস্থায় ঝুলছে। স্কুলে এখন সেমিষ্টার ফাইনাল। গমগম করা ল্যোব বিল্ডিং, ইউনিসেন্টার, অট্রিয়াম অনেকটাই ফাঁকা গড়ের মাঠ। টিমহর্টনস কিংবা ষ্টারবাকস কফিশপে লম্বা সেই একপ্রস্থ লাইন আর নেই। ফিল্ড হাউস, অ্যালামনাই হলসহ যেসব জায়গায় পরীক্ষা চলে, সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে চিন্তাক্লিষ্ট মুখ। কেউ কেউ নোটে বা বইয়ে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে শেষবারের মতো।

বিস্তারিত»

অজানা

আমি ধরিনি তোমার হাত
কিংবা ছুয়ে দেখিনি তোমার চুল,
আমি বসিও নি তোমার পাশে
ও চোখে চোখ রাখার সাহস আমার নেই ।
কখোনো হবেও বলে মনে হয় না !

বিস্তারিত»

হ্যাফির বাড্ডে

পরীক্ষা চলছে, তাই ব্লগেও উৎপাত করা হয় না সেভাবে। এরই মধ্যে খবর পেলাম বুয়েট ক্যান্টিনে নাকি আজকে বিশাল পার্টি হইছে। আয়োজকঃ জনাব পিন্টু ভাই। যদিও বহু গণ্যমান্যের উপস্থিতির কথা থাকলেও কেবল মাত্র ছোট্টবন্ধুদের ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। 😡 😡

বেশি কিছু লেখার সময় বের করতে পারছি না। তাই ক্ষুদ্র পোষ্টে একটা ঝটিকা শুভেচ্ছা জানিয়ে যাই, না হলে ঘন্টা চারেক পরেই এপোষ্টের টাইমিং নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বিস্তারিত»

ইট হ্যাপেন্‌ড ওয়ান নুন

মুহাম্মদ ইট হ্যাপেনড ওয়ান নাইট লেখার অনেক আগেই আমাকে জানান দিয়েছিলো তার জ্যোতির্বিদ হবার স্বপ্নের কথা। আইইউটির বোরিং বোরিং রাতগুলোর একটিতে আমি আর ও ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোর নীচে বসে জীবন নিয়ে চিন্তা করছিলাম- ঠিক তখনই। প্রকৌশলী থেকে কেউ পদার্থবিজ্ঞানী হতে চাইবে এটা আমার মতো প্রকৌশলীর ভাবনার অতীত কিন্তু মুহাম্মদ ভেবেছিল এবং আমরা সবাই জানতাম একবার যখন ভেবে ফেলেছে তখন ব্যাটা হয়েই যাবে।

ফোর্থ ইয়ারে আমরা প্রজেক্ট নিলাম জ্যোতিপদার্থবিজ্ঞানের উপর।

বিস্তারিত»