ক্যাডেট কলেজ ডে উদযাপন ও কিছু কথা…..

Disclaimer: এখানে বলা সকল কথা নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত মতামত।কাউকে দায়ী করার জন্য বা কারো দায়িত্ববোধ নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা আমার উদ্দেশ্য নয়,তাই আমি চাইনা এই কথাগুলো নিয়ে কোন বিতর্ক হোক।আমার কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়াটাই আমার উদ্দেশ্য,তাই সবাই নিজ গুনে আমার অজ্ঞতা মাফ করবেন।

গত ২৮শে এপ্রিল ছিলো ক্যাডেট কলেজ ডে।২৫ তারিখে এক বড় ভাই জানালেন যে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে নাকি তা ৩০শে এপ্রিল উদযাপন করা হবে।তাই ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের পক্ষ থেকে রংপুর ওল্ড ক্যাডেটস এসোসিয়েশন (ROCA) এর জন্য বরাদ্দ করা কিছু কার্ড জুনিয়র ব্যাচের ছেলেদের মাঝে ভাগ করে দেয়ার দায়িত্ব পড়ল আমার উপরে।এই দায়িত্ব পালন কালে এবং এই প্রোগ্রামে গিয়েই আমার মনে কিছু প্রশ্ন আসে ও নানাজনের কাছ থেকে কিছু প্রশ্ন পাই যে প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার জানা তো নেইই বরং অন্য কারো কাছেই সদুত্তর পাইনি।তাই সিসিবির কাছেই আশ্রয় নেয়া এবং এই লেখার অবতারণা করা।

বিস্তারিত»

মাঝে মাঝে নিজেকে

মাঝে মাঝে নিজেকে অন্ধ মনে হয়
যা দেখিনা,যা দেখতে পাইনা
যা দেখিনি জানিনা আছে কি না
তাই সরল বিশ্বাসে হাতড়ে বেড়াই
ছুঁতে পারিনা, তবুও ভাবি,আছে
নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও,আছে

বিস্তারিত»

অগোছালো পথিক

proyash09_1234547515_1-gontobbo]

কান্ডহীন প্রকান্ড দেহ নিয়ে তার পথচলা
অমলকান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল আর সে অমলকান্তি
দু কলমের লেখায় অন্তত কারো বুকে ঠাঁই
আজীবন……………………………….
কিংবা একদিনের জন্য ই হোক
একটি বার তো উচ্চারিত হবে তার নাম…….

বিস্তারিত»

“ফেইসবুক জ্বর”- the fever

ফেইসবুক। আমাদের মত কিছু অকর্মার ঢেকিদের কাছে বিশাল উপাদেয় একটা বস্তু এইটা। Specially আল্ট্রা-বোরিং ক্লাসগুলোতে একেবারে পেছনের লাইনে আজাইরা বসে না থেকে এই book-e ঘুতাঘুতি কইরাও শান্তি। ক্লাস ৪-৫ এর পিচ্চিরাও আজকাল facebook ইউজ করে (লোকমুখে শুনছি, দেখি নাই)। সেই দিন আর দূরে নাই, যখন আমাদের দাদা-দাদী, নানা নানীরাও fb-fever এ আক্রান্ত হয়ে যাবে , নিশ্চিত। মোটা ফ্রেমের চশমা ভেদিয়া তেনারা মোবাইলের স্ক্রীনে fb-এর স্বর্গীয় সুখ পাইতে ব্যস্ত থাকবে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজের ডায়রীটার শেষের পৃষ্ঠাটা…..

আদিকথাঃ নিচের যে লিখাটা ‘স্মৃতিকথা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হইছে, তা এই নতুন লেখকের একেবারেই প্রথম কোশিশ…! কাজেই পড়ার আগেই বইলা নেই, expectation level টা ইইক্টু নীচে নামাইয়া পড়া শুরু কইরেন। (এই রচনার একটি চরিত্রও কাল্পনিক নয়, Guarantee)

“আজ আমি অনেক্ষণ হাটবো…একা…পুরো ব্লকে। সম্পূর্ণ নিস্তব্ধতার দেয়াল ঘেসে। ক্যাডেট লাইফের ছয়টি বছরের শেষ রাত আজ। কালকের রাতটা হবে আজকেরটার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, একেবারেই অন্যরকম।

বিস্তারিত»

আগন্তুক

আমি জন্মমুহূর্ত থেকেই আগন্তুক পরিচয় ধারন করে চলছি এই পৃথিবীতে, যখন আমার জৈবিক বাবা মা হয়ত দরিদ্র্যজনিত(যেহেতু সমাজবাস্তবতায় এই একটি কারনেই মানুষকে নামিয়ে দেয়া যায় অনেক নীচে, ভাত পেটে গিয়ে না গুতো মারলে খ্রীষ্টের সম্মান হয়ত চাইবে না কেউ)কারনে আমাকে ফেলে গিয়েছিলেন এবং গল্পের মত কোন সোনার চামচ মুখে দেবার মত সন্তানহীন পরিবারে আমার ঠাই হতে পারত এরকম সুযোগ তৈরী করেছিলেন তখন থেকেই আমার এই পরিচয় বহন করছি।

বিস্তারিত»

রাতলিপি ৪

কালু জনসন, তার নামের কারনেই পত্রিকার খেলার পাতায় নামটা কয়েকবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। তবে আজকের জন্য সে আমার ফেভারিট ফুটবলার। কেন? বাংলাদেশ লীগে ফরাশগঞ্জের হয়ে খেলতে আসা এই নাইজেরিয়ানের দুই গোলের সুবাধে শিরোপা প্রত্যাশী(কয়েক বছর যাবত :grr: ) মোহামেডানের সাথে ২-২ গোলে ড্র করেছে ফরাশগঞ্জ। এ জয়ের ফলে ফরাশগঞ্জের খুব বেশি লাভ ক্ষতি না হলেও মোহামেডানের বেশ বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। এর ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দী এবং গতবারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী থেকে তারা ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ল।

বিস্তারিত»

জোড়া পায়রাদের গল্প

ক্যাডেট কলেজের ছয়টি বছর (অত্যাবশ্যকীয়) এবং তারপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বছর (ঐচ্ছিক বলা যেতে পারে) এবং তারপর বেকার জীবনের বিগত একটি বছর (আমার ঠিক জানা নেই) সর্বমোট ১১টি বছরে এই অভাগার কপালে প্রেম জুটল না। “তবে চোখের দেখায় প্রেম হয়ে গেলে শ’খানেক প্রেম ইতমধ্যেই আমার হয়ে গিয়েছে” (কোন এক বাংলা নাটকের কোন এক পর্বে এই ডায়ালগটা শুনেছিলাম। উদ্ধৃতি না দিয়ে পারলাম না।)। অনেকেই নজর কেড়েছিল, অনেকেই ঘুমও হারাম করে দিয়েছিল কিন্তু বিধিবাম,

বিস্তারিত»

কি লিখি

আসলেই, কি লিখি! মাথাটা দিন দিন কেমন জানি খালি খালি লাগে। সকাল বেলা অফিসে ঢুকে সবার আগে এককাপ কফি না ধরাইলে (বিড়ি ছারছি আইজ ৯ মাস, অহন কফিই ধরাই, কপাল…) মাথার জট খোলে না। তারপরে ব্লগে ঢুকে মনে মনে আবার ভাবি , কি লিখি! প্রায় এক মাস আগে কাম্রুল ইয়াহু মেসেঞ্জারে নক কইরা জিগায় লেখা দেই না ক্যান। আমি যথারীতি বিশাল ভাব নিয়া কই “ভাইরে,

বিস্তারিত»

অতঃপর ব্লগর ব্লগরে……

আমি এই ব্লগে কনিস্ঠতম সদস্য না হলেও নিশ্চিত ভাবেই কনিস্ঠতম ব্লগার, অন্তত আগামী ৫-১০ মিনিট তো অবশ্যই।অতঃপর ৪ মাস ১০ দিন বয়সে (ব্লগে) এসে সাহস হলো ব্লগে একটি লেখা লিখার।অনেক দিন ধরেই ভাবছি একটি লেখা দিব কিন্তু বড় ভাই-বোনেরা তো অবশ্যই কলেজে থাকা পিচ্চি পোলা-পানেরাও এতো ভালো লেখা লিখতেছে যে আর সাহসেই কুলোতে পারছিলাম না।আজ ভাবলাম আর কাহাতক সহ্য করা যায়….. ~x( এইবার কিছু একটা করা দরকার।কিন্তু কি করব ??????লেখার হাত এতোই বাজে যে আমারে দিয়ে কিসসু লিখানোর চেয়ে আশরাফুল রে জাতীয় দলে ধারাবাহিক ভাবে রান করানো বা প্রতি ম্যচে century করানো সহজ……..

বিস্তারিত»

বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান

১।

প্রথম পাকিস্থানিদের সাথে ব্যক্তিগত পরিচয় হয়েছিল ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে, আই ইউ টি-তে। তখন ভব্যতা জ্ঞান একটু কম ছিল। পরিচয়ের দুই মিনিটের মাথায়ই সাংবাদিকদের স্টাইলে জিজ্ঞাসা করে বসলাম ১৯৭১ নিয়ে তোমরা কি জান? তোমদের ভাবনাটাই বা কি? সেই ব্যাটা বলে, আমরা এইসব ব্যাপারে কিছুই জানি না। বোঝাই যাচ্ছিল, সাজানো উত্তর, আসলে কি ভাবে শেয়ার করবে না। পাকিস্থানি পোলাগুলা এমনি খুব খারাপ ছিল না।

বিস্তারিত»

প-এ র-ফলা আর ত-এ হ্রস্ব-ই-কার, এর পরের অংশে প্রাধান্য কার?

একটা বিষয় নিয়ে আমি কদিন ধরেই লিখব লিখব করছিলাম কিন্তু পহেলা বৈশাখের নানা প্রোগ্রাম আর প্রোগ্রাম পরবর্তী পরীক্ষা সমূহের জন্য হয়ে উঠছিল না। পরীক্ষা এখনো চলছে যদিও, তাও ভাবলাম লিখি। আর সহ্য হচ্ছে না।

১৫ তারিখে সার্টিফিকেট তোলার জন্য গিয়েছিলাম JCC তে। ভালই লেগেছিল এতদিন পর আবার সেই চেনা জায়গা-তে ঢুকে। আমার সাথে ছিল আমার বন্ধু নাঈম। ওর প্রায় ৭ বছর পর কলেজে ঢোকা হলো কারণ ২০০৭ এর রি-ইউনিয়ন ও মিস করেছিল।

বিস্তারিত»

রাতলিপি ৩

বৃষ্টির জন্য অপেক্ষা অবশেষে শেষ হলো। আজ সন্ধ্যার পর পর হঠাৎ করেই চলে এল বৃষ্টি, তবে একা নয় সাথে ছোট খাট একটা কালবৈশাখীকে সঙ্গী করে। তাঁবুর ভেতরে বসে এই ঝড় ঝঞ্ঝা ভালই লাগছিল, যদিও একটু টেনশন ছিল ঝড়ের শক্তি বেশি বেড়ে গেলে তাঁবু টিকে থাকতে পারবে কিনা। তবে ঝড় শেষে বৃষ্টি নেমে এল, কোন প্রকার দূর্ঘটনা ছাড়াই। আর আমিও নিশ্চিন্ত মনে বেশ উপভোগ করতে লাগলাম সেই বৃষ্টি।

বিস্তারিত»

কাঁদো বন্ধু, কাঁদো

মানুষটা খুব সাধারণ ছিমছাম ছিলেন। ছিলেন বলছি, কারণ তিনি আর এখন আমাদের সাথে নেই। বেশ অনেকটা দিন হয়ে গেল অজানায় পাড়ি জমিয়েছেন, বোধহয় একটু অবেলায়।

আমার সাথে পরিচয়টা খুব স্বল্প সময়ের জন্য। হাতে গুনে দুবার দেখা হয়েছে। প্রথমবারের স্মৃতিটা এখনো টাটকা। ছুটিতে কলেজে যাচ্ছিলাম। ঝিনাইদহ নেমে শহরে ঢুকলাম দুপুরের খাবারটা খাবো বলে। রিকশা থেকে নেমে ভাড়া মেটাতেই পেছন থেকে আশরাফ ডাক দিলো। তাকিয়ে দেখি চিরাচরিত হাসিমুখ নিয়ে আশরাফ আর সাথে একজন বড় ভাই দাঁড়িয়ে।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৯

গানের ভাষায়- প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া এই দেশে অপরাধ,ঘুষ খাওয়া কখনোই নয়।এতো বড় অন্যায় কথা।তাহলে তো সবার আগে বদলাতে হবে নিজেকে।মানে ঘুষ খাওয়া ছেড়ে চুমু খাওয়া শুরু করব?হ্যাঁ,আপনি শুরু করুন,বাকিরা ঠিকই বদলাবে।বদলে যাও,বদলে দাও।তা কি হয়?কিন্তু আমার যে অসংকোচ প্রকাশের দুরন্ত সাহস নেই।ওদিকে অনেকেই আবার বারণ করছে,সবকিছু বদলে দিতে নেই।

যাই হোক অত অদল-বদলের মাঝে আমার প্রেমিকারা ও বদলে যাচ্ছে।আমিও তো বদলে যাচ্ছি।দিনদিন রাজনীতিবিদদের মত আরো বেশরম-বেহায়া হয়ে উঠছি।তবে সব বেহায়াপনার যে শেষ থাকে,এটা ও আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি!এই যেমন কিছুদিন আগে জলবিয়োগ করতে রাস্তার পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে পড়েছিলাম।মনে মনে ভেবেছি এই দেশে ন্যায়মূর্তিরা যখন বিদেশী কূটনৈতিকের বাসার দেয়ালে মূত্রত্যাগ করেন,আমি করলে কি আর এমন ক্ষতি?যেই ভাবা সেই কাজ।কিন্তু অদৃষ্টের কি পরিহাস!ঠিক তখনই পাশ দিয়ে যাচ্ছিল আমার প্রেমিকার ছোট বোন!এমনই পরিস্থিতি অবাধ জলধারা ও নিমিষেই থেমে গেল যেমনটি মাঝপথে নদী শুকিয়ে যায়।মনে মনে ভাবি,ন্যায়মূর্তি তো পুলিশের হাতে ধরা খেয়েছে আর আমি সাক্ষাত যমের কাছে।মান-ইজ্জত কি আর থাকে?

বিস্তারিত»