ফুটবলটা এই বছর বেশী উপভোগ করি নাই। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসার পর এখনো এই নয় মাসে থিতু হতে পারি নাই। আমার নিজের কোনো বাসা নাই এখনো, বাবার বাসায় আব্বার আম্মার রুমে আর শ্বশুরবাড়ীতে লিভিং রুমে টিভি থাকায় শুয়ে বসে আয়েশ করে খেলা দেখা যায় না। লিভারপুলের চরম বাজে মৌসুম ফুটবলের মজাটাই শেষ করে দিয়েছে। যাই হোক আর মাত্র এক মাস; এরপরই শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। তাই আশাকরি মৌসুমের শেষটা খারাপ হবে না।
বিস্তারিত»একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৫
(২৯-১১-০৯ এর বাকি অংশ)
পারভেজের জ্বরটা আমাদের দুজনের বেইস ক্যাম্প আসার পথের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়, এর মধ্যে আরো কিছু ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় এক স্যার ফল ইন করিয়ে সবাইকে বলে দেন যে পরের দিন(আজ) একটা টিম কে আবার বাক্ষিমের দিকে পাঠিয়ে দেয়া হবে যখন বাকি সবাই রওনা দিবে বেইস ক্যাম্পের উদ্দ্যেশে। স্যারের কথা বলার ধরনটাও ঠান্ডা, কারণ খুব সম্ভবত এটাই যে এ পর্যায়ে এসে বেইস ক্যাম্পের পথে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে,
বিস্তারিত»বাংলা ভাষার শব্দগুলি থেকে ডাটা কালেকশন: মন্তব্য প্রয়োজন
“সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত অফিস” লাইফে মানিয়ে নিতেই চলে গেল বেশ কিছুদিন। এতদিন আসা হয়নি এই ব্লগে, আজকে ছুটির দিন পেয়ে নিজের কাজটা ঠিকপথে আছে নাকি সেটা নিয়ে আলোচনা করতে (এবং তালে তালে রংপুরের পোস্ট একটা বাড়িয়ে নিতে 😀 ) চলে আসলাম ব্লগে। তবে এসে প্রথম ২টা পোস্ট পড়ে যথেষ্ঠই টাশকায়িত হইলাম কারণ ধর্ম+মডারেশন নিয়ে মনে হচ্ছে ধুন্ধুমার হয়ে গেছে।
শার্লক হোমসের বাংলায় অনুবাদ করা “শার্লক হোমস অমনিবাস”
বিস্তারিত»অবশ অনুভূতির দেয়াল
অবশ অনুভূতির দেয়াল
নাহিয়ানঃ দোস্ত তোকে কখনো কোন মেয়ে I love you বলেছে ?
রিশানঃ না । এ যাবৎ তো কেউ বলল না ।
নাহিয়ানঃ মনে হয় তোকে কেউ কোনদিন বলবেও না।
বিস্তারিত»এক্সেসিভ রিলিজিয়াস জিল্ এ্যান্ড কন্সার্ভেটিজম মে লিড টু এক্সট্রিমিজম
(Excessive Religious Zeal and Conservatism May Lead to Extremism)
[ভূমিকাঃ ধর্মের ব্যাপারটা নিয়ে সিসিবি’র মাঠ ইদানীং বেশ গরম। একবার ভাবলাম, এমতাবস্থায় এমন সেন্সিটিভ একটা লেখা দেয়া কি ঠিক হচ্ছে? পরে অবশ্য চিন্তা করে দেখলাম, “আমরা আমরাই তো”। নিজের পরিবারের সাথে শেয়ার করতে না পারলে যাবোটা কোথায়?]
এস.এম. আমার খুব ঘনিষ্ট বন্ধু। টেলিফোনে প্রায় কথা হয়। এস.এম.ই ফোন করে। আমার অনেকগুলো দোষের মধ্যে একটা হলো কাউকে ফোন না করা।
বিস্তারিত»এর নাম ছাত্র রাজনীতি !?! (১৮+)
রাজনীতি একটা জিনিস যা আমাকে কখনওই আকর্ষন করে না। সবচেয়ে বেশী দুরত্ব বজায় রাখি ছাত্র রাজনীতি নামক বিষয়টি নিয়ে। কারন একটাই, সুস্থ্য ধারার রাজনৈতিক চর্চার অভাব। এই দেশের রাজনীতি বিশেষ করে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে গত কয়েকবছর ধরে যে অসুস্থ পরিবেশ দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কলঙ্কিত করে এসেছে তা দেখে কোন সুস্থ্য ধারার মানুষ মনে হয় না বর্তমানের ছাত্র রাজনীতির এই ধারাকে স্বাভাবিক চোখে দেখতে পারবেন।
আমি আবারও বলছি,
বিস্তারিত»ঠান্ডা লড়াই এবং সিসিবির ভবিষ্যত
ব্লগে ঢুকবো না ঢুকবো না করেও শেষ পর্যন্ত ঢুকলাম। বেশ কিছুদিন ধরে প্যারেডে ছিলাম না। তাই বলে সিসিবিকে ‘টা… টা…. বাই…. বাই’ জানিয়ে দিয়েছি এমন ভাবলে ভুল হবে। জানালাটা খুলি প্রতিদিনই। দেখি কে কি করছে, কি লিখছে, কাজের অবসরে পড়িও অনেক লেখাই। গত কয়েকদিন ধরে যে ধর্ম নিয়ে আবার একটা ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে তাও নজর এড়ায়নি। আমার কি কিছু বলা বা করা উচিত- এমনও ভেবেছি।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন (০২-০৮)
আমরা কলেজে ঢুকি ২০০২ সালে ৭ই মে। সেইদিনের সব কথা আজও মনে আছে। গাইড হিসেবে মেহেদী ভাই এর আমাকে হাউজে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে হাউজ মাষ্টারের সাথে দেখা করা আমাকে রেখে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে আম্মুর কান্নাকাটি আরো কত কিছু। রাতে প্রথম বারের মত কাটা চামুচ দিয়ে খাওয়া, ম্যানু টাও এখনো মনে আছে ডিম ছিল। :dreamy:।
রাতে রুমমেট মুস্তো আর রেজার শহীদ কোচিং নিয়ে গল্প।
সবিনয় নিবেদন…
কেউ কখনও বলেনি, কিন্তু আমার মনে হয় অনেকেই জানেন এতদিন সিসিবির মডারেটর প্যানেল-এর আমিও একজন সদস্য ছিলাম। আজ থেকে নেই। মডারেশন নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর কিছু অভিযোগ এসেছে। আমি সেই দায়-দায়িত্ব নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছি।
যতদিন ছিলাম জ্ঞানত কোন অসৎ কাজ করিনি, কারো প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখাইনি- এই বিশ্বাস আমার আছে। চেষ্টা করেছি বাক্যে, কর্মে ও চিন্তায় সৎ থাকতে। তারপরেও অজান্তে কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আমি দুঃখিত।
একজন কবি’র অবমূল্যায়ন
মাথার ভেতর শব্দগুলো ডুগডুগিটা খুব বাজিয়ে
ঢাকের বাড়ি ঢপ-ঢপা-ঢপ মারলো সাথে পাল্লা দিয়ে;
নীল আকাশে পাখীর মত হঠাৎ করে উড়াল দিয়ে
সাগর তলে পাতালপুরীর গভীর জলে খুব চুবিয়ে
মগজপানে আসলো ধেঁয়ে বর্শা যেন বাতাস কেটে
নাঙ্গা নেয়ে শব্দগুলো মাথার কোষে বসলো এঁটে।
মালকোছাটি বেজায় কষে, কলম ধরি- কাগজ নিয়ে
গাঁথবো শতেক কাব্যমালা শব্দগুলো না হারিয়ে।
অমনি আমি ঘরের কোণে কেদারাতে গা এলিয়ে
এলোমেলো শব্দগুলো একেক করে যাই সাজিয়ে।
বাংলা সিনেমার ট্রাম্পকার্ড- খোঁজ ‘The Search’
কিছুকাল আগে লোকে রাজনীতির ময়দানে জলিলের ট্রাম্পকার্ডের খেলা দেখেছে, এবার বাংলা সিনেমার জগতে ট্রাম্পকার্ডের খেলা দেখা গেছে। আর এই ট্রাম্পকার্ডের ও মূল চরিত্র সে একই নাম- আবদুল জলিল। তবে এই জলিল সাহেব ব্যাঙ্ক ব্যবসায় মন দেননি তিনি মূলতঃ মন দিয়েছেন কাপড় ব্যবসায়, যার আজকাল কেতাবী নাম হয়েছে তৈরী পোষাক শিল্প। আর বস্ত্রবালিকাদের শ্রম নিংড়ানো এই ফটকাবাজিতে কিছুলোক দেশে বেশ টাকাওয়ালা হয়ে উঠেছে। এমনই একজন ব্যক্তিত্ব-এম,এ,জলিল ওরফে অনন্ত।
বিস্তারিত»ঘুণপোকার আর্তনাদ
ফাগুনের হাওয়ায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারি নি আমি ,
রিক্ততার বেদনায় অশ্রুপাত শেখেনি আমার দু’নয়্ন ;
হারিয়ে গিয়েছি বারবার ছায়া নামের মিথ্যে আলোতে ।
তোমার ধৃত স্বপ্নের রাজপুত্র হতে দাওনি তুমি ,
মাঝে ফিকে হয়ে যায় ভুলের নেশা মেশানো স্মৃতি ।
পরিত্যক্ত ভালোবাসা
পরিত্যক্ত ভালোবাসা
বিক্ষিপ্ত রংগুলো ছড়িয়ে পড়ে –
খয়েরী আকাশ হঠাৎ আঁধারে ছেয়ে গেল ।
আমার সত্তার বিপরীত অস্তিত্ব আড়মোড়া ভেঙ্গে
দাঁড়িয়ে থাকে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ।
ঘৃণা অথবা ভালোবাসা –
কোন অনুভূতিই আজ আর বিক্ষিপ্ত নয় ,
শুধু জানি আমার ভালবাসা মিথ্যে ;
মিথ্যে অনুভূতির বেড়াজাল –
ছিঁড়তে ব্যর্থ হই বারবার ।
পাশবিক ভালবাসার মিথ্যে ভাবাবেগ ।
কিছু কথা মনে পড়ে
ব্লগে একদম নতুন এসেই আমার ক্লাসমেট হায়দার এর “বাণী চিরন্তনী – ক্যাডেট ভার্সন” পইড়া ব্যাপক মজা পাইলাম। এরপর আমার মাথায় কলেজের কিছু উক্তি ঘুরাঘুরি শুরু করছে। চিরন্তনী টাইপ না হইলেও আমার এখনও মনে আছে। (হায়দারকে বলে নিছি, যাতে সে আবার কপিরাইট মামলা না করে দেয়)
১। কলেজে তখন ইংরেজীতে কথা বলার উপর খুব জোর চলতেছে। আমদের সাথে সাথে মাঝে মাঝে স্যাররাও ঝামেলায় পড়ে যেতেন।
বিস্তারিত»অতঃপর সেই আমি-১
কলেজে ক্লাশ টেন এ থাকা কালীন এটা লিখা শেষ করছিলাম।ইচ্ছা ছিল কোন একদিন সুযোগ হলে কারও কাছে সাবমিট করবো চলমান ছবি হিসেবে ফুটিয়ে তোলার জন্য।সেই স্বপ্নটা সত্যি হতে চলেছে শীঘ্রই ইনশাল্লাহ :-)যা হোক সিসিবি তে সবার সাথে ধারাবাহিক হিসেবে শেয়ার করার চেষ্টা করছি…( এটা একটা সত্য ঘটনা,চরিত্র গুলোর নাম অনেক গুলোই বাস্তব,ঘটনার কিছু কিছু অংশ শুধু লেখার জন্য একটু আলাদা করে ফুটিয়ে তোলা)
****************************
আমি এই মুহুর্তে কোথায় আছি সেটা কিছুটা আন্দাজ করতে পারছি,বোধ হয় হাসপাতালে।আশেপাশের সবাই সম্ভবত আমাকে নিয়ে দারুন ব্যস্ত আর উৎকন্ঠিত।জানিনা কেন তাদের এত ব্যস্ততা আমার জন্য।হয়তো আমার প্রতি এ মুহুর্তে তাদের প্রচন্ড ভালবাসা জন্মে গেছে,সে ভালবাসা ভিন্ন সময়ে ভিন্ন রকম,যা রঙ বদলায়।ভালবাসার কি আদৌ কোন নির্দিষ্ট রঙ আছে?ঠিক জানিনা।তবে আমি এটুকু বলতে পারি,প্রত্যেকের মাঝেই ভিন্ন ধরনের ভালবাসা আছে।আমি এমন কেউ নই যে এরা আমাকে নিয়ে এতটা উৎকন্ঠিত হবে,আমি আমার নিজের কাছে খুব সাধারন,হয়তোবা অন্যদের কাছে আলাদা।আমি এ মুহুর্তে আমার বুকের সব জায়গা জুড়ে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করছি,এক ধরনের তীব্র যন্ত্রনায় আমার সর্বাঙ্গ ভরে যাচ্ছে।আমার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া হয়েছে।আমি শুধু চেয়ে চেয়ে সবার কাজ দেখছি।কেবল চেয়েই আছি,চোখ বুজতে ইচ্ছা করছেনা,কেমন যেন একটা অদৃশ্য ভয় আমাকে ছেয়ে আছে।সে ভয়ের জন্য আমি চোখ বুজতে পারছিনা,বুঝতে পারছিনা কি সে ভয়।সেটা কি মৃত্যু?আমার আশেপাশে যারা আছে তারা বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলছে তবে তাদের কথার বিষয়টা বুঝতে পারছিনা,হয়তোবা আমাকে নিয়েই কথা হচ্ছে এদের মাঝে।আমায় এখানে নিয়ে আসার আগে কি ঘটেছে আমার খেয়াল নেই।তবে,এটা মনে আছে যে কেউ একজন আমার হাতটা চেপে ধরে কেঁদেছিলো,কিন্তু কে কেঁদেছিলো?না,মনে পরছেনা।অনুভব করতে পারছি যে তার হৃদয়ে আমার জন্য ভালবাসার এতটুকু কমতি নেই।কিন্তু কে সে?আমি প্রচন্ড চেষ্টা করছি মনে করার;না মনে পরছেনা।আচ্ছা সবারই কি এমন হয়?যে মানুষটা তাকে ভালবাসে,প্রচন্ড রকম ভালবাসে অথচ তাকেই সে অনুভব করতে পারেনা কিংবা তার অস্তিত্বকে সহজে আবিষ্কার করতে পারেনা।কি জানি,তবে আমার মনে হচ্ছে আমি আবিষ্কার করতে পারবো।