শিক্ষকতা এবং মোটিভেশনঃ কিছু ব্যক্তিকথন ও একান্ত চয়ন

শিক্ষকতা এবং মোটিভেশনঃ কিছু ব্যক্তিকথন ও একান্ত চয়ন

[এই লেখাটা আমার সকল শিক্ষক এবং ছাত্রকে উৎসর্গ করা হল।]

আমার ক্যাডেট কলেজের এক বন্ধুর দু’টি কথা আমি সবসময় মনে রাখার, পালন করার এবং অনুভব করার চেষ্টা করি। সে একদিন আমাকে বলেছিল নেশা এবং পেশা এক হওয়াটা নাকি একটা বিরাট মানসিক প্রশান্তির ব্যাপার। আবার কোন এক সময় তার মুখেই শুনেছিলাম, সেইই প্রকৃত সুখী,

বিস্তারিত»

রেবেকা

আজ রাতে শীত আসলেই বেশি পড়েছে, সামান্য এই চাদরে কিছুতেই মানতে চাইছে না। শীতে খাটের উপর রেবেকা কেমন গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে, দেখে মায়াই লাগে। আহারে মেয়েটা কত রাত না জানি, না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে। কম্বলটাও পুরান, পাতলা। রেবেকার শীত মানছে বলে মনে হয় না, কিন্তু শালা কিছুই করার নেই। বিয়ের পর মেজ ভাই যে নতুন কম্বলটা পাঠিয়েছিলেন করাচী থেকে বেশ ওম হত ওটাতে। কিন্তু সোলাইমানের বাচ্চা সব নিয়ে গেল।

বিস্তারিত»

হাবিজাবি ০২

তখন আমরা পরস্পরকে চিঠি লিখতাম-
তুমি নক্ষত্র খুব ভালোবাসতে বলে,
গভীর রাতে মহাকাশ থেকে কত নক্ষত্র চুরি করে এনে বিছিয়েছি চিঠির ভাঁজে,

বিস্তারিত»

ডায়ালগ অব পিসিসি

সিসিবিতে এসে প্রথমেই খুব লজ্জায় পড়ি। প্রত্যেক কলেজের এত এত সদস্য-সদস্যা আর পিসিসির মাত্র কয়েকজন।তাও যারা আছে তাদের বেশির ভাগই মনে হয় কমেন্ট করতেই বেশি পছন্দ করে আমি যতদূর দেখলাম।পাবনা বিভাগে গিয়ে দেখি মাত্র অর্ধশত সংগ্রহ। খুবই হতাশ হতে হল আমাকে।

অন্যান্য কলেজের কাছে পিসিসি দেখলাম পাত্তাই পাচ্ছে না এ ক্ষেত্রে।আরে আমরা পিসিসি-কে বলছে আমরা পারিনা (আমরা পারিনা এমন কোন কাজ কি আছে নাকি!!)
অনেকগুলো ব্লগ পড়লাম কয়েকদিন ধরে।সবার স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন,মতামত ভালই লাগে পড়তে।

বিস্তারিত»

ফ্যান্টাসি লীগঃ সিসিবি ম্যানেজারদের আমলনামা – ০৭

অনেক অনেক দিন আগের কথা, আমাদের এহসান ভায়ের অনুপ্রেরনায় সিসিবির বাঘা বাঘা সব টিম ম্যানেজাররা ঝাপিয়ে পড়েছিল ফ্যান্টাসি ফুটবলের সিসিবি লীগে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য। অনেক আয়োজন করে আমরা শুরু করেছিলাম এই লীগ। প্রথম সপ্তাহেই আমাদের নতুন জামাই রায়হান আবির শীর্ষস্থান দখল করে সবাইকে সাবধান করে দিয়ে সেই যে চলে গেল আর ফিরে এলো না। প্রথম কিছুদিন এই লীগ নিয়ে আমাদের উৎসাহেরও কমতি ছিল না,

বিস্তারিত»

দ্যা গ্রেটেস্ট , মাই ওন স্টোরি- ২+৩

সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধার আত্মজীবনী ‘দ্য গ্রেটেস্ট – মাই ওন স্টোরি’ । মোহাম্মদ আলীর জবানীতে লিখেছেন রিচার্ড ডায়হাম।
‘কালের কন্ঠ’তে ধারাবাহিক ভাবে অনুবাদ করছি আমি। ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ, সেই প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে সিসিবিতে দেয়ার লোভটাও সামলানো গেল না! আজ দিচ্ছি ধারাবাহিকের ২য় ও ৩য় কিস্তি-

‘তোকে আমরা হারিয়ে দিয়েছি, বেজন্মা’ কথাটা যে বললো তার দিকে একবার তাকালাম। ভারি গড়নের এক শ্বেতাঙ্গ,

বিস্তারিত»

ডায়েরীর পাতা থেকে উদ্ধার করা জঞ্জাল – ১০ (ক্যাডেট কলেজ – শেষ পর্ব)

২১ জুন ২০০৪
৬ আষাঢ় ১৪১১
মাঝে অনেকদিন ডায়েরী লেখা হয়নি বা হয়েছে সেটা আমার আপাদত মাথাব্যথা নয়। কিন্তু আজকে এই মুহুর্তে কিছু না লিখলে ব্যাপারটাকে স্মৃতির খাতায় নাম লিখাতে পারব না। আর মাত্র কয়েকটি ঘন্টা বাকি আছে। সমাপনী দিবস বলা চলে। যেই সমাপ্তি অনেকের কাছেই কাম্য নয়, যেই সমাপ্তির কথা চিন্তা করে বিষন্ন রাত কাটিয়েছি আমি, আমার মত অনেকে, যেই সমাপ্তি আবার অনেকের কাছেই প্রাণের চেয়ে বেশী কাম্য।

বিস্তারিত»

সাবধান!!

আমি কিন্তু সব পারি
করতে পারি যে সব।
মুহুর্তে হতে পারে চুরি
তোমার-মনের গুপ্ত-অনুভব।

চিনি আমি সব-ই চিনি
তোমার মনের রাস্তা-ঘাট।

বিস্তারিত»

ছুটি

১২ ই জুন ১৯৯৯। প্রথম বার ছুটি কি তা সত্যি উপলব্ধি করি। আমাদের ফার্স্ট টার্মের প্রথম ছুটি ছিল সেটা। এর আগে স্কুল লাইফ এ পাওয়া সব ছুটির আনন্দ যেন উবে গিয়েছিল নিমিষেই। আর কখনও ঐ অনুভুতি ফিরে পাওয়াটা দুষ্কর হবে বলে ভেবেছিলাম। আমি জানি আমাদের সিংহভাগই কখনও আর সেই স্বাদ আস্বাদন করতে পারে নি।
অথচ ভাগ্যের চক্রে আমাদের মত গুটিকয়েক অসহায় প্রাণ এখনও ছুটির জন্য সেই একই ভাবে সীমাহীন আগ্রহে অপেক্ষা করে।

বিস্তারিত»

নামকরণ কষ্টকর

সিসিবিতে প্রথম না,কিন্তু আমি পাঠক থাকতেই বেশি পছন্দ করি।আজ মনটা খুব বিষন্ন হয়ে আছে তাই আমার প্রিয় মানুষগুলার সাথে বিষন্নতাটা ভাগ করলাম।আমার মন খারাপ করা লেখায় কারো মন খারাপ হয়ে গেলে আমি আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।প্রিয় মানুষগুলাকে একটুও হারাতে চাইনা……আরা হারাতে চাইনা।

জীবনের কতগুলা দিন পার হয়ে গেল। কতগুলা মানুষ এলো কতজন চলে গেল।যারা চলে গেল তারাকি সত্যি চলে গেছে? নাকি তারা নিজেদের এক একটি জায়গা পাকা পক্ত করে গেছে?মানুষ্কি সত্যি আর একটা মানুষের জীবন থেকে চলে যায়?মনে হয় যায়না।আমাদের প্রিয় মানুষগুলা কখনই চলে যায়না।

বিস্তারিত»

নয়া বান্ধা গরু (সাময়িক পোষ্ট)

এইটা মনে হয় জাতীয় কিংবা ক্যাডেটীয় বিবাহ মাস। একটার পর একটা বিয়ের না হলে সেমি-বিয়ের খবর পাচ্ছি। মাহমুদ ভাই আর আমিন ভাইয়ের পর পরই এবারে মঞ্চে নতুন নায়কের আবির্ভাব। আদনান ভাইকে তো সবার নিশ্চয় বেশ ভালোই মনে আছে। আরে হ্যাঁ, অসি-প্রবাসী সুদর্শন আদনান ভাইয়ের কথাই বলছি। এই লোকটাও অবশেষে জীবিতের তালিকা হতে নাম কাটিয়ে বিবাহিতের খাতায় নাম লিখিয়ে ফেলতে যাচ্ছেন। সম্ভবত, আজকেই ঘটনা ঘটতে চলেছে।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৭

লোকে আমার নাম নিয়ে ঠাট্রা-মশকরা করে বেশ মজা পায়।আর প্রেমিকারা ও তা থেকে বাদ যাবে কেন? এ সুযোগ কি আর ওরা হাতছাড়া করে? আমার বাপজান কত শখ করে আয়োজন করে নাম রাখার জন্য লোকবল খাইয়েছে আর সেই নাম নিয়ে মশকরা !এতো হবেই কারণ উনি কি আর জানতেন,ভবিষ্যতে এই নামে রুপালী-পর্দা কাঁপানো এক নায়কের আবির্ভাব হবে,যার জনপ্রিয়তা নিম্ন-মধ্যবিত্ত আর নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে এতটাই প্রবল হবে যাতে আমাদের মত ড্রইংরুমকেন্দ্রিক দর্শক তাতে নাক সিঁটকাবেন?

বিস্তারিত»

চ্যাম্পিয়ন্স লীগ কোয়ার্টার ফাইনালঃ ফিক্সচার এবং প্রেডিকশন

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের ড্র ইতিমধ্যে হয়ে গিয়েছে, যারা ফুটবল নিয়ে সামান্যতম খোঁজ খবর রাখেন তারা সবাই যেনে গিয়েছেন কে কবে কার সাথে খেলছে। তারপরও দেরিতে হলেও এই পোস্ট দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না এ নিয়ে কিছু ফুটবল প্যাচালের আশায়। প্রথমে ফিক্সচাররে একটু চোখ বুলিয়ে নেইঃ

1

বায়ার্ন মিউনিখ – ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড (৩০ মার্চ)
লিওঁ –

বিস্তারিত»

আমরা তিনজন এবং একটি রাত

মাস দেড়েক আগের কথা।

রাতে খেয়ে আমি সুমন আর মিলু যে যার মত পড়ছিলাম।সারাদিন প্রচুর খাটুনি ছিলো।ল্যাব আর ক্লাস।ঘুম ঘুম ভাব সবারই চোখে।তারপরেও কেন যেন ঘুম আসছিল না।তিন জন গল্প শুরু করলাম।যদি ঘুম আসে এই ইচ্ছায়।মিলু বোতল নিয়ে পানি আনতে গেল।আমি আর সুমন প্লান করলাম মিলু ফিরে আসার সময় ওকে দরজার পাশ থেকে ভয় দেখাব।তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়লাম আমরা ।মিলূ দরজা খুলতেই আমরা হো হো করে হেসে উঠি।কিন্তু মিলুর কোন ভাবান্তর হল না।

বিস্তারিত»

প্রথম কথা

সিসিবিতে আনাগনা বহুদিনের। দেড় বছরের মত তো হবেই। করছি করবো করতে করতে আর সদস্য হওয়া হয় নাই। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যাও ছিলো। এর মাঝে কতো কিছুই ঘটে গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারী আর আরো কতো কতো কিছু। ঘটে গিয়েছে আমার জীবনেও অনেক কিছু। কিন্তু সব কিছুর মাঝেও সিসিবি ছিলো আমার এক পরম আশ্রয়। সদস্য না হয়েও সকল হাসি আনন্দ আর কষ্টের সময় গুলোতে অনুভব করেছি একাত্মতা। কখনো না দেখে কখনো কথা না বলেও অনেক অনেক আপন হয়ে গিয়েছে এখানের সকল মানুষ,

বিস্তারিত»