ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ১০ (ক্যাডেট কলেজ – শেষ পর্ব)

২১ জুন ২০০৪
৬ আষাঢ় ১৪১১
মাঝে অনেকদিন ডায়েরী লেখা হয়নি বা হয়েছে সেটা আমার আপাদত মাথাব্যথা নয়। কিন্তু আজকে এই মুহুর্তে কিছু না লিখলে ব্যাপারটাকে স্মৃতির খাতায় নাম লিখাতে পারব না। আর মাত্র কয়েকটি ঘন্টা বাকি আছে। সমাপনী দিবস বলা চলে। যেই সমাপ্তি অনেকের কাছেই কাম্য নয়, যেই সমাপ্তির কথা চিন্তা করে বিষন্ন রাত কাটিয়েছি আমি, আমার মত অনেকে, যেই সমাপ্তি আবার অনেকের কাছেই প্রাণের চেয়ে বেশী কাম্য।

বিস্তারিত»

সাবধান!!

আমি কিন্তু সব পারি
করতে পারি যে সব।
মুহুর্তে হতে পারে চুরি
তোমার-মনের গুপ্ত-অনুভব।

চিনি আমি সব-ই চিনি
তোমার মনের রাস্তা-ঘাট।

বিস্তারিত»

ছুটি

১২ ই জুন ১৯৯৯। প্রথম বার ছুটি কি তা সত্যি উপলব্ধি করি। আমাদের ফার্স্ট টার্মের প্রথম ছুটি ছিল সেটা। এর আগে স্কুল লাইফ এ পাওয়া সব ছুটির আনন্দ যেন উবে গিয়েছিল নিমিষেই। আর কখনও ঐ অনুভুতি ফিরে পাওয়াটা দুষ্কর হবে বলে ভেবেছিলাম। আমি জানি আমাদের সিংহভাগই কখনও আর সেই স্বাদ আস্বাদন করতে পারে নি।
অথচ ভাগ্যের চক্রে আমাদের মত গুটিকয়েক অসহায় প্রাণ এখনও ছুটির জন্য সেই একই ভাবে সীমাহীন আগ্রহে অপেক্ষা করে।

বিস্তারিত»

নামকরণ কষ্টকর

সিসিবিতে প্রথম না,কিন্তু আমি পাঠক থাকতেই বেশি পছন্দ করি।আজ মনটা খুব বিষন্ন হয়ে আছে তাই আমার প্রিয় মানুষগুলার সাথে বিষন্নতাটা ভাগ করলাম।আমার মন খারাপ করা লেখায় কারো মন খারাপ হয়ে গেলে আমি আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।প্রিয় মানুষগুলাকে একটুও হারাতে চাইনা……আরা হারাতে চাইনা।

জীবনের কতগুলা দিন পার হয়ে গেল। কতগুলা মানুষ এলো কতজন চলে গেল।যারা চলে গেল তারাকি সত্যি চলে গেছে? নাকি তারা নিজেদের এক একটি জায়গা পাকা পক্ত করে গেছে?মানুষ্কি সত্যি আর একটা মানুষের জীবন থেকে চলে যায়?মনে হয় যায়না।আমাদের প্রিয় মানুষগুলা কখনই চলে যায়না।

বিস্তারিত»

নয়া বান্ধা গরু (সাময়িক পোষ্ট)

এইটা মনে হয় জাতীয় কিংবা ক্যাডেটীয় বিবাহ মাস। একটার পর একটা বিয়ের না হলে সেমি-বিয়ের খবর পাচ্ছি। মাহমুদ ভাই আর আমিন ভাইয়ের পর পরই এবারে মঞ্চে নতুন নায়কের আবির্ভাব। আদনান ভাইকে তো সবার নিশ্চয় বেশ ভালোই মনে আছে। আরে হ্যাঁ, অসি-প্রবাসী সুদর্শন আদনান ভাইয়ের কথাই বলছি। এই লোকটাও অবশেষে জীবিতের তালিকা হতে নাম কাটিয়ে বিবাহিতের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেলতে যাচ্ছেন। সম্ভবত, আজকেই ঘটনা ঘটতে চলেছে।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৭

লোকে আমার নাম নিয়ে ঠাট্রা-মশকরা করে বেশ মজা পায়।আর প্রেমিকারা ও তা থেকে বাদ যাবে কেন? এ সুযোগ কি আর ওরা হাতছাড়া করে? আমার বাপজান কত শখ করে আয়োজন করে নাম রাখার জন্য লোকবল খাইয়েছে আর সেই নাম নিয়ে মশকরা !এতো হবেই কারণ উনি কি আর জানতেন,ভবিষ্যতে এই নামে রুপালী-পর্দা কাঁপানো এক নায়কের আবির্ভাব হবে,যার জনপ্রিয়তা নিম্ন-মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে এতটাই প্রবল হবে যাতে আমাদের মত ড্রইংরুমকেন্দ্রিক দর্শক তাতে নাক সিঁটকাবেন?

বিস্তারিত»

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ কোয়ার্টার ফাইনালঃ ফিক্সচার এবং প্রেডিকশন

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের ড্র ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে, যারা ফুটবল নিয়ে সামান্যতম খোঁজ খবর রাখেন তারা সবাই যেনে গিয়েছেন কে কবে কার সাথে খেলছে। তারপরও দেরিতে হলেও এই পোস্ট দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না এ নিয়ে কিছু ফুটবল প্যাচালের আশায়। প্রথমে ফিক্সচাররে একটু চোখ বুলিয়ে নেইঃ

1

বায়ার্ন মিউনিখ – ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড (৩০ মার্চ)
লিওঁ –

বিস্তারিত»

আমরা তিনজন এবং একটি রাত

মাস দেড়েক আগের কথা।

রাতে খেয়ে আমি সুমন আর মিলু যে যার মত পড়ছিলাম।সারাদিন প্রচুর খাটুনি ছিলো।ল্যাব আর ক্লাস।ঘুম ঘুম ভাব সবারই চোখে।তারপরেও কেন যেন ঘুম আসছিল না।তিন জন গল্প শুরু করলাম।যদি ঘুম আসে এই ইচ্ছায়।মিলু বোতল নিয়ে পানি আনতে গেল।আমি আর সুমন প্লান করলাম মিলু ফিরে আসার সময় ওকে দরজার পাশ থেকে ভয় দেখাব।তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়লাম আমরা ।মিলূ দরজা খুলতেই আমরা হো হো করে হেসে উঠি।কিন্তু মিলুর কোন ভাবান্তর হল না।

বিস্তারিত»

প্রথম কথা

সিসিবিতে আনাগনা বহুদিনের। দেড় বছরের মত তো হবেই। করছি করবো করতে করতে আর সদস্য হওয়া হয় নাই। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যাও ছিলো। এর মাঝে কতো কিছুই ঘটে গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারী আর আরো কতো কতো কিছু। ঘটে গিয়েছে আমার জীবনেও অনেক কিছু। কিন্তু সব কিছুর মাঝেও সিসিবি ছিলো আমার এক পরম আশ্রয়। সদস্য না হয়েও সকল হাসি আনন্দ আর কষ্টের সময় গুলোতে অনুভব করেছি একাত্মতা। কখনো না দেখে কখনো কথা না বলেও অনেক অনেক আপন হয়ে গিয়েছে এখানের সকল মানুষ,

বিস্তারিত»

শাহী ডায়লগস ফ্রম দ্য গেরাম মোক্তারপুর-১

[প্রাককথাঃ
যারা জানেন না,তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে,আরসিসি বাংলাদেশের সীমানা ঘেষে রাজশাহী শহর থেকে ২৬ কি.মি. দূরে প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত।গ্রামটার নাম মোক্তারপুর।ক্যাডেট কলেজটাকে সবাই চিনেন।তাই গ্রামটাকে পরিচিত করার জন্য আমি টপিকে গ্রামের নাম দিলাম।আরেকটা কথা আমাদের অরকা’র অর্থায়নে এই গ্রামে ”অরকাপল্লী” স্থাপিত হয়েছে,যেখানে দুঃস্থ অনেকেই ঠাঁই পেয়েছে।এই সুযোগে জানিয়ে রাখলাম।।……..
অত্যন্ত পরিতাপের সহিৎ অবলোকন করিলাম যে, ডায়লগস ফ্রম জেসিসি,এমজিসিসি,এসসিসি,সিসিসি এমনকি পিসিসি পাবলিশ হইয়া গেলেও শাহী ক্যাডেট কলেজের ডজার ক্যাডুগুলা ব্লগে প্রবল প্রতাপের সহিৎ ডজ মারিতেছে।আমি এতকাল অপেক্ষা করিতেছিলাম,কোন দায়িত্ববান শাহী ক্যাডেট কলেজের অসংখ্য বাণীচিরন্তনী প্রকাশ করিবেন।কিন্তু আমার আর তর সহিতেছে না।তাই স্মৃতির গলি ঘুপচিতে পলান্টিস খেলতে থাকা ডায়লগগুলো ধরিয়া আনিয়া সিসিবি পরিবারে পেশ করিলাম।আর দেরি করিলে হয়ত,অন্য কেউ কহিয়া দিবেন,এর থেকে ক্রেডিটটা আগে আমিই লইয়া ফেলি,মাঠ ফাঁকা মনে হইতেছে………

বিস্তারিত»

কাটপেষ্ট কৌতুক -৪

বাংলাদেশের খেলা দেখলে সবসময়ই মেজাজ খারাপ হয়।আগে হইত প্লেয়ারগুলার ঢুসঢাস আউট হওয়া দেখলে আর এখন
আম্পায়ারগুলার কাজকাম দেখলে।রড টাকার আর টনি হিল্রে যে কি করতে ইচ্ছা করতেসে…দেখা যাক কালকে কি হয়।আমার মত মেজাজ খ্রাপ
কইরে লাভ নেই বইসে বইসে জুক্স পড়েন। =((

বিস্তারিত»

পুরাই অশিক্ষিত

(কলেজে আপারা যখন গণহারে ওয়াল ম্যাগাজিন এর জন্য লিখা জমা দিতে বলত আমার ১ ক্লাসমেট একবার advanced learners থেকে ‘ম্যাংগো’ paragraph কপি করে জমা দিসিল, =)) আমি এতটা নিচে না নামলে ও এর চেয়ে বেশি ভাল লিখা জীবন এও লিখি নাই। তাই পাঠক কে অনুরোধ একটু কষ্ট করে পড়ে নিবেন)
কিছুদিন আগে বুয়েট ‘বিদ্রোহী’ ছাত্রদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পরীক্ষা পিছাইলো,কি আর করা ভাবলাম ভালোই হল বাংলাদেশ ইংল্যান্ড এর ODI series টা বাসায় যেয়ে আরামসে দেখে আসি।

বিস্তারিত»

নির্ধর্মকথা- এই সুন্দর ফুল, সুন্দর ফল, মিঠা নদীর পানি (২/৩)

আগের পর্ব

অসম্ভব্যতাঃ

বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইসলামী পণ্ডিত জাকির নায়েকের বিবর্তন তত্ত্ব নিয়ে সাত মিনিটের লেকচারটি আমার খুবই প্রিয় 1। সাত মিনিটে প্রায় ২৮ টি মিথ্যা বা ভুল কথার মাধ্যমে জাকির নায়েক ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব ভুল প্রমান করতে না পারলেও সৃষ্টিবাদীরা কতটা অজ্ঞ তা ঠিকই প্রমান করেছেন 2। এই সাতমিনিটের মধ্যে মাত্র পাঁচ সেকেণ্ড সময় জাকির নায়েক বিবর্তন ঘটার “সম্ভাবনা” নিয়ে আলোচনা করেছেন হাসতে হাসতে,

বিস্তারিত»

বৃহদাঙ্গ

“সবুউউউজ, ঐ সবুজ।”
“কি?”
“কই যাস?”
“শ্যাখেগো বাড়িত যাই।”
“ক্যা?”
“কাম আসে।”
“কি কাম?”
“হেইডা তর দরকার কি?”
“না ভাল লাগতাসে না। আয় কুতকুত খেলি”
“নাহ। মাইয়া মাইনশের খেইল খেলতাম না”।

বিস্তারিত»

আমার মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে

ব্লগের ভাইবোন সকল,
আমার মৃত্যুদন্ডের রায় (আকদ) হয়েছে, বেশ খানিকটা ঘটা করেই। তবে রায় কার্যকর হবে মে মাসের কোন এক সময়।

জীবিত থাকলে অনেক কিছুই লিখা যেতো। এখন ত আর জীবিত না, তাই বেশি কিছু লিখতেও পারছি না। আমার হয়ে কিছু ছবিই কথা বলুকঃ

বিস্তারিত»