সেই বয়সের কথা। এক বালিকার সাথে তুমুল প্রেম করি। সেই বালিকা একদিন আবেগঘন হইয়া কইল, বিয়ার পরেও কি তুমি আমারে এইভাবে ভালবাসবা?
আমি কইলাম, অবশ্যই বাসবো। আমি বিবাহিত মেয়েদেরই সবচেয়ে বেশি ভালবাসি। 😡
বালিকা এই কথার অর্থ কী বুঝলো কে জানে। একদিন আইসা কইলো তার আমেরিকা যাইতে মন চায়। সে চইলা যাইতাছে। তয় একা যাইতে কেমন লাগে, তাই বাধ্য হইয়া এক ছেলের সাথে যাইতাছে।
মার্চ মাসটা বেশি সুবিধার না মনে হচ্ছে। একের পর এক বিগ বসেরা এমাসে ধরিত্রী আগমনের মাধ্যমে যেভাবে সিসিবি আলোকিত করেছেন, তাতে ভয় হয় ক্যালেন্ডারের পাতায় না জানি আবার ফার্মগেটের মতো বিশাল জট না পাকায় 😛 । জন্মদিনের পোষ্টগুলো পড়তে পড়তে ছোটবেলার জন্মদিনগুলো মনে পড়ে গেলো।
জন্মদিনের জন্য প্রায় পুরোটা বছর অপেক্ষা করে থাকতাম। কারণ, বইমেলা ছাড়া এই একটা সময়েই প্রচুর গল্পের বইয়ের মালিক হবার সম্ভাবনা থাকতো।
ব্লগে আমার প্রোফাইল খোলার পর আজই প্রথম লিখতে বসেছি। লেখক হিসাবে আমি বরাবরই দুর্বল প্রকৃতির। মনের ভাব সঠিক ভাবে ব্যক্ত করার ক্ষমতার দুর্বলতার দরুন আমাকে বাংলার এক প্রবাদপুরুষ ছিনাই (রাজশাহী ক্যডেট কলেজে তিনি সাঁনাই হিসাবে ব্যপক পরিচিত) তার ক্লাসে প্রায়শঃই নীল ডাউন করে রাখতেন। এতে লাভ কিছুমাত্র তো হয়ই নাই বরং অন্যরা বসে থাকার দরুন এবং আমি নীচে নীল ডাউন হয়ে থাকাতে বরাবরই আমার এন্টিনাও নীচে থাকত।
[মস্তকটীকাঃ (ব্লগীয় আদলের সাথে বইয়ের ফারাক, তাই পাদটীকা উপরে উঠে আসছে ধীরে ধীরে। এজন্যে তার নাম দিলাম মস্তকটীকা।) যা ভাবি, যা দেখি, তারে নাড়াচাড়া করতে ইচ্ছা করে। এর সাথে বালক বয়সের খেলনা নিয়ে অবিমৃশ্যতার মিল আছে। খেলনা ভেঙে গেলে কান্না পেতো, কিছু করার থাকতো না। এখনও মাঝে মাঝে নাড়াচাড়ার ইচ্ছাবশে চারপাশের দৃশ্য ও ঘটনা ভেঙে যায়। দেখি কিছুই নির্মিত হয় না।
আজ আমাদের প্রিয় এক বড়ভাই বিয়াল্লিশে(!!) পা দিয়েছেন।চাওয়ালা রকিব এইমাত্র ফেসবুকে জানালো যে তার ঘরভর্তি মেহমান(সেই বংগ-ললনার আত্মীয়স্বজন নাকি?কথাবার্তা এতদূর এগিয়ে গিয়েছে আর আমরা কিছু জানিনা!!!)।সে নিশ্চিত যে আমি যতই দৌড়ের উপর থাকি না কেন-ফয়েজ ভাইয়েরটার মত জন্মদিন ভুলে গেলে নাকি আমার আর তার উভয়ের জেপিশিপ ও এসিস্টেন্ট জেপিশিপ(জেপি=জন্মদিন প্রিফেক্ট) সিজ করা হবে।বুড়োবয়েসে অতসব ঝক্কি পোষায়,বলুন তো?আমার যদিওবা পোষায়-সেই বংগললনার পিতৃকুলের কাছে রকিব নিজের ইমেজ খারাপ করতে চায়না,তাই নিশ্চিত করে নিল শুভেচ্ছা ঠিকঠাক পৌঁছাচ্ছে কিনা।
[লেখাটা আমার দুইজন প্রিয় বন্ধু টিটো আর কামরুলকে উৎসর্গ করলাম।যে দুজন মানুষের সাথে আমি চলচ্চিত্রের অনেক ভাবনা শেয়ার করেছি,তা ভেবে অনেক স্বপ্ন্ব ও দেখেছি।তা অতীতের কথা কিন্তু এখনও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি,এই দুজন একসময় মহৎ কোন শিল্প তৈরী করবে।আর এই লেখাটা নিয়ে নানান হা-হা,হি-হি আর ইমোর মাঝে ভাবনার খোরাক যোগাক,এটাই আসল কথা। 😉 ]
বাংলা সিনেমা নিয়ে লোকে নাক সিঁটকায়,এ আর নতুন কিছু নয়।কোন ভালো গল্প নেই,ভালো চিত্রনাট্য নেই,টেকনিশিয়ানরা দক্ষ নন,সঙ্গীতের অবস্থা খুবই সঙ্গীন,অভিনয় যাচ্ছেতাই,গুণী পরিচালকের অভাব-এরকম বিস্তর অভিযোগ।কিন্তু তারচেয়েও একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে-তথাকথিত রুচিশীল দর্শক বলে নিজেকে যারা উন্নত মনে করেন,তারা কি ভালো চলচ্চিত্রের কোন চাহিদা বাজারে তৈরী করতে পেরছেন?এওতো সত্য যে,দিনশেষে চলচ্চিত্র একটি পণ্য,যার ভিত্তি পুঁজির উপর দাঁড়িয়ে কিন্তু অন্য আর দশটা অর্থনৈতিক পণ্য থেকে এটি একটু আলাদা করা যায়,কারন এর একটা শিল্পগুণ রয়েছে যার সাথে কিছুটা সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।তাই এই পণ্যটিকে বাজারে সরবরাহের ক্ষেত্রে শুধু যোগানদাতার দোষ খুঁজলে হবেনা,চাহিদার দিকটাও দেখতে হয়।
১১ মে, ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানী সৈন্যরা আসছে জানতে পেরে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা রয়ে গেছে, তাদের আসলে যাবার আর কোন জায়গা নেই। অবশ্য সুলায়মান, রহমত এবং মফিজ-যারা কিনা বর্তমান ‘গন্ডগোল’ এর বিরুদ্ধে, তারা উলটো অধীর আগ্রহে পাক বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে।
অবশেষে দুপুরনাগাদ পাকি বাহিনী গ্রামের একেবারে উপকন্ঠে এসে পৌঁছলো। দলটা বেশি বড় নয়, কমান্ডিং অফিসার একজন মেজর। মেজর সরফরাজ গ্রামের একমাত্র পাকা স্কুল ঘরটায় একটা চেয়ার পেতে বসে তার এডভান্স টিমকে নির্দেশ দিলেন,
নাহয় বাউল, তাই বলে কি সবার মত মন,
মান-অভিমান, ভালোবাসা, প্রেমের আয়োজন
নেই এ বুকে? ঠিকানাহীন, তবুও যেন কোন সে অজানা
পথ হারানো ইচ্ছেরা চায় অটুট ঠিকানা।
শিমুল তুলোর মতোন হৃদয় হাওয়ায় ভেসে চ’লে
আটকে গেলে মাঠের বুকে তারেই আপন বলে।
এই ভিখীরির কোথায় অশন জুড়োতে তার প্রাণ?
তাই তোর তরে মোর এইটুকু রাগ, মায়ার অভিমান।
সোনার মেয়ে,
শিক্ষকতা এবং মোটিভেশনঃ কিছু ব্যক্তিকথন ও একান্ত চয়ন
[এই লেখাটা আমার সকল শিক্ষক এবং ছাত্রকে উৎসর্গ করা হল।]
আমার ক্যাডেট কলেজের এক বন্ধুর দু’টি কথা আমি সবসময় মনে রাখার, পালন করার এবং অনুভব করার চেষ্টা করি। সে একদিন আমাকে বলেছিল নেশা এবং পেশা এক হওয়াটা নাকি একটা বিরাট মানসিক প্রশান্তির ব্যাপার। আবার কোন এক সময় তার মুখেই শুনেছিলাম, সেইই প্রকৃত সুখী,
আজ রাতে শীত আসলেই বেশি পড়েছে, সামান্য এই চাদরে কিছুতেই মানতে চাইছে না। শীতে খাটের উপর রেবেকা কেমন গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে আছে, দেখে মায়াই লাগে। আহারে মেয়েটা কত রাত না জানি, না ঘুমিয়ে কাটিয়েছে। কম্বলটাও পুরান, পাতলা। রেবেকার শীত মানছে বলে মনে হয় না, কিন্তু শালা কিছুই করার নেই। বিয়ের পর মেজ ভাই যে নতুন কম্বলটা পাঠিয়েছিলেন করাচী থেকে বেশ ওম হত ওটাতে। কিন্তু সোলাইমানের বাচ্চা সব নিয়ে গেল।